Class 10 Bengali 2nd Unit Test Question Paper Set-1 wbbse | দশম শ্রেণি বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট সেট-১ পশ্চিমবঙ্গ বোর্ড

2ND SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 10 (X) WBBSE
BENGALI QUESTION PAPER

Class 10 Bengali 2nd Unit Test Question Paper Set-1 wbbse | দশম শ্রেণি বাংলা দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন সেট-১

📌দশম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 মাধ্যমিক সমস্ত বিষয় প্রশ্নপত্র Click Here

Set-1

দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
দশম শ্রেণি
বিষয় : বাংলা
পূর্ণমান : ৪০         সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট

১। সঠিক উত্তরটি বেছে নাও : ১×৭=৭

১.১ “বিরাগী হাসেন-আমার বুকের ভেতরেই যে সব __________ ।
(ক) দেবতা (খ) দেবস্থান (গ) তীর্থ (ঘ) স্বর্গ

১.২ কিরীটি ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন—
(ক) শিখণ্ডীর (খ) বৃহন্নলার
(গ) বিরাট পুত্রের (ঘ) উর্বশীর

১.৩ “তোমার চিন্তা নেই ঠাকুর”- এখানে ঠাকুর হলেন—
(ক) তেওয়ারি (খ) তলওয়ারকর
(গ) নিমাইবাবু (ঘ) অপূর্ব

১.৪ “ক্ষুরের দাপট তারায় লেগে উল্কা ছুটায় নীল……”—
(ক) গগনে (খ) আকাশে (গ) খিলানে (ঘ) দিগন্তে

১.৫ উপমিত কর্মধারয় সমাসে যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাকে বলা হয়—
(ক) উপমান (খ) উপমেয় (গ) রূপক (ঘ) সাধারণ ধর্ম

১.৬ পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয়—
(ক) দ্বন্দ্ব সমাসে (খ) দ্বিগু সমাসে
(গ) তৎপুরুষ সমাসে (ঘ) অব্যয়ীভাব সমাসে

১.৭ দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাকরণগত অর্থ—
(ক) ব্যাখ্যামূলক সমাস
(খ) সংযোগমূলক সমাস
(গ) বর্ণনামূলক সমাস
(ঘ) অলোপ সমাস

২। কমবেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো : ১×৮=৮

২.১ “পরম সুখ কাকে বলে জানেন ?”- বক্তা স্বয়ং পরম সুখ বলতে কী বুঝিয়েছেন ?

২.২ “আসছে ভয়ংকর”- ভয়ংকর কোন্ রূপে আসছে ?

২.৩ “হা ধিক মোরে”- বক্তা কী বলে নিজেকে ধিক্কার দিলেন ?

২.৪ “জগদীশবাবু চটিয়া উঠিয়া কহিলেন, দয়ার সাগর।”- জগদীশবাবুর চটার কারণ কী ?

২.৫ উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।

২.৬ অলোপ সমাস কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

২.৭ পঞ্চানন– ব্যাসবাক্য-সহ সমাস নির্ণয় করো।

২.৮ সমস্যমান পদ কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

৩। কম-বেশি ৬০টি শব্দে উত্তর দাও : ৩×২=৬

৩.১ “এবার মারি তো হাতি, লুঠি তো ভাণ্ডার”– এই প্রবাদ বাক্যটির সরল অর্থ কী ? বক্তা কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলেছেন ?

অথবা, “এতক্ষণে অপূর্ব তার পরিচ্ছদের প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া মুখ ফিরাইয়া হাসি গোপন করিল”- কার প্রতি দৃষ্টিপাত করেছিল অপূর্ব ? অপূর্বর হাসি পাওয়ার কারণ কী ছিল ? ১+২

৩.২ “কাঁপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি।”- লঙ্কা ও জলধি কেঁপে উঠল কেন ?

অথবা, “ওরে ওই স্তদ্ধ চরাচর।”- চরাচর ‘স্তব্ধ’ কেন ?

৪। কমবেশি ১৫০টি শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫x১=৫

৪.১ “আসছে নবীন-জীবন হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!”- ‘জীবন হারা অ-সুন্দর’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন ?
নবীনদের কবি কী রূপে প্রত্যাশা করেছেন তা কবিতা অবলম্বনে লেখো। ২+৩

৪.২ ‘পথের দাবী’ রচনাংশে অপূর্ব ভারতীয় হওয়ার কারণে কীভাবে অপমানিত হয়েছিলেন তা কাহিনি অবলম্বনে লেখো।
প্রসঙ্গক্রমে স্বদেশ প্রেমের দিক কীভাবে প্রকাশ হয় তা সংক্ষেপে লেখো। ৩+২

৫। কমবেশি ১২৫টি শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৪x১=৪

৫.১ “আমার এই অক্ষমতার জন্য তোমরা আমাকে ক্ষমা করো।”- বক্তা কাদের কাছে, কোন্ অক্ষমতা প্রকাশ করেছেন ?

৫.২ “পলাশি, রাক্ষসী পলাশি”- বক্তা কে ? বক্তা পলাশিকে ‘রাক্ষসী পলাশি’ বলেছেন কেন ? ১+৩

৬। কমবেশি ১৫০টি শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫×১=৫

৬.১ “অবশেষে বাংলা দলে জায়গা পেল কোনি”- কোনি কীভাবে বাংলা দলে জায়গা পেল ?

৬.২ কোনির জীবনে ক্ষিতীশের অবদান আলোচনা করো।

৭। কমবেশি ১৫০টি শব্দে একটি বিষয়ে প্রতিবেদন রচনা করো:

৭.১ “জলা বুজিয়ে সবুজ ধ্বংস করে আবাসন নয়”-এই বিষয়ে অবলম্বন করে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

৭.২ “সবার জন্য শিক্ষা”- এই নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি কাল্পনিক সংলাপ রচনা করো।

—সমস্ত প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর—

১। সঠিক উত্তরটি বেছে নাও : ১×৭=৭

১.১ উত্তরঃ (গ) তীর্থ।
১.২ উত্তরঃ (খ) বৃহন্নলার।
১.৩ উত্তরঃ (ক) তেওয়ারি।
১.৪ উত্তরঃ (গ) খিলানে।
১.৫ উত্তরঃ (ক) উপমান।
১.৬ উত্তরঃ (খ) দ্বিগু সমাসে।
১.৭ উত্তরঃ (খ) সংযোগমূলক সমাস।

২। কমবেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো : ১×৮=৮

২.১ “পরম সুখ কাকে বলে জানেন ?”- বক্তা স্বয়ং পরম সুখ বলতে কী বুঝিয়েছেন ?

উত্তরঃ কথাসাহিত্যিক সুবােধ ঘােষ রচিত ‘বহুরূপী’ গল্পে বিরাগী স্বয়ং সব সুখের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যাওয়াকেই ‘পরম সুখ’ বলে বােঝাতে চেয়েছেন।

২.২ “আসছে ভয়ংকর”- ভয়ংকর কোন্ রূপে আসছে ?

উত্তরঃ প্রলয় উল্লাস কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর।

২.৩ “হা ধিক মোরে”- বক্তা কী বলে নিজেকে ধিক্কার দিলেন ?

উত্তরঃ বক্তা অর্থাৎ মেঘনাদ নিজেকে ধিক্কার জানিয়েছে কারণ শত্রুর দল তার জন্মভূমি অর্থাৎ লঙ্কা ঘিরে ফেলেছে, অথচ সে তখন ‘বামাদল মাঝে’ আমোদ-প্রমোদে ব্যস্ত।

২.৪ “জগদীশবাবু চটিয়া উঠিয়া কহিলেন, দয়ার সাগর।”- জগদীশবাবুর চটার কারণ কী ?

উত্তরঃ ‘পথের দাবী’ রচনাংশ অনুসারে খানাতল্লাশির সময় গিরীশ মহাপাত্রের কাছে একটি গাঁজার কলকে পাওয়া যায়। গিরীশ জানায় যে, সে বন্ধুবান্ধবদের গাঁজা দিলেও নিজে খায় না। তার এ কথায় চটে গিয়ে জগদীশবাবু প্রশ্নোদ্ধৃত উক্তিটি করেছিলেন।

২.৫ উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলতে কী বোঝো ? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যোগ করে কৃদন্ত পদ গঠিত হয়। আর এই কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী নামপদকে বলা হয় উপপদ। সুতরাং যে তৎপুরুষ সমাসে উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন— ইন্দ্রকে জয় করেছেন যে = ইন্দ্রজিৎ। গৃহে বাস করে যে = গৃহস্থ। ইত্যাদি। এখানে ‘জয়’, ‘বাস’ পদদুটি হল উপপদ।

২.৬ অলোপ সমাস কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ যে সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্তপদে পরিণত হবার পরেও লোপ পায় না, বা থেকে যায়, তাকে অলোপ সমাস বলে। এর অপর নাম অলুক সমাস। যেমন– ঘরে ও বাইরে = ঘরেবাইরে (অলোপ দ্বন্দ্ব), দেশে ও বিদেশে = দেশে-বিদেশে (অলোপ দ্বন্দ্ব)

২.৭ পঞ্চানন– ব্যাসবাক্য-সহ সমাস নির্ণয় করো।

উত্তরঃ পঞ্চানন = পঞ্চ আনন যার— বহুব্রীহি সমাস।

২.৮ সমস্যমান পদ কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ যে কয়েকটি পদ মিলে সমাস হয় তাদের সমস্যমান পদ বলে। যেমন—বিলাত হতে ফেরত= বিলাতফেরত। এখানে ‘বিলাত’ ও ‘ফেরত’ পদ দুটো সমস্যমান পদ।

৩। কম-বেশি ৬০টি শব্দে উত্তর দাও : ৩×২=৬

৩.১ “এবার মারি তো হাতি, লুঠি তো ভাণ্ডার”– এই প্রবাদ বাক্যটির সরল অর্থ কী ? বক্তা কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলেছেন ?

সরল অর্থ: প্রবাদ বাক্যটির সরল অর্থ হলো— ছোটখাটো কোনো লক্ষ্য না রেখে, একবারে কোনো বড় কাজে হাত দেওয়া বা বিশাল কিছু লাভ করার চেষ্টা করা।

প্রসঙ্গ: সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে হরিদা যখন বিরাগী সেজে ধনী জগদীশবাবুর বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন, তখন এই প্রসঙ্গে কথাটি বলেন। তিনি জানান, এবার এমন চমত্কার সাজবেন যাতে একবারে অনেক বকশিশ বা বড় অংকের টাকা আদায় করা যায়।

অথবা, “এতক্ষণে অপূর্ব তার পরিচ্ছদের প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া মুখ ফিরাইয়া হাসি গোপন করিল”- কার প্রতি দৃষ্টিপাত করেছিল অপূর্ব ? অপূর্বর হাসি পাওয়ার কারণ কী ছিল ?

দৃষ্টিপাত: অপূর্ব গিরীশ মহাপাত্রের বিচিত্র পরিচ্ছদ বা পোশাক-আশাকের প্রতি দৃষ্টিপাত করেছিল।

হাসি পাওয়ার কারণ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসে গিরীশ মহাপাত্রের অদ্ভুত সাজগোজ দেখে অপূর্বর হাসি পেয়েছিল। তার মাথায় ছিল জাপানি সিল্কের রুমাল জড়ানো, গায়ে সবুজ রঙের জাপানি কোট, পরনে রামধনু রঙের শাড়ি এবং পায়ে ছিল সবুজ রঙের ফুল মোজা ও চামড়ার কোলাপুরি জুতো। এই খাপছাড়া ও হাস্যকর পোশাকের জন্যই অপূর্ব হাসি চেপে রাখতে পারেনি।

৩.২ “কাঁপিলা লঙ্কা, কাঁপিলা জলধি।”- লঙ্কা ও জলধি কেঁপে উঠল কেন ?

উত্তরঃ কেঁপে ওঠার কারণ: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ শুনে লঙ্কাধিপতি রাবণ যখন চরম ক্রুদ্ধ ও শোকাকুল হয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন, তখন বীরদর্পে তাঁর ধনুকের ছিলা থেকে এক প্রচণ্ড টঙ্কার বা শব্দ নির্গত হয়। রাবণের সেই ধনুকের মহাশব্দ ও রণসজ্জার গর্জন এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, সমগ্র লঙ্কাপুরী এবং চারপাশের সমুদ্র (জলধি) প্রকম্পিত হয়ে উঠেছিল।

অথবা, “ওরে ওই স্তদ্ধ চরাচর।”- চরাচর ‘স্তব্ধ’ কেন ?

স্তব্ধ হওয়ার কারণ: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ধ্বংসের দেবতা মহাকাল তথা শিবের প্রলয়ংকরী রূপের আগমনে সমগ্র চরাচর বা পৃথিবী স্তব্ধ হয়ে গেছে। কবি জানিয়েছেন, জীর্ণ ও পুরোনো সমাজকে ধ্বংস করে নতুনের প্রতিষ্ঠা করতে মহাকালের অট্টহাসি ধেয়ে আসছে। সেই আসন্ন মহাপ্রলয়ের তীব্র আতঙ্ক এবং পরম বিস্ময়ে গোটা বিশ্বচরাচর নিথর ও নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

৪। কমবেশি ১৫০টি শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫x১=৫

৪.১ “আসছে নবীন-জীবন হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!”- ‘জীবন হারা অ-সুন্দর’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন ? নবীনদের কবি কী রূপে প্রত্যাশা করেছেন তা কবিতা অবলম্বনে লেখো। (২+৩)

উত্তরঃ ‘জীবন হারা অ-সুন্দর’ এর তাৎপর্য: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ‘জীবন হারা অ-সুন্দর’ বলতে পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে গেড়ে বসা ব্রিটিশ শাসন, প্রাচীন জরাজীর্ণ ধ্যান-ধারণা, কুসংস্কার এবং জড়তাকে বোঝানো হয়েছে। যা কিছু সমাজকে স্থবির করে রাখে, মানুষের প্রাণশক্তিকে শ্বাসরোধ করে এবং ন্যায়ের পথকে অবরুদ্ধ করে, কবি তাকেই প্রাণহীন ও ‘অ-সুন্দর’ বলে অভিহিত করেছেন।

নবীনদের রূপের প্রত্যাশা:‌ কবি নজরুল নবীনদের মহাকালের রুদ্ররূপী শিব বা কালভৈরব রূপে প্রত্যাশা করেছেন। কবিতা অনুযায়ী, এই নবীন বা যুবসমাজ আসবে ঝোড়ো গতিতে, যাদের চুলে থাকবে ধোঁয়াটে আগুন এবং জটায় থাকবে বিদ্যুতের তীব্র আলো। তারা চিরকালের সুন্দর এবং সত্যের দূত। কবি বিশ্বাস করেন, এই তরুণেরা তাদের প্রলয়ংকরী উল্লাস ও অট্টহাসির মাধ্যমে পরাধীনতার সমস্ত শৃঙ্খল ভেঙে চুরমার করে দেবে। তারা মৃতপ্রায় জগতকে ধ্বংস করে এক নতুন, প্রাণবন্ত এবং স্বাধীন সকাল উপহার দেবে। অর্থাৎ, ধ্বংসের মধ্য দিয়েই তারা নব সৃষ্টির বার্তা বয়ে আনবে।

৪.২ ‘পথের দাবী’ রচনাংশে অপূর্ব ভারতীয় হওয়ার কারণে কীভাবে অপমানিত হয়েছিলেন তা কাহিনি অবলম্বনে লেখো। প্রসঙ্গক্রমে স্বদেশ প্রেমের দিক কীভাবে প্রকাশ হয় তা সংক্ষেপে লেখো। (৩+২)

উত্তরঃ ভারতীয় হওয়ার কারণে অপূর্বর অপমান: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ রচনাংশে অপূর্ব রামদাসের কাছে স্টেশনে তার ওপর ঘটা এক নির্মম অত্যাচারের বিবরণ দেয়। প্রথম শ্রেণীর যাত্রী হওয়া সত্ত্বেও কেবল ‘কালো আদমি’ বা ভারতীয় হওয়ার অপরাধে কয়েকজন ফিরিঙ্গি (ইংরেজ) যুবক তাকে বিনা কারণে ট্রেন থেকে নামিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, তাকে লাথি মেরে প্ল্যাটফর্মে ফেলে দেওয়া হয় এবং তার জিনিসপত্র ট্রেন থেকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। অপূর্ব এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্টেশনের ইউরোপীয় স্টেশন মাস্টারের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে, সে কোনো বিচার তো করেইনি, উল্টে অপূর্বকে সাহেবদের কামরা থেকে দূর হয়ে যাওয়ার আদেশ দেয় এবং অত্যন্ত অপমানজনকভাবে তাড়িয়ে দেয়।

স্বদেশ প্রেমের প্রকাশ:‌ এই চরম অপমানের ঘটনাটি অপূর্বর ভেতরের ঘুমন্ত স্বদেশপ্রেমকে জাগিয়ে তোলে। রামদাসের সামনে তার ক্ষোভ প্রকাশ পায় যখন সে বলে যে, এই অন্যায়ের চেয়েও বেশি তাকে ব্যথিত করেছে স্টেশনের বাকি ভারতীয়দের জড়তা ও নীরবতা। অপূর্ব স্পষ্ট ভাষায় জানায়, নিজের দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বিদেশি সাহেবদের এই অত্যাচার সে কোনোদিন ভুলবে না। সাহেবের লাথি খেয়েও তার নিজের মঙ্গলের চেয়ে দেশের এই পরাধীন লাঞ্ছনা তাকে বেশি দগ্ধ করেছে। নিজের আত্মমর্যাদাকে দেশের মর্যাদার সাথে এক করে দেখার এই মানসিকতাই অপূর্বর গভীর ও নিঃস্বার্থ স্বদেশপ্রেমকে ফুটিয়ে তোলে।

৫। কমবেশি ১২৫টি শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৪x১=৪

৫.১ “আমার এই অক্ষমতার জন্য তোমরা আমাকে ক্ষমা করো।”- বক্তা কাদের কাছে, কোন্ অক্ষমতা প্রকাশ করেছেন ? (৪)

উত্তরঃ বক্তা ও শ্রোতা: শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাট্যাংশে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ফরাসি প্রতিনিধি মসিয়ে লাঁ-র কাছে এই উক্তিটি করেছেন।

অক্ষমতা প্রকাশের কারণ: ইংরেজরা চন্দননগর দখল করার পর ফরাসিরা নবাবের কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। নবাব ফরাসিদের বন্ধু বলে মনে করতেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় আলিবর্দি খাঁর আমল থেকে নবাবের রাজকোষে যে বিপুল অর্থসংকট তৈরি হয়েছিল, তা সিরাজকে দুর্বল করে দিয়েছিল। তাছাড়া, একদিকে মারাঠা এবং অন্যদিকে আফগান বীর আহমদ শাহ আবদালীর আক্রমণের আশঙ্কায় নবাবের সেনাবাহিনী ব্যস্ত ছিল। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে মীরজাফর, ঘসেটি বেগম এবং উমিচাঁদদের মতো বিশ্বস্তদের চরম ষড়যন্ত্রের কারণে নবাবের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও অত্যন্ত টালমাটাল ছিল। ইংরেজদের বিরুদ্ধে নতুন কোনো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার মতো ক্ষমতা নবাবের সেনাবাহিনীর তখন ছিল না। ফরাসিদের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতি থাকা সত্ত্বেও এই নানাবিধ রাজনৈতিক ও সামরিক সংকটের কারণে নবাব তাঁদের সৈন্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেননি। এই রাজনৈতিক ও সামরিক অপারগতাকেই নবাব এখানে তাঁর ‘অক্ষমতা’ বলে প্রকাশ করেছেন।

৫.২ “পলাশি, রাক্ষসী পলাশি”- বক্তা কে ? বক্তা পলাশিকে ‘রাক্ষসী পলাশি’ বলেছেন কেন ? (১+৩)

বক্তা: উদ্ধৃত অংশটির বক্তা হলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা।

‘রাক্ষসী পলাশি’ বলার কারণ—

পলাশীর যুদ্ধক্ষেত্রটি বাংলার ইতিহাসে এক কলঙ্কিত ও চরম ট্র্যাজেডির স্থান। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ভালো করেই জানতেন যে, তাঁরই মন্ত্রী, সেনাপতি এবং কাছের মানুষজন (যেমন মীরজাফর, রায়দুর্লভ, জগৎশেঠ) ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গোপনে তাঁর পতনের জাল বুনেছে। পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ জেতার চেয়ে নবাবকে সিংহাসনচ্যুত করার চক্রান্তই ছিল মুখ্য।
নবাব বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই যুদ্ধের পরিণতি বাংলার স্বাধীনতাকে চিরতরে গ্রাস করবে। পলাশীর মাটি যেন নবাবের সাজানো রাজ্য, তাঁর সম্মান এবং বাংলার আপামর মানুষের স্বাধীনতা গ্রাস করার জন্য এক করাল রূপ ধারণ করেছিল। রাক্ষসী যেমন নির্দয়ভাবে কোনো কিছুকে বিনাশ করে, তেমনি পলাশীর যুদ্ধক্ষেত্রটিও নবাবের স্বপ্ন, তাঁর বিশ্বস্ত সৈন্যদের প্রাণ এবং বাংলার ভাগ্যকে নিষ্ঠুরভাবে বলী দিতে চলেছিল। আসন্ন পরাজয় এবং অন্ধকারের এই নির্মম ভবিষ্যৎকে উপলব্ধি করেই নবাব চরম হাহাকার ও ক্ষোভে পলাশী প্রান্তরকে ‘রাক্ষসী পলাশি’ বলে সম্বোধন করেছেন।

৬। কমবেশি ১৫০টি শব্দে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫×১=৫

৬.১ “অবশেষে বাংলা দলে জায়গা পেল কোনি”- কোনি কীভাবে বাংলা দলে জায়গা পেল ? (৫)

উত্তরঃ বাংলা দলে কোনি-র জায়গা পাওয়ার কাহিনি—

মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসে গঙ্গার ঘাট থেকে মাদ্রাজ (চেন্নাই) জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতা পর্যন্ত কোনির যাত্রা ছিল চরম লড়াই ও বঞ্চনার ইতিহাস। জুপিটার ক্লাবের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং অমিয় ও হরিচরণের চক্রান্তে কোনিকে বারবার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশের কঠোর অনুশীলন কোনিকে অপ্রতিরোধ্য করে তোলে।

হরিচরণ ও বিনোদ ভরদ্বাজরা চেয়েছিল প্রণতি বা অমিয়কে মূল দলে রাখতে। কিন্তু বালিগঞ্জ ক্লাবের প্রণতি মৈত্র অসুস্থ হয়ে পড়ায় এবং বোম্বেতে অনুষ্ঠিত একটি ট্রায়ালে কোনির টাইমিং অসাধারণ হওয়ায় তাকে শেষ মুহূর্তে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হয় নির্বাচকরা। তবে সেখানেও তাকে বসিয়ে রাখার চক্রান্ত চলে।

মাদ্রাজে জাতীয় প্রতিযোগিতায় বাংলার সাঁতারু হীমা চ্যাটার্জি ব্যক্তিগত কারণে বা অপেশাদার আচরণের জন্য প্রথম দিনের ইভেন্টে ব্যর্থ হয়। এরপর দলের মেন্টর ও কর্মকর্তাদের অহংকার ভেঙে পড়ে এবং তারা বুঝতে পারে মেডেল জিততে হলে কোনি ছাড়া গতি নেই। অবশেষে হীমার পরিবর্তে রিলে রেসে এবং পরবর্তীতে ব্যক্তিগত ১০০ মিটার ফ্রি-স্টাইলে কোনিকে বাংলা দলের হয়ে জলে নামার সুযোগ দেওয়া হয়। এভাবেই সমস্ত নোংরা রাজনীতিকে হারিয়ে নিজের প্রতিভা ও ভাগ্যের জোরে কোনি অবশেষে বাংলা দলে মূল প্রতিযোগী হিসেবে জায়গা করে নেয়।

৬.২ কোনির জীবনে ক্ষিতীশের অবদান আলোচনা করো। (৫)

উত্তরঃ কোনির জীবনে ক্ষিতীশের অবদান: মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসের মূল ভিত্তিই হলো সাঁতারু কোনি এবং তার কোচ ক্ষিতীশ সিংহের পারস্পরিক সম্পর্ক। ক্ষিতীশ না থাকলে বস্তির সাধারণ মেয়ে কনকচাঁপা পালের পক্ষে কোনোদিনই জাতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব হতো না। কোনির জীবনে ক্ষিতীশের অবদানকে নিম্নলিখিত কয়েকটি স্তরে আলোচনা করা যায়:

প্রতিভা অন্বেষণ ও আশ্রয় দান: গঙ্গার ঘাটে আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে কোনির ভেতরের ছটফটে জেদ এবং শারীরিক ক্ষমতা প্রথম লক্ষ্য করেন ক্ষিতীশ। কোনির বড়দা মোহিতের মৃত্যুর পর চরম দারিদ্র্যের মুখে ক্ষিতীশই তাদের পাশে দাঁড়ান। তিনি কোনির খাওয়ার জন্য নিজের পকেট থেকে ডিম, কলা ও দুধের ব্যবস্থা করেন, যা একজন কোচের কর্তব্যের চেয়েও অনেক বেশি ছিল।

কঠোর শৃঙ্খলা ও প্রশিক্ষণ: ক্ষিতীশ ছিলেন একজন কঠোর অনুশাসক। ভোর বেলা থেকে শুরু করে ঘড়ি ধরে কোনিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জলে অনুশীলন করাতেন। কোনির ক্লান্তি বা অনীহাকে তিনি প্রশ্রয় দিতেন না। “যাকে আমি তৈরি করছি, সে সাধারণের চেয়ে চড়া সুরে বাঁধা থাকবে”— এই ছিল ক্ষিতীশের মূল মন্ত্র।

মানসিক অনুপ্রেরণা ও ‘চিঁড়িয়া’ মন্ত্র: কোনি যখনই হতাশ হয়ে পড়েছে বা জুপিটারের নোংরা রাজনীতির শিকার হয়ে ভেঙে পড়েছে, ক্ষিতীশ তাকে উদ্দীপিত করেছেন। হীমা চ্যাটার্জির নাম বা জুপিটারের বঞ্চনাকে তিনি কোনির মনের মধ্যে ‘চিঁড়িয়া’ বা জেদ হিসেবে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন, যা কোনিকে জলে ঝড় তোলার অনুপ্রেরণা দিত।

উপসংহার: এক কথায়, ক্ষিতীশ কেবল একজন সাঁতারের শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন কোনির অভিভাবক, মেন্টর এবং পথপ্রদর্শক। নিজের সর্বস্ব ও সম্মান বিসর্জন দিয়েও তিনি কোনিকে চ্যাম্পিয়ন করার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি। ক্ষিতীশের এই নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও ইস্পাতকঠিন জেদই কোনিকে সফলতার শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।

৭। কমবেশি ১৫০টি শব্দে একটি বিষয়ে প্রতিবেদন রচনা করো: ৫

৭.১ “জলা বুজিয়ে সবুজ ধ্বংস করে আবাসন নয়”

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা, ২৬শে জুলাই, ২০২৬: বেআইনিভাবে জলাশয় ভরাট এবং নির্বিচারে গাছ কেটে বহুতল আবাসন নির্মাণের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন কলকাতার পরিবেশপ্রেমী ও সাধারণ নাগরিকরা। গতকাল মহানগরের এক বিস্তীর্ণ অঞ্চলে “জলা বুজিয়ে সবুজ ধ্বংস করে আবাসন নয়” এই স্লোগানকে সামনে রেখে এক বিশাল নাগরিক প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়।

বিগত কয়েক বছর ধরে শহরের ফুসফুস বলে পরিচিত জলাভূমি ও সবুজ অঞ্চলগুলি প্রোমোটার চক্রের গ্রাসে চলে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশের মদতে রাতের অন্ধকারে একের পর এক পুকুর বোজানো হচ্ছে। এর ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ছে এবং হারিয়ে যাচ্ছে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেন, এভাবে সবুজ ধ্বংস হতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে শহরটি এক চরম পরিবেশগত সংকটের মুখোমুখি হবে। ভূগর্ভস্থ জলের স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে যাচ্ছে এবং বাতাসে বাড়ছে দূষণের মাত্রা। নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছে, অবিলম্বে এই বেআইনি নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে হবে এবং দোষী প্রোমোটারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সঙ্গে ভরাট হওয়া জলাশয়গুলিকে পুনরায় সংস্কার করার জন্য সরকারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। প্রকৃতিকে ধ্বংস করে কংক্রিটের জঙ্গল তৈরি রুখতে সাধারণ মানুষকেও আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

৭.২ “সবার জন্য শিক্ষা” নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে কাল্পনিক সংলাপ।

চরিত্র: অনীক ও রাহুল।

স্থান: স্কুলের মাঠ।

অনীক: কীরে রাহুল? এত গম্ভীর হয়ে কী ভাবছিস রে?

রাহুল: আরে অনীক, আসার পথে দেখলুম আমাদের পাড়ার চায়ের দোকানের ছোট ছেলেটা আজ দোকানে কাজ করছে। অথচ আজ ওর স্কুলে থাকার কথা ছিল। এটা দেখেই ভাবছিলাম, আমাদের দেশে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটা কি কেবল খাতা-কলমেই রয়ে যাবে?

অনীক: একদম ঠিক বলেছিস। সরকার তো অবৈতনিক শিক্ষা ও মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করেছে, তাও অনেক শিশু দারিদ্র্যের কারণে স্কুলেই যেতে পারে না। পেটের টানে ওদের কম বয়সেই কাজে নামতে হয়।

রাহুল: ঠিক তাই। শুধু আইন তৈরি করলেই তো হবে না, যতক্ষণ না মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং সচেতনতা বাড়ছে, ততক্ষণ শিক্ষার অধিকার পুরোপুরি বাস্তবায়িত হবে না। দেশের প্রতিটা শিশুর শিক্ষা পাওয়া উচিত, কারণ ওরাই তো দেশের ভবিষ্যৎ।

অনীক: শুধু অর্থনৈতিক সমস্যাই নয় রাহুল, আমাদের দেশের পরিকাঠামোরও অনেক খামতি আছে। অনেক প্রত্যন্ত গ্রামে আজও ভালো স্কুল নেই, পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই।

রাহুল: একদম। আর বর্তমান যুগে শিক্ষার ডিজিটাল পরিকাঠামোও দরকার। বড়লোকদের সন্তানরা আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা পাচ্ছে, অথচ গরিব ঘরের ছেলেমেয়েরা সাধারণ বইখাতাই ঠিকমতো পায় না। এই বৈষম্য দূর করা খুব জরুরি।

অনীক: আমার মনে হয়, সরকারের পাশাপাশি আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যদি আমাদের আশেপাশে থাকা এমন সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের অন্তত সপ্তাহে একদিনও নিখরচায় পড়তে সাহায্য করি, তবে কিছুটা হলেও বদল আসবে।

রাহুল: দারুণ বলেছিস অনীক! শিক্ষার আলো সবার ঘরে পৌঁছালেই সমাজ থেকে কুসংস্কার ও অপরাধ দূর হবে। চল, আজ থেকেই আমরা দুজনে মিলে আমাদের পাড়ার ওই ছেলেটার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করি।

অনীক: হ্যাঁ চল, একটা ভালো কাজ দিয়ে শুরু করা যাক!

📌 আরো দেখুনঃ

📌দশম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 মাধ্যমিক সমস্ত বিষয় প্রশ্নপত্র Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply