আকাশে সাতটি তারা
জীবনানন্দ দাশ
নবম শ্রেণি বাংলা (প্রথম ভাষা)
আকাশে সাতটি তারা কবিতার VSAQ প্রশ্ন উত্তর নবম শ্রেণি বাংলা | Akashe Satti Tara Kobitar VSAQ Question Answer Class 9 Bengali wbbse
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর : আকাশে সাতটি তারা (জীবনানন্দ দাশ) নবম শ্রেণি বাংলা | Akashe Satti Tara Very Short Type Question Answer Class 9 Bengali wbbse
• কম-বেশী ১৫টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান-১
১. ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কবি বাংলার সন্ধ্যা সম্পর্কে কী বিশেষণ ব্যবহার করেছেন ?
উত্তরঃ ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কবি বাংলার সন্ধ্যা সম্পর্কে ‘শান্ত’, ‘অনুগত’ ও ‘নীল’ এই তিনটি বিশেষণ ব্যবহার করেছেন।
২. ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতা’য় সন্ধ্যার আকাশে কে এসেছে বলে কবির মনে হয়েছে ?
উত্তরঃ ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতায় বাংলার সন্ধ্যার আকাশে এক কেশবতী কন্যা এসেছে বলে কবি জীবনানন্দ দাশের মনে হয়েছে৷
৩. পৃথিবীর কোনাে পথ কাকে দেখেনি বলে কবির মনে হয় ?
উত্তরঃ বাংলার সন্ধ্যার আকাশে কেশবতী কন্যাকে পৃথিবীর কোনো পথ দেখেনি বলে কবির মনে হয়।
৪. কবির ‘চোখের ‘পরে’, ‘মুখের ‘পরে কী ভাসে ?
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশের ‘চোখের ‘পরে’, মুখের ‘পরে বাংলার নীল সন্ধ্যার চেহারায় আসা কেশবতী কন্যার চুল ভাসে।
৫. ‘অজস্র চুলের চুমা….’– কবি কী অর্থে ব্যবহার করেছেন ?
উত্তরঃ প্রকৃতির বুকে অন্ধকারের নিবিড়তাকে বোঝাতে কবি ‘অজস্র চুলের চুমা’ কথাটি ব্যবহার করেছেন।
৬. কেশবতী কন্যার চুলের চুমা কোথায় ঝরে ?
উত্তরঃ কেশবতী কন্যার চুলের চুমা হিজলে- কাঠালে-জামে অবিরত ঝরে পড়ে।
৭. ‘আকাশে সাতটি তারা যখন উঠেছে ফুটে আমি পাই টের।’– কবি কী টের পান?
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ টের পান সমাগত সন্ধ্যায় তাঁর পল্লি প্রকৃতিতে লুকিয়ে থাকা বাংলার প্রাণশক্তি।
৮. ‘নরম ধানের গন্ধ-কলমীর ঘ্রাণ’– কলমী কী ?
উত্তরঃ পুকুরের ধারে বা কোন জলাশয়ের ধারে জন্মায় এমন এক ধরনের শাক যা বাঙালির খাদ্যতালিকায় স্থান পায় ।
৯. ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কবি কোন মাছ দুটির উল্লেখ করেছেন ?
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় ‘চাঁদা’ ও ‘সরপুঁটি’ এই দুটি মাছের কথা উল্লেখ করেছেন।
১০. ‘আকাশে সাতটি তারা কবিতায় বটফল ব্যথিত কেন ?
উত্তরঃ লাল লাল বটফল গাছের তলায় পড়ে থাকে, নিতান্ত অবহেলায়– এই ফল কেউ আদর করে তুলে নেয় না, তাই সে ব্যথিত।
১১. ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কাদেৱ মৃদু ঘ্রাণের কথা বলা হয়েছে ?
উত্তরঃ পুকুরের জল থেকে ভেসে আসা চাঁদা ও সরপুঁটি মাছের মৃদু ঘ্রাণের কথা বলা হয়েছে।
১২. বাংলার সন্ধ্যাকে কবি ‘শান্ত অনুগত’ বলেছেন কেন ?
উত্তরঃ প্রকৃতির শান্ত-স্নিগ্ধ রূপ বোঝানোর জন্য কবি ‘শান্ত অনুগত’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছেন।
১৩. ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় কোন্ কোন্ গাছের কথা উল্লেখ রয়েছে ?
উত্তরঃ ‘আকাশে সাতটি তারা’ কবিতায় ‘হিজল, কাঁঠাল এবং জাম’ গাছের উল্লেখ আছে।
১৪. ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ ‘আকাশের সাতটি তারা’ কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের লেখা ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
১৫. বাংলার নীল সন্ধ্যা কেমন ও কবি তাকে কীরূপে কল্পনা করেছেন ?
উত্তরঃ বাংলার নীল সন্ধ্যা শান্ত অনুগত এবং কবি তাকে কেশবতী কন্যারূপে কল্পনা করেছেন।
১৬. কবি ঘাসে বসে থেকে আকাশে কী দেখেন ?
উত্তরঃ কবি ঘাসে বসে থেকে আসন্ন সন্ধ্যার আকাশে সাতটি তারা ফুটে উঠতে দেখেন।
১৭. আকাশে সাতটি তারা বলতে কোন তারাদের কথা বলা হয়েছে ?
উত্তরঃ আকাশে সাতটি তারা বলতে আকাশের সপ্তর্ষিমন্ডলের কথা বলা হয়েছে।
১৮. কবি কামরাঙা লাল মেঘের গঙ্গাসাগরের ঢেউয়ে ডুবে যাওয়ার ঘটনাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন ?
উত্তরঃ কবি আকাশের লাল মেঘের গঙ্গাসাগরে ডুবে যাওয়ার ঘটনাকে মৃত মনিয়া পাখির সাগরের জলে ডুবে যাওয়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১৯. আকাশে সাতটি তারা ওঠার সময় কবি কোথায় বসে ?
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ আকাশে সাতটি তারা উঠলে ঘাসের উপর বসে সন্ধ্যার রূপ দেখেন।
২০. কবি জীবনানন্দ দাশ কোন সময়ের প্রকৃতি বর্ণনা করেছেন?
উত্তরঃ কবি জীবনানন্দ দাশ দিনের শেষে সূর্যাস্ত পরবর্তী মায়াবী সন্ধ্যাকালের প্রকৃতির রূপ ও শান্ত পরিবেশ বর্ণনা করেছেন।
২১. কবিতায় ‘নীল সন্ধ্যা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘নীল সন্ধ্যা’ বলতে বাংলার দিগন্ত জুড়ে নেমে আসা শান্ত, স্নিগ্ধ ও অপরূপ নীলাভ অন্ধকারকে বোঝানো হয়েছে।
২২. ‘কেশবতী’ শব্দের অর্থ কী ?
উত্তরঃ ‘কেশবতী’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যে নারীর মাথায় অজস্র ঘন কালো ও দীর্ঘ সুন্দর চুল রয়েছে।
২৩. কবি বাংলার প্রকৃতিকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তরঃ কবি রূপসী বাংলার বৈচিত্র্যময় নিসর্গ ও মায়াবী সন্ধ্যাকে কালো চুলের এক রূপসী কেশবতী কন্যার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
২৪. কবিতায় ‘ধানের গন্ধ’ কী নির্দেশ করে?
উত্তরঃ ‘ধানের গন্ধ’ শব্দবন্ধটি বাংলার আদিম ঘ্রাণ এবং গ্রামীণ কৃষি ও জীবনের সজীব উর্বরতাকে সার্থকভাবে নির্দেশ করে।
২৫. ‘নরম ধান’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ ‘নরম ধান’ বলতে পল্লীগ্রামের মাঠে বেড়ে ওঠা কাঁচা, কোমল ও তরুণ ধানগাছের স্নিগ্ধ সতেজতাকে বোঝানো হয়েছে।
২৬. কবির অনুভূতিতে সন্ধ্যা কেমন আবহ তৈরি করে?
উত্তরঃ কবির গভীর অনুভূতিতে বাংলার শান্ত সন্ধ্যা এক অপূর্ব মায়াময়, স্বপ্নিল ও নিবিড় প্রশান্তির আবহ তৈরি করে।
২৭. কবিতায় প্রকৃতির কোন উপাদানগুলি উল্লেখ আছে?
উত্তরঃ কবিতায় আকাশ, তারা, মেঘ, কামরাঙা ফল, হিজল-বট-কাঁঠাল গাছ, ধান, কলমী শাক ও মাছের আঁশটে গন্ধের উল্লেখ আছে।
২৮. ‘ঘাসে বসে’ থাকার অর্থ কী?
উত্তরঃ ‘ঘাসে বসে’ থাকা বলতে যান্ত্রিকতা ছেড়ে কবির প্রকৃতির কোলের নিবিড় সান্নিধ্যে মিশে যাওয়ার একান্ত ইচ্ছাকে বোঝায়।
২৯. কবি কেন সন্ধ্যাকে জীবন্ত রূপ দিয়েছেন?
উত্তরঃ প্রকৃতির নিথর সৌন্দর্যকে পাঠকের কাছে আরও প্রাণবন্ত, সংবেদনশীল ও অনুভবযোগ্য করে তুলতেই কবি সন্ধ্যাকে জীবন্ত রূপ দিয়েছেন।
৩০. কবিতায় ‘অন্ধকার’ কীভাবে উপস্থিত হয়েছে ?
উত্তরঃ কবিতায় ঘনিয়ে আসা অন্ধকারকে কবি এক মায়াবী কেশবতী কন্যার ছড়িয়ে পড়া কালো চুলের রূপক হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
৩১. কবিতায় গ্রামবাংলার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে ?
উত্তরঃ কবিতায় গ্রামবাংলার চিরায়ত রূপ, অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পল্লীজীবনের সহজ-সরল ও শান্ত দিকটি ফুটে উঠেছে।
৩২. কবির দৃষ্টিতে সন্ধ্যার আকাশ কেমন?
উত্তরঃ কবির নিবিড় দৃষ্টিতে সন্ধ্যার আকাশ সাতটি তারার আলোয় উদ্ভাসিত এক রহস্যময়, নীলাভ ও অসীম সৌন্দর্যমণ্ডিত ক্যানভাস।
৩৩. কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক কেমন?
উত্তরঃ কবিতায় প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের সঙ্গে মানুষের এক গভীর, আন্তরিক, অবিচ্ছেদ্য ও আত্মিক সম্পর্কের সার্থক প্রকাশ ঘটেছে।
৩৪. ‘কামরাঙা লাল মেঘ যেন মৃত মনিয়া পাখির মতো’—এই উপমার তাৎপর্য কী?
উত্তরঃ সূর্যাস্তের রক্তিম মেঘ গঙ্গাসাগরের জলে তলিয়ে যাওয়াকে কবি একটি মৃত লাল মনিয়া পাখির ডুবে যাওয়ার বিষণ্ণ সৌন্দর্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
৩৫. ‘আসিয়াছে শান্ত অনুগত বাংলার নীল সন্ধ্যা’—সন্ধ্যাকে ‘অনুগত’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ বাংলার সন্ধ্যা কোনো হাহাকার বা অশান্তি ছাড়াই প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে অত্যন্ত শান্ত ও নম্রভাবে নেমে আসে বলে কবি একে ‘অনুগত’ বলেছেন।
৩৬. ‘পৃথিবীর কোনো পথ এ কন্যারে দেখে নি কো’—উদ্ধৃত অংশে কোন কন্যার কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ এখানে কবি গ্রামবাংলার নীল সন্ধ্যাকে এক রহস্যময়ী ‘কেশবতী কন্যা’ হিসেবে কল্পনা করেছেন, যার রূপ পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখা যায় না।
৩৭. ‘দেখি নাই অত’—কবি কী অত দেখেননি ?
উত্তরঃ কবি এর আগে কখনো অন্ধকারের অত নিবিড় রূপ এবং সন্ধ্যার সেই কেশবতী কন্যার চুলের স্পর্শে হিজল-জাম-কাঁঠাল বনে ঝরে পড়া অজস্র চুম্বন দেখেননি।
৩৮. ‘নরম ধানের গন্ধ—কলমীর ঘ্রাণ’—কবি এই গন্ধগুলোর মাধ্যমে কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তরঃ কবি ঘ্রাণেন্দ্রিয় দিয়ে বাংলার অতি সাধারণ ধান ও কলমী শাকের মধ্যে পল্লীপ্রকৃতির অকৃত্রিম ও চিরন্তন প্রাণসত্তাকে অনুভব করতে চেয়েছেন।
৩৯. ‘হাঁসের পালক, শর, বনকলমী—’ এই অনুষঙ্গগুলো কবিতায় কীসের পরিচয় দেয়?
উত্তরঃ এগুলো গ্রামবাংলার জলাভূমি ও অবহেলিত প্রকৃতির অতি সাধারণ উপাদানের পরিচয় দেয়, যা কবির কাছে রূপসী বাংলার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
৪০. ‘চাঁদা সরপুঁটিদের মৃদু ঘ্রাণ’—মাছের গন্ধ কবির কাছে কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তরঃ বাংলার গ্রাম্য পুকুর ও মেঠো জীবনের সাথে মাছের এই আঁশটে গন্ধ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে, যা বাংলার মাটির আসল পরিচয় বহন করে।
৪১. ‘কিশোরীর চাল ধোয়া ভিজে হাত—শীতল হাত’—এই চরণে কোন চিত্র ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ এখানে গ্রামবাংলার গৃহস্থালির একটি অতি পরিচিত ছবি এবং বাংলার শাশ্বত ও স্নেহময়ী রূপের শীতল স্পর্শ ফুটে উঠেছে।
৪২. ‘লাল বটের ফলের ব্যথিত গন্ধের নিচে’—বটের গন্ধকে ‘ব্যথিত’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ ঝরে পড়া বটফলের গন্ধের মধ্যে কবি এক ধরনের বিষণ্ণতা ও স্তব্ধতা অনুভব করেছেন, যা নিঝুম দুপুরের বা অপরাহ্নের মন খারাপের ইঙ্গিত দেয়।
৪৩. ‘এইখানে প্রাণ—’ কবি কোথায় প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন?
উত্তরঃ ধান, কলমী, হাঁসের পালক, কিশোরীর ভিজে হাত এবং বাংলার সাধারণ গাছপালার গন্ধ ও রূপের মধ্যেই কবি বাংলার প্রকৃত প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন।
📌 আরো দেখুনঃ
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
