পথচলতি গল্পের বিষয়বস্তু অষ্টম শ্রেণি বাংলা | Poth Cholti Golper Bisoibostu Class 8 Bengali wbbse
সাহিত্য মেলা
অষ্টম শ্রেণি বাংলা
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
পথচলতি
—সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
লেখক পরিচিতিঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১৮৯০-১৯৭৭) : ভাষাতাত্ত্বিক, বহুভাষাবিদ এই লেখক অধ্যাপকের জন্ম হাওড়ার শিবপুরে। তিনি The Origin and Development of the Bengali Language গ্রন্থের রচনার জন্য স্মরণীয় হয়ে আছেন। তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- দ্বীপময় ভারত ও শ্যামদেশ, ইউরোপ ভ্রমণ, সাংস্কৃতিকী প্রভৃতি। তাঁর আত্মজীবনী জীবনকথা একটি অত্যন্ত সুখপাঠ্য গ্রন্থ।
সারাংশঃ দেহরাদুন এক্সপ্রেস ধরার জন্য লেখক প্ল্যাটফর্মে এলেন। ট্রেনও যথাসময় এল, কিন্তু অসম্ভব ভিড়, ওঠার উপায় নেই। হঠাৎ চোখে পড়ল একটি কামরায় গুটি কয়েক কাবুলিওয়ালা। কিন্তু সেখানে ঢুকতে গেলে তারা হুংকার দিয়ে সকলকে তাড়িয়ে দিচ্ছে। এমনকি রেলের কর্মচারী বা পুলিশও সেখানে ঘেঁষছে না। কিন্তু লেখক মনস্থির করলেন সেখানেই ঢুকবেন।
লেখক ফারসি জানেন। সেই ভরসায় কামরায় প্রবেশ করলেন। সঙ্গে সঙ্গে হুংকার এল, কিন্তু তিনি ঘাবড়ালেন না। বরং ফারসিতেই জবাব দিয়ে বললেন—খালি একজন মানুষের জন্য একটি জায়গা দাও। ফারসি বুঝতে নাপেরে তারা হতভম্ব হয়ে গেল। তখন তিনি তাচ্ছিল্যভরে গলা চড়িয়ে বললেন তােমরা আফগানিস্তানের কোন অঞ্চল থেকে আসছ যে, ফারসি জানাে না, বলার ক্ষমতা নেই। ছােকরা গােছের একজন বলল—সে ফারসি জানে। অতঃপর লেখকের কলকাতা যাওয়ার কথা শুনে তারা ভিতরে ডাকলেন। পুরাে একটি বেঞ খালি করে, সমীহভরে তাঁকে মস্ত জ্ঞানী মনে করে স্থান করে দিল।
এই কাবুলিওয়ালারা ইংরেজ অধীনস্থ পাঠান উপজাতির লােক। খাস কাবুলির মতাে এরা ফারসি জানে না। তাই লেখকেরও সুবিধা হল। হিন্দি আর বাংলায় আলাপ হল। একজন সম্পর্কে জানা গেল, সে বরিশালের পটুয়াখালিতে শীতবস্ত্র, হিং বিক্রি আর চাষিদের টাকা ধার দেওয়ার কাজ করে। অন্যজন তাে লেখককে তাদের হিসাবনিকাশ করার জন্য কেরানি বা ম্যানেজারের মর্যাদা দিল।
এবার পশতু ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি খুশ-হাল খাঁ খট্টকের গজল প্রসঙ্গ এল। একজন তাঁকে সেই গজল গেয়ে শােনাল। এল আদম খাঁ’ ও দুরখানির কিসসা প্রসঙ্গ। জনৈক উৎসাহী পাঠান তার কর্কশ-গুরুগম্ভীর কণ্ঠে সেই কিসসার কিছুটা গান ও কিছুটা পাঠ করে শােনাল। এভাবেই পশতু-সাহিত্য গােষ্ঠী বা সম্মেলন শেষ হল।
দুজন পাঠান সহযাত্রী নিজেদের মধ্যে পশতু ভাষায় আলােচনা করতে লাগল। কিন্তু লেখকের উর্দু জানা থাকায় তিনি সেই আলােচনা বুঝতে পারলেন। জানলেন, তারা বলছে লেখক ভারি বিদ্বান আর বুদ্ধিমান। ইংরেজি পড়ে, ফারসি পড়ে, আবার তাদের খাস দেহাতি কথাও কত জেনে নিয়েছে। এই সময় রােজা চলছিল। তাই শােবার তােড়জোড় শুরুর আগেই সবাই সান্ধ্য আহার সেরে নিল। সে রাত্রে লেখক বেশ ভালােই ঘুমিয়েছিলেন। ভােরে উঠে কেউ কেউ নমাজ পড়ল। সবাই ভােরে উঠে ভরপেট খেয়েও নিল। পটুয়াখালির আগা সাহেব তসবিহ সেরে লেখকের নিদ্রা কেমন হল জানতে চাইলেন। সবাই বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে লেখককে গ্রহণ করল। যথাকালে ট্রেন কলকাতা পৌঁছােল। সেই ক্ষণিকের সহযাত্রী, ভিন্ন জাতির কতকগুলির বন্ধনে আন্তরিক সাহচর্য পাওয়ায় সেই রাতের কথা তাঁর বেশ মনে আছে।
নামকরণঃ নামকরণ বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন- ১. বিষয়বস্তুকেন্দ্রিক নামকরণ, ২. চরিত্রকেন্দ্রিক নামকরণ, ৩. সাংকেতিক বা ব্যঞ্জনধর্মী নামকরণ।
আলােচ্য গল্পটির নামকরণ করা হয়েছে বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে। পথে বহু মানুষের সঙ্গে আমাদের আলাপ হয়। পারস্পরিক সৌহার্দে সেই আলাপ বেশ কিছুটা আন্তরিক হয়ে ওঠে, খুঁজে পাওয়া যায় মনের রসদ। লেখক সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় দেহরাদুন এক্সপ্রেসে চড়ে কলকাতা ফেরার সময় ভিড়ের কারণে ট্রেনের মধ্যম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে স্থান পাননি। তিনি লক্ষ করেন, তৃতীয় শ্রেণির একটি কামরা কিছু কাবুলিওয়ালা দখল করে রেখেছে। লেখক ফরাসি ভাষা জানার সুবাদে ওই কাবুলিওয়ালাদের সঙ্গে অনায়াসেই বার্তালাপ করতে পারেন এবং এর ফলে তিনি কামরায় অনায়াসে জায়গা করে নেন। তাঁদের সঙ্গে কলকাতায় ফেরার অভিজ্ঞতাই আলােচ্য গল্পটির কেন্দ্রীয় বিষয়। সমগ্র গল্পটাই পথের অভিজ্ঞতাতে পরিপূর্ণ তাই চলার পথের অভিজ্ঞতাই যেহেতু এই গল্পের মূল বিষয়, সেজন্য তাকে কেন্দ্র করে নামকরণটি করা হয়েছে। সুতরাং, বিষয়বস্তুর বিচারে ‘পথচলতি’ নামটি সর্বাঙ্গে সার্থক ও সুন্দর হয়ে উঠেছে।
∆ শব্দার্থ ও টীকাঃ—
• পথচলতি— পথে যেতে যেতে, চলার পথে, চলতি পথে
• শ্বশুরালয়– শ্বশুরবাড়ি
• গয়া – বিহার রাজ্যের একটি জায়গা
• দেহরাদুন – উত্তরাখণ্ডের একটি পর্যটন কেন্দ্র
• এক্সপ্রেস – খুব জোরে চলে যে গাড়ি
• দ্বিতীয় শ্রেণির – ট্রেনের শ্রেণি-বিশেষ, প্রথম শ্রেণির থেকে সুযোগসুবিধা কম
• তৃতীয় শ্রেণি – ট্রেনের শ্রেণি-বিশেষ যেখানে সাধারণ যাত্রীরা যাতায়াত করে
• মধ্যম শ্রেণির – ট্রেনের মাঝারি শ্রেণি যেখানে সুযোগসুবিধা খুব বেশি নয়
• রিটার্ন টিকিট – ফেরার টিকিট
• ফিরতি অংশ – যে অংশটি ছিঁড়ে ফেলা হয়নি, ফেরার সময় যেটা কাজে লাগে
• ইস্টিশনে – স্টেশনে (ধ্বনি পরিবর্তনে ‘ই’ আগে বসে)
• অসম্ভব – সম্ভব নয়
• মতলবে – উদ্দেশ্যে
• ইঞ্জিন – যার সাহায্যে ট্রেন চলে।
• বগি – ট্রেনের কামরা
• গুটিকতক – সামান্য কয়েকটা
• কাবুলিওয়ালা – কাবুল দেশের মানুষ
• হুংকার – চিৎকার করে কথা বলা
• ইয়ে গাড়ে তোমারা ওয়াস্তে নেহি – এই গাড়ি তোমাদের জন্য নয়
• জবরদস্ত – শক্তিশালী
• আধখোলা – অর্ধেক খোলা
• হাতল – হাত দিয়ে ধরার বস্তু
• গুরুগম্ভীর স্বরে – মোটা গলায়
• কিদর আতে হো ? – কোথায় আসছ ?
• সির্ফ হম পঠান-লোগ ইসমে জাতে হৈঁ – কেবল আমরা পাঠান লোকেরা এতে যাই
• কর্মচারী – অন্যের অধীনে যারা কাজ করে
• অনুমান – আন্দাজ
• হতভম্ব – খুব অবাক
• ক্যা-মাঙ্গতা – কী চাই
• উপহাস – ঠাট্টা
• তাচ্ছিল্য – তুচ্ছ বা ছোট মনে করা
• ছোকরা – অল্পবয়সি ছেলে
• ইশারা – সংকেতের দ্বারা কিছু বলা
• সমীহ – ভয় বা সম্মান
• আলেম – সবকিছু জানেন এমন লোক
• গুরুবলে – গুরুর দয়ায়
• স্বস্তি – শান্তি
• আলাপ – কথাবার্তা
• লবজ – শব্দ (কথা)
• বিদ্যে – বিদ্যা শব্দের চলিত বা কথ্য রূপ
• মর্দ – পুরুষ
• যাত্রী – যারা ট্রেনে চড়েছে
• ঘৰ্ম – ঘাম
• হিং – এক প্রকার গন্ধ যুক্ত দ্রব্য, রান্নায় ব্যবহৃত হয়
• উগ্র গন্ধে ভরপুর – কড়া গন্ধে ভরা
অপূর্ব – খুব সুন্দর
• সৌরভ – সুগন্ধ
• সংমিশ্রণ – মেশানো
• কড়াভাবে – কঠোর ভাবে
• নাসারন্ধ্র – নাকের গর্ত
• আক্রমণ – চড়াও হওয়া
• ডেরা – বাসস্থান বা আশ্রয়
• বাংক – রেলগাড়িতে ঘুমাবার জায়গা
• বরিশাইল্যা ভাষা – বরিশালের ভাষা
• আয়ত্ত – অধীন
• টঙ – উঁচু জায়গা
• বন্দর— সমুদ্র বা নদীর তীরে জাহাজ রাখার স্থান
• তুম ডরো মৎ…..লিখতা হৈ – বাবু তুমি ভয় পেওনা, যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে তুমি বাঙালি হয়ে পাঠানদের গাড়িতে কেন চেপেছ, তাহলে আমরা বলব উনি আমাদের বাবু, আমাদের হিসাব লেখেন ।
• দরদ – সহানুভূতি
• সগৌরবে – গৌরবের সঙ্গে
• মর্যাদা – সম্মান
• ম্যানেজার – প্রধান পরিচালক
• আতিশয্য – বাড়াবাড়ি
• বিষয়ান্তর – অন্য বিষয়
• অবতারণা – ভূমিকা
• কিস্সা – কাহিনি
• সম্মেলন – মিলন বা সমাবেশ
• নিবিষ্টচিত্ত – একমনে
• সহযাত্রী – পাশের যাত্রী, সঙ্গে যাচ্ছে যে
• দেহাতি – পাড়া বা গ্রামের
• প্রবর্তক – শুরু করেছে যে (এখানে একটি পত্রিকার কথা বলা হয়েছে)
• নামাজ – মুসলিমদের উপাসনা পদ্ধতি
• ভদ্রতাপ্রণোদিত— ভদ্রতার খাতিরে
• কাইল— কাল ( আগামীকাল বা গতকাল)
• রোজা— পবিত্র রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের উপবাস
• কাইত— কাত হয়ে শোওয়া, ঘুমানো
• সুখসৌপ্তিক— আরামের ঘুম বিষয়ক
• কাবাব— আগুনে ঝলসানো মাংস
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর : পথচলতি — সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় অষ্টম শ্রেণি বাংলা | Chithi Golper Hate Kolome Question Answer Class 8 Bengali wbbse
∆ ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো।
১. ‘পথচতি’ গল্পটি রচনা করেছেন— (শিবনাথ শাস্ত্রী / এস. ওয়াজেদ আলি / সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়)।
উত্তরঃ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
২. দেহরাদুন এক্সপ্রেস একটি- (জায়গার নাম / ট্রেনের নাম / জাতির নাম)।
উত্তরঃ ট্রেনের নাম।
৩. কাবুলিওয়ালারা ছিল- ( প্রথম শ্রেণিতে / দ্বিতীয় শ্রেণিতে / তৃতীয় শ্রেণিতে)।
উত্তরঃ তৃতীয় শ্রেণিতে।
৪. ট্রেনের যে কামরায় ভিড় ছিল না – (প্রথম শ্রেণির / দ্বিতীয় শ্রেণির / তৃতীয় শ্রেণির)।
উত্তরঃ তৃতীয় শ্রেণির।
৫. ‘পথচলতি’ গল্পের ব্যাপারটা খুব সম্ভবত ঘটেছিল— (১৯২৮ সালের শীতকালে / ১৮২৮ সালের শীতকালে / ১৭২৮ সালের শীতকালে)।
উত্তরঃ ১৯২৮ সালের শীতকালে
৬. তৃতীয় শ্রেণীর কামরাতে লেখকের ঢোকার সাহস থাকার কারণ (ফার্সি / আরবি / পশতু) জানার জন্য।
উত্তরঃ ফার্সি।
৭ . “ম-রা জগহ্ বি দেহ্”—এই উক্তিটি যে ভাষায় তা হল- ( পশতু / ফারসি / উর্দু)।
উত্তরঃ ফারসি।
৮. ফার্সি যে দেশের শিক্ষিত জনের ভাষা – (পাকিস্তান / আফগানিস্তান / তুরস্ক)।
উত্তরঃ আফগানিস্তান।
৯. পাঠানরা জবরদস্ত ও মারমুখী হলেও— (ভদ্রসভ্য / রাশভারি / শিশুসুলভ )।
উত্তরঃ শিশুসুলভ।
১০. কাবুলিওয়ালা পাঠানদের মাতৃভাষা ছিল- (পশতু / ফারসি / উর্দু)।
উত্তরঃ পশতু।
১১. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীর নাম কী ? (আমার জীবনী / জীবনস্মৃতি / জীবন কথা)।
উত্তরঃ জীবন কথা।
১২. ‘পথচতি’ গল্প অনুযায়ী আফগানিস্তানের শিক্ষিত মানুষদের ভাষা হল- ( পশতু / আরবি / ফারসি)।
উত্তরঃ ফারসি।
১৩. ‘পথচলতি’-র লেখক শ্বশুরালয় গয়া থেকে ফিরছিলেন—(পুরীতে / দিল্লিতে / কলকাতায়)।
উত্তরঃ কলকাতায়।
১৪. ‘চি খাহি?’কথাটির অর্থ— ( কী বলছো ? / কোথায় যাবে ? / কী চাও ?)।
উত্তরঃ কী চাও ?
১৫. লেখক এর যে ট্রেনটি ধরার কথা ছিল – (দেহরাদুন এক্সপ্রেস / পাঞ্জাব মেল / তুফান এক্সপ্রেস )।
উত্তরঃ দেহরাদুন এক্সপ্রেস।
১৬. লেখক কোথায় ফিরছিলেন ? – (দেহরাদুন / কলকাতা / গয়া )।
উত্তরঃ কলকাতা।
১৭.. গাড়িতে পাঠান মর্দ ছিল প্রায়— ( বারো জন / চৌদ্দ জন / ষোল জন )।
উত্তরঃ ষোল জন।
১৮. বৃদ্ধ আগা-সাহেবের ডেরা ছিল- ( নোয়াখালি / পটুয়াখালি / চট্টগ্রাম )।
উত্তরঃ পটুয়াখালি।
১৯. পার্থ রচনাটিতে বাংলার যে মাসিক পত্রের উল্লেখ আছে তা হল (ভারতী / প্রবর্তক / প্রভাকর )।
উত্তরঃ প্রবর্তক।
২০. খুশ-হাল খাঁ খট্টক কার সময়কার মানুষ ? (সাজাহান / শের শা / আওরঙ্গজেব)।
উত্তরঃ আওরঙ্গজেব।
২১. খুশ হাল খাঁ খট্টক হলেন— (আফগান কবি / পাঠান কবি / ভারতীয় কবি)।
উত্তরঃ পাঠান কবি।
২২. খুশ-হাল খাঁ খট্টক যে গান রচনার জন্য বিখ্যাত তা হল— ( গজল / খেয়াল / ঠুংরি)।
উত্তরঃ গজল।
২৩.লেখকের দুই পাঠান সহযাত্রী কোন ভাষায় কথা বলছিল ? ( উর্দু / হিন্দি / পশতু)।
উত্তরঃ পশতু।
২৩. আগা সাহেবের ব্যবসা ছিল-(শীতবস্ত্র বিক্রি করা / হিং বিক্রি করা / চাষীদের টাকা ধার দেওয়া / উপরের সবকটিই )।
উত্তরঃ উপরের সবকটিই।
∆ অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর : প্রশ্নের মান-১
১. পথ চলতি গল্পের লেখক এর নাম কী ?
উত্তরঃ পথ চলতি গল্পের লেখক এর নাম সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
২. আফগানিস্তানের শিক্ষিত জনের ভাষা কোনটি ?
উত্তরঃ ফারসি হচ্ছে আফগানিস্তানের শিক্ষিত জনের ভাষা, উচ্চ ও ভদ্রসমাজের ভাষা, সরকারি ভাষা।
৩. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণীয় গ্রন্থটির নাম কী ?
উত্তরঃ সুনীতিকুমারের স্মরণীয় গ্রন্থটি হল ‘The Origin and Development of the Bengali Language’.
৪. ‘ব্যাপারটা খুব সম্ভবত ১৯২৮ সালে ঘটেছিল।’- ১৯২৮ সালের ঘটনাটি কোন্ ঋতুতে ঘটেছিল ?
উত্তরঃ ১৯২৮ সালের ঘটনাটি কোন্ শীতকালে বা শীত ঋতুতে ঘটেছিল।
৫. ‘ম-রা জগহ্ বি-দেহ্, বরাবরে সির্ফ য়ক আদমি।’– বক্তার দেওয়া ফারসিতে জবাবটির বাংলা অর্থটুকু লেখো।
উত্তরঃ ফারসিতে দেওয়া লেখকের জবাবের বাংলা অর্থটি হল-“আমাকে জায়গা দাও, খালি একজন মানুষের জন্য।”
৬. “ওরা একটু যেন হতভম্ব হয়ে গেল”- কারা কেন হতভম্ব হয়ে গেল ?
উত্তরঃ ট্রেনে কাবুলিওয়ালা যাত্রীরা হতভম্ব হয়ে গেল কারণ লেখক তাদের সঙ্গে ফারসি ভাষায় কথা বলেছিলেন।
৭. “তখন গাড়ির ভিতর থেকে একটি ছোকরা বললে”- ‘ছোকরা’ শব্দের অর্থ কী? সে কী বলল ?
উত্তরঃ ‘ছোকরা’ শব্দের অর্থ অল্পবয়সি ছেলে।
সে বলল- “আমি ফারসি জানি-কী চাও ?”
৮. “এই অপূর্ব সৌরভের সংমিশ্রণ”— সংমিশ্রণটি কীসের ?
উত্তরঃ অপূর্ব সংমিশ্রণটি হল কাবুলিদের বাসি কাপড়-চোপড়, দেহের ঘাম আর হিং-এর উগ্র গন্ধ।
৯. ‘জবাব দিলুম— দর শহর কলকত্তা বি-রভম।’— কে জবাব দিলেন ? ফারসি ভাষায় লেখা বাক্যটির বাংলা অর্থ লেখ।
উত্তরঃ পথ চলতি গল্পের লেখক সুনিতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এক প্রশ্নের জবাবটা দিয়েছিলেন।
ফারসি ভাষায় লেখা বাক্যটির বাংলা অর্থ হলো– কলকাতা শহরে যাব।
১০. পাঠানদের পশতু ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি কে ?
উত্তরঃ পাঠানদের পশতু ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হলেন খুশ-হাল খাঁ খট্টক।
১১. আগা-সাহেব কোন্ ভাষা মাতৃভাষার মতোই বলতে পারতেন ?
উত্তরঃ আগা সাহেব বরিশাইল্যা ভাষা মাতৃভাষার মতোই বলতে পারতেন।
১২. লেখক কাবুলিওয়ালাদের কাছে গজলের পর কী শুনতে চেয়েছিলেন ?
উত্তরঃ লেখক কাবুলিওয়ালাদের কাছে আদম খাঁ আর দুরখানির মহব্বতের কিসসা শুনতে চেয়েছিলেন।
১৩. বৃদ্ধ পাঠানের ডেরা বাংলাদেশের কোথায় ছিল ?
উত্তরঃ বাংলাদেশের বরিশালের ‘পড়ুয়াহালি’ অর্থাৎ পটুয়াখালি ছিল বৃদ্ধ পাঠানের ডেরা।
১৪. পশতু ভাষার মধ্যে অন্য কোন ভাষার প্রচুর শব্দ আছে?
উত্তরঃ পশতু ভাষার মধ্যে ফারসি আর আরবি ভাষার প্রচুর শব্দ আছে।
১৫. ‘পথচন্তি’ রচনায় উল্লিখিত বাংলা মাসিক পত্রিকাটির নাম কী ?
উত্তরঃ ‘পথচন্তি’ রচনায় উল্লিখিত বাংলা মাসিক পত্রিকাটির নাম ‘প্রবর্তক’।
📌 আরো দেখোঃ
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ
📌 অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অন্যান্য ক্লাসের বাংলা প্রশ্নোত্তরঃ
📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
