বরফে ঢাকা মহাদেশ
ষষ্ঠ অধ্যায়
ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল
ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল ষষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর | Class 6 geography Question Answer Ch-6 wbbse
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
বরফে ঢাকা মহাদেশ
ষষ্ঠ অধ্যায়
ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল
∆ সঠিক উত্তরটি নির্বাচন কর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১
১. আন্টার্টিকার নিকটতম মহাদেশ হল- (ওশিয়ানিয়া / দক্ষিণ আমেরিকা / এশিয়া / ইউরোপ)।
উত্তরঃ দক্ষিণ আমেরিকা।
২. আয়তনে আন্টার্টিকা পৃথিবীর কত নম্বর মহাদেশ?- (তৃতীয় / চতুর্থ / পঞ্চম / ষষ্ঠ)।
উত্তরঃ পঞ্চম।
৩. আন্টার্টিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?- (মাউন্ট এভারেস্ট / ভিনসন ম্যাসিফ / মাউন্ট এরিবাস / গডউইন অস্টিন)।
উত্তরঃ ভিনসন ম্যাসিফ।
৪. পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী?- (সিয়াচেন / ল্যামবার্ট / বাল্টোরো / গঙ্গোত্রী)।
উত্তরঃ ল্যামবার্ট।
৫. আন্টার্টিকার একটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি হল- (ব্যারেন / ভিসুভিয়াস / মাউন্ট এরেবাস / পোপো)।
উত্তরঃ মাউন্ট এরেবাস।
৬. আন্টার্টিকাকে কোন রঙের মহাদেশ বলা হয়?- (নীল / সবুজ / সাদা / হলুদ)।
উত্তরঃ সাদা।
৭. পৃথিবীর শীতলতম জনবসতিহীন স্থান কোনটি?- (ভস্টক / ওমিয়াকন / গ্রিনল্যান্ড / মাউন্ট এভারেস্ট)।
উত্তরঃ ভস্টক।
৮. আন্টার্টিকায় শীতকালে তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়?- (৪০° / ৬০° / ৮০° / ৯০°)।
উত্তরঃ ৮০°।
৯. আন্টার্টিকার আকাশে দেখা যাওয়া রঙিন আলোর ছটাকে কী বলে?- (ধূমকেতু / উল্কা / মেরুজ্যোতি / ছায়াপথ)।
উত্তরঃ মেরুজ্যোতি।
১০. আন্টার্টিকায় তুষারঝড়কে কী বলা হয় ?- ( ব্লিজার্ড / আাঁধি / লু / টাইফুন)।
উত্তরঃ ব্লিজার্ড।
১১. আন্টার্টিকার গ্রীষ্মকাল কোন কোন মাস নিয়ে হয়?- (মে-জুন / আগস্ট-সেপ্টেম্বর / নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি / মার্চ-এপ্রিল)।
উত্তরঃ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি।
১২. গ্রিক শব্দ ‘Antarktika’-র অর্থ কী?- (উত্তরের বিপরীত / বরফের দেশ / পেঙ্গুইনের বাসস্থান / শীতল ভূমি)।
উত্তরঃ উত্তরের বিপরীত।
১৩. আন্টার্টিকার একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা কোনটি?- (মেরু ভালুক / পেঙ্গুইন / সিল / তিমি)।
উত্তরঃ পেঙ্গুইন।
১৪. আন্টার্টিকার সমুদ্রে ভাসমান ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় প্রাণীকে কী বলে?- (মৃগেল / ক্রিল / পিরানহা / গলদা)।
উত্তরঃ ক্রিল।
১৫. পেঙ্গুইনরা কয়টি প্রজাতির হয়?- (৫ / ১০ / ১৭ / ২০)।
উত্তরঃ ১৭।
১৬. আন্টার্টিকার সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইনের নাম কী?- (অ্যাডেল / এম্পেরর / চিনস্ট্র্যাপ / জেন্টু)।
উত্তরঃ এম্পেরর।
১৭. কে প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান?- (ক্যাপ্টেন স্কট / রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন / শা্যাকলটন / কলম্বাস)।
উত্তরঃ রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন।
১৮. কত সালে প্রথম মানুষ দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান?- (১৮২০ / ১৯০০ / ১৯১১ / ১৯৮২)।
উত্তরঃ ১৯১১।
১৯. আন্টার্টিকা মহাদেশটি কোন চুক্তির মাধ্যমে সংরক্ষিত?- (পরিবেশ চুক্তি / আন্টার্টিকা চুক্তি / বাণিজ্য চুক্তি / জলবায়ু চুক্তি)।
উত্তরঃ আন্টার্টিকা চুক্তি।
২০. বিজ্ঞানের মহাদেশ কাকে বলা হয়?- (এশিয়া / আফ্রিকা / আন্টার্টিকা / ইউরোপ)।
উত্তরঃ আন্টার্টিকা।
২১. ভারত থেকে প্রথম অভিযাত্রী দল কত সালে আন্টার্টিকায় পৌঁছায়?- (১৯৪৭ / ১৯৮২ / ১৯৮৮ / ১৯৯০)।
উত্তরঃ ১৯৮২।
২২. আন্টার্টিকায় ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্রটির নাম কী?- (মৈত্রী / ভারতী / দক্ষিণ গঙ্গোত্রী / আর্যভট্ট)।
উত্তরঃ দক্ষিণ গঙ্গোত্রী।
২৩. ১৯৮৮ সালে আন্টার্টিকায় স্থাপিত ভারতের দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্রটির নাম কী?- (মৈত্রী / ভারতী / নালন্দা / তক্ষশীলা)।
উত্তরঃ মৈত্রী।
২৪. আন্টার্টিকার বরফ গলে যাওয়ার প্রধান কারণ কী?- (অত্যধিক বৃষ্টি / বিশ্ব উষ্ণায়ন / ভূমিকম্প / অগ্ন্যুৎপাত)।
উত্তরঃ বিশ্ব উষ্ণায়ন।
২৫. আন্টার্টিকার বরফের চাদর গড়ে কত কিমি পুরু?- (১ কিমি / ২ কিমি / ৫ কিমি / ১০ কিমি)।
উত্তরঃ ২ কিমি।
∆ শূন্যস্থান পূরণ করো : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১
১. আন্টার্টিকার বরফের চাদর গড়ে __________ কিমি পুরু।
উত্তরঃ ২।
২. গ্রিক শব্দ ‘Antarktika’-র অর্থ হলো __________।
উত্তরঃ উত্তরের বিপরীত।
৩. আন্টার্টিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো __________।
উত্তরঃ ভিনসন ম্যাসিফ।
৪. মাউন্ট এরিবাস হলো আন্টার্টিকার একটি জীবন্ত __________।
উত্তরঃ আগ্নেয়গিরি।
৫. পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহের নাম হলো __________।
উত্তরঃ ল্যামবার্ট।
৬. আন্টার্টিকার শীতকালীন তাপমাত্রা __________ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়।
উত্তরঃ ৮০।
৭. আন্টার্টিকাকে পৃথিবীর মানচিত্রে __________ রঙে দেখানো হয়।
উত্তরঃ সাদা।
৮. দক্ষিণ মেরুবিন্দু থেকে ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে আন্টার্টিকাকে __________ ঘিরে রেখেছে।
উত্তরঃ কুমেরু বৃত্তরেখা।
৯. আকাশ জুড়ে সবুজ, নীল, লাল আলোর ছটাকে __________ বলে।
উত্তরঃ মেরুজ্যোতি।
১০. আন্টার্টিকার একমাত্র স্থায়ী বাসিন্দা হলো __________।
উত্তরঃ পেঙ্গুইন।
১১. পেঙ্গুইনদের প্রধান খাদ্য হলো সমুদ্রের ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় __________।
উত্তরঃ ক্রিল।
১২. ১৯১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান নরওয়ের অভিযাত্রী __________।
উত্তরঃ রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন।
১৩. আন্টার্টিকা মহাদেশ কোনো নির্দিষ্ট দেশের অধীনে নয়, এটি একটি __________ ভূখণ্ড।
উত্তরঃ আন্তর্জাতিক।
১৪. আন্টার্টিকা মহাদেশকে বলা হয় __________ মহাদেশ।
উত্তরঃ বিজ্ঞানের।
১৫. আন্টার্টিকায় ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্রটির নাম হলো __________।
উত্তরঃ দক্ষিণ গঙ্গোত্রী।
১৬. ভারতের দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্র ‘মৈত্রী’ স্থাপিত হয়েছিল __________ সালে।
উত্তরঃ ১৯৮৮।
১৭. আন্টার্টিকার সমুদ্রে মাছ, সিল ও __________ দেখা যায়।
উত্তরঃ তিমি।
১৮. গ্রীষ্মকালে আন্টার্টিকার আকাশে ২৪ ঘণ্টাই __________ দেখা যায়।
উত্তরঃ সূর্য।
১৯. বিশ্ব উষ্ণায়ন ও ওজোন স্তর ক্ষয়ের কারণে আন্টার্টিকার __________ দ্রুত গলে যাচ্ছে।
উত্তরঃ বরফ।
২০. আন্টার্টিকার প্রচণ্ড তুষারঝড়কে বলা হয় __________।
উত্তরঃ ব্লিজার্ড।
∆ সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় কর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১
১. আন্টার্টিকা মহাদেশ পৃথিবীর মানচিত্রে একেবারে দক্ষিণে অবস্থিত।
উত্তরঃ সত্য।
২. আয়তনে আন্টার্টিকা পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ।
উত্তরঃ মিথ্যা। (এটি পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ)
৩. আন্টার্টিকাকে ‘সাদা মহাদেশ’ বলা হয়।
উত্তরঃ সত্য।
৪. মাউন্ট এরিবাস আন্টার্টিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
উত্তরঃ মিথ্যা। (সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ভিনসন ম্যাসিফ)
৫. ল্যামবার্ট হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহ।
উত্তরঃ সত্য।
৬. আন্টার্টিকায় শীতকালে আকাশ জুড়ে মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
উত্তরঃ সত্য।
৭. আন্টার্টিকা মহাদেশ চিরস্থায়ী বরফে ঢাকা বলে একে শ্বেত মহাদেশ বলে।
উত্তরঃ সত্য।
৮. ক্রিল হলো এক ধরণের সামুদ্রিক পাখি।
উত্তরঃ মিথ্যা। (ক্রিল হলো ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় প্রাণী)
৯. পেঙ্গুইনরা খুব ভালো উড়তে পারে।
উত্তরঃ মিথ্যা। (পেঙ্গুইন উড়তে পারে না, তবে ভালো সাঁতার কাটতে পারে)
১০. রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন প্রথম দক্ষিণ মেরু জয় করেন।
উত্তরঃ সত্য।
১১. আন্টার্টিকা মহাদেশ কোনো নির্দিষ্ট দেশের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।
উত্তরঃ মিথ্যা। (এটি একটি আন্তর্জাতিক ভূখণ্ড)
১২. আন্টার্টিকাকে ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয়।
উত্তরঃ সত্য।
১৩. দক্ষিণ গঙ্গোত্রী ভারতের প্রথম আন্টার্টিকা গবেষণা কেন্দ্র।
উত্তরঃ সত্য।
১৪. ভারত ১৯৮২ সালে প্রথম আন্টার্টিকায় অভিযান চালায়।
উত্তরঃ সত্য।
১৫. আন্টার্টিকার একমাত্র উদ্ভিদ হলো বড় বড় শাল ও সেগুন গাছ।
উত্তরঃ মিথ্যা। (এখানে কেবল মস, লাইকেন ও শ্যাওলা জন্মায়)
১৬. গ্রীষ্মকালে আন্টার্টিকার তাপমাত্রা বেড়ে ২০° সেলসিয়াসে পৌঁছায়।
উত্তরঃ সত্য।
১৭. আন্টার্টিকায় তুষারঝড়কে বলা হয় ‘লু’।
উত্তরঃ মিথ্যা। ( একে ব্লিজার্ড বলা হয়)
১৮. ওজোন স্তর ক্ষয়ের ফলে আন্টার্টিকার বরফ গলে যাচ্ছে।
উত্তরঃ সত্য।
১৯. আন্টার্টিকার ভূগর্ভে কয়লা ও খনিজ তেলের ভাণ্ডার রয়েছে।
উত্তরঃ সত্য।
২০. কুমেরু বিন্দুতে প্রথম পৌঁছেছিলেন ক্যাপ্টেন স্কট।
উত্তরঃ মিথ্যা। (প্রথম পৌঁছেছিলেন রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন)
∆ বামদিক ও ডান দিক মেলাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১
সেট – ১
| বামদিক | ডানদিক |
| (১) আন্টার্টিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ | (ক) ক্রিল |
| (২) পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহ | (খ) ভিনসন ম্যাসিফ |
| (৩) জীবন্ত আগ্নেয়গিরি | (গ) দক্ষিণ মেরু |
| (৪) পেঙ্গুইনের প্রধান খাদ্য | (ঘ) ল্যামবার্ট |
| (৫) কুমেরু বিন্দু | (ঙ) মাউন্ট এরেবাস |
উত্তরঃ (১)-(খ), (২)-(ঘ), (৩)-(ঙ), (৪)-(ক), (৫)-(গ)।
সেট – ২
| বামদিক | ডানদিক |
| (১) সাদা মহাদেশ | (ক) রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন |
| (২) শীতলতম স্থান | (খ) ব্লিজার্ড |
| (৩) তুষারঝড় | (গ) আন্টার্টিকা |
| (৪) প্রথম দক্ষিণ মেরু জয়ী | (ঘ) ভস্টক |
| (৫) গ্রিক শব্দ ‘Antarktika’ | (ঙ) উত্তরের বিপরীত |
উত্তরঃ (১)-(গ), (২)-(ঘ), (৩)-(খ), (৪)-(ক), (৫)-(ঙ)।
সেট – ৩
| বামদিক | ডানদিক |
| (১) ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্র | (ক) এম্পেরর |
| (২) ভারতের দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্র | (খ) ১৭টি প্রজাতি |
| (৩) পেঙ্গুইন | (গ) দক্ষিণ গঙ্গোত্রী |
| (৪) সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন | (ঘ) বিশ্ব উষ্ণায়ন |
| (৫) বরফ গলে যাওয়ার কারণ | (ঙ) মৈত্রী |
উত্তরঃ (১)-(গ), (২)-(ঙ), (৩)-(খ), (৪)-(ক), (৫)-(ঘ)।
∆ এক কথায় উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১
১. আন্টার্টিকা মহাদেশের অবস্থান কোথায়?
উত্তরঃ পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বিন্দুকে কেন্দ্র করে।
২. আন্টার্টিকার আয়তন কত?
উত্তরঃ প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ বর্গ কিমি।
৩. আয়তনের দিক থেকে আন্টার্টিকা পৃথিবীর কততম মহাদেশ?
উত্তরঃ পঞ্চম।
৪. আন্টার্টিকার অপর নাম কী?
উত্তরঃ সাদা মহাদেশ বা শ্বেত মহাদেশ।
৫. আন্টার্টিকা মহাদেশ কত বছর আগে প্যানজিয়া ভেঙে দক্ষিণ মেরুতে চলে আসে?
উত্তরঃ প্রায় ২০ কোটি বছর আগে।
৬. গ্রিক শব্দ ‘Antarktika’-র অর্থ কী?
উত্তরঃ উত্তরের বিপরীত।
৭. আন্টার্টিকার বরফের স্তর গড়ে কত কিমি পুরু?
উত্তরঃ ১ থেকে ২ কিমি।
৮. আন্টার্টিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ ভিনসন ম্যাসিফ।
৯. ভিনসন ম্যাসিফের উচ্চতা কত?
উত্তরঃ ৪৮৯২ মিটার।
১০. আন্টার্টিকার একটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির নাম লেখো।
উত্তরঃ মাউন্ট এরেবাস।
১১. পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহের নাম কী?
উত্তরঃ ল্যামবার্ট হিমবাহ।
১২. আন্টার্টিকা মহাদেশের কোনদিকের অংশটি বেশি প্রশস্ত?
উত্তরঃ পূর্বদিকের অংশ।
১৩. পৃথিবীর শীতলতম জনবসতিহীন স্থান কোনটি ?
উত্তরঃ রাশিয়ার গবেষণা কেন্দ্র ‘ভস্টক’।
১৪. ভোস্টকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত রেকর্ড করা হয়েছে?
উত্তরঃ –৮৯.২° সেলসিয়াস।
১৫. আন্টার্টিকার শীতকালীন গড় তাপমাত্রা কত থাকে?
উত্তরঃ –৪০° থেকে –৮০° সেলসিয়াস।
১৬. আন্টার্টিকার গ্রীষ্মকাল কোন কোন মাসে হয়?
উত্তরঃ নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে।
১৭. আন্টার্টিকায় প্রচণ্ড তুষারঝড়কে কী বলে?
উত্তরঃ ব্লিজার্ড।
১৮. গ্রীষ্মকালে আন্টার্টিকার তাপমাত্রা বেড়ে কত হয়?
উত্তরঃ প্রায় ২০° সেলসিয়াস।
১৯. মেরুজ্যোতি বা অরোরা কোন সময় দেখা যায়?
উত্তরঃ মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত অর্থাৎ শীতকালে।
২০. আন্টার্টিকায় কোন কোন গাছ দেখা যায় ?
উত্তরঃ মস, লাইকেন ও শ্যাওলা।
২১. আন্টার্টিকার সমুদ্রের প্রধান মাছ কোনটি ?
উত্তরঃ ক্রিল।
২২. ক্রিল দেখতে কেমন ?
উত্তরঃ ক্ষুদ্র চিংড়ি মাছের মতো।
২৩. আন্টার্টিকার প্রধান স্থায়ী বাসিন্দা কে?
উত্তরঃ পেঙ্গুইন।
২৪. আন্টার্টিকায় মোট কত প্রজাতির পেঙ্গুইন আছে?
উত্তরঃ ১৭টি প্রজাতির।
২৫. সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইনের নাম কী?
উত্তরঃ এম্পেরর পেঙ্গুইন।
২৬. এম্পেরর পেঙ্গুইন লম্বায় কত ফুট হয়?
উত্তরঃ প্রায় ৪ ফুট।
২৭. কত সালে প্রথম জানা যায় দক্ষিণ মেরুতে বরফে ঢাকা ভূখণ্ড আছে?
উত্তরঃ ১৮২০ সালে।
২৮. কে প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান?
উত্তরঃ নরওয়ের অভিযাত্রী রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন।
২৯. আমুন্ডসেন কত সালে দক্ষিণ মেরু জয় করেন?
উত্তরঃ ১৯১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর।
৩০. দক্ষিণ মেরু জয় করার অভিযানে আমুন্ডসেনের সঙ্গে আর কারা ছিলেন?
উত্তরঃ তাঁর সঙ্গীরা এবং স্লেজ কুকুর।
৩১. আন্টার্টিকাকে কেন ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয় ?
উত্তরঃ কারণ এটি কোনো দেশের অধীনে নয় এবং এখানে সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা কেবল গবেষণার কাজ করেন।
৩২. আন্টার্টিকা আন্তর্জাতিক চুক্তি কত সালে হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৫৯ সালে।
৩৩. আন্টার্টিকার ভূগর্ভে কোন কোন খনিজ সম্পদ রয়েছে?
উত্তরঃ কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, তামা, নিকেল ও সোনা।
৩৪. আন্টার্টিকা চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তরঃ শান্তির উদ্দেশ্যে গবেষণা করা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা।
৩৫. ভারত থেকে প্রথম অভিযাত্রী দল কত সালে আন্টার্টিকায় পৌঁছায়?
উত্তরঃ ১৯৮২ সালের ৯ জানুয়ারি।
৩৬. আন্টার্টিকায় ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্রের নাম কী?
উত্তরঃ দক্ষিণ গঙ্গোত্রী।
৩৭. ভারতের দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্র ‘মৈত্রী’ কত সালে স্থাপিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৮৮ সালের ২৬ মার্চ।
৩৮. মৈত্রী গবেষণা কেন্দ্র দক্ষিণ গঙ্গোত্রী থেকে কত দূরে অবস্থিত?
উত্তরঃ ৭০ কিমি দূরে।
৩৯. বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আন্টার্টিকার কী ক্ষতি হচ্ছে?
উত্তরঃ প্রতিদিন একটু একটু করে বরফ গলে যাচ্ছে এবং প্রাণীদের সংখ্যা কমছে।
৪০. উত্তর মেরুর বা সুমেরু অঞ্চলের প্রধান প্রাণী কোনটি?
উত্তরঃ মেরু ভালুক।
∆ সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ২
১. আন্টার্টিকাকে ‘সাদা মহাদেশ’ বলা হয় কেন ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশ সারা বছর গড়ে ১-২ কিমি পুরু স্থায়ী বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। পৃথিবীর মানচিত্রে এই মহাদেশকে সাদা রঙে দেখানো হয় বলে একে ‘সাদা মহাদেশ’ বলা হয়।
২. গ্রিক শব্দ ‘Antarktika’-র অর্থ কী? এই মহাদেশের অবস্থান লেখো।
উত্তরঃ গ্রিক শব্দ ‘Antarktika’-র অর্থ হলো ‘উত্তরের বিপরীত’। এই মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বিন্দুকে কেন্দ্র করে ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থান করছে।
৩. প্যানজিয়া বলতে কী বোঝো ?
উত্তরঃ আজ থেকে প্রায় ২০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর সমস্ত মহাদেশগুলো একটি বিশাল ভূখণ্ড হিসেবে একসাথে যুক্ত ছিল। এই অখণ্ড বিশাল স্থলভাগকেই ‘প্যানজিয়া’ বলা হয়। আন্টার্টিকাও একসময় প্যানজিয়ার অংশ ছিল।
৪. আন্টার্টিকার ভূপ্রকৃতি কেমন ?
উত্তরঃ পুরো মহাদেশটি একটি বিশাল উঁচু মালভূমি, যার উচ্চতা ২০০০ থেকে ৫০০০ মিটার। মহাদেশের পশ্চিমদিকের অংশটি সংকীর্ণ কিন্তু পূর্বদিকের অংশটি বেশ প্রশস্ত।
৫. মাউন্ট এরেবাস ও ভিনসন ম্যাসিফ কীসের জন্য বিখ্যাত ?
উত্তরঃ মাউন্ট এরেবাস আন্টার্টিকার রস সাগরের তীরে অবস্থিত একটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। অন্যদিকে, ভিনসন ম্যাসিফ (৪৮৯২ মি.) হলো আন্টার্টিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
৬. ‘ল্যামবার্ট’ ও ‘বাল্টোরো’ কী ?
উত্তরঃ ‘ল্যামবার্ট’ হলো আন্টার্টিকা তথা পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহ। অন্যদিকে ‘বাল্টোরো’ হলো আন্টার্টিকার একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিশাল হিমবাহ।
৭. আন্টার্টিকার জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা পৃথিবীর শীতলতম ও শুষ্কতম মহাদেশ। সারা বছর এখানে হিমশীতল আবহাওয়া ও কনকনে ঠান্ডা বাতাস বয়। মাঝে মাঝেই এখানে প্রচণ্ড তুষারঝড় বা ‘ব্লিজার্ড’ দেখা যায়।
৮. আন্টার্টিকার শীতলতম স্থানটির পরিচয় দাও।
উত্তরঃ রাশিয়ার গবেষণা কেন্দ্র ‘ভোস্টক’ হলো আন্টার্টিকা তথা পৃথিবীর শীতলতম স্থান। এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -৮৯.২° সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
৯. মেরুজ্যোতি বা অরোরা অস্ট্রালিস কী ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকায় শীতকালে একটানা ৬ মাস যখন সূর্য দেখা যায় না, তখন মাঝেমধ্যে রাতের আকাশে রামধনুর মতো রঙিন আলোর ছটা দেখা যায়। একেই মেরুজ্যোতি বা অরোরা অস্ট্রালিস বলে।
১০. আন্টার্টিকায় বড় গাছপালা জন্মায় না কেন ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা সারা বছর পুরু বরফে ঢাকা থাকে এবং এখানকার তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে থাকে। গ্রীষ্মকালেও তাপমাত্রা খুব একটা বাড়ে না, তাই এখানে মস, লাইকেন ও শ্যাওলা ছাড়া অন্য বড় গাছপালা জন্মাতে পারে না।
১১. ক্রিল কী ? এর গুরুত্ব লেখো।
উত্তরঃ ক্রিল হলো আন্টার্টিকার সমুদ্রে পাওয়া এক প্রকার ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় প্রাণী। এটি এই মহাদেশের প্রধান বাসিন্দা পেঙ্গুইনদের প্রধান খাদ্য।
১২. পেঙ্গুইনরা ঠান্ডার হাত থেকে নিজেদের কীভাবে বাঁচায় ?
উত্তরঃ পেঙ্গুইনদের সারা শরীর চকচকে পালকে ঢাকা থাকে যা জলে ভেজে না। এছাড়া এদের ত্বকের নিচে পুরু চর্বির স্তর থাকে, যা তাদের প্রচণ্ড ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করে।
১৩. রয়্যাল্ড আমুন্ডসেনের কৃতিত্ব কী?
উত্তরঃ নরওয়ের অভিযাত্রী রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন ১৯১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রথম মানুষ হিসেবে পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বিন্দুতে (৯০° দক্ষিণ) পৌঁছাতে সক্ষম হন।
১৪. আন্টার্টিকাকে ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয় কেন?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা কোনো নির্দিষ্ট দেশের অধীনে নয়। ১৯৫৯ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব দেশই এখানে শান্তির উদ্দেশ্যে গবেষণার সুযোগ পায়। তাই একে ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলে।
১৫. আন্টার্টিকা চুক্তির (Antarctica Treaty) উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কোনো দেশ এখানে সামরিক কার্যকলাপ চালাতে পারবে না, আন্টার্টিকার খনিজ সম্পদের ওপর কারও ব্যক্তিগত অধিকার থাকবে না এবং এখানে কেবল শান্তির উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা করা যাবে।
১৬. আন্টার্টিকায় ভারতের দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্রটির নাম ও গুরুত্ব লেখো।
উত্তরঃ আন্টার্টিকায় ভারতের দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্রের নাম ‘মৈত্রী’, যা ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়। এটি দক্ষিণ গঙ্গোত্রী থেকে ৭০ কিমি দূরে অবস্থিত এবং বর্তমানে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রধান গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১৭. দক্ষিণ গঙ্গোত্রী কী? এটি বর্তমানে কী অবস্থায় আছে?
উত্তরঃ দক্ষিণ গঙ্গোত্রী হলো আন্টার্টিকায় স্থাপিত ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্র (১৯৮২)। বর্তমানে এটি বরফের নিচে চাপা পড়ে গেছে এবং কেবল সরবরাহ কেন্দ্র বা সাপ্লাই বেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১৮. বিশ্ব উষ্ণায়ন আন্টার্টিকার ওপর কী প্রভাব ফেলছে ?
উত্তরঃ বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আন্টার্টিকার দীর্ঘকালীন বরফের স্তর গলতে শুরু করেছে। এর ফলে মহাদেশের আয়তন কমছে এবং সিল, পেঙ্গুইন ও ক্রিলদের সংখ্যাও আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।
১৯. আন্টার্টিকার বরফ পুরোপুরি গলে গেলে কী বিপদ হতে পারে?
উত্তরঃ আন্টার্টিকার সব বরফ গলে গেলে সমুদ্রের জলস্তর অনেকটা বেড়ে যাবে। এর ফলে পৃথিবীর সমস্ত উপকূলবর্তী শহর ও দেশগুলো জলের নিচে তলিয়ে যাওয়ার বড় ধরনের ঝুঁকি দেখা দেবে।
২০. গ্রীষ্মকালে আন্টার্টিকায় ২৪ ঘণ্টা সূর্য দেখা গেলেও খুব বেশি গরম লাগে না কেন ?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে সূর্যের আলো আন্টার্টিকার ওপর অত্যন্ত তির্যকভাবে বা বাঁকাভাবে পড়ে। এছাড়া পড়া আলোর বেশিরভাগটাই সাদা বরফের দ্বারা প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল খুব বেশি উত্তপ্ত হতে পারে না।
∆ সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাধর্মী প্রশ্ন উত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ৩
১. আন্টার্টিকা মহাদেশের অবস্থান ও সীমা সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশটি পৃথিবীর একেবারে দক্ষিণে কুমেরু বিন্দুকে (৯০° দক্ষিণ) কেন্দ্র করে অবস্থান করছে। দক্ষিণ মেরুবিন্দু থেকে ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে এই মহাদেশটি অবস্থিত। একে কুমেরু বৃত্তরেখা এবং কুমেরু মহাসাগর চারদিক দিয়ে ঘিরে রেখেছে। এই মহাদেশটি আয়তনে ওশেনিয়া ও ইউরোপের থেকেও বড়।
২. আন্টার্টিকাকে ‘সাদা মহাদেশ’ বলা হয় কেন?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশটি সারা বছর গড়ে ১ থেকে ২ কিমি পুরু স্থায়ী বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। পৃথিবীর মোট বরফের প্রায় ৯০ শতাংশই এখানে সঞ্চিত। প্রবল শৈত্যের কারণে সবসময় বরফে ঢাকা থাকে বলে পৃথিবীর মানচিত্রে এই মহাদেশকে সাদা রঙে দেখানো হয়। এই কারণেই আন্টার্টিকার আরেক নাম ‘সাদা মহাদেশ’।
৩. আন্টার্টিকা মহাদেশের উৎপত্তি সম্পর্কে কী জানা যায় ?
উত্তরঃ আজ থেকে প্রায় ২০ কোটি বছর আগে আন্টার্টিকা, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত একত্রে ‘প্যানজিয়া’ নামক এক বিশাল ভূখণ্ডের অংশ ছিল। পরবর্তীকালে মহাদেশ সঞ্চরণের ফলে প্যানজিয়া ভেঙে আন্টার্টিকা দক্ষিণ মেরুর দিকে সরে আসে। এই দীর্ঘ বিবর্তনের ফলেই আজকের এই বরফে ঢাকা বিচ্ছিন্ন মহাদেশটির সৃষ্টি হয়েছে।
৪. আন্টার্টিকার ভূপ্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশের ভূপ্রকৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—
(ক) পুরো মহাদেশটি একটি বিশাল উঁচু মালভূমি, যার উচ্চতা ২০০০ থেকে ৫০০০ মিটারের মধ্যে।
(খ) মহাদেশের পশ্চিমদিকের অংশটি সংকীর্ণ কিন্তু পূর্বদিকের অংশটি অত্যন্ত প্রশস্ত।
(গ) এই মহাদেশে ভিনসন ম্যাসিফের মতো উঁচু পর্বতশৃঙ্গ এবং মাউন্ট এরিবাসের মতো জীবন্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে।
৫. আন্টার্টিকার জলবায়ুর তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ আন্টার্টিকার জলবায়ুর প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো—
(ক) এটি পৃথিবীর শীতলতম এবং শুষ্কতম মহাদেশ, যেখানে শীতকালে তাপমাত্রা -৮০° সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়।
(খ) এখানে সারা বছর হিমশীতল বাতাস বয় এবং মাঝে মাঝেই প্রচণ্ড তুষারঝড় বা ‘ব্লিজার্ড’ হয়।
(গ) শীতকালে একটানা ৬ মাস আকাশ অন্ধকারে ঢাকা থাকে এবং আকাশে সূর্য দেখা যায় না।
৬. ‘মেরুজ্যোতি’ বা ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ বলতে কী বোঝো ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশে মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত অর্থাৎ শীতকালে আকাশে সূর্য দেখা যায় না, চারপাশ অন্ধকারে ঢাকা থাকে। এই সময়ে মাঝেমধ্যে মহাকাশ থেকে আসা তড়িৎকণা বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে আকাশে রামধনুর মতো রঙিন আলোর ছটা তৈরি করে। একেই মেরুজ্যোতি বা ‘অরোরা অস্ট্রালিস’ বলা হয়।
৭. আন্টার্টিকার উদ্ভিদজগৎ সম্পর্কে টীকা লেখো।
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশ চিরতুষারে ঢাকা থাকায় এখানে কোনো বড় গাছপালা জন্মায় না। একমাত্র গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের ধারে যেখানে বরফ কিছুটা গলে যায়, সেখানে সামান্য পরিমাণে মস, লাইকেন এবং শ্যাওলা জাতীয় উদ্ভিদ জন্মায়। প্রচণ্ড ঠান্ডা এবং সূর্যালোকের অভাবের কারণেই এখানে উন্নত উদ্ভিদ জন্মানোর অনুকূল পরিবেশ নেই।
৮. পেঙ্গুইনরা কীভাবে আন্টার্টিকার চরম ঠান্ডার সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়?
উত্তরঃ পেঙ্গুইনরা আন্টার্টিকার প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য বেশ কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে—
(ক) এদের সারা শরীর চকচকে ঘন পালকে ঢাকা থাকে যা জল নিরোধক, ফলে এদের শরীর ভিজে যায় না।
(খ) এদের ত্বকের নিচে পুরু চর্বির স্তর থাকে যা শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে।
(গ) প্রচণ্ড ঠান্ডার সময় এরা অনেক পেঙ্গুইন একসাথে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে উষ্ণতা ভাগ করে নেয়।
৯. ক্রিল কী ? আন্টার্টিকার জীবজগতে এর গুরুত্ব লেখো।
উত্তরঃ আন্টার্টিকার সমুদ্রের জলে প্রচুর পরিমাণে ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় প্রাণী দেখা যায়, যাদের ‘ক্রিল’ বলা হয়। ক্রিল এই মহাদেশের বাস্তুসংস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আন্টার্টিকার প্রধান স্থায়ী বাসিন্দা পেঙ্গুইনদের প্রধান খাদ্য। এছাড়াও তিমি, সিল এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক পাখি খাবারের জন্য ক্রিলের ওপর নির্ভর করে।
১০. রয়্যাল্ড আমুন্ডসেনের দক্ষিণ মেরু অভিযান সম্পর্কে কী জানো ?
উত্তরঃ ১৯১১ সালের ১৯ অক্টোবর নরওয়ের অভিযাত্রী রয়্যাল্ড আমুন্ডসেন তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে দক্ষিণ মেরু জয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। চরম প্রতিকূল আবহাওয়া, তুষারঝড় এবং বরফস্তরের বড় বড় ফাটল উপেক্ষা করে তাঁরা এগিয়ে যান। অবশেষে ১৯১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর তাঁরাই প্রথম পৃথিবীর দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বিন্দুতে (৯০° দক্ষিণ) পৌঁছাতে সক্ষম হন।
১১. আন্টার্টিকাকে কেন ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয় ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের অধীনে নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক ভূখণ্ড। এখানে খনিজ তেলের সন্ধান থাকলেও ১৯৫৯ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব দেশই এখানে কেবল শান্তির উদ্দেশ্যে গবেষণার সুযোগ পায়। সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা এখানে জলবায়ু, খনিজ এবং পরিবেশ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা করেন বলেই একে ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয়।
১২. আন্টার্টিকা চুক্তির প্রধান গুরুত্বগুলো কী কী ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকা চুক্তির (১৯৫৯) প্রধান শর্ত ও গুরুত্বগুলো হলো—
(ক) এই মহাদেশে কোনো দেশ সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা পারমাণবিক পরীক্ষা করতে পারবে না।
(খ) আন্টার্টিকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যকে নষ্ট করা যাবে না।
(গ) এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের ওপর কোনো একক দেশের মালিকানা থাকবে না এবং এটি কেবল গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে।
১৩. আন্টার্টিকায় ভারতের গবেষণা কেন্দ্রগুলোর পরিচয় দাও।
উত্তরঃ আন্টার্টিকায় ভারতের তিনটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে—
(ক) দক্ষিণ গঙ্গোত্রী: ১৯৮২ সালে স্থাপিত ভারতের প্রথম গবেষণা কেন্দ্র (বর্তমানে এটি কেবল সরবরাহ কেন্দ্র)।
(খ) মৈত্রী: ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ গঙ্গোত্রী থেকে ৭০ কিমি দূরে এটি স্থাপিত হয়।
(গ) ভারতী: এটি ভারতের পরবর্তী অত্যাধুনিক গবেষণা কেন্দ্র। মূলত বায়ুমণ্ডল ও পৃথিবীর ভারসাম্য নিয়ে গবেষণার জন্য ভারত এখানে অভিযান চালায়।
১৪. বিশ্ব উষ্ণায়ন আন্টার্টিকার ভবিষ্যতে কী কী সংকট ডেকে আনতে পারে ?
উত্তরঃ বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর ফলে আন্টার্টিকার চিরস্থায়ী বরফস্তর দ্রুত গলতে শুরু করেছে। এর ফলে—
(ক) মহাদেশটির স্থলভাগের আয়তন দিন দিন কমে যাচ্ছে।
(খ) বরফ গলার ফলে সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান নষ্ট হচ্ছে, ফলে সিল ও পেঙ্গুইনদের সংখ্যা কমছে।
(গ) বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধিতে মেরু অঞ্চলের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
১৫. আন্টার্টিকার বরফ পুরোপুরি গলে গেলে বিশ্বজুড়ে কী বিপর্যয় ঘটতে পারে?
উত্তরঃ আন্টার্টিকার বরফের স্তর গড়ে প্রায় ২ কিমি পুরু। এই বিশাল বরফরাশি গলে গেলে সমুদ্রের জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে (কয়েক মিটার পর্যন্ত) বেড়ে যাবে। এর ফলে কলকাতা, লন্ডন, নিউ ইয়র্কের মতো বিশ্বের বড় বড় উপকূলীয় শহর এবং মালদ্বীপের মতো দ্বীপরাষ্ট্রগুলো সম্পূর্ণভাবে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যাবে।
∆ রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ৫
১. আন্টার্টিকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জলবায়ুর সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
উত্তরঃ আন্টার্টিকা পৃথিবীর শীতলতম, শুষ্কতম এবং দুর্গমতম মহাদেশ। এর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:
অত্যধিক শৈত্য: এই মহাদেশে সারা বছর তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে থাকে। শীতকালে তাপমাত্রা –৪০° সেলসিয়াস থেকে –৭৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়। রাশিয়ার গবেষণা কেন্দ্র ‘ভস্টক’ পৃথিবীর শীতলতম স্থান (–৮৯.২° সেলসিয়াস)।
বরফের চাদর: মহাদেশটির প্রায় ৯৮ শতাংশ অংশ গড়ে ১-২ কিমি পুরু স্থায়ী বরফের চাদরে ঢাকা।
তুষারঝড়: এখানকার আকাশ প্রায়ই মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং প্রচণ্ড গতিতে তুষারঝড় বয়ে যায়, যাকে ‘ব্লি blizzard’ বলা হয়।
মেরুজ্যোতি: শীতকালে যখন একটানা ৬ মাস সূর্য দেখা যায় না, তখন মাঝেমধ্যে রাতের আকাশে রামধনুর মতো রঙিন আলোর ছটা বা ‘মেরুজ্যোতি’ দেখা যায়।
ভূপ্রকৃতি: এটি একটি উঁচু মালভূমি অঞ্চল যার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ভিনসন ম্যাসিফ এবং এখানে মাউন্ট এরিবাসের মতো জীবন্ত আগ্নেয়গিরি আছে।
২. আন্টার্টিকাকে ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয় কেন ? এই মহাদেশ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক চুক্তির গুরুত্ব লেখো।
উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশ কোনো নির্দিষ্ট দেশের মালিকানাধীন নয়। ১৯৫৯ সালের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী আন্টার্টিকাকে ‘বিজ্ঞানের মহাদেশ’ বলা হয়। এর কারণগুলি হলো—
গবেষণার সুযোগ: পৃথিবীর যেকোনো দেশ এই মহাদেশে শান্তির উদ্দেশ্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ পায়। আমেরিকা, রাশিয়া, ভারতসহ প্রায় ৪০টি দেশের ১০০টিরও বেশি গবেষণাকেন্দ্র এখানে রয়েছে।
উন্মুক্ত গবেষণাগার: সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা এখানে আবহাওয়া, জলবায়ু, খনিজ সম্পদ এবং জীবজগৎ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান।
চুক্তির গুরুত্ব: ১৯৫৯ সালের চুক্তি অনুযায়ী:
এখানে কোনো সামরিক কার্যকলাপ বা পারমাণবিক পরীক্ষা করা যাবে না।
কোনো দেশ এর খনিজ সম্পদের ওপর নিজস্ব অধিকার দাবি করতে পারবে না।
মহাদেশটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা সমস্ত দেশের দায়িত্ব।
৩. আন্টার্টিকার জীবজগৎ সম্পর্কে আলোচনা করো। পেঙ্গুইনরা কীভাবে এখানকার প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকে ?
উত্তরঃ আন্টার্টিকায় প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে কোনো বড় গাছপালা জন্মায় না, কেবল শ্যাওলা, মস ও লাইকেন দেখা যায়। এখানকার প্রাণীজগতের বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো—
প্রাণীজগত: পেঙ্গুইন এই মহাদেশের প্রধান বাসিন্দা। এছাড়া সমুদ্রে সিল, তিমি এবং প্রচুর পরিমাণে ক্ষুদ্র চিংড়ি জাতীয় ‘ক্রিল’ পাওয়া যায়।
টিকে থাকার কৌশল: পেঙ্গুইনরা নিম্নলিখিত উপায়ে নিজেদের রক্ষা করে:
পালকের আবরণ: এদের সারা শরীর ঘন, ছোট ও চকচকে পালকে ঢাকা থাকে যা জল নিরোধক। ফলে জলে ডুব দিলেও এদের শরীর ভেজে না।
চর্বির স্তর: এদের ত্বকের নিচে পুরু চর্বির স্তর থাকে, যা বাইরের প্রচণ্ড ঠান্ডা থেকে শরীরকে গরম রাখে।
দলবদ্ধ অবস্থান: প্রচণ্ড ঠান্ডার সময় এরা অনেক পেঙ্গুইন একসাথে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে উষ্ণতা বজায় রাখে।
সাঁতার: এরা উড়তে না পারলেও ডানার সাহায্যে জলে খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে।
৪. আন্টার্টিকায় ভারতের অভিযান ও গবেষণাকেন্দ্রগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত লেখো।
উত্তরঃ ভারত ১৯৮২ সাল থেকে আন্টার্টিকায় নিয়মিত গবেষণা অভিযান চালিয়ে আসছে। ভারতের প্রধান গবেষণাকেন্দ্রগুলি হলো—
প্রথম অভিযান: ৯ জানুয়ারি, ১৯৮২ সালে ভারতের প্রথম অভিযাত্রী দল আন্টার্টিকায় পৌঁছায়।
দক্ষিণ গঙ্গোত্রী: ১৯৮২ সালে ভারতের প্রথম গবেষণাকেন্দ্র হিসেবে এটি স্থাপিত হয়। এটি মূলত তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে এটি বরফে ঢাকা পড়ে যাওয়ায় সরবরাহ কেন্দ্র বা সাপ্লাই বেস হিসেবে কাজ করে।
মৈত্রী: ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ গঙ্গোত্রী থেকে ৭০ কিমি দূরে ভারত তার দ্বিতীয় গবেষণাকেন্দ্র ‘মৈত্রী’ স্থাপন করে। এটি বর্তমানে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রধান গবেষণাগার।
ভারতী: পরবর্তীকালে ভারত ‘ভারতী’ নামে আরও একটি অত্যাধুনিক গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন করেছে। এই কেন্দ্রগুলি থেকে আবহাওয়া পরিবর্তন, সমুদ্রবিদ্যা এবং খনিজ সম্পদ নিয়ে নিয়মিত গবেষণা করা হয়।
৫. বিশ্ব উষ্ণায়ন ও ওজোন স্তর ক্ষয় কীভাবে আন্টার্টিকার ভবিষ্যৎকে সংকটে ফেলছে ?
উত্তরঃ বর্তমানে দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আন্টার্টিকার পরিবেশ চরম সংকটের মুখে। এর প্রভাবগুলি হলো:
বরফ গলে যাওয়া: বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় আন্টার্টিকার বিশাল বিশাল হিমবাহ ও বরফের চাদর দ্রুত গলে যাচ্ছে। ফলে মহাদেশটির আয়তন কমছে।
সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি: আন্টার্টিকার পুরু বরফস্তর গলে গেলে সমুদ্রের জলস্তর আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাবে। এর ফলে পৃথিবীর অনেক নিচু উপকূলীয় শহর ও দেশ ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জীববৈচিত্র্য হ্রাস: বরফ গলার ফলে সিল, পেঙ্গুইন ও ক্রিলদের বসবাসের জায়গা নষ্ট হচ্ছে, ফলে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমছে।
পরিবেশের ভারসাম্য: ওজোন স্তর ক্ষয়ের ফলে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি আন্টার্টিকার বরফে পড়ছে, যা এখানকার বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশকে বিষিয়ে দিচ্ছে এবং পৃথিবীর সার্বিক জলবায়ুর ভারসাম্য নষ্ট করছে।
📌 আরো দেখোঃ
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি গণিত প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর Click Here
