FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 6 (VI) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER
Set-3
ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৩ | Class 6 Geography First Unit Test Question with Answer Set-3
পাঠ্যসূচী / Syllabus
১. আকাশ ভরা সূর্য তারা (১)
২. পৃথিবী কি গোল (১৫)
৩. তুমি কোথায় আছো (১৯)
৪. পৃথিবীর আবর্তন (২৪)
১০.ভারতের সাধারণ পরিচয় (৬৫)
১০. ভারতের ভূপ্রকৃতি ও নদনদী (৬৯)
Baduria L.M.S High School (H.S.)
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন-২০২৫
শ্ৰেণি : ষষ্ঠ
বিষয় : ভূগোল
পূর্ণমান : ৩০ সময় : ১ ঘণ্টা।
A. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : 1×6=6
1. আকাশগঙ্গা ছায়াপথে সৌরজগতের অবস্থান হল—
(a) মধ্যভাগে
(b) প্রান্তভাগে
(c) শুরুর দিকে
(d) কোনোটি নয়
উত্তরঃ (b) প্রান্তভাগে।
2. সবচেয়ে বেশি উষ্ণতাযুক্ত তারার রং হল—
(a) লাল
(b) নীল
(c) সাদা
(d) হলুদ
উত্তরঃ (b) নীল।
3. পোর্তুগিজ ভূপর্যটক ম্যাগেলান ও তার সঙ্গীরা পৃথিবী প্রদক্ষিণের জন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন—
(a) 1915 খ্রিস্টাব্দে
(b) 1519 খ্রিস্টাব্দে
(c) 1521 খ্রিস্টাব্দে
(d) 1921 খ্রিস্টাব্দে
উত্তরঃ (b) 1519 খ্রিস্টাব্দে।
4. ভারতের বৃহত্তম রাজ্য হল—
(a) উত্তরপ্রদেশ
(b) মধ্যপ্রদেশ
(c) রাজস্থান
(d) তামিলনাড়ু
উত্তরঃ (c) রাজস্থান।
5. পশ্চিমঘাট পর্বতের অপর নাম হল—
(a) হিমাদ্রি
(b) হিমাচল
(c) আনাইমুদি
(d) সহ্যাদ্রি
উত্তরঃ (d) সহ্যাদ্রি।
6. কাবেরী নদীর উৎস—
(a) ত্রিম্বক উচ্চভূমি
(b) ব্রহ্মগিরি
(c) মহাদেব পর্বত
(d) অমরকন্টক শৃঙ্গ
উত্তরঃ (b) ব্রহ্মগিরি।
B. শূন্যস্থান পূরণ করো : 1×4=4
1. পৃথিবীর পরিধি প্রায় _____________ কিমি।
উত্তরঃ ৪০,০০০
2. পৃথিবীর মোট অক্ষরেখার সংখ্যা _________ টি।
উত্তরঃ ১৮০
3. ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রকে সংক্ষেপে বলা হয় ___________।
উত্তরঃ ISRO
4. সবথেকে জন বিরল রাজ্যের নাম ___________।
উত্তরঃ সিকিম।
C. এক কথায় উত্তর দাও : 1×4=4
1. ‘M’ অক্ষরের মতো দেখতে কোন্ নক্ষত্র মন্ডল ?
উত্তরঃ ক্যাসিওপিয়া।
2. সৌর জগতের সবথেকে বৃহত্তম উপগ্রহের নাম কী ?
উত্তরঃ টাইটান।
3. প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসাবে কে, কবে মহাশূন্যে পাড়ি দেন ?
উত্তরঃ কল্পনা চাওলা।
4. মহাবৃত্ত কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে পূর্ণ বৃত্ত রেখা পৃথিবী কে সমান দুটো অংশে ভাগ করে তাহলো মহাবৃত্ত।
D. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (যে-কোনো তিনটি) : 2×3=6
1. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ
গ্রহ (Planet)
(১) গ্রহের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই।
(২) নক্ষত্রের আলোয় আলোকিত হয়।
(৩) নক্ষত্রের আকর্ষণে নক্ষত্রের চারদিকে ঘোরে।
(৪) গ্রহ নক্ষত্রের থেকে অনেক ছোটো হয়।
নক্ষত্র (star)
(১) নক্ষত্রের নিজস্ব আলো ও প্রচুর উত্তাপ আছে।
(২) এরা জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ড হওয়ায় নিজেই আলো দেয়।
(৩) এরা মহাকাশে প্রায় স্থির অবস্থায় থাকে।
(৪) গ্রহের তুলনায় নক্ষত্র আকারে অনেক বিশাল হয়।
2. কক্ষপথ ও কক্ষতল কাকে বলে ?
উত্তরঃ কক্ষপথ : পৃথিবী যে পথে সূর্যের চারিদিকে ঘোরে তাহলে পৃথিবীর কক্ষপথ।
কক্ষতল : কক্ষপথ ও পৃথিবীর কেন্দ্র যে তলে রয়েছে তা হলো কক্ষতল।
3. ধূমকেতু ও উল্কা বলতে কী বোঝায় ?
উত্তরঃ ধূমকেতু : ঝাঁটার মত লেজ বিশিষ্ট উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ককে বলে ধূমকেতু।
উল্কা : মেঘহীন রাতের আকাশে অনেক সময় হঠাৎ আলোর রেখা নেমে আসতে দেখা যায়। একেই উল্কা বা চলতি ভাষায় ‘তারা খসা’ বলা হয়।
4. কয়াল কাকে বলে ? দ্বীপ কাকে বলে ?
উত্তরঃ কয়াল : মালাবার উপকূলের উপহ্রদ গুলোকে ‘কয়াল’ বলে।
দ্বীপ : চারদিকে জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিভাগ হলো দ্বীপ।
E. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (যে-কোনো দুটি) : 5×2=10
1. উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল সম্পর্কে যা জানো লেখো।
উত্তরঃ সেট-২ এ উত্তর দেওয়া হয়েছে।
2. গঙ্গা অথবা ব্রহ্মপুত্র নদী সম্পর্কে আলোচনা করো। (কমপক্ষে ছটি পয়েন্ট উল্লেখ করতে হবে)
উত্তরঃ গঙ্গা নদীর উত্তর সেট-২ এ আছে।
∆ ব্রহ্মপুত্র নদী—
(১) উৎস ও দৈর্ঘ্য: ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে অবস্থিত চেমায়ুং দুং হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২৯০০ কিমি।
(২) বিভিন্ন নাম: এই নদটি তিব্বতে ‘সাংপো’ নামে পরিচিত। তিব্বতের পর এটি অরুণাচল প্রদেশের মধ্য দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং অসমে এর নাম হয় ‘ব্রহ্মপুত্র’। বাংলাদেশে প্রবেশ করে এই নদীটি ‘যমুনা’ নামে পরিচিত হয়েছে।
(৩) উপনদী: ব্রহ্মপুত্রের প্রধান কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপনদী হলো— লোহিত, মানস, তিস্তা, তোর্সা এবং সুবনসিরি।
(৪) তীরবর্তী প্রধান শহর: এই নদের প্রবাহপথে ইটানগর, নওগাঁও, ডিব্রুগড় এবং গুয়াহাটির মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলি গড়ে উঠেছে।
(৫) শাখা নদী ও মিলন: বাংলাদেশে এই নদীটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গঙ্গার প্রধান শাখা পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
(৬) মোহনা: পদ্মা ও যমুনার এই মিলিত জলধারা পরবর্তীকালে মেঘনা নামে প্রবাহিত হয়ে অবশেষে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
3. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কাকে বলে ? স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময় কাকে বলে ? 1+2+2
উত্তরঃ
(১) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা : ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে অনুসরণ করে প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত যে কাল্পনিক রেখাটি কল্পনা করা হয়েছে, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে।
(২) স্থানীয় সময় (Local Time) : কোনো নির্দিষ্ট স্থানে আকাশের সূর্যের অবস্থান দেখে যে সময় নির্ণয় করা হয়, তাকে সেই স্থানের স্থানীয় সময় বলে।
ব্যাখ্যা: যখন সূর্য কোনো নির্দিষ্ট দ্রাঘিমারেখার ঠিক মাথার ওপর আসে, তখন সেখানে দুপুর ১২টা ধরে ঘড়ির সময় ঠিক করা হয়। প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে স্থানীয় সময়ের ৪ মিনিট পার্থক্য হয়।
(৩) প্রমাণ সময় (Standard Time) :
একটি দেশের ওপর দিয়ে অনেকগুলো দ্রাঘিমারেখা বিস্তৃত থাকলেও, দেশের মাঝখান দিয়ে যাওয়া কোনো একটি নির্দিষ্ট দ্রাঘিমারেখার স্থানীয় সময়কে যখন সারা দেশের সময় হিসেবে মেনে নেওয়া হয়, তখন তাকে ওই দেশের প্রমাণ সময় বলে।
উদাহরণ: ভারতের এলাহাবাদের ওপর দিয়ে যাওয়া ৮২°৩০’ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার সময়কে ‘ভারতীয় প্রমাণ সময়’ (IST) বলা হয়। এর ফলে সারা দেশে সময়ের বিভ্রান্তি দূর হয়।
📌 আরো দেখোঃ
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি গণিত প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর Click Here
