WBBSE Class 6 Poribesh O Bigyan 2nd Unit Test Answer Set-2 | ষষ্ঠ শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র

2ND SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 6 (VI) WBBSE
PORIBESH O BIGYAN QUESTION

Set-2

WBBSE Class 6 Poribesh O Bigyan 2nd Unit Test Answer Set-2 | ষষ্ঠ শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট

📌ষষ্ঠ শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

HAZARATPUR HIGH SCHOOL (H.S)
2nd Summative Evaluation – 2025
শ্রেণি- ষষ্ঠ
বিষয় : পরিবেশ ও বিজ্ঞান

পূর্ণমান – ৫০                সময় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিঃ

১। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : ১×৭=৭

১.১ তড়িৎপ্রবাহের একক হল–
(a) অ্যাম্পিয়ার (b) কেলভিন (c) ক্যান্ডেলা (d) মিটার

১.২ উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার যন্ত্রের নাম হল–
(a) থার্মোমিটার (b) অক্সানোমিটার
(c) স্টেথোস্কোপ (d) টেলিস্কোপ।

১.৩ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হল–
(a) মিথেন (b) অক্সিজেন (c) হাইড্রোজেন
(d) নাইট্রোজেন।

১.৪ স্টেইনলেস স্টিল করতে লোহার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়–
(a) তামা (b) অ্যালুমিনিয়াম (c) ক্রোমিয়াম (d) টিন।

১.৫ মানুষের হৃৎস্পন্দন মিনিটে–
(a) ২২বার (b) ৫২ বার (c) ৭২ বার (d) ৮২ বার।

১.৬ আমাদের কনুইতে আছে–
(a) পিভট সন্ধি (b) হিঞ্জ সন্ধি
(c) স্যাডল সন্ধি (d) বল ও সকেট সন্ধি

১.৭ SI তে ওজনের একক হল–
(a) কিলোগ্রাম (b) মিটার (c) নিউটন (d) গ্রাম।

২। শূন্যস্থান পূরণ করো : ১×৭=৭

(ক) রক্তকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে ____________ ।

(খ) অস্থিগুলি একে অপরের সঙ্গে ____________ দিয়ে যুক্ত থাকে।

(গ) তরলের আয়তন মাপতে আমরা ____________ ব্যবহার করি।

(ঘ) বক্সাইট হল ___________ এর প্রধান আকরিক।

(ঙ) দৈর্ঘ্য হল একটি ____________ রাশি।

(চ) বেলেপাথর একটি ______________ শিলার উদাহরণ।

(ছ) দশ শতাংশ সূত্রের প্রবক্তা বিজ্ঞানী _______________ ।

৩। একটি বাক্যে উত্তর দাও : ১×৭=৭

(ক) চুনাপাথরের পরিবর্তিত রূপটি কী ?

(খ) লোহা ছাড়া অন্য একটি চৌম্বক পদার্থের নাম লেখো।

(গ) ফড়িং কোন শ্রেণির খাদক ?

(ঘ) একটি অনবীকরণযোগ্য শক্তির উদাহরণ দাও।

(ঙ) ট্রফিক লেভেল কী ?

(চ) ধমনি দিয়ে কী ধরনের রক্ত প্রবাহিত হয় ?

(ছ) ভিটামিন সি-এর অভাব হলে আমাদের শরীরে কী সমস্যা দেখা যায় ?

৪। উক্তিটি সত্য না মিথ্যা লেখো : ১×৬=৬

(ক) মানুষের হৃৎপিণ্ডে পাঁচটি কুঠুরি থাকে।

(খ) সৌরকুকার চালু করা হলে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

(গ) উচ্চতা সাধারণত সেন্টিমিটার স্কেলে মাপা হয়।

(ঘ) ক্ষেত্রফলের পরিমাপ জানতে আমরা দৈর্ঘ্যের সঙ্গে প্রস্থ গুণ করি।

(ঙ) ফুসফুসের কাজ শরীরে রক্ত চলাচলে সাহায্য করা।

(চ) পাকস্থলীর পেশি হল এক ধরনের কঙ্কাল পেশি।

৫। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : ২×৪=৮

(ক) ঝামা পাথরে ছিদ্র দেখা যায় কেন ?

(খ) সৌরদিন কী ?

(গ) খাদ্যশৃঙ্খলটি সম্পূর্ণ করো : ________ ➙ ফড়িং ________ ➙ সাপ ➙ ময়ূর।

(ঘ) দুটি শ্বাসপেশির নাম লেখো।

৬। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ৫x৩=১৫

(ক) ফসিল বা জীবাশ্ম কীভাবে তৈরী হয় ? জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ দাও। ৩+২

(খ) বাঁধের তলদেশ সবসময় চওড়া করা হয় কেন ? দেশলাই কাঠির বারুদের দিকটা বাক্সের গায়ে ঘষলে আগুন জ্বলে ওঠে কেন ? ঢাক বাজলে কোন শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ? ২+২+১

(গ) ফুসফুসীয় শিরা দিয়ে কী ধরণের রক্ত প্রবাহিত হয় ? হৃৎস্পন্দন বলতে কী বোঝো ? রক্তের কাজ কী ? ১+১+৩

ANSWER KEY (উত্তরপত্র)

১। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : 

১.১ তড়িৎপ্রবাহের একক হল–
উত্তরঃ (a) অ্যাম্পিয়ার।

১.২ উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার যন্ত্রের নাম হল–
উত্তরঃ (b) অক্সানোমিটার।

১.৩ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হল–
উত্তরঃ (a) মিথেন।

১.৪ স্টেইনলেস স্টিল করতে লোহার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়–
উত্তরঃ (c) ক্রোমিয়াম।

১.৫ মানুষের হৃৎস্পন্দন মিনিটে–
উত্তরঃ (c) ৭২ বার।

১.৬ আমাদের কনুইতে আছে–
উত্তরঃ (b) হিঞ্জ সন্ধি (বা কবজা সন্ধি)।

১.৭ SI তে ওজনের (বলের) একক হল–
উত্তরঃ (c) নিউটন।

২। শূন্যস্থান পূরণ করো : 

(ক) রক্তকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অণুচক্রিকা (বা রক্তকণিকা / ফাইব্রিনোজেন)।

(খ) অস্থিগুলি একে অপরের সঙ্গে লিগামেন্ট দিয়ে যুক্ত থাকে।

(গ) তরলের আয়তন মাপতে আমরা মাপনী চোঙ ব্যবহার করি।

(ঘ) বক্সাইট হল অ্যালুমিনিয়াম-এর প্রধান আকরিক।

(ঙ) দৈর্ঘ্য হল একটি প্রাথমিক (বা মৌলিক) রাশি।

(চ) বেলেপাথর একটি পাললিক শিলার উদাহরণ।

(ছ) দশ শতাংশ সূত্রের প্রবক্তা বিজ্ঞানী লিন্ডেম্যান।

৩। একটি বাক্যে উত্তর দাও : 

(ক) চুনাপাথরের পরিবর্তিত রূপটি কী?

উত্তরঃ চুনাপাথরের পরিবর্তিত রূপটি হলো মার্বেল পাথর।

(খ) লোহা ছাড়া অন্য একটি চৌম্বক পদার্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ লোহা ছাড়া অন্য একটি চৌম্বক পদার্থ হলো নিকেল (বা কোবাল্ট)।

(গ) ফড়িং কোন শ্রেণির খাদক?

উত্তরঃ ফড়িং সবুজ উদ্ভিদ খায়, তাই এটি প্রথম শ্রেণির খাদক (বা প্রাথমিক খাদক)।

(ঘ) একটি অনবীকরণযোগ্য শক্তির উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ একটি অনবীকরণযোগ্য শক্তির উদাহরণ হলো কয়লা (বা পেট্রোলিয়াম)।

(ঙ) ট্রফিক লেভেল কী?

উত্তরঃ বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশৃঙ্খলের প্রতিটি স্তর বা ধাপকে, যার মাধ্যমে শক্তি বা পুষ্টির রূপান্তর ঘটে, তাকে ট্রফিক লেভেল বা পুষ্টিস্তর বলে।

(চ) ধমনি দিয়ে কী ধরনের রক্ত প্রবাহিত হয়?

উত্তরঃ ফুসফুসীয় ধমনি ব্যতীত, শরীরের সাধারণ ধমনি দিয়ে সাধারণত অক্সিজেন সমৃদ্ধ (বিশুদ্ধ) রক্ত প্রবাহিত হয়।

(ছ) ভিটামিন সি-এর অভাব হলে আমাদের শরীরে কী সমস্যা দেখা যায়?

উত্তরঃ ভিটামিন সি-এর অভাব হলে আমাদের শরীরে স্কার্ভি রোগ (মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, দাঁত দুর্বল হওয়া) দেখা যায়।

৪। উক্তিটি সত্য না মিথ্যা লেখো : 

(ক) মানুষের হৃৎপিণ্ডে পাঁচটি কুঠুরি থাকে।

উত্তরঃ মিথ্যা। (মানুষের হৃৎপিণ্ডে চারটি কুঠুরি থাকে।)

(খ) সৌরকুকার চালু করা হলে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উত্তরঃ মিথ্যা। (এক্ষেত্রে সৌরশক্তি বা আলোকশক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।)

(গ) উচ্চতা সাধারণত সেন্টিমিটার স্কেলে মাপা হয়।

উত্তরঃ সত্য।

(ঘ) ক্ষেত্রফলের পরিমাপ জানতে আমরা দৈর্ঘ্যের সঙ্গে প্রস্থ গুণ করি।

উত্তরঃ সত্য।

(ঙ) ফুসফুসের কাজ শরীরে রক্ত চলাচলে সাহায্য করা।

উত্তরঃ মিথ্যা। (রক্ত চলাচলে বা পাম্প করতে সাহায্য করে হৃৎপিণ্ড; ফুসফুসের কাজ রক্তে অক্সিজেন মেশানো এবং কার্বন ডাই অক্সাইড বের করা।)

(চ) পাকস্থলীর পেশি হল এক ধরনের কঙ্কাল পেশি।

উত্তরঃ মিথ্যা। (পাকস্থলীর পেশি হলো এক ধরনের অনৈচ্ছিক বা মসৃণ পেশি। এটি হাড় বা কঙ্কালের সঙ্গে যুক্ত থাকে না।)

৫। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 

(ক) ঝামা পাথরে ছিদ্র দেখা যায় কেন ?

উত্তরঃ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় লাভার সাথে অনেক গরম গ্যাসও বেরিয়ে আসে। লাভা যখন দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে শক্ত পাথরে পরিণত হয়, তখন তার ভেতরে আটকে থাকা গ্যাসের বুদবুদগুলো বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। গ্যাসগুলো বেরিয়ে যাওয়ার পর পাথরের গায়ে ছোট ছোট ফাঁকা জায়গা বা গর্ত তৈরি হয়। এই কারণেই ঝামা পাথরে (পিউমিস) অনেক ছিদ্র দেখা যায়।

(খ) সৌরদিন কী?

উত্তরঃ পৃথিবী নিজের অক্ষের চারপাশে বা লাটিমের মতো একবার পাক খেতে যে সময় নেয়, তাকে এক সৌরদিন বলে। সাধারণ কথায়, আজ দুপুরে সূর্য ঠিক মাথার ওপর আসার পর থেকে, ঠিক তার পরের দিন আবার সূর্য মাথার ওপর আসা পর্যন্ত মোট সময়টাই হলো এক সৌরদিন। ২৪ ঘণ্টায় এক সৌরদিন হয়।

(গ) খাদ্যশৃঙ্খলটি সম্পূর্ণ করো।

উত্তরঃ সবুজ উদ্ভিদ (বা ঘাস) ➙ ফড়িং ➙ ব্যাঙ ➙ সাপ ➙ ময়ূর।

(ঘ) দুটি শ্বাসপেশির নাম লেখো।

উত্তরঃ শ্বাসকষ্ট বা শ্বাসকার্যের সাহায্যকারী দুটি প্রধান পেশি হলো—

১. মধ্যচ্ছদা — এটি বুক ও পেটের মাঝখানে থাকে।
২. পাঁজরের মধ্যবর্তী পেশি — এটি আমাদের বুকের পাঁজরগুলোর মাঝখানে থাকে।

৬। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : 

(ক) ফসিল বা জীবাশ্ম কীভাবে তৈরী হয়? জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ জীবাশ্ম বা ফসিল তৈরি হওয়ার পদ্ধতি—

১. বহু কোটি বছর আগে প্রাকৃতিক বিপর্যয় (যেমন—ভূমিকম্প বা বন্যা)-এর ফলে গাছপালা এবং জীবজন্তু মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়।

২. মাটির নিচে তীব্র চাপ ও প্রচণ্ড গরমে বছরের পর বছর ধরে এদের নরম অংশগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

৩. কিন্তু কঙ্কাল বা শক্ত অংশগুলোর ওপর পলি ও কাদা জমে পাথর হয়ে যায়। ওই পাথরের গায়ে মৃত জীবের যে শক্ত হাড়ের বা দেহের ছাপ বা অবশেষ থেকে যায়, তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলে।

জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ— কয়লা এবং পেট্রোলিয়াম (বা খনিজ তেল)।

(খ) বাঁধের তলদেশ সবসময় চওড়া করা হয় কেন? দেশলাই কাঠির বারুদের দিকটা বাক্সের গায়ে ঘষলে আগুন জ্বলে ওঠে কেন? ঢাক বাজলে কোন শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?

উত্তরঃ বাঁধের তলদেশ চওড়া করার কারণ—

তরল বা জলের গভীরতা যত বাড়ে, তার চাপও তত বেশি হয়। নদীর বাঁধের ওপরের চেয়ে নিচের দিকে জলের চাপ অনেক বেশি থাকে। এই প্রচণ্ড জলের চাপ যাতে বাঁধটি সহজে সহ্য করতে পারে এবং ভেঙে না যায়, তাই বাঁধের তলদেশ সবসময় চওড়া বা মোটা করে তৈরি করা হয়।

দেশলাই কাঠি ঘষলে আগুন জ্বলার কারণ—

দেশলাই কাঠিটি যখন বাক্সের গায়ে ঘষা হয়, তখন তাদের মধ্যে ঘর্ষণ তৈরি হয়। এই ঘর্ষণের ফলে সেখানে বেশ কিছুটা তাপ উৎপন্ন হয়। ওই তাপের চোটেই দেশলাই কাঠির ডগায় থাকা বারুদটি জ্বলে ওঠে।

ঢাক বাজলে শক্তির রূপান্তর— ঢাক বাজলে হাতের যান্ত্রিক শক্তি (পেশিশক্তি) শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

(গ) ফুসফুসীয় শিরা দিয়ে কী ধরণের রক্ত প্রবাহিত হয় ? হৃৎস্পন্দন বলতে কী বোঝো? রক্তের কাজ কী ?

উত্তরঃ ফুসফুসীয় শিরার রক্ত—

ফুসফুসীয় শিরা দিয়ে অক্সিজেন সমৃদ্ধ (বিশুদ্ধ) রক্ত প্রবাহিত হয়।

হৃৎস্পন্দন— আমাদের হৃৎপিণ্ড সারাক্ষণ একবার সংকুচিত (ছোট) এবং একবার প্রসারিত (বড়) হয়ে পাম্পের মতো সারা শরীরে রক্ত ছড়িয়ে দেয়। হৃৎপিণ্ডের এই নিয়মতান্ত্রিক সংকোচন ও প্রসারণকে একসাথেই হৃৎস্পন্দন বলে।

রক্তের ৩টি প্রধান কাজ—

১. অক্সিজেন পরিবহন: রক্ত ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে সারা শরীরের কোষে কোষে পৌঁছে দেয়।

২. রোগ প্রতিরোধ: রক্তের শ্বেত রক্তকণিকা শরীরে বাইরে থেকে আসা জীবাণুদের মেরে আমাদের সুস্থ রাখে।

৩. বর্জ্য পদার্থ দূর করা: শরীরের ক্ষতিকর কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থকে রক্ত বয়ে নিয়ে গিয়ে ফুসফুস ও কিডনিতে পৌঁছে দেয় শরীর থেকে বের করার জন্য।

পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্নপত্র ২০২৫ পিডিএফ
শ্রেণি পরীক্ষা লিঙ্ক
VI 2nd U.T Download

📌 আরো দেখুনঃ
📌ষষ্ঠ শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply