প্রিয় ছাত্রছাত্রী, একাদশ শ্রেণির (Class 11) নতুন সিলেবাসের (Semester-1) বাংলা পাঠ্যসূচিতে থাকা মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবিতা’ থেকে আজ আমরা নিয়ে এসেছি একটি বিশেষ প্রশ্ন-উত্তর ভাণ্ডার। নতুন সেমিস্টার পরীক্ষায় ওএমআর (OMR) শিটে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার জন্য খুঁটিনাটি MCQ প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।
তাই পুরো কবিতাটি বিশ্লেষণ করে তোমাদের সুবিধার জন্য মোট সাত ধরনের ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে (ক্যাটাগরিতে) সম্ভাব্য সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সাজিয়ে দেওয়া হলো। আশা করি এই প্রশ্নোত্তরগুলো তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে দারুণ ভাবে সাহায্য করবে। চলো, তবে শুরু করা যাক!
SEMESTER – I
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
______________________________________
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবিতার MCQ প্রশ্ন উত্তর | Ishwar Chandra Vidyasagar Question Answer
বিভাগ ক: সাধারণ এমসিকিউ (Direct MCQ)
১. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) কাজী নজরুল ইসলাম
(গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
(ঘ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তরঃ (গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কী জাতীয় কবিতা?
(ক) গীতিকবিতা
(খ) সনেট বা চতুর্দশপদী
(গ) মহাকাব্যিক কবিতা
(ঘ) শোকগাথা
উত্তরঃ (খ) সনেট বা চতুর্দশপদী
৩. কবিতাটি কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
(ক) তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
(খ) বীরাঙ্গনা কাব্য
(গ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
(ঘ) ব্রজাঙ্গনা কাব্য
উত্তরঃ (গ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
৪. ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কাব্যগ্রন্থে ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কত সংখ্যক সনেট?
(ক) ৮২ তম
(খ) ৮৪ তম
(গ) ৮৬ তম
(ঘ) ৮৮ তম
উত্তরঃ (গ) ৮৬ তম
৫. কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন দেশে অবস্থানকালে এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন?
(ক) ইংল্যান্ড
(খ) ফ্রান্স
(গ) জার্মানি
(ঘ) ইতালি
উত্তরঃ (খ) ফ্রান্স
৬. ফ্রান্সের কোন শহরে বসে কবি এই সনেটটি লিখেছিলেন?
(ক) প্যারিস
(খ) ভার্সাই
(গ) লিঁও
(ঘ) মার্সেই
উত্তরঃ (খ) ভার্সাই
৭. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ সনেটটি কত সালে রচিত হয়েছিল?
(ক) ১৮৬২ সালে
(খ) ১৮৬৪ সালে
(গ) ১৮৬৬ সালে
(ঘ) ১৮馆০ সালে
উত্তরঃ (গ) ১৮৬৬ সালে
৮. কবিতাটির প্রথম পঙ্ক্তিটি কী?
(ক) “করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,”
(খ) “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;”
(গ) “হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,”
(ঘ) “যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে”
উত্তরঃ (খ) “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;”
৯. কবি বিদ্যাসাগরকে ভারতের বুকে কী হিসেবে উল্লেখ করেছেন?
(ক) দয়ার সাগর
(খ) বিদ্যার সাগর
(গ) জ্ঞানের আলো
(ঘ) ক্ষমার সাগর
উত্তরঃ (খ) বিদ্যার সাগর
১০. কবি বিদ্যাসাগরের মনকে কার সাথে তুলনা করেছেন?
(ক) মহাসমুদ্র
(খ) আকাশ
(গ) হেমাদ্রি বা হিমালয়
(ঘ) অরণ্য
উত্তরঃ (গ) হেমাদ্রি বা হিমালয়
১১. “হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি…” — এখানে ‘হেমাদ্রি’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) সুমেরু পর্বত
(খ) হিমালয় পর্বত
(গ) বিন্ধ্য পর্বত
(ঘ) উদয়গিরি
উত্তরঃ (খ) হিমালয় পর্বত
১২. কবি বিদ্যাসাগরকে কেমন mati বা বুদ্ধিসম্পন্ন বলেছেন?
(ক) চঞ্চল মতি
(খ) প্রগাঢ় মতি
(গ) সরল মতি
(ঘ) উদার মতি
উত্তরঃ (খ) প্রগাঢ় মতি
১৩. হিমালয়ের বরক্ষরণ বা বরফ গলার সাথে বিদ্যাসাগরের কোন গুণের তুলনা করা হয়েছে?
(ক) জ্ঞান বিতরণ
(খ) করুণা বা দয়ার ধারা
(গ) ক্রোধের প্রকাশ
(ঘ) অহংকার
উত্তরঃ (খ) করুণা বা দয়ার ধারা
১৪. “করুণার সিন্ধু তুমি…” — এখানে ‘সিন্ধু’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) নদী
(খ) সমুদ্র
(গ) হ্রদ
(ঘ) ঝরনা
উত্তরঃ (খ) সমুদ্র
১৫. বিদ্যাসাগরকে ‘করুণার সিন্ধু’ বলে কে মনে মনে জানেন?
(ক) সাধারণ দেশবাসী
(খ) দীন বা দরিদ্র সমাজ
(গ) রাজন্যবর্গ
(ঘ) কবি নিজে
উত্তরঃ (খ) দীন বা দরিদ্র সমাজ (কিংবা যে জন আকুল চিত্তে তাঁর সমীপে যায়)
১৬. “দীন যে, সে জানে মনে;—” — দীনেরা বিদ্যাসাগরকে কী বলে মনে করেন?
(ক) পরমেশ্বর
(খ) করুণার সিন্ধু
(গ) জ্ঞানের আলো
(ঘ) রক্ষাকর্তা
উত্তরঃ (খ) করুণার সিন্ধু
১৭. “যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে…” — ‘সমীপে’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) দূরে
(খ) কাছে বা নিকটে
(গ) হৃদয়ে
(ঘ) সম্মুখে
উত্তরঃ (খ) কাছে বা নিকটে
১৮. আকুল চিত্তে বিদ্যাসাগরের কাছে গেলে কী দূর হয়?
(ক) মনের ভ্রম
(খ) ক্ষধার জ্বালা
(গ) মনের তাপ বা দুঃখ
(ঘ) অজ্ঞানতা
উত্তরঃ (গ) মনের তাপ বা দুঃখ
১৯. বিদ্যাসাগরের করুণাধারাকে কবি কার সাথে তুলনা করেছেন?
(ক) গঙ্গা নদী
(খ) সুরনদী বা গঙ্গার পুণ্যধারা
(ग) সুশীতল বৃষ্টি
(ঘ) ঝরনার জল
উত্তরঃ (খ) সুরনদী বা গঙ্গার পুণ্যধারা
২০. “জুড়ায় জুড়াইতে মন সুরনদী-ধারে।” — এখানে ‘সুরনদী’ বলতে কোন নদীকে বোঝানো হয়েছে?
(ক) যমুনা
(খ) সরস্বতী
(গ) স্বর্গীয় নদী গঙ্গা
(ঘ) নর্মদা
উত্তরঃ (গ) স্বর্গীয় নদী গঙ্গা
২১. এই সনেটের অষ্টক (প্রথম ৮ লাইন) অংশে মূলত বিদ্যাসাগরের কোন দুটি গুণের কথা বলা হয়েছে?
(ক) বীরত্ব ও দেশপ্রেম
(খ) পাণ্ডিত্য (বিদ্যা) ও দয়া (করুণা)
(গ) ক্ষমা ও সততা
(ঘ) বৈরাগ্য ও সাধনা
উত্তরঃ (খ) পাণ্ডিত্য (বিদ্যা) ও দয়া (করুণা)
২২. চতুর্দশপদী কবিতার গঠনে প্রথম আটটি পঙ্ক্তিকে কী বলা হয়?
(ক) ষটক
(খ) অষ্টক
(গ) স্তবক
(ঘ) অন্ত্যমিল
উত্তরঃ (খ) অষ্টক
২৩. চতুর্দশপদী কবিতার শেষ ছয়টি পঙ্ক্তিকে কী বলা হয়?
(ক) অষ্টক
(খ) ষটক
(গ) चरण
(ঘ) মিল
উত্তরঃ (খ) ষটক
২৪. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটিতে মোট কতগুলি পঙ্ক্তি বা লাইন আছে?
(ক) ১২টি
(খ) ১৪টি
(গ) ১৬টি
(ঘ) ১৮টি
উত্তরঃ (খ) ১৪টি
২৫. চতুর্দশপদী কবিতার প্রতিটি লাইনে কতগুলি করে অক্ষর থাকে?
(ক) ১০টি
(খ) ১২টি
(গ) ১৪টি
(ঘ) ১৮টি
উত্তরঃ (গ) ১৪টি
২৬. এই কবিতাটিতে কোন ছন্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়?
(ক) দলবৃত্ত
(খ) কলাবৃত্ত
(গ) অমিত্রাক্ষর
(ঘ) মুক্তক
উত্তরঃ (গ) অমিত্রাক্ষর
২৭. কবি ফ্রান্সে থাকাকালীন কোন সংকটে পড়ে বিদ্যাসাগরের সাহায্য পেয়েছিলেন?
(ক) পারিবারিক সংকট
(খ) চরম আর্থিক সংকট
(গ) রাজনৈতিক সংকট
(ঘ) স্বাস্থ্যগত সংকট
উত্তরঃ (খ) চরম আর্থিক সংকট
২৮. বিদ্যাসাগরের প্রতি কবির এই কবিতাটি রচনার মূল প্রেরণা কী ছিল?
(ক) সামাজিক দায়িত্ব
(খ) পুরস্কার লাভ
(গ) গভীর কৃতজ্ঞতাবোধ ও শ্রদ্ধা
(ঘ) বিদ্যাসাগরের অনুরোধ
উত্তরঃ (গ) গভীর কৃতজ্ঞতাবোধ ও শ্রদ্ধা
২৯. “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;” — এই লাইনে ‘ভারতে’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) ভারত উপন্যাসে
(খ) ভারতবর্ষ বা ভারত দেশে
(গ) মহাভারতে
(ঘ) কাব্যে
উত্তরঃ (খ) ভারতবর্ষ বা ভারত দেশে
৩০. বিদ্যাসাগরের অক্ষয় কীর্তি ভারতের বুকে কীভাবে বিরাজমান?
(ক) সুউচ্চ অট্টালিকার মতো
(খ) হিমালয়ের মতো অনড় ও মহান রূপে
(গ) ক্ষণস্থায়ী মেঘের মতো
(ঘ) নদীর বালুচরের মতো
উত্তরঃ (খ) হিমালয়ের মতো অনড় ও মহান রূপে
৩১. বিদ্যাসাগর মহাশয়কে আধুনিক বাঙালি সমাজ কী নামে চেনে?
(ক) বিশ্বকবি
(খ) দয়ার সাগর
(গ) কাব্যঋষি
(ঘ) বিদ্রোহী কবি
উত্তরঃ (খ) দয়ার সাগর
৩২. মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাংলা সনেটের জনক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে কোন কাব্যের মাধ্যমে?
(ক) বীরাঙ্গনা
(খ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
(গ) মেঘনাদবধ কাব্য
(ঘ) ক্যাপটিভ লেডি
উত্তরঃ (খ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
৩৩. সনেটের প্রবক্তা ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের দুটি ভাগ কী কী?
(ক) প্রথম ও শেষ
(খ) পূর্বরঙ্গ ও উত্তররঙ্গ
(গ) অষ্টক ও ষটক
(ঘ) আদি ও অন্ত
উত্তরঃ (গ) অষ্টক ও ষটক
৩৪. “করুণার সিন্ধু তুমি…” এই চরণে বিদ্যাসাগরের চরিত্রের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
(ক) তাঁর পাণ্ডিত্য
(খ) তাঁর অসীম পরোপকারিতা ও দয়া
(গ) তাঁর কঠোর নিয়মাবর্তিতা
(ঘ) তাঁর জেদি মনোভাব
উত্তরঃ (খ) তাঁর অসীম পরোপকারিতা ও দয়া
৩৫. মধুকবি বিদ্যাসাগরকে “হেমাদ্রি-সদৃশ” বলেছেন কারণ—
(ক) তিনি ফর্সা ছিলেন
(খ) হিমালয়ের মতোই তাঁর জ্ঞান ও ব্যক্তিত্ব মহিমান্বিত এবং উদার
(গ) তিনি পাহাড়ে বাস করতেন
(ঘ) তিনি খুব ধনী ছিলেন
উত্তরঃ (খ) হিমালয়ের মতোই তাঁর জ্ঞান ও ব্যক্তিত্ব মহিমান্বিত এবং উদার
৩৬. কবিতাটিতে কবির মনের কোন আবেগটি সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পেয়েছে?
(ক) দুঃখ ও হতাশা
(খ) ভক্তি ও পরম কৃতজ্ঞতা
(গ) ক্ষোভ ও রাগ
(ঘ) আনন্দ ও উল্লাস
উত্তরঃ (খ) ভক্তি ও পরম কৃতজ্ঞতা
৩৭. বিদ্যাসাগরের দানশীলতাকে কবি কার সাথে তুলনা করেছেন?
(ক) বৃষ্টির জলের সাথে
(খ) হিমালয় থেকে গলে পড়া পুণ্য স্রোতের সাথে
(গ) সাধারণ খালের জলের সাথে
(ঘ) সিসিরের সাথে
উত্তরঃ (খ) হিমালয় থেকে গলে পড়া পুণ্য স্রোতের সাথে
৩৮. ‘প্রগাঢ়’ শব্দের সঠিক অর্থ কী?
(ক) হালকা
(খ) গভীর বা সুনিবিড়
(গ) চঞ্চল
(ঘ) সামান্য
উত্তরঃ (খ) গভীর বা সুনিবিড়
৩৯. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ সনেটটি মূলত একটি—
(ক) কাল্পনিক কবিতা
(খ) ব্যক্তি-প্রশস্তিমূলক সনেট
(গ) প্রকৃতিবিষয়ক সনেট
(ঘ) স্বদেশপ্রেমের কবিতা
উত্তরঃ (খ) ব্যক্তি-প্রশস্তিমূলক সনেট
৪০. “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;” — এই চরণে কার খ্যাতির কথা বলা হয়েছে?
(ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
(খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
(গ) রাজা রামমোহন রায়
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তরঃ (খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বিভাগ খ: শূন্যস্থান পূরণ এমসিকিউ (Fill in the Blanks)
৪১. বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ________;
(ক) জগতে
(খ) সমাজে
(গ) ভারতে
(ঘ) ভুবনে
উত্তরঃ (গ) ভারতে
৪২. ________ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,
(ক) জলধি-সদৃশ
(খ) হেমাদ্রি-সদৃশ
(গ) গগন-সদৃশ
(ঘ) পবন-সদৃশ
উত্তরঃ (খ) হেমাদ্রি-সদৃশ
৪৩. মুক্তাফলে যথা তথা ________ ক্ষরে
(ক) জলধারা
(খ) রৌপ্যধারা
(গ) সুধাধারা
(ঘ) বরফধারা
উত্তরঃ (গ) সুধাধারা
৪৪. হিমাদ্রির হিমালয়-রূপ গলে পড়া সুধাধারা ________ দিকে বয়ে যায়।
(ক) চতুষ্পার্শ্বে
(খ) নিম্নদেশে
(গ) ঊর্ধ্বদেশে
(ঘ) অন্তরীক্ষে
উত্তরঃ (খ) নিম্নদেশে
৪৫. ________ সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,
(ক) দয়ার
(খ) জ্ঞানের
(গ) করুণার
(ঘ) ক্ষমার
উত্তরঃ (গ) করুণার
৪৬. ________ যে, সে জানে মনে;—
(ক) অন্ধ
(খ) মূর্খ
(গ) দীন
(ঘ) ধনী
উত্তরঃ (গ) দীন
৪৭. যে জন আকুল ________ তোমার সমীপে
(ক) বাক্যে
(খ) চিত্তে
(গ) নেত্রে
(ঘ) প্রাণে
উত্তরঃ (খ) চিত্তে
৪৮. আকুল চিত্তে সমীপে গেলে বিদ্যাসাগর তার ________ দূর করেন।
(ক) মনের ভ্রম
(খ) ক্ষধার জ্বালা
(গ) মনের তাপ
(ঘ) দারিদ্র্য
উত্তরঃ (গ) মনের তাপ
৪৯. জুড়ায় জুড়াইতে মন ________।
(ক) গঙ্গা-ধারে
(খ) সুরনদী-ধারে
(গ) নদী-ধারে
(ঘ) ঝরনা-ধারে
উত্তরঃ (খ) সুরনদী-ধারে
৫০. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কবি ফ্রান্সে থাকাকালীন ________ সালে রচনা করেন।
(ক) ১৮৬২
(খ) ১৮৬৪
(গ) ১৮৬৬
(ঘ) ১৮৬৮
উত্তরঃ (গ) ১৮৬৬
৫১. এই কবিতাটি কবির বিখ্যাত ________ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
(ক) বীরাঙ্গনা
(খ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
(গ) তিলোত্তমাসম্ভব
(ঘ) ব্রজাঙ্গনা
উত্তরঃ (খ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
৫২. ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্থে এটি হল ________ সংখ্যক সনেট।
(ক) ৮২ তম
(খ) ৮৪ তম
(গ) ৮৬ তম
(ঘ) ৮৮ তম
উত্তরঃ (গ) ৮৬ তম
৫৩. সনেটের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম ৮টি পঙ্ক্তিকে ________ বলা হয়।
(ক) ষটক
(খ) অষ্টক
(গ) স্তবক
(ঘ) চরণ
উত্তরঃ (খ) অষ্টক
৫৪. সনেটের শেষ ৬টি পঙ্ক্তিকে ________ বলা হয়।
(ক) অষ্টক
(খ) ষটক
(গ) অন্ত্যমিল
(ঘ) শ্লোক
উত্তরঃ (খ) ষটক
৫৫. “হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,” — এখানে ‘প্রগাঢ়’ শব্দের অর্থ ________।
(ক) চঞ্চল
(খ) গভীর
(গ) সামান্য
(ঘ) কঠিন
উত্তরঃ (খ) গভীর
৫৬. বিদ্যাসাগরের দয়ার ধারাকে কবি গঙ্গার পুণ্যধারা বা ________ সাথে তুলনা করেছেন।
(ক) বৃষ্টির জলের
(খ) সুরনদী-ধারের
(গ) সমুদ্র তরঙ্গের
(ঘ) মেঘমালার
উত্তরঃ (খ) সুরনদী-ধারের
৫৭. কবিতাটিতে বিদ্যাসাগরের পাণ্ডিত্য ও পরোপকারিতার প্রতি কবির গভীর ________ প্রকাশ পেয়েছে।
(ক) করুণা
(খ) অবজ্ঞা
(গ) কৃতজ্ঞতাবোধ
(ঘ) দুঃখ
উত্তরঃ (গ) কৃতজ্ঞতাবোধ
৫৮. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি একটি ১৪ লাইনের ________ কবিতা।
(ক) গীতিকবিতা
(খ) সনেট
(গ) মহাকাব্যিক
(ঘ) ব্যঙ্গাত্মক
উত্তরঃ (খ) সনেট
৫৯. “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;” — লাইনটিতে ‘ভারতে’ বলতে ________ বোঝানো হয়েছে।
(ক) মহাভারতে
(খ) কাব্যে
(গ) ভারতবর্ষে
(ঘ) উপন্যাসে
উত্তরঃ (গ) ভারতবর্ষে
৬০. বিদ্যাসাগরের চিত্তকে কবি সুউচ্চ ________ পর্বতের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
(ক) আল্পস
(খ) হিমালয়
(গ) বিন্ধ্য
(ঘ) আরাবল্লী
উত্তরঃ (খ) হিমালয়
বিভাগ গ: নিচের কবিতাংশটি পড়ে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো:
৬১. কবিতাংশ: “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে; / হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,”
প্রশ্ন: এই পঙ্ক্তি দুটির মধ্য দিয়ে বিদ্যাসাগরের চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে?
(ক) তাঁর কেবলই বিষয়বুদ্ধি ও চাতুর্য
(খ) তাঁর সুউচ্চ হিমালয়তুল্য ব্যক্তিত্ব, গভীর মনন ও বিশ্বজোড়া পাণ্ডিত্য
(গ) তাঁর কঠোর স্বভাব ও মানুষের প্রতি উদাসীনতা
(ঘ) তাঁর ভ্রমণবিলাসিতা ও পাহাড়ের প্রতি ভালোবাসা
উত্তরঃ (খ) তাঁর সুউচ্চ হিমালয়তুল্য ব্যক্তিত্ব, গভীর মনন ও বিশ্বজোড়া পাণ্ডিত্য
৬২. কবিতাংশ: “যথা হিমাদ্রির শিরে গলিয়া সুধাধারে, / ধায় ধারা জগত-প্রমোদে নিম্নদেশে,”
প্রশ্ন: এখানে হিমালয়ের শীর্ষদেশ থেকে সুধাধারা গলে নিচের দিকে বয়ে যাওয়ার মাধ্যমে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
(ক) পাহাড়ি ঝরনার সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন
(খ) বিদ্যাসাগরের হৃদয়ের সুগভীর দয়া ও করুণা যেভাবে সমাজ ও সাধারণ মানুষের উপকারে নেমে আসে, তারই তুলনা টেনেছেন
(গ) প্রকৃতির ঋতু পরিবর্তনের চিত্র এঁকেছেন
(ঘ) বিদ্যাসাগরের অর্থ উপার্জনের পথকে নির্দেশ করেছেন
উত্তরঃ (খ) বিদ্যাসাগরের হৃদয়ের সুগভীর দয়া ও করুণা যেভাবে সমাজ ও সাধারণ মানুষের উপকারে নেমে আসে, তারই তুলনা টেনেছেন
৬৩. কবিতাংশ: “করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে, / দীন যে, সে জানে মনে;—”
প্রশ্ন: এই অংশে কবি কেন বিশেষ করে ‘দীন’ বা দরিদ্রদের কথা উল্লেখ করেছেন?
(ক) দীনেরা বিদ্যাসাগরের মতো পণ্ডিতদের ভয় পেত বলে
(খ) সমাজে কেবল দরিদ্র লোকেরাই বাস করত বলে
(গ) বিদ্যাসাগরের অসীম দানশীলতা ও আশ্রয় পাওয়ার পরশ সাধারণ ও অভাবী মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছিল বলে
(ঘ) বিদ্যাসাগর মহাশয় কেবল ধনীদের ভালোবাসতেন বলে
উত্তরঃ (গ) বিদ্যাসাগরের অসীম দানশীলতা ও আশ্রয় পাওয়ার পরশ সাধারণ ও অভাবী মানুষেরাই সবচেয়ে বেশি অনুভব করেছিল বলে
৬৪. কবিতাংশ: “যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে / বিকল—”
প্রশ্ন: ‘আকুল চিত্তে’ এবং ‘বিকল’ হয়ে বিদ্যাসাগরের কাছে আসার কারণ কী হতে পারে?
(ক) তাঁর কাছ থেকে সংস্কৃত ব্যাকরণ শেখার তীব্র ইচ্ছা
(খ) চরম বিপদে, দারিদ্র্যে বা মানসিক যন্ত্রণায় জর্জরিত হয়ে আশ্রয়ের প্রত্যাশা
(গ) কবির সাথে ফ্রান্সে বেড়াতে যাওয়ার অনুরোধ
(ঘ) বিদ্যাসাগরের সুউচ্চ অট্টালিকা দেখার কৌতূহল
উত্তরঃ (খ) চরম বিপদে, দারিদ্র্যে বা মানসিক যন্ত্রণায় জর্জরিত হয়ে আশ্রয়ের প্রত্যাশা
৬৫. কবিতাংশ: “— জুড়ায় জুড়াইতে মন সুরনদী-ধারে।”
প্রশ্ন: বিদ্যাসাগরের সান্নিধ্যকে ‘সুরনদী-ধারে’ মন জুড়ানোর সাথে তুলনা করার তাৎপর্য কী?
(ক) বিদ্যাসাগরের বাড়ির পাশে একটি নদী ছিল
(খ) স্বর্গের নদী গঙ্গার পুণ্য ও সুশীতল ধারা যেমন ক্লান্ত মানুষকে শান্তি দেয়, বিদ্যাসাগরের দয়াও তেমনি আর্ত মানুষের মনকে পরম শান্তিতে ভরিয়ে দেয়
(গ) কবি নদীভ্রমণ করতে ভালোবাসতেন
(ঘ) বিদ্যাসাগরের পাণ্ডিত্য অত্যন্ত জটিল ছিল
উত্তরঃ (খ) স্বর্গের নদী গঙ্গার পুণ্য ও সুশীতল ধারা যেমন ক্লান্ত মানুষকে শান্তি দেয়, বিদ্যাসাগরের দয়াও তেমনি আর্ত মানুষের মনকে পরম শান্তিতে ভরিয়ে দেয়
৬৬. কবিতাংশ: “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে; / হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,”
প্রশ্ন: উপরোক্ত পঙ্ক্তিতে কবির কোন মানসিক ভাবটি প্রকাশ পেয়েছে?
(ক) বিদ্যাসাগরের প্রতি কবির ঈর্ষাবোধ
(খ) বিদ্যাসাগরের মহান কীর্তি ও চরিত্রের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও বন্দনা
(গ) ফরাসি সাহিত্যের প্রশংসা
(ঘ) নিজের পাণ্ডিত্যের অহংকার
উত্তরঃ (খ) বিদ্যাসাগরের প্রতি কবির গভীর শ্রদ্ধা ও বন্দনা
৬৭. কবিতাংশ: “করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে, / দীন যে, সে জানে মনে;—”
প্রশ্ন: এই কবিতাংশটি কবির নিজের জীবনের কোন বাস্তব ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে?
(ক) কবি যখন কলকাতায় তাঁর বন্ধুদের সাথে আমোদ-প্রমোদে মেতেছিলেন
(খ) কবি যখন ফ্রান্সে সপরিবারে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন এবং বিদ্যাসাগর তাঁকে অর্থ পাঠিয়ে উদ্ধার করেছিলেন
(গ) মধুসূদন যখন মহাকাব্য রচনার জন্য পুরস্কার পেয়েছিলেন
(ঘ) বিদ্যাসাগরের সাথে কবির প্রথম বিদ্যালয়ের পরিচয়
উত্তরঃ (খ) কবি যখন ফ্রান্সে সপরিবারে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন এবং বিদ্যাসাগর তাঁকে অর্থ পাঠিয়ে উদ্ধার করেছিলেন
৬৮. কবিতাংশ: “যথা হিমাদ্রির শিরে গলিয়া সুধাধারে, / ধায় ধারা জগত-প্রমোদে নিম্নদেশে,”
প্রশ্ন: ‘জগত-প্রমোদে’ শব্দটির ব্যবহারে বিদ্যাসাগরের চরিত্রের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়?
(ক) তিনি কেবল নিজের আনন্দের জন্য কাজ করতেন
(খ) তাঁর পরোপকার ও দয়ার হাত কোনো ভেদাভেদ না করে সমগ্র সমাজের কল্যাণে ও আনন্দের কারণ হিসেবে উৎসর্গীকৃত ছিল
(গ) তিনি কঠোর শাসন পছন্দ করতেন
(ঘ) তিনি সংসার ত্যাগী সন্ন্যাসী ছিলেন
উত্তরঃ (খ) তাঁর পরোপকার ও দয়ার হাত কোনো ভেদাভেদ না করে সমগ্র সমাজের কল্যাণে ও আনন্দের কারণ হিসেবে উৎসর্গীকৃত ছিল
৬৯. কবিতাংশ: “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে; / হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,”
প্রশ্ন: চতুর্দশপদী কবিতার গঠনশৈলী বা সনেটের নিয়ম অনুযায়ী এই কবিতাংশটি কবিতার কোন অংশের অন্তর্গত এবং সেখানে কী প্রকাশ পায়?
(ক) এটি ষটক অংশ, যেখানে ভাবের পরিণতি ঘটে
(খ) এটি অষ্টক অংশ, যেখানে সনেটের মূল ভাবের বা বিষয়ের অবতারণা করা হয়
(গ) এটি স্তবকহীন মুক্তক অংশ
(ঘ) এটি কবিতার উপসংহার অংশ
উত্তরঃ (খ) এটি অষ্টক অংশ, যেখানে সনেটের মূল ভাবের বা বিষয়ের অবতারণা করা হয়
৭০. কবিতাংশ: “যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে / বিকল—”
প্রশ্ন: এই কবিতাংশটির অন্তর্নিহিত সত্যটি আসলে কী ?
(ক) বিদ্যাসাগর মহাশয় কেবল পরিচিত আত্মীয়দের সাহায্য করতেন
(খ) যেকোনো আর্ত বা শরণাগত মানুষই বিদ্যাসাগরের কাছে এসে পরম আশ্রয় ও আশ্বাসের বাণী পেত
(গ) বিদ্যাসাগরের স্বভাব ছিল অত্যন্ত চঞ্চল ও রাগী
(ঘ) মানুষ বিদ্যাসাগরের পাণ্ডিত্যের ভয়ে দূরে সরে যেত
উত্তরঃ (খ) যেকোনো আর্ত বা শরণাগত মানুষই বিদ্যাসাগরের কাছে এসে পরম আশ্রয় ও আশ্বাসের বাণী পেত
বিভাগ ঘ: সঠিক ঘটনাক্রম নির্বাচন করো।
৭১. পঙ্ক্তিসমূহ:
(i) ধায় ধারা জগত-প্রমোদে নিম্নদেশে,
(ii) বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;
(iii) মুক্তাফলে যথা তথা সুধাধারা ক্ষরে;
(iv) হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,
(A) (i), (iii), (ii), (iv)
(B) (ii), (iv), (iii), (i)
(C) (iv), (ii), (i), (iii)
(D) (iii), (iv), (ii), (i)
উত্তরঃ (B) (ii), (iv), (iii), (i)
৭২. পঙ্ক্তিসমূহ:
(i) দীন যে, সে জানে মনে;—
(ii) জুড়ায় জুড়াইতে মন সুরনদী-ধারে।
(iii) করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,
(iv) যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে
(A) (iii), (i), (iv), (ii)
(B) (i), (iii), (ii), (iv)
(C) (iv), (ii), (iii), (i)
(D) (ii), (iv), (i), (iii)
উত্তরঃ (A) (iii), (i), (iv), (ii)
৭৩. পঙ্ক্তিসমূহ:
(i) ধায় ধারা জগত-প্রমোদে নিম্নদেশে,
(ii) করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,
(iii) হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,
(iv) যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে
(A) (i), (ii), (iv), (iii)
(B) (iii), (i), (ii), (iv)
(C) (iv), (iii), (i), (ii)
(D) (ii), (iv), (iii), (i)
উত্তরঃ (B) (iii), (i), (ii), (iv)
৭৪. পঙ্ক্তিসমূহ:
(i) জুড়ায় জুড়াইতে মন সুরনদী-ধারে।
(ii) মুক্তাফলে যথা তথা সুধাধারা ক্ষরে;
(iii) দীন যে, সে জানে মনে;—
(iv) বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে;
(A) (iv), (ii), (iii), (i)
(B) (ii), (iv), (i), (iii)
(C) (iii), (i), (iv), (ii)
(D) (i), (iii), (ii), (iv)
উত্তরঃ (A) (iv), (ii), (iii), (i)
৭৫. পঙ্ক্তিসমূহ:
(i) যে জন আকুল চিত্তে তোমার সমীপে
(ii) ধায় ধারা জগত-প্রমোদে নিম্নদেশে,
(iii) জুড়ায় জুড়াইতে মন সুরনদী-ধারে।
(iv) করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,
(A) (iv), (i), (iii), (ii)
(B) (ii), (iv), (i), (iii)
(C) (i), (iii), (ii), (iv)
(D) (iii), (ii), (iv), (i)
উত্তরঃ (B) (ii), (iv), (i), (iii)
বিভাগ ঙ: সত্য-মিথ্যার সঠিক বিকল্পটি নির্বাচন করো।
৭৬. বিবৃতিসমূহ:
(i) ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি একটি চতুর্দশপদী বা সনেট জাতীয় কবিতা।
(ii) কবিতাটি কবির ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’-এর অন্তর্গত একটি অংশ।
(iii) কবি ফ্রান্সে অবস্থানকালে এই সনেটটি রচনা করেছিলেন।
(iv) এই কবিতাটি মোট ১৮টি পঙ্ক্তি বা লাইনে রচিত হয়েছে।
(A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(B) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
(C) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
৭৭. বিবৃতিসমূহ:
(i) কবি বিদ্যাসাগর মহাশয়কে সমগ্র এশিয়ায় বিখ্যাত বলে উল্লেখ করেছেন।
(ii) কবিতায় বিদ্যাসাগরের মনকে ‘হেমাদ্রি-সদৃশ’ বা হিমালয়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
(iii) ‘হেমাদ্রি-সদৃশ তুমি হে প্রগাঢ় মতি,’ — এখানে প্রগাঢ় শব্দের অর্থ চঞ্চল।
(iv) হিমালয়ের শীর্ষদেশ থেকে সুধাধারা গলে নিচের দিকে ধাবিত হয়।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(D) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
উত্তরঃ (B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
৭৮. বিবৃতিসমূহ:
(i) “করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,” — এখানে সিন্ধু শব্দের অর্থ নদী।
(ii) সমাজের দীন বা দরিদ্র মানুষেরা বিদ্যাসাগরকে মনে মনে করুণার সিন্ধু বলে জানে।
(iii) বিদ্যাসাগরের কাছে আকুল চিত্তে গেলে মানুষের মনের ক্ষধার জ্বালা দূর হয়।
(iv) বিদ্যাসাগরের সান্নিধ্যে আর্ত মানুষের মন ‘সুরনদী-ধারে’ জুড়িয়ে যায়।
(A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(D) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
উত্তরঃ (C) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
৭৯. বিবৃতিসমূহ:
(i) ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ সনেটটি ১৮৬৬ সালে ফ্রান্সে বসে রচিত হয়েছিল।
(ii) চতুর্দশপদী কবিতার নিয়ম অনুযায়ী এই সনেটের প্রতিটি লাইনে ১৮টি করে অক্ষর আছে।
(iii) এই সনেটের প্রথম ৮টি পঙ্ক্তিকে বা লাইনকে ‘ষটক’ বলা হয়।
(iv) সনেটের শেষ ৬টি পঙ্ক্তি বা লাইনকে ‘অষ্টক’ বলা হয়।
(A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
(B) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(C) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
উত্তরঃ (A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
৮০. বিবৃতিসমূহ:
(i) বিদ্যাসাগর মহাশয় কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তকে চরম আর্থিক সংকটের দিনে অর্থ সাহায্য করেছিলেন।
(ii) এই কবিতাটি রচনার মূল প্রেরণা ছিল বিদ্যাসাগরের প্রতি কবির গভীর কৃতজ্ঞতাবোধ।
(iii) ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কাব্যগ্রন্থে এই কবিতাটি ৮৪ সংখ্যক সনেট।
(iv) সনেটের অষ্টক অংশে সাধারণত মূল ভাবের বা বিষয়ের অবতারণা করা হয়।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(B) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
উত্তরঃ (C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
বিভাগ চ: স্তম্ভ মেলানো (Column Matching)
৮১. প্রশ্ন: ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ ‘খ’ স্তম্ভ
(1) বিদ্যার সাগর (i) প্রগাঢ় মতি
(2) হেমাদ্রি-সদৃশ (ii) সুরনদী-ধারে
(3) করুণার সিন্ধু (iii) বিখ্যাত ভারতে
(4) জুড়ায় মন (iv) দীন যে জানে
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
(খ) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
উত্তরঃ (ক) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
৮২. প্রশ্ন: ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও (শব্দার্থ ভিত্তিক):
‘ক’ স্তম্ভ ‘খ’ স্তম্ভ
(1) হেমাদ্রি (i) সমুদ্র
(2) সিন্ধু (ii) কাছে বা নিকটে
(3) সমীপে (iii) গভীর বা সুনিবিড়
(4) প্রগাঢ় (iv) হিমালয় পর্বত
বিকল্প কোড:
(ক) 1-i, 2-iii, 3-iv, 4-ii
(খ) 1-iv, 2-i, 3-ii, 4-iii
(গ) 1-iv, 2-ii, 3-i, 4-iii
(ঘ) 1-iii, 2-iv, 3-ii, 4-i
উত্তরঃ (খ) 1-iv, 2-i, 3-ii, 4-iii
৮৩. প্রশ্ন: ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও (উৎস ও গঠন):
‘ক’ স্তম্ভ
(1) সনেটের প্রথম ৮ লাইন
(2) সনেটের শেষ ৬ লাইন
(3) রচনার বছর
(4) চতুর্দশপদী কবিতাবলী
‘খ’ স্তম্ভ
(i) ৮৬ তম সনেট
(ii) ১৮৬৬ সাল
(iii) অষ্টক
(iv) ষটক
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iii, 2-iv, 3-ii, 4-i
(খ) 1-iv, 2-iii, 3-i, 4-ii
(গ) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
(ঘ) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
উত্তরঃ (ক) 1-iii, 2-iv, 3-ii, 4-i
৮৪. প্রশ্ন: ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও (কবিতার পঙ্ক্তি মেলানো):
‘ক’ স্তম্ভ
(1) যথা হিমাদ্রির শিরে
(2) ধায় ধারা
(3) মুক্তাফলে যথা তথা
(4) যে জন আকুল চিত্তে
‘খ’ স্তম্ভ
(i) তোমার সমীপে
(ii) গলিয়া সুধাধারে,
(iii) জগত-প্রমোদে নিম্নদেশে,
(iv) সুধাধারা ক্ষরে;
বিকল্প কোড:
(ক) 1-i, 2-iv, 3-ii, 4-iii
(খ) 1-iii, 2-ii, 3-i, 4-iv
(গ) 1-ii, 2-iii, 3-iv, 4-i
(ঘ) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
উত্তরঃ (গ) 1-ii, 2-iii, 3-iv, 4-i
৮৫. প্রশ্ন: ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও (উপমা ও বৈশিষ্ট্য):
‘ক’ স্তম্ভ
(1) বিদ্যাসাগরের পাণ্ডিত্য
(2) বিদ্যাসাগরের দয়া
(3) কবিতাটি রচনার স্থান
(4) রচনার মূল সুর
‘খ’ স্তম্ভ
(i) ফ্রান্সের ভার্সাই
(ii) বিদ্যার সাগর
(iii) কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা
(iv) করুণার সিন্ধু
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iv, 2-ii, 3-iii, 4-i
(খ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
(গ) 1-ii, 2-iii, 3-iv, 4-i
(ঘ) 1-iii, 2-i, 3-ii, 4-iv
উত্তরঃ (খ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
বিভাগ ছ: বিবৃতি ও যুক্তি (Assertion and Reasoning)
৮৬. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে ভারতের বুকে ‘বিদ্যার সাগর’ এবং ‘হেমাদ্রি-সদৃশ প্রগাঢ় মতি’ বলে সম্বোধন করেছেন।
যুক্তি (R): বিদ্যাসাগর মহাশয়ের পাণ্ডিত্য ও ব্যক্তিত্ব ছিল হিমালয় পর্বতের মতোই সুউচ্চ, গম্ভীর এবং সমগ্র ভারতবর্ষে সুপরিচিত।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
৮৭. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): কবিতায় বিদ্যাসাগরের দয়া ও করুণার ধারাকে হিমালয় পর্বত থেকে গলে পড়া পুণ্য সুধাধারার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
যুক্তি (R): হিমালয়ের বরফ গলা জল যেমন নদীরূপে সমতলে নেমে এসে সমস্ত জগতকে আনন্দিত ও সিক্ত করে, বিদ্যাসাগরের করুণাও তেমনি সমাজের সাধারণ ও দীন মানুষদের পরম শান্তি দান করে।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা安全的।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
৮৮. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): বিদ্যাসাগর মহাশয় যে একজন ‘করুণার সিন্ধু’ বা দয়ার সাগর, তা সমাজের ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই সবচেয়ে ভালো অনুভব করতে পেরেছিলেন।
যুক্তি (R): দীন ও দরিদ্র মানুষেরা যখনই আকুল চিত্তে এবং ব্যাকুল হয়ে বিদ্যাসাগরের কাছে আশ্রয় চেয়েছে, তখনই তিনি তাদের মনের সমস্ত দুঃখ-কষ্ট দূর করেছেন।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
(ঘ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
উত্তরঃ (গ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
৮৯. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত দূরদেশে (ফ্রান্সে) বসে অত্যন্ত দুঃখের দিনেও বিদ্যাসাগরের সান্নিধ্য ও সাহায্যের কথা স্মরণ করে পরম শান্তি পেয়েছিলেন।
যুক্তি (R): স্বর্গের নদী গঙ্গার পুণ্যধারা যেমন মানুষের মন ও শরীরকে শীতল করে, বিদ্যাসাগরের অসীম দয়ার স্মৃতি ও তাঁর উদার মনোভাবও তেমনি কবির ব্যাকুল মনকে জুড়িয়ে দিয়েছিল।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
৯০. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা হওয়া সত্ত্বেও এতে কোনো সুনির্দিষ্ট ছন্দ বা লাইনের নিয়ম মানা হয়নি।
যুক্তি (R): মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর এই সনেটটি ফ্রান্সে বসে ১৮৬৬ সালে রচনা করেছিলেন এবং এটি তাঁর ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’র ৮৬ তম কবিতা।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
(ব্যাখ্যা: বিবৃতিটি ভুল, কারণ সনেটের নির্দিষ্ট ১৪ লাইন ও ১৪ অক্ষরের নিয়ম এখানে নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। তবে যুক্তিটি সম্পূর্ণ সঠিক।)