প্রিয় ছাত্রছাত্রী, একাদশ শ্রেণির (Class 11) নতুন সিলেবাসের (Semester-1) বাংলা পাঠ্যসূচিতে থাকা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি পাঠ্য বইয়ের প্রথম অধ্যায় প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্য থেকে আজ আমরা নিয়ে এসেছি একটি বিশেষ প্রশ্ন-উত্তর ভাণ্ডার। নতুন সেমিস্টার পরীক্ষায় ওএমআর (OMR) শিটে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার জন্য খুঁটিনাটি MCQ প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।
তাই পুরো প্রথম অধ্যায়টি বিশ্লেষণ করে তোমাদের সুবিধার জন্য মোট সাত ধরনের ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে (ক্যাটাগরিতে) সম্ভাব্য সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর এখানে সাজিয়ে দেওয়া হলো। আশা করি এই প্রশ্নোত্তরগুলো তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে দারুণভাবে সাহায্য করবে। চলো, তবে শুরু করা যাক!
SEMESTER – I
প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্য
প্রথম অধ্যায়
______________________________________
প্রাচীন বাংলার সমাজ ও সাহিত্য MCQ প্রশ্ন উত্তর | Prachin Banglar Somaj O Sahitya Question Answer
বিভাগ ক: সাধারণ এমসিকিউ (Direct MCQ)
১. চর্যাপদ গূঢ় ইঙ্গিত দেয় –
(ক) শাক্ত সাধনার
(খ) তান্ত্রিক সাধনার
(গ) বৈষ্ণব সাধনার
(ঘ) বৌদ্ধ সাধনার
উত্তরঃ (ঘ) বৌদ্ধ সাধনার
২. লুইপাদ চর্যার ক-টি পদ লিখেছেন?
(ক) ২টি
(খ) ৪টি
(গ) ১টি
(ঘ) ৩টি
উত্তরঃ (ক) ২টি
৩. ‘সদুক্তিকর্ণামৃত’ কাব্যের রচয়িতা কে?
(ক) জয়দেব
(খ) শ্রীধর দাস
(গ) গোবর্ধন আচার্য
(ঘ) অভিনন্দ
উত্তরঃ (খ) শ্রীধর দাস
৪. চর্যাপদ কবে আবিষ্কৃত হয়েছিল?
(ক) ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
(খ) ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে
(গ) ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে
(ঘ) ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে
উত্তরঃ (গ) ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে
৫. চর্যাপদের আদি সিদ্ধাচার্য কাকে বলা হয়?
(ক) সরহপাদ
(খ) লুইপাদ
(গ) কাহ্নপাদ
(ঘ) চাটিলপাদ
উত্তরঃ (খ) লুইপাদ
৬. চর্যার পুঁথিটি নিচের কোনটিতে লেখা হয়েছিল?
(ক) শালপাতায়
(খ) তালপাতায়
(গ) কলাপাতায়
(ঘ) বাঁশপাতায়
উত্তরঃ (খ) তালপাতায়
৭. ‘গাথা সপ্তশতী’র রচয়িতা –
(ক) সন্ধ্যাকর নন্দী
(খ) গোবর্ধন আচার্য
(গ) শ্রীধর দাস
(ঘ) হাল
উত্তরঃ (ঘ) হাল
৮. চর্যাপদের পুথিটি প্রাপ্তির সময় নাম কী ছিল?
(ক) চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়
(খ) আশ্চর্যচর্যাচয়
(গ) চর্যাপদ
(ঘ) চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
উত্তরঃ (ক) চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়
৯. চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ কে আবিষ্কার করেন?
(ক) সুকুমার সেন
(খ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
(ग) বিধুশেখর শাস্ত্রী
(ঘ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
উত্তরঃ (খ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
১০. ‘গীতগোবিন্দম্’ কাব্যের রচয়িতা কে?
(ক) জয়দেব
(খ) অভিনন্দ
(গ) শ্রীধর দাস
(ঘ) গোবর্ধন আচার্য
উত্তরঃ (ক) জয়দেব
১১. প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে ‘যুগসন্ধির কাল’ রূপে কোন্ সময়কালকে চিহ্নিত করা হয়?
(ক) নবম থেকে একাদশ শতাব্দী
(খ) একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী
(গ) অষ্টম থেকে দশম শতাব্দী
(ঘ) দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী
উত্তরঃ (খ) একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী
১২. চর্যাপদে কার রচিত পদের সংখ্যা সর্বাধিক?
(ক) লুইপাদ
(খ) কুক্কুরীপাদ
(গ) কাহ্নপাদ
(ঘ) সরহপাদ
উত্তরঃ (গ) কাহ্নপাদ
১৩. চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার পুঁথিতে পদের সংখ্যা কত?
(ক) ৫০টি
(খ) ৪৬টি
(গ) ৫১টি
(ঘ) ৪৮টি
উত্তরঃ (ক) ৫০টি
১৪. চর্যাপদ কোথা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল?
(ক) বঙ্গ আকাডেমি
(খ) বঙ্গীয় সাহিত্য আকাডেমি
(গ) সাহিত্য আকাডেমি
(ঘ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
উত্তরঃ (ঘ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
১৫. চর্যাপদের পুঁথিটি প্রকাশকালে সম্পাদনার দায়িত্বে কে ছিলেন?
(ক) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
(খ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
(গ) সুকুমার সেন
(ঘ) বিধুশেখর শাস্ত্রী
উত্তরঃ (ক) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১৬. কোন্ অবাঙালি পণ্ডিত চর্যাপদ নিয়ে গবেষণা করেন?
(ক) কীর্তিচন্দ্র
(খ) রাহুল সাংকৃত্যায়ন
(গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
(ঘ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
উত্তরঃ (খ) রাহুল সাংকৃত্যায়ন
১৭. চর্যাপদের প্রধান কবি কাকে মনে করা হয়?
(ক) ভুসুকুপাদ
(খ) সরহপাদ
(গ) কাহ্নপাদ
(ঘ) লুইপাদ
উত্তরঃ (গ) কাহ্নপাদ
১৮. চর্যাপদের পুথিটিতে ক-টি সম্পূর্ণ গান বা পদ পাওয়া গেছে?
(ক) ৪৫টি
(খ) ৪২টি
(গ) ৪৬টি
(ঘ) ৪০টি
উত্তরঃ (ক) ৪৫টি
১৯. ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, চর্যার পদগুলি কোন সময়ে রচিত হয়েছে?
(ক) নবম থেকে একাদশ শতাব্দীর মধ্যে
(খ) একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যে
(গ) দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে
(ঘ) অষ্টম থেকে দশম শতাব্দীর মধ্যে
উত্তরঃ (গ) দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে
২০. ‘পবনদূত’ কাব্যের রচয়িতা কে?
(ক) শ্রীধর দাস
(খ) ধোয়ী
(গ) হাল
(ঘ) জয়দেব
উত্তরঃ (খ) ধোয়ী
২১. ‘কৃষ্ণাচার্যপাদ’ কোন্ চর্যাপদকারের প্রকৃত নাম?
(ক) কাহ্নপাদ
(খ) লুইপাদ
(গ) ভুসুকুপাদ
(ঘ) কুক্কুরীপাদ
উত্তরঃ (ক) কাহ্নপাদ
২২. কোন স্থানের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কৃত হয়েছিল?
(ক) মায়ানমার
(খ) চীন
(গ) নেপাল
(ঘ) ভুটান
উত্তরঃ (গ) নেপাল
২৩. চর্যাপদ বাংলা-সহ অপর কোন্ ভাষার অন্যতম আদি দৃষ্টান্ত?
(ক) মধ্য ভারতীয় আর্যভাষা
(খ) নব্য ভারতীয় আর্যভাষা
(গ) প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা
(ঘ) দরদীয় আর্যভাষা
উত্তরঃ (খ) নব্য ভারতীয় আর্যভাষা
২৪. চর্যাপদের পদকর্তারা কোন্ ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
(ক) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
(খ) হিন্দু ধর্মাবলম্বী
(গ) বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী
(ঘ) জৈন ধর্মাবলম্বী
উত্তরঃ (ক) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
২৫. চর্যাপদে ভুসুকুপাদের ক-টি পদ সংযুক্ত হয়েছে?
(ক) ৫টি
(খ) ১০টি
(গ) ৭টি
(ঘ) ৮টি
উত্তরঃ (ঘ) ৮টি
২৬. ভাষা কী ধরনের ঐক্যস্থাপনের প্রধান উপাদান?
(ক) সাংস্কৃতিক
(খ) অর্থনৈতিক
(গ) ধর্মীয়
(ঘ) পারিবারিক
উত্তরঃ (ক) সাংস্কৃতিক
২৭. তিব্বতি অনুবাদ অনুসারে চর্যাপদে মোট পদকর্তার সংখ্যা কত ছিল?
(ক) ২১ জন
(খ) ২৪ জন
(গ) ২৩ জন
(ঘ) ২২ জন
উত্তরঃ (খ) ২৪ জন
২৮. বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন কোনটি?
(ক) বৈষ্ণব পদাবলি
(খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
(গ) চর্যাপদ
(ঘ) কাশীরাম দাসের মহাভারত
উত্তরঃ (গ) চর্যাপদ
২৯. চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন কে?
(ক) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
(খ) প্রবোধচন্দ্র সেন
(গ) মুনিদত্ত
(ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তরঃ (ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
৩০. চর্যাপদের পুথিটি ১৯১৬ সালে কী নামে প্রকাশিত হয়েছিল?
(ক) হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা
(খ) প্রাচীন বাংলা ভাষা
(গ) চর্যাগীতিকোষ
(ঘ) আশ্চর্যচর্যাচয়
উত্তরঃ (ক) হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা
৩১. চর্যাপদের প্রকৃত নাম কী ছিল বলে পণ্ডিতরা মনে করেন?
(ক) চর্যাগীতিমালা
(খ) চর্যাগীতিকোষ
(গ) আশ্চর্যচর্যাচয়
(ঘ) চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়
উত্তরঃ (খ) চর্যাগীতিকোষ
৩২. চর্যার পদকারেরা সমাজে কী নামে অভিহিত হতেন?
(ক) কবিরাজ
(খ) ভিক্ষু
(গ) সিদ্ধাচার্য
(ঘ) তপস্বী
উত্তরঃ (গ) সিদ্ধাচার্য
৩৩. চর্যাপদে কাহ্নপাদের মোট ক-টি পদ রয়েছে?
(ক) ১৩টি
(খ) ১১টি
(গ) ১০টি
(ঘ) ১২টি
উত্তরঃ (ক) ১৩টি
৩৪. চর্যাপদের পুঁথিটির সঙ্গে নিচের কার দোহা যুক্ত অবস্থায় প্রকাশিত হয়েছিল?
(ক) কৃষ্ণরাম
(খ) কৃষ্ণাচার্য
(গ) কৃষ্ণকান্ত
(ঘ) কৃষ্ণপদ
উত্তরঃ (খ) কৃষ্ণাচার্য
৩৫. চর্যাপদের সংস্কৃত টীকাটি কে রচনা করেন?
(ক) মুনিদত্ত
(খ) লুইপাদ
(গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
(ঘ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
উত্তরঃ (ক) মুনিদত্ত
৩৬. চর্যাপদ-এর টীকার তিব্বতি অনুবাদক কে ছিলেন?
(ক) ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
(খ) কীর্তিচন্দ্র
(গ) মুনি দত্ত
(ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তরঃ (খ) কীর্তিচন্দ্র
৩৭. চর্যায় সরহপাদের ক-টি পদ রয়েছে?
(ক) ২টি
(খ) ৪টি
(গ) ৮টি
(ঘ) ১০টি
উত্তরঃ (খ) ৪টি
৩৮. ‘চর্যা’ শব্দটির সাধারণ অর্থ কী?
(ক) ধর্মতত্ত্ব
(খ) গান
(গ) আচার বা আচরণীয়
(ঘ) সিদ্ধাচার্য
উত্তরঃ (গ) আচার বা আচরণীয়
৩৯. কোন্ পদকর্তার তিনটি পদ চর্যাপদে পাওয়া যায়?
(ক) চাটিলপাদ
(খ) লুইপাদ
(গ) কাহ্নপাদ
(ঘ) কুক্কুরীপাদ
উত্তরঃ (ঘ) কুক্কুরীপাদ
৪০. নিচের কোন তথ্যের ভিত্তিতে চর্যাপদের আধুনিক ভাষা বিচার করা হয়?
(ক) চর্যাগীতিমালা
(খ) আশ্চর্যচর্যাচয়
(গ) তিব্বতি অনুবাদ
(ঘ) চর্যাগীতিকোষ
উত্তরঃ (গ) তিব্বতি অনুবাদ
বিভাগ খ: শূন্যস্থান পূরণ এমসিকিউ (Fill in the Blanks)
৪১. প্রায় __________ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতায় আন্দোলিত সময়কে আমরা ‘যুগসন্ধির কাল’ বলে চিহ্নিত করি।
(ক) একশো
(খ) তিনশো
(গ) দুশো
(ঘ) চারশো
উত্তরঃ (গ) দুশো
৪২. ‘চর্যা’ শব্দের অর্থ ‘আচার’ হলেও ‘সন্ধা’ শব্দের অর্থ মতান্তরে __________।
(ক) সম্যক ধ্যান
(খ) গূঢ় তত্ত্ব
(গ) আলো-আঁধারি
(ঘ) সাধন সঙ্গীত
উত্তরঃ (ক) সম্যক ধ্যান
৪৩. “টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী / হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী” — এই বিখ্যাত পদটি __________-এর রচনা।
(ক) লুইপাদ
(খ) ঢেন্ডন পা
(গ) ভুসুকুপাদ
(ঘ) কাহ্নপাদ
উত্তরঃ (খ) ঢেন্ডন পা
৪৪. চর্যাপদের ভাষা যে বাংলা ভাষার পূর্বসূরি, তা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় __________ গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন।
(ক) ওডিবিএল (ODBL)
(খ) প্রাচীন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
(গ) Origin and Development of Bengali Language
(ঘ) চর্যাগীতিকোষ
উত্তরঃ (গ) Origin and Development of Bengali Language
৪৫. চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদে প্রাপ্ত পদ সংখ্যা ৫০টি এবং হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উদ্ধার করা পুথির পদের সংখ্যা __________টি।
(ক) ৪৬
(খ) সাড়ে ছেচল্লিশ
(গ) ৫১
(ঘ) ৪৫
উত্তরঃ (খ) সাড়ে ছেচল্লিশ
৪৬. “উমত সবরো পাগল সবরো মা কর গুলী গুhাড়া তোহৌরি” — এটি চর্যাপদের __________ নম্বর পদ।
(ক) ৩৩
(খ) ৫০
(গ) ১০
(ঘ) ২৮
উত্তরঃ (ঘ) ২৮
৪৭. চর্যার কবিদের তান্ত্রিক দিকটিকে প্রচ্ছন্ন রেখে সমকালীন লৌকিক রূপ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে তাদের __________।
(ক) তত্ত্বকথা
(খ) গুরুশিষ্য সংবাদ
(গ) বুদ্ধবচন
(ঘ) রূপকচ্ছল সাহায্য
উত্তরঃ (ঘ) রূপকচ্ছল সাহায্য
৪৮. ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী নেপাল থেকে চর্যাপদের __________ আবিষ্কার করেন।
(ক) মূল সংস্কৃত পুথি
(খ) তিব্বতি অনুবাদ
(গ) নেপালি অনুবাদ
(ঘ) অপভ্রংশ টীকা
উত্তরঃ (খ) তিব্বতি অনুবাদ
৪৯. আদি-অস্ট্রালদের প্রধান খাদ্যবস্তু ছিল __________ যা পরে বাঙালি সংস্কৃতিতে ওতপ্রোতভাবে মিশে গেছে।
(ক) গম
(খ) ভাত
(গ) ফলমূল
(ঘ) হরিণের মাংস
উত্তরঃ (খ) ভাত
৫০. চর্যাপদের __________ পদে ডোম্বী বা নিছু জাতের মেয়েকে বিয়ে করার স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়।
(ক) “টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী”
(খ) “ভবনির্বাণে পড়হ মাদলা”
(গ) “দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই”
(ঘ) “সুন বাহ তথা পহারী”
উত্তরঃ (খ) “ভবনির্বাণে পড়হ মাদলা”
৫১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উদ্ধার করা চর্যাপদের পুথিতে মোট __________ জন কবির নাম বা পদ পাওয়া যায়।
(ক) চব্বিশ
(খ) তেইশ
(গ) বাইশ
(ঘ) পঁচিশ
উত্তরঃ (খ) তেইশ
৫২. চর্যাপদের গানগুলি মূলত __________ ছন্দে লেখা হয়েছিল।
(ক) দলবৃত্ত
(খ) মাত্রাবৃত্ত
(গ) অক্ষরবৃত্ত
(ঘ) গদ্য
উত্তরঃ (খ) মাত্রাবৃত্ত
৫৩. চর্যাপদের শান্ত সন্ধ্যায় আরতির ঘণ্টা, গোবরের গন্ধ আর __________-এর শব্দে গ্রামীণ আবহাওয়া তৈরি হতো।
(ক) শঙ্খধ্বনি
(খ) কাঁসর ঘণ্টা
(গ) মাদলের আওয়াজ
(ঘ) বাঁশির সুর
উত্তরঃ (গ) মাদলের আওয়াজ
৫৪. চর্যাপদে বর্ণিত প্রান্তবাসী মানুষদের প্রধান জীবিকা বা বৃত্তি নিচের __________ ছিল না।
(ক) তুলা ধোনা
(খ) মদ বিক্রি
(গ) বড় ব্যবসা বা সমুদ্র বাণিজ্য
(ঘ) নৌকা চালানো
উত্তরঃ (গ) বড় ব্যবসা বা সমুদ্র বাণিজ্য
৫৫. “দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই” — এই ২ নম্বর চর্যাপদটি সমাজে __________-এর উপদ্রবকে নির্দেশ করে।
(ক) চোর-ডাকাত
(খ) হিংস্র পশু
(গ) সামন্ত রাজা
(ঘ) অনাবৃষ্টি
উত্তরঃ (ক) চোর-ডাকাত
৫৬. বৌদ্ধধর্মের __________ শাখাটি পরবর্তীকালে বজ্রযান, মন্ত্রযান বা কালচক্রযান ইত্যাদি নানা শাখায় বিবর্তিত হয়।
(ক) হীনযান
(খ) থেরবাদ
(গ) মহাযান
(ঘ) সহজযান
উত্তরঃ (গ) মহাযান
৫৭. চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে সর্বাধিক পদের রচয়িতা হলেন __________।
(ক) লুইপাদ
(খ) ভুসুকুপাদ
(গ) সরহপাদ
(ঘ) কাহ্নপাদ
উত্তরঃ (ঘ) কাহ্নপাদ
৫৮. চর্যাপদের পুথির ভেতরকার মূল সংস্কৃত টীকাটি রচনা করেন __________।
(ক) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
(খ) মুনিদত্ত
(গ) কীর্তিচন্দ্র
(ঘ) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
উত্তরঃ (খ) মুনিদত্ত
৫৯. চর্যাপদের ভাষায় ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াপদ গঠনে __________ বিভক্তি যুক্ত হতো।
(ক) -ইল
(খ) -ইব
(গ) -এঁরে
(ঘ) -ইত
উত্তরঃ (খ) -ইব
৬০. “আপনা মাংসে হরিণা বৈরী” — এই বিখ্যাত প্রবাদটি চর্যাপদের __________-এর পদের অন্তর্গত।
(ক) কুক্কুরীপাদ
(খ) ভুসুকুপাদ
(গ) লুইপাদ
(ঘ) শবরপাদ
উত্তরঃ (খ) ভুসুকুপাদ
বিভাগ গ : নিচের অনুচ্ছেদ বা পংক্তিটি পড়ে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো।
৬১. অনুচ্ছেদ
“বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে একটি পুথি সংগ্রহ করে আনেন। অন্য দুটি অপভ্রংশ রচনার সঙ্গে একত্রে এর নাম ছিল ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’।”
(A) এখানে চর্যাপদের নামকরণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রয়েছে।
(B) এখানে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কারের ঐতিহাসিক তথ্য ও প্রাথমিক নামের পরিচয় রয়েছে।
(C) এখানে নেপালের রাজকীয় সংস্কৃতির বর্ণনা রয়েছে।
(D) এখানে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জীবনী আলোচনা করা হয়েছে।
উত্তরঃ (B) এখানে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কারের ঐতিহাসিক তথ্য ও প্রাথমিক নামের পরিচয় রয়েছে।
৬২. পংক্তি
“উঁচা উঁচা পাবত তঁহি বসই সবরী বালী। / মোরঙ্গি পীচ্ছ পরহিণ সবরী গীবত গুঞ্জরী মালী।।”
(A) এখানে উচ্চবর্গের বিলাসী ও অলংকারপ্রিয় বাঙালি নারীর রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
(B) এখানে পাহাড়ের চূড়ায় বসবাসকারী শবরী বালিকার পোশাক, অলংকার ও সহজ সরল জীবনের পরিচয় রয়েছে।
(C) এখানে প্রাচীন বাংলার রাজকীয় উৎসবের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
(D) এখানে কেবল প্রকৃতির রূপকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উত্তরঃ (B) এখানে পাহাড়ের চূড়ায় বসবাসকারী শবরী বালিকার পোশাক, অলংকার ও সহজ সরল জীবনের পরিচয় রয়েছে।
৬৩. অনুচ্ছেদ
“সাধক কবিরা তাঁদের সাধনার নিগূঢ় সংকেত প্রচার করেছেন এই গানগুলির মধ্য দিয়ে। বৌদ্ধধর্মের মহযানী শাখা পরবর্তীকালে বজ্রযান, মন্ত্রযান, কালচক্রযান ইত্যাদি নানা শাখায় বিবর্তিত হয় এবং এর সঙ্গে যোগ দিয়েছিল তান্ত্রিকতা…”
(A) এখানে চর্যাপদকে কেবল সাধারণ বিনোদনের গান হিসেবে দেখানো হয়েছে।
(B) এখানে চর্যাপদের সামাজিক উৎসবের বিবর্তন দেখানো হয়েছে।
(C) এখানে চর্যাগীতির আধ্যাত্মিক ভিত্তি এবং বৌদ্ধধর্মের তান্ত্রিক বিবর্তনের পরিচয় রয়েছে।
(D) এখানে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের তান্ত্রিক প্রভাবের কথা বলা হয়েছে।
উত্তরঃ (C) এখানে চর্যাগীতির আধ্যাত্মিক ভিত্তি এবং বৌদ্ধধর্মের তান্ত্রিক বিবর্তনের পরিচয় রয়েছে।
৬৪. পংক্তি
“টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী। / হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী।।”
(A) এখানে প্রাচীন বাংলার একটি ধনী ও বিলাসী পরিবারের রোজকার জীবনের ছবি রয়েছে।
(B) এখানে প্রতিবেশীহীন নির্জন প্রকৃতির এক শান্ত সৌন্দর্য প্রকাশ পেয়েছে।
(C) এখানে প্রাচীন বাংলার নিম্নবর্গের মানুষের চরম দারিদ্র্য, অভাব ও নিত্য উপবাসের করুণ সামাজিক বাস্তবতার প্রকাশ রয়েছে।
(D) এখানে তান্ত্রিক সাধকদের কেবল একটি সাধন-সংকেত দেওয়া হয়েছে।
উত্তরঃ (C) এখানে প্রাচীন বাংলার নিম্নবর্গের মানুষের চরম দারিদ্র্য, অভাব ও নিত্য উপবাসের করুণ সামাজিক বাস্তবতার প্রকাশ রয়েছে।
৬৫. অনুচ্ছেদ
“…মতান্তরে ‘সন্ধা’ শব্দের অর্থ ‘সম্যক ধ্যান’ অর্থাৎ সম্যক ধ্যানের মাধ্যমে যে ভাষার পাঠোদ্ধার সম্ভব। মনে রাখতে হবে আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগের ভাষায় চর্যাপদ লেখা। সুতরাং, বাংলা ভাষার আদিম ও অপরিচিত স্তরের লক্ষণ এখানে খুঁজে পাওয়া যায়।”
(A) এখানে চর্যাপদের ভাষার জটিলতা এবং ‘সন্ধা’ শব্দের একটি বিশেষ অর্থগত ও ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা রয়েছে।
(B) এখানে চর্যাপদকে আধুনিক বাংলা ভাষার সমকক্ষ বলে দাবি করা হয়েছে।
(C) এখানে তান্ত্রিক ধ্যানের সমস্ত নিয়মকানুন বিস্তারিত লেখা রয়েছে।
(D) এখানে নেপালি ভাষার সঙ্গে বাংলার ব্যাকরণগত তুলনা করা হয়েছে।
উত্তরঃ (A) এখানে চর্যাপদের ভাষার জটিলতা এবং ‘সন্ধা’ শব্দের একটি বিশেষ অর্থগত ও ভাষাতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা রয়েছে।
৬৬. অনুচ্ছেদ
“…মাটির দেয়াল গলে পড়ার ছবি— এক লহমায় শবর-শবরী, ডোম-ডোমনী, নিষাদ প্রভৃতি সমাজের প্রান্তীয় মানুষগুলির নিঃস্ব নিরানন্দময় জীবনের দৈনন্দিন বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে তোলে। এই অভিশাপগ্রস্ত জীবনে একমাত্র বিনোদন ছিল যুদ্ধবদ্ধ নাচ, গান এবং গ্রামীণ উৎসব।”
(A) এখানে প্রাচীন বাংলার অভিজাত ও রাজন্যবর্গের আমোদ-প্রমোদের বর্ণনা রয়েছে।
(B) এখানে প্রাচীন বাংলার প্রান্তিক ও অবহেলিত মানুষের চরম জীবনসংগ্রাম এবং তার মাঝেও গ্রামীণ বিনোদনের বেঁচে থাকার প্রকাশ রয়েছে।
(C) এখানে কেবল বর্ষাকালে মাটির বাড়ির ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
(D) এখানে শবরদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের কঠোরতার কথা বলা হয়েছে।
উত্তরঃ (B) এখানে প্রাচীন বাংলার প্রান্তিক ও অবহেলিত মানুষের চরম জীবনসংগ্রাম এবং তার মাঝেও গ্রামীণ বিনোদনের বেঁচে থাকার প্রকাশ রয়েছে।
৬৭. অনুচ্ছেদ
“মাদল বাজিয়ে বরের বিয়ে করতে যাওয়া, কর্পূর দিয়ে পান খাওয়া এবং বহুসাজে অলংকৃত রমণীর বাসরঘরে অন্যান্য মেয়েদের ভিড় করার ছবিও কবিতায় অনায়াসে উঠে আসে। সে সময়েও বিবাহে বরপক্ষ যৌতুক নিত এবং বেশি যৌতুকের লোভে নীচজাতের মেয়েকে বিয়ে করতেও দ্বিধা করত না।”
(A) এখানে প্রাচীন বাংলার সমকালীন লৌকিক বিবাহ উৎসবের রীতিনীতি এবং যৌতুকপ্রথার মতো সামাজিক ব্যাধির প্রকাশ রয়েছে।
(B) এখানে বাসরঘরের মেয়েদের কেবল আনন্দের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
(C) এখানে ধনী বরের বিলাসবহুল বিয়ের রাজকীয় আয়োজন দেখানো হয়েছে।
(D) এখানে প্রাচীনকালের পানের ব্যবসার লাভের কথা বলা হয়েছে।
উত্তরঃ (A) এখানে প্রাচীন বাংলার সমকালীন লৌকিক বিবাহ উৎসবের রীতিনীতি এবং যৌতুকপ্রথার মতো সামাজিক ব্যাধির প্রকাশ রয়েছে।
৬৮. অনুচ্ছেদ
“তখনকার দিনে রাত্রে চোর-ডাকাতেরও উপদ্রব ছিল, মধ্যরাতে চোর বউয়ের কর্ণভরণ খুলে নিয়ে যায় (‘দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই’)। তাই চোর আটকানোর জন্য প্রহরীরও প্রয়োজন হত (‘সুন বাহ তথা পহারী’)। সমাজে শ্রেণীভেদ, বর্ণভেদ ও অস্পৃশ্যতা ছিল।”
(A) এখানে প্রাচীন বাংলার সুশৃঙ্খল ও অপরাধমুক্ত শাসন ব্যবস্থার প্রশংসা করা হয়েছে।
(B) এখানে তৎকালীন সমাজের অস্পৃশ্যতা, আইন-শৃঙ্খলার অভাব এবং চোর-ডাকাতের উপদ্রবজনিত নিরাপত্তাহীনতার প্রকাশ রয়েছে।
(C) এখানে প্রাচীন বাংলার অলংকার শিল্পের উন্নতির কথা বলা হয়েছে।
(D) এখানে প্রহরীদের কর্মদক্ষতার বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
উত্তরঃ (B) এখানে তৎকালীন সমাজের অস্পৃশ্যতা, আইন-শৃঙ্খলার অভাব এবং চোর-ডাকাতের উপদ্রবজনিত নিরাপত্তাহীনতার প্রকাশ রয়েছে।
৬৯. অনুচ্ছেদ
“আজ থেকে প্রায় হাজার বছর আগে দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এই সময়কাল প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে একটি ভাঙাগড়া বা টানাপোড়েনের সময়। এই দুশো বছরের মধ্যে কয়েকশো বছর ব্যাপী স্থায়ী পালবংশের রাজত্বের অবসান হয়েছে, ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে বর্মন ও সেন বংশ…”
(A) এখানে পাল রাজাদের দীর্ঘস্থায়ী গৌরবময় সাম্রাজ্যের একমাত্র বর্ণনা রয়েছে।
(B) এখানে প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, রাজবংশগুলির উত্থান-পতন এবং ঐতিহাসিক যুগসন্ধির অস্থিরতার প্রকাশ রয়েছে।
(C) এখানে বর্মন বংশের শাসন প্রণালীর প্রশংসা করা হয়েছে।
(D) এখানে মুসলিম আক্রমণের সঠিক তারিখ ও সাল উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তরঃ (B) এখানে প্রাচীন বাংলার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, রাজবংশগুলির উত্থান-পতন এবং ঐতিহাসিক যুগসন্ধির অস্থিরতার প্রকাশ রয়েছে।
৭০. অনুচ্ছেদ
“একথা তো বোঝা যায় মূল বইয়ে মোট একান্নটি পদ বা গান ছিল। যাই হোক এই চর্যাপদের আবিষ্কার বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী ঘটনা। কেননা চর্যাপদ হল একই সঙ্গে বাংলা ভাষা তথা নব্য ভারতীয় আর্যভাষার (NIA) প্রাচীনতম দৃষ্টান্ত।”
(A) এখানে চর্যাপদের আধ্যাত্মিক মূল্য ও সাধন তত্ত্বের শ্রেষ্ঠত্ব বিচার করা হয়েছে।
(B) এখানে চর্যাপদকে সংস্কৃত সাহিত্যের একটি শাখা হিসেবে দাবি করা হয়েছে।
(C) এখানে চর্যাপদের আবিষ্কারকে বাংলা সাহিত্য ও নব্য ভারতীয় আর্যভাষার ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ও প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
(D) এখানে মূল বইয়ের হারিয়ে যাওয়া পদগুলির বিষয়বস্তু আলোচনা করা হয়েছে।
উত্তরঃ (C) এখানে চর্যাপদের আবিষ্কারকে বাংলা সাহিত্য ও নব্য ভারতীয় আর্যভাষার ইতিহাসের এক যুগান্তকারী ও প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
বিভাগ ঘ : সঠিক ঘটনাক্রম নির্বাচন করো।
৭১. ঘটনাক্রম
(i) বর্মন ও সেন বংশের প্রতিষ্ঠা।
(ii) কয়েকশো বছর ব্যাপী স্থায়ী পালবংশের রাজত্বের অবসান।
(iii) মুসলিম আক্রমণে চিরতরে নিশ্চিহ্ন হওয়া সেন-রাজত্ব।
(iv) গুপ্তযুগের সময় থেকে শুরু হওয়া নানা দ্বন্দ্ব-সংঘাত।
(A) (iv), (ii), (i), (iii)
(B) (ii), (iv), (iii), (i)
(C) (i), (iii), (iv), (ii)
(D) (iv), (i), (ii), (iii)
উত্তরঃ (A) (iv), (ii), (i), (iii)
৭২. ঘটনাক্রম
(i) ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে পুথিটির গ্রন্থাকারে প্রকাশ।
(ii) ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রাজদরবার থেকে পুথি সংগ্রহ।
(ii) প্রবোধচন্দ্র বাগচী মহাশয় কর্তৃক নেপাল থেকে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার।
(iv) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ‘Origin and Development of Bengali Language’ বই প্রকাশ।
(A) (ii), (i), (iii), (iv)
(B) (i), (ii), (iv), (iii)
(C) (ii), (iii), (i), (iv)
(D) (iii), (ii), (i), (iv)
উত্তরঃ (A) (ii), (i), (iii), (iv)
৭৩. ঘটনাক্রম
(i) মোরঙ্গি পীচ্ছ পরহিণ সবরী গীবত গুঞ্জরী মালী।
(ii) উঁচা উঁচা পাবত তঁহি বসই সবরী বালী।
(iii) একেলী সবরী এ বন হিন্ডই কর্ণকুণ্ডলবজ্রধারী।
(iv) উমত সবরো পাগল সবরো মা কর গুলী গুহাড়া তোহৌরি।
(A) (ii), (i), (iv), (iii)
(B) (i), (ii), (iii), (iv)
(C) (ii), (iv), (i), (iii)
(D) (iv), (iii), (ii), (i)
উত্তরঃ (A) (ii), (i), (iv), (iii)
৭৪. ঘটনাক্রম
(i) ডোম্বী বা নিচুজাতের মেয়েকে বিয়ে করার ছবি।
(ii) মণ্ডপ বা বাসরঘরে অন্যান্য মেয়েদের ভিড় করার ছবি।
(iii) মাদল বাজিয়ে বরের বিয়ে করতে যাওয়া।
(iv) কর্পূর দিয়ে পান খাওয়ার উৎসব।
(A) (iii), (iv), (ii), (i)
(B) (i), (iii), (iv), (ii)
(C) (iii), (ii), (iv), (i)
(D) (iv), (iii), (i), (ii)
উত্তরঃ (A) (iii), (iv), (ii), (i)
৭৫. ঘটনাক্রম
(i) টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
(ii) বেগ সংসার বড়হিল জাঅ।
(iii) হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী।
(iv) দুহিল দুধু কি বেন্টে ষামায়।
(A) (i), (iii), (ii), (iv)
(B) (iii), (i), (iv), (ii)
(C) (i), (ii), (iii), (iv)
(D) (iv), (iii), (ii), (i)
উত্তরঃ (A) (i), (iii), (ii), (iv)
৭৬. ঘটনাক্রম
(i) হীনযান ও সহজযান ইত্যাদি বৌদ্ধধর্মের বিভিন্ন শাখাপ্রশাখার জন্ম।
(ii) বৌদ্ধধর্মের মহযানী শাখা প্রবর্তিত হওয়া।
(iii) বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের সাধনসঙ্গীত হিসেবে চর্যাপদ রচনা।
(iv) মহাযানের সঙ্গে আদিম কৌম সমাজের তান্ত্রিকতার সমন্বয় ও মিশ্রণ।
(A) (ii), (iv), (i), (iii)
(B) (i), (ii), (iii), (iv)
(C) (ii), (i), (iv), (iii)
(D) (iv), (iii), (ii), (i)
উত্তরঃ (A) (ii), (iv), (i), (iii)
৭৭. ঘটনাক্রম
(i) তিব্বতি অনুবাদে মোট একান্নটি পদের অস্তিত্বের প্রমাণ লাভ।
(ii) হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর পুথিতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদের সন্ধান পাওয়া।
(iii) মুনিদত্ত কর্তৃক সংস্কৃত ভাষায় চর্যাপদের টীকা রচনা।
(iv) কীর্তিচন্দ্র কর্তৃক চর্যাপদের টীকার তিব্বতি অনুবাদ সম্পন্ন হওয়া।
(A) (iii), (iv), (ii), (i)
(B) (ii), (iii), (iv), (i)
(C) (iii), (ii), (i), (iv)
(D) (iv), (ii), (iii), (i)
উত্তরঃ (A) (iii), (iv), (ii), (i)
৭৮. ঘটনাক্রম
(i) রাত্রে চোর-ডাকাতের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়া।
(ii) চোর আটকানোর জন্য প্রহরীর প্রয়োজন হওয়া।
(iii) মধ্যরাতে চোর কর্তৃক বউয়ের কর্ণভরণ খুলে নিয়ে যাওয়া।
(iv) সমাজে শ্রেণীভেদ, বর্ণভেদ ও অস্পৃশ্যতার প্রভাব বিস্তারিত হওয়া।
(A) (i), (iii), (ii), (iv)
(B) (iii), (i), (iv), (ii)
(C) (i), (ii), (iii), (iv)
(D) (iv), (iii), (i), (ii)
উত্তরঃ (A) (i), (iii), (ii), (iv)
৭৯. ঘটনাক্রম
(i) প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা (OIA)
(ii) নব্য ভারতীয় আর্যভাষা (NIA)
(iii) মধ্য ভারতীয় আর্যভাষা (MIA)
(iv) মাগধী অপভ্রংশের গৌড়ীয় রূপের বিকাশ
(A) (i), (iii), (iv), (ii)
(B) (iii), (i), (ii), (iv)
(C) (i), (iv), (iii), (ii)
(D) (iv), (iii), (ii), (i)
উত্তরঃ (A) (i), (iii), (iv), (ii)
৮০. ঘটনাক্রম
(i) মাটির দেয়াল গলে পড়ার মতো চরম অভাবের ছবি।
(ii) আদি-অস্ট্রালদের প্রধান খাদ্য হিসেবে ভাতের ভূমিকা।
(iii) অভিশাপগ্রস্ত জীবনে একমাত্র বিনোদন হিসেবে যুদ্ধবদ্ধ নাচ ও গানের আয়োজন।
(iv) ধীবর ও নিষাদদের নৌকা চালানো এবং বন্যপশু শিকারের দৈনন্দিন বাস্তবতা।
(A) (ii), (i), (iv), (iii)
(B) (i), (ii), (iii), (iv)
(C) (ii), (iv), (i), (iii)
(D) (iv), (iii), (ii), (i)
উত্তরঃ (A) (ii), (i), (iv), (iii)
বিভাগ ঙ : সত্য-মিথ্যার সঠিক বিকল্পটি নির্বাচন করো।
৮১. সত্য-মিথ্যা
(i) দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালকে যুগসন্ধির কাল বলা হয়।
(ii) এই দুশো বছরের মধ্যে পালবংশের রাজত্বের অবসান ঘটে।
(iii) পালবংশের পর প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল বর্মন ও সেন বংশ।
(iv) তুর্কী বা মুসলিম আক্রমণে চিরতরে সেন-রাজত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(D) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
উত্তরঃ (A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
৮২. সত্য-মিথ্যা
(i) ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কৃত হয়।
(ii) মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তিব্বতের মঠ থেকে এই পুথি সংগ্রহ করেন।
(iii) পুথিটি প্রাপ্তির সময় এর নাম ছিল ‘চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়’।
(iv) ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
(A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(B) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (B) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
৮৩. সত্য-মিথ্যা
(i) চর্যাপদের পুথিতে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ ছিল।
(ii) ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী নেপাল থেকে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
(iii) তিব্বতি অনুবাদে প্রাপ্ত পদের সংখ্যা ছিল ৪৬টি।
(iv) চর্যাপদের প্রকৃত নাম ছিল ‘চর্যাগীতিকোষ’।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(B) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
উত্তরঃ (C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
৮৪. সত্য-মিথ্যা
(i) ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যার পদগুলি দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
(ii) চর্যাপদের পদকর্তারা সকলেই প্রাচীন বাংলার অধিবাসী ছিলেন না, তারা নেপালি ছিলেন।
(iii) চর্যাপদের পুথিতে মোট চব্বিশ জন কবির পদ পাওয়া যায়।
(iv) চর্যাপদে কাহ্নপাদের রচিত পদের সংখ্যা সর্বাধিক তেরোটি।
(A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(B) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(C) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
উত্তরঃ (A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
৮৫. সত্য-মিথ্যা
(i) চর্যাপদের প্রায় সবকটি গানই মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা।
(ii) চর্যার গানগুলিতে কোনো রাগরাগিণীর নির্দেশ পাওয়া যায় না।
(iii) ২৮ নম্বর পদটি শবরপাদের একটি বিখ্যাত পদ।
(iv) শবরপাদের ৫০ নম্বর পদে কার্পাসফুলের খেতের বর্ণনা রয়েছে।
(A) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(B) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
(D) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
উত্তরঃ (B) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
৮৬. সত্য-মিথ্যা
(i) চর্যাগীতিগুলি আসলে লৌকিক সমাজের সাধারণ প্রেমের গান, এতে কোনো ধর্মতত্ত্ব নেই।
(ii) চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের সাধনসঙ্গীত।
(iii) বৌদ্ধধর্মের হীনযানী শাখাটি পরবর্তীকালে তান্ত্রিকতার সঙ্গে মিশে যায়।
(iv) চর্যাগীতি প্রাথমিকভাবে বৌদ্ধ দর্শনেরই প্রতিধ্বনি।
(A) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
৮৭. সত্য-মিথ্যা
(i) ‘সন্ধা’ শব্দের এক অর্থ ‘আলো-আঁধারি ভাষা’।
(ii) ‘সন্ধা’ শব্দের মতান্তর অর্থ হলো ‘সম্যক ধ্যান’।
(iii) চর্যাপদের ভাষায় অতীত কালের ক্রিয়াপদ গঠনে ‘-ইব’ বিভক্তি ব্যবহার হতো।
(iv) চর্যার ভাষায় ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াপদ গঠনে ‘-ইল’ বিভক্তি ব্যবহার হতো।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
(B) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(D) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
৮৮. সত্য-মিথ্যা
(i) “টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী” পদটি ভুসুকুপাদের রচনা।
(ii) এই পদে বাঙালির প্রিয় খাদ্য ভাতের অভাবের চিত্র ফুটে উঠেছে।
(iii) পদটিতে নিম্নবর্গের বাঙালির নিত্য উপবাসের করুণ সমাজচিত্র রয়েছে।
(iv) “হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী” লাইনটি এই পদেরই অংশ।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(D) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
৮৯. সত্য-মিথ্যা
(i) আদি-অস্ট্রালদের প্রধান খাদ্যবস্তু ছিল গম।
(ii) চর্যাপদের যুগে সমাজে শ্রেণীভেদ, বর্ণভেদ ও অস্পৃশ্যতা প্রবল ছিল।
(iii) ডোম্বী, নিষাদ ও শবররা গ্রামের ভেতরে উঁচু অট্টালিকায় বাস করত।
(iv) প্রান্তবাসী এই মানুষদের প্রধান বৃত্তি ছিল তুলা ধোনা, মদ বিক্রি ও নৌকা চালানো।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(B) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) মিথ্যা
(C) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
(D) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (C) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
৯০. সত্য-মিথ্যা
(i) চর্যাপদের যুগে রাতে চোর-ডাকাতের উপদ্রব ছিল না, সমাজ শান্ত ছিল।
(ii) মধ্যরাতে চোর বউয়ের ‘কর্ণভরণ’ বা কানের গয়না খুলে নিয়ে যেত।
(iii) চোর আটকানোর জন্য সমাজে প্রহরীর প্রয়োজন হতো।
(iv) “আপনা মাংসে হরিণা বৈরী” এটি চর্যাপদের একটি নিজস্ব প্রাচীন বাগধারা।
(A) (i) সত্য, (ii) সত্য, (iii) মিথ্যা, (iv) মিথ্যা
(B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(C) (i) সত্য, (ii) মিথ্যা, (iii) সত্য, (iv) সত্য
(D) (i) মিথ্যা, (ii) মিথ্যা, (iii) মিথ্যা, (iv) সত্য
উত্তরঃ (B) (i) মিথ্যা, (ii) সত্য, (iii) সত্য, (iv) সত্য
বিভাগ চ: স্তম্ভ মেলানো (Column Matching)
৯১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ
(1) ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ
(2) ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ
(3) ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ
(4) ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ
‘খ’ স্তম্ভ
(i) চর্যাপদের গ্রন্থাকারে প্রকাশ
(ii) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘Origin and Development of Bengali Language’ প্রকাশ
(iii) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালে পুথি আবিষ্কার
(iv) প্রবোধচন্দ্র বাগচী কর্তৃক তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iii, 2-i, 3-ii, 4-iv
(খ) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
উত্তরঃ (ক) 1-iii, 2-i, 3-ii, 4-iv
৯২. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (কবি)
(1) কাহ্নপাদ
(2) ভুসুকুপাদ
(3) সরহপাদ
(4) কুক্কুরীপাদ
‘খ’ স্তম্ভ (পদের সংখ্যা)
(i) আটটি পদ
(ii) চারটি পদ
(iii) তিনটি পদ
(iv) তেরোটি পদ
বিকল্প কোড:
(ক) 1-i, 2-iii, 3-iv, 4-ii
(খ) 1-iv, 2-i, 3-ii, 4-iii
(গ) 1-iv, 2-ii, 3-i, 4-iii
(ঘ) 1-iii, 2-iv, 3-ii, 4-i
উত্তরঃ (খ) 1-iv, 2-i, 3-ii, 4-iii
৯৩. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (চর্যার পদ)
(1) শবরপাদের ২৮ নম্বর পদ
(2) ঢেন্ডন পার ৩৩ নম্বর পদ
(3) ২ নম্বর পদ
(4) ৩৯ নম্বর পদ
‘খ’ স্তম্ভ (উদ্ধৃত অংশ)
(i) টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
(ii) দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই।
(iii) উঁছা উঁছা পাবত তঁহি বসই সবরী বালী।
(iv) ভবানির্বাণে পড়হ মাদলা।
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iii, 2-i, 3-ii, 4-iv
(খ) 1-i, 2-iii, 3-iv, 4-ii
(গ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
(ঘ) 1-iv, 2-ii, 3-iii, 4-i
উত্তরঃ (ক) 1-iii, 2-i, 3-ii, 4-iv
৯৪. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (ঐতিহাসিক পণ্ডিত)
(1) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
(2) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
(3) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
(4) মুনিদত্ত
‘খ’ স্তম্ভ (চর্যাপদ সংক্রান্ত কাজ)
(i) চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার
(ii) চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা
(iii) নেপালের রাজদরবার থেকে পুথি উদ্ধার
(iv) চর্যার ভাষার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও প্রমাণ
বিকল্প কোড:
(ক) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(খ) 1-iii, 2-iv, 3-i, 4-ii
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
উত্তরঃ (খ) 1-iii, 2-iv, 3-i, 4-ii
৯৫. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (চর্যার ভাষা বৈশিষ্ট্য)
(1) অতীত কাল
(2) ভবিষ্যৎ কাল
(3) সংখ্যাবাচক শব্দ
(4) নিজস্ব বাগধারা
‘খ’ স্তম্ভ (উদাহরণ/ব্যাখ্যা)
(i) করিব, যাইবে (-ইব বিভক্তি)
(ii) চড়িল, জীতেল (-ইল বিভক্তি)
(iii) আপনা মাংসে হরিণা বৈরী
(iv) এক, দুই, চৌষট্টি
বিকল্প কোড:
(ক) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
(খ) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-iii, 2-iv, 3-i, 4-ii
উত্তরঃ (ক) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
৯৬. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (তৎকালীন রাজবংশ)
(1) পাল বংশ
(2) সেন বংশ
(3) গুপ্ত যুগ
(4) পাল-বর্মন-সেন রাজত্ব
‘খ’ স্তম্ভ (ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট)
(i) তুর্কী আক্রমণে চিরতরে নিশ্চিহ্ন হওয়া রাজত্ব
(ii) কয়েকশো বছর ব্যাপী স্থায়ী শাসন ও অবসান
(iii) বৌদ্ধধর্মের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা
(iv) এই সময় থেকে শুরু হওয়া নানা দ্বন্দ্ব-সংঘাত
বিকল্প কোড:
(ক) 1-i, 2-ii, 3-iv, 4-iii
(খ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(গ) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
(ঘ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
উত্তরঃ (গ) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
৯৭. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (প্রান্তিক সমাজ)
(1) আদি-অস্ট্রাল
(2) শবর-শবরী
(3) ডোম-ডোমনী
(4) ধীবর ও নিষাদ
‘খ’ স্তম্ভ (লৌকিক জীবনযাত্রা/বৃত্তি)
(i) পাহাড়ের উঁচুতে বসবাস ও গুঞ্জাফুলের মালা পরা
(ii) তুলা ধোনা, মদ বিক্রি ও নৌকা চালানো
(iii) প্রধান খাদ্যবস্তু হিসেবে ভাতের ব্যবহার
(iv) বাসরঘরে ভিড় করা এবং যৌতুকের শিকার হওয়া
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
(খ) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
উত্তরঃ (ক) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
৯৮. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (শব্দ/পরিভাষা)
(1) চর্যা
(2) সন্ধা (মতান্তরে)
(3) চর্যাগীতিকোষ
(4) সন্ধ্যা ভাষা
‘খ’ স্তম্ভ (অর্থ/তাৎপর্য)
(i) সম্যক ধ্যান
(ii) আচরণীয় বা আচার
(iii) আলো-আঁধারি প্রহেলিকা
(iv) চর্যাপদের প্রকৃত নাম
বিকল্প কোড:
(ক) 1-i, 2-ii, 3-iv, 4-iii
(খ) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-iii, 2-iv, 3-i, 4-ii
উত্তরঃ (খ) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
৯৯. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (বৌদ্ধ ধর্মশাখা)
(1) মহাযান
(2) তান্ত্রিকতা
(3) বৌদ্ধ সহজিয়া
(4) শূন্য, বিজ্ঞান ও মহাসুখ
‘খ’ স্তম্ভ (চর্যাপদের দর্শন ও রূপান্তর)
(i) চর্যাপদের কবি বা সিদ্ধাচার্যদের মূল পরিচয়
(ii) বৌদ্ধধর্মের আদি বিবর্তিত মূল শাখা
(iii) নির্বাণপ্রাপ্তির উপায় বা দর্শন
(iv) মহাযানের সঙ্গে আদিম কৌম সংস্কৃতির মিশ্রণ
বিকল্প কোড:
(ক) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
(খ) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-iii, 2-i, 3-iv, 4-ii
উত্তরঃ (ক) 1-ii, 2-iv, 3-i, 4-iii
১০০. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও:
‘ক’ স্তম্ভ (সামাজিক বাস্তবতা)
(1) চোর-ডাকাতের উপদ্রব
(2) প্রহরীর প্রয়োজনীয়তা
(3) চরম দারিদ্র্য ও অনাহার
(4) বর্ষার ঘরের ক্ষয়
‘খ’ স্তম্ভ (চর্যার পদের অভ্যন্তরীণ সংকেত)
(i) “হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী”
(ii) “মাটির দেয়াল গলে পড়ার ছবি”
(iii) “দুলি দুহি পিঠা ধরণ ন জাই”
(iv) “সুন বাহ তথা পহারী”
বিকল্প কোড:
(ক) 1-iii, 2-iv, 3-i, 4-ii
(খ) 1-i, 2-ii, 3-iii, 4-iv
(গ) 1-iv, 2-iii, 3-ii, 4-i
(ঘ) 1-ii, 2-i, 3-iv, 4-iii
উত্তরঃ (ক) 1-iii, 2-iv, 3-i, 4-ii
বিভাগ ছ : বিবৃতি ও যুক্তি (Assertion and Reasoning)
১০১. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): পাল-বর্মন-সেন রাজাদের রাজত্বকালে এক সুবিশাল ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে প্রাচীন বঙ্গদেশের সীমানার বারবার পরিবর্তন ঘটেছে।
যুক্তি (R): কোনো দেশের ভৌগোলিক এলাকা রাজতন্ত্রের উত্থানপতন, জয়-পরাজয়, স্থানীয় অভ্যুত্থান বা বৈদেশিক শক্তির আক্রমণের নিরিখে পরিবর্তিত হওয়া একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক ঘটনা।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
১০২. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালকে প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে একটি ‘যুগসন্ধির কাল’ বা টানাপোড়েনের সময় বলা হয়।
যুক্তি (R): এই সময়ে কয়েকশো বছর ব্যাপী স্থায়ী পালবংশের রাজত্বের অবসান ঘটে, বর্মন ও সেন বংশের প্রতিষ্ঠা হয় এবং পরবর্তীতে মুসলিম আক্রমণে সেন-রাজত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
১০৩. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুথির প্রকৃত নাম রেখেছিলেন ‘চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়’।
যুক্তি (R): ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি যখন পুথিটি উদ্ধার করেন, তখন অন্য দুটি অপভ্রংশ রচনার সঙ্গে একত্রে এর এই নামটিই পাওয়া গিয়েছিল।
(ক) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(খ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
(গ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(ঘ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
উত্তরঃ (গ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
১০৪. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী আবিষ্কৃত তিব্বতি পুথি অনুসারে চর্যাপদের প্রকৃত নাম ছিল ‘চর্যাগীতিকোষ’।
যুক্তি (R): হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে যে পুথিটি এনেছিলেন তা ছিল মূলত মূল তিব্বতি গ্রন্থের একটি সংস্কৃত পদ্যের রূপান্তর মাত্র।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(খ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
(ঘ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
উত্তরঃ (গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
১০৫. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যাপদের ভাষা আদিম বা অপরিচিত স্তরের এবং এর রচনাকাল দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে।
যুক্তি (R): তিনি তাঁর ‘Origin and Development of Bengali Language’ বইয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদকে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পূর্বসূরি বা নিদর্শন হিসেবে প্রমাণ করেছেন।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
১০৬. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের ভাষাকে আলো-আঁধারি মেশানো ‘সন্ধ্যা ভাষা’ বা ‘সন্ধ্য্যা ভাষা’ বলে অভিহিত করেছেন।
যুক্তি (R): চর্যাপদের গানগুলি প্রাচীন বাংলার সাধারণ মানুষের সান্ধ্যকালীন আরতি এবং উৎসবের সময় গাওয়া হতো বলে এর নাম সন্ধ্যা ভাষা।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(গ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক。
(ঘ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
উত্তরঃ (খ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
১০৭. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): চর্যাপদের সাধনসঙ্গীত বা তত্ত্বকথাগুলি আধুনিক মানুষের কাছেও অত্যন্ত সমাদৃত এবং চিরকালীন হয়ে উঠেছে।
যুক্তি (R): তত্ত্বের গূঢ় দার্শনিক প্রসঙ্গ বা তান্ত্রিকতা কালের নিয়মে চাপা পড়লেও, কবিদের সৃষ্টি করা লৌকিক প্রকৃতির রূপক এবং দুঃখ-বেদনাময় মানবজীবনের শাশ্বত মানবিক আবেদনটি রয়ে গেছে।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়。
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা。
১০৮. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): ঢেন্ডন পার রচিত পদের চরিত্রটি প্রতিবেশীহীন একটি টিলার ওপর একাকী বসবাস করত।
যুক্তি (R): সে যুগে সমাজে তীব্র শ্রেণীভেদ, বর্ণভেদ ও অস্পৃশ্যতা থাকার কারণে ডোম, নিষাদ বা শবরদের মতো প্রান্তিক মানুষদের লোকালয় বা গ্রামের বাইরে উঁচু টিলায় বাস করতে হতো।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
১০৯. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): চর্যাপদের যুগেই বাংলায় বিয়ের ক্ষেত্রে যৌতুকপ্রথার মতো সামাজিক ব্যাধির অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।
যুক্তি (R): ভুসুকুপাদ ও শবরপাদের কাব্যে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, সে যুগে বরেরা বেশি যৌতুকের লোভে উচ্চবর্ণের ধনী ঘরের মেয়েদেরই শুধু বিয়ে করত।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক।
(খ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) এবং (R) উভয়ই মিথ্যা।
উত্তরঃ (গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
১১০. প্রশ্ন:
বিবৃতি (A): প্রাচীন বাংলার নিম্নবর্গ ও প্রান্তীয় মানুষগুলির দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ছিল অত্যন্ত নিঃস্ব ও নিরানন্দময়।
যুক্তি (R): দারিদ্র্য ও অনাহারের চরম অভিশাপগ্রস্ত জীবন হওয়া সত্ত্বেও গ্রামীণ উৎসব, মাদল বাজিয়ে বিয়ে এবং দলবদ্ধ নাচ-গান ছিল তাদের টিকে থাকার একমাত্র বিনোদন।
(ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।
(খ) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক কিন্তু (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
(গ) (A) সঠিক কিন্তু (R) ভুল।
(ঘ) (A) ভুল কিন্তু (R) সঠিক।
উত্তরঃ (ক) (A) এবং (R) উভয়ই সঠিক এবং (R) হলো (A)-এর সঠিক ব্যাখ্যা।