অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের বিষয়বস্তু অষ্টম শ্রেণি বাংলা | Adbhut Atitheota Golper Bisoibostu Class 8 Bengali wbbse
অদ্ভুত আতিথেয়তা
—ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের বিষয়বস্তু অষ্টম শ্রেণির বাংলা | Adbhut Atitheota Golper Bisoibostu Class 8 Bengali wbbse
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের উৎস, বিষয়সংক্ষেপ, শব্দার্থ ও টীকা, অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর, অষ্টম শ্রেণির বাংলা | Adbhut Atitheota Golper Bisoibostu Class 8 Bengali wbbse
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পের বিষয়বস্তু অষ্টম শ্রেণির বাংলা | Adbhut Atitheota Golper Bisoibostu Class 8 Bengali wbbse
উৎসঃ অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্পটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘আখ্যানমঞ্জরী’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
বিষয়সংক্ষেপঃ আরব জাতির সঙ্গে মুর জাতির যুদ্ধে একদিন আরবসেনা এক মুরসেনাপতির পিছু নেন। মুরসেনাপতি দিক হারিয়ে শত্রু সৈন্যের শিবিরে চলে যান। সেখানে আশ্রয় প্রার্থনা করলে জনৈক আরবসেনাপতি পরম আদরে অতিথি জ্ঞানে তাঁকে আশ্রয় দেন এবং তাঁকে সেবা-যত্ন-পরিচর্যা করে সুস্থ করে তােলেন। তারপর তারা উভয়ই বন্ধুভাবে কথাবার্তা শুরু করেন। প্রত্যেকেই নিজ পূর্বপুরুষের বীরত্বগাথা ও যুদ্ধের কৌশল বলতে থাকেন।
সহসা আরবসেনাপতি ভারাক্রান্ত মনে উঠে যান। কিছুক্ষণ পর মুরসেনাপতিকে অনুচর মারফত বলে পাঠান, তাঁর শরীর অসুস্থ, তাই নিজে থেকে তিনি তাঁর সেবা করতে পারছেন না। তা ছাড়া মুরসেনাপতির ঘােড়ার যা অবস্থা, তাতে সে কোনােভাবেই নিরাপদে নিজের শিবিরে ফিরে যেতে পারবেন না। তবে দুশ্চিন্তার কারণ নেই, তিনি সব ব্যবস্থা করে নিজে তাঁকে বিদায় দেবেন।
রাত্রিশেষে আরবসেনাপতির লােক মুরসেনাপতিকে ডেকে তুললেন। প্রাতঃকৃত্য শেষে মুরসেনাপতি দেখলেন, আরবসেনাপতি ঘােড়ার মুখের দড়ি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। মুরসেনাপতিকে সাদর সম্ভাষণ করে তিনি বললেন- গত রাতে তারা যখন পরস্পর কথা বলছিলেন তখন তিনি কথার মাধ্যমে জেনে যান, সেই-ই তাঁর বাবার হত্যাকারী । সুতরাং, তিনি পিতৃহন্তাকে বধ করবেন। তবে তাঁর প্রতিজ্ঞা, সূর্যোদয়ের পরেই তিনি এ কাজ করবেন। অথচ আরবের জাতীয় ধর্ম কোনাে আশ্রিতকে তাঁর শত অপরাধ সত্ত্বেও আশ্রয়স্থলে হত্যা করা যায় না। উপরন্তু গৃহস্বামীকেই তাঁর নিরাপত্তা প্রদান করতে হয়। তাই মুরসেনাপতি যেন সত্বর চলে যান। কারণ সূর্য উঠলে, তিনি পিতৃহন্তার সন্ধানে বেরােবেন। তার মধ্যে যদি সে পালাতে পারে, তবে দুজনেই বেঁচে থাকবেন। এ কথা বলে পরস্পর শুভেচ্ছা বিনিময় করে মুরসেনাপতিকে কিছু আগে বেরােনােয় সাহায্য করলেন। মুরসেনাপতির ঘােড়াকে যথেষ্ট শক্তিশালী ও দ্রুতগামী করে তিনি নির্বিঘ্নে নিজ শিবিরে ফিরে গেলেন। আরবসেনাপতি সূর্যোদয়ের পর তাঁর পিছু নিলেন। কিছুটা গেলেন, কিন্তু দেখলেন মুরসেনাপতি তাঁর দলের শিবিরে ঢুকে গিয়েছেন। অতঃপর তিনি ফিরে এলেন।
নামকরণঃ সাহিত্যে নামকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা বিষয়বস্তুর গভীরে প্রবেশ পূর্বে বিষয় অনুধাবন ইঙ্গিবাহী। ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্পের নামকরণও তেমনই ইঙ্গিতবাহী। ‘অদ্ভুত আতিথেয়তা’ গল্পটি একটি মানবিক ধর্মের ও মানব বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলক। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সমাজ-সংস্কারের যে কঠিন ব্রত গ্রহণ করেছিলেন, এই গল্পের । মাধ্যমে তিনি সেই সামাজিক ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেন।
সাধারণভাবে শত্রুকে কাছে পেয়ে দুর্বলতম পরিস্থিতিতে তাকে বধ করাই নিয়ম। অথচ এই গল্পে দেখা যায়, আরবসেনাপতির প্রধান শত্রু মুরসেনাপতি শ্রান্ত, মানসিকভাবে অবসন্ন ও দিকভ্রষ্ট। কিন্তু তাঁর আশ্রয় প্রার্থনা আরব জাতির জাতীয় নিয়মকে লঙ্ন করতে দেয়নি। পরিবর্তে দেখা যায়, শত্রুর প্রতি বিরুদ্ধ মনােভাব দূর করে সাদর আতিথেয়তায় বরণ এবং তাঁর মঙ্গলার্থে আপন ক্ষমতায় নিজেকে সমর্পণ। এমনকি, আরবসেনাপতি একসময় জানতেও পারেন যে, তাঁর পিতৃহন্তা মুরসেনাপতি নিজেই। তবুও তিনি নিজে সংযমী থেকেছেন, অতিথির অনিষ্টসাধন করেননি। পরদিন প্রাতে মুরসেনাপতিকে বিদায়কালে অতিথিস্বরূপ পরামর্শ দিয়েছেন এবং নিজ অন্তরের বাসনাও তিনি গােপন করেননি। আতিথেয়তার সাধারণ নিয়মে দৃশ্যটি আমাদের কাছে একান্ত দুর্লভ। তাই নীতিগত শিক্ষার এই আতিথেয়তা যে অদ্ভুত, তাতে কোনাে সন্দেহ নেই। সেই বিচারে কাহিনির ক্রমপরিণতিতে এই অদ্ভুত আতিথেয়তা’ নামকরণ অবশ্যই যথার্থ ও সার্থক।
অদ্ভুত আতিথেয়তা গল্প
—ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
একদা আরব জাতির সহিত মুরদিগের সংগ্রাম হইয়াছিল। আরবসেনা বহুদুর পর্যন্ত এক মুরসেনাপতির অনুসরণ করে; তিনি অশ্বারোহণে ছিলেন, প্রাণভয়ে দ্রুতবেগে পলায়ন করিতে লাগিলেন। আরবেরা তাঁহার অনুসরণে বিরত হইলে, তিনি স্বপক্ষীয় শিবিরের উদ্দেশে গমন করিতে লাগিলেন। কিন্তু তাঁহার দিভ্রম জন্মিয়াছিল, এজন্য, দিকনির্ণয় করিতে না পারিয়া, তিনি বিপক্ষের শিবিরসন্নিবেশস্থানে উপস্থিত হইলেন। সে সময়ে তিনি এরূপ ক্লান্ত হইয়াছিলেন যে, আর কোনো ক্রমেই অশ্বপৃষ্ঠে গমন করিতে পারেন না।
কিয়ৎক্ষণ পরে, তিনি, এক আরবসেনাপতির পটমণ্ডপদ্বারে উপস্থিত হইয়া, আশ্রয়-প্রার্থনা করিলেন। আতিথেয়তা বিষয়ে পৃথিবীতে কোনো জাতিই আরবদিগের তুল্য নহে। কেহ অতিথিভাবে আরবদিগের আলয়ে উপস্থিত হইলে, তাঁহারা সাধ্যানুসারে তাহার পরিচর্যা করেন; সে ব্যক্তি শত্রু হইলেও, অণুমাত্র অনাদর, বিদ্বেষপ্রদর্শন বা বিপক্ষতাচরণ করেন না।
আরবসেনাপতি তৎক্ষণাৎ প্রার্থিত আশ্রয় প্রদান করিলেন এবং তাঁহাকে নিতান্ত ক্লান্ত ও ক্ষুৎপিপাসায় একান্ত অভিভূত দেখিয়া, আহারাদির উদ্যোগ করিয়া দিলেন।
মুরসেনাপতি ক্ষুন্নিবৃত্তি পিপাসাশান্তি ও ক্লান্তিপরিহার করিয়া উপবিষ্ট হইলে, বন্ধুভাবে উভয় সেনাপতির কথোপকথন হইতে লাগিল। তাঁহারা, পরস্পর স্বীয় ও স্বীয় পূর্বপুরুষদিগের সাহস, পরাক্রম, সংগ্রামকৌশল প্রভৃতির পরিচয় প্রদান করিতে লাগিলেন। এই সময়ে, সহসা আরবসেনাপতির মুখ বিবর্ণ হইয়া গেল। তিনি তৎক্ষণাৎ গাত্রোত্থান ও তথা হইতে প্রস্থান করিলেন, এবং কিঞ্চিৎ পরেই মুরসেনাপতিকে বলিয়া পাঠাইলেন আমার অতিশয় অসুখবোধ হইয়াছে, এজন্য আমি উপস্থিত থাকিয়া, আপনকার পরিচর্যা করিতে পারিলাম না; আহারসামগ্রী ও শয্যা প্রস্তুত হইয়াছে, আপনি আহার করিয়া শয়ন করুন। আর, আমি দেখিলাম, আপনকার অশ্ব যেরূপ ক্লান্ত ও হতবীর্য হইয়াছে, তাহাতে আপনি কোনোক্রমেই নিরুদ্বেগে ও নিরুপদ্রবে স্বীয় শিবিরে পঁহুছিতে পারিবেন না। অতি প্রত্যুষে, এক দ্রুতগামী তেজস্বী অশ্ব, সজ্জিত হইয়া, পটমণ্ডপের দ্বারদেশে দণ্ডায়মান থাকিবেক; আমিও সেই সময়ে আপনকার সহিত সাক্ষাৎ করিব এবং যাহাতে আপনি সত্বর প্রস্থান করিতে পারেন, তদ্বিষয়ে যথোপযুক্ত আনুকূল্য করিব।
কী কারণে আরবসেনাপতি এরূপ বলিয়া পাঠাইলেন, তাহার মর্মগ্রহ করিতে না পারিয়া, মুরসেনাপতি, আহার করিয়া, সন্দিহানচিত্তে শয়ন করিলেন। রজনীশেষে, আরব সেনাপতির লোক তাঁহার নিদ্রাভঙ্গ করাইল, এবং কহিল, আপনকার প্রস্থানের সময় উপস্থিত, গাত্রোত্থান ও মুখপ্রক্ষালনাদি করুন, আহার প্রস্তুত। সেনাপতি শয্যা পরিত্যাগ পূর্বক, মুখপ্রক্ষালনাদি সমাপন করিয়া, আহারস্থানে উপস্থিত হইলেন, কিন্তু সেখানে আরবসেনাপতিকে দেখিতে পাইলেন না; পরে, দ্বারদেশে উপস্থিত হইয়া দেখিলেন, তিনি সজ্জিত অশ্বের মুখরশ্মি ধারণ করিয়া দন্ডায়মান আছেন।
আরবসেনাপতি দর্শনমাত্র, সাদর সম্ভাষণ করিয়া, মুরসেনাপতিকে অশ্বপৃষ্ঠে আরোহণ করাইলেন, এবং কহিলেন, আপনি সত্বর প্রস্থান করুন; এই বিপক্ষশিবির-মধ্যে, আমা অপেক্ষা আপনকার ঘোরতর বিপক্ষ আর নাই। গত রজনীতে, যৎকালে, আমরা উভয়ে, একাসনে আসীন হইয়া, অশেষবিধ কথোপকথন করিতেছিলাম, আপনি, স্বীয় ও স্বীয় পূর্বপুরুষদিগের বৃত্তান্তবর্ণন করিতে করিতে, আমার পিতার প্রাণহস্তার নির্দেশ করিয়াছিলেন। আমি শ্রবণমাত্র, বৈরসাধন বাসনার বশবর্তী হইয়া, বারংবার এই শপথ ও প্রতিজ্ঞা করিয়াছি, সূর্যোদয় হইলেই প্রাণপণে পিতৃহন্তার প্রাণবধসাধনে প্রবৃত্ত হইব। এখন পর্যন্ত সূর্যের উদয় হয় নাই, কিন্তু উদয়েরও অধিক বিলম্ব নাই; আপনি সত্বর প্রস্থান করুন। আমাদের জাতীয় ধর্ম এই, – প্রাণান্ত ও সর্বস্বান্ত হইলেও, অতিথির অনিষ্টচিন্তা করি না। কিন্তু আমার পটমণ্ডপ হইতে বহির্গত হইলেই, আপনকার অতিথিভাব অপগত হইবেক এবং সেই মুহূর্ত অবধি, আপনি স্থির জানিবেন, আমি আপনকার প্রাণসংহারের নিমিত্ত প্রাণপণে যত্ন ও অশেষ প্রকারে চেষ্টা পাইব। এই যে অপর অশ্ব সজ্জিত হইয়া দন্ডায়মান আছে দেখিতেছেন, সূর্যোদয় হইবামাত্র, আমি উহাতে আরোহণ করিয়া, বিপক্ষভাবে আপনকার অনুসরণে প্রবৃত্ত হইব। কিন্তু আমি আপনাকে যে অশ্ব দিয়াছি, উহা আমার অশ্ব অপেক্ষা কোনো অংশেই হীন নহে; যদি উহা দ্রুতবেগে গমন করিতে পারে, তাহা হইলে আমাদের উভয়ের প্রাণরক্ষার সম্ভাবনা।
এই বলিয়া, আরবসেনাপতি, সাদর সম্ভাষণ ও করমর্দন পূর্বক, তাঁহাকে বিদায় দিলেন। তিনি তৎক্ষণাং প্রস্থান করিলেন। আরবসেনাপতিও, সূর্যোদয়দর্শনমাত্র, অশ্বে আরোহণ করিয়া, তদীয় অনুসরণে প্রবৃত্ত হইলেন। মুরসেনাপতি কতিপয় মুহূর্ত পূর্বে প্রস্থান করিয়াছিলেন, এবং তদীয় অশ্বও বিলক্ষণ সবল ও দ্রুতগামী। এজন্য, তিনি নির্বিঘ্নে স্বপক্ষীয় শিবিরসন্নিবেশস্থানে উপস্থিত হইলেন। আরবসেনাপতি, সবিশেষ যত্ন ও নিরতিশয় আগ্রহ সহকারে, তাঁহার অনুসরণ করিতেছিলেন; কিন্তু তাঁহাকে স্বপক্ষশিবিরে প্রবিষ্ট হইতে দেখিয়া, এবং অতঃপর আর বৈরসাধন সংকল্প সফল হইবার সম্ভাবনা নাই বুঝিতে পারিয়া, স্বীয় শিবিরে প্রতিগমন করিলেন।
লেখক পরিচিতিঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) : জন্ম মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে। বাল্যকাল থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। সংস্কৃত কলেজ থেকে বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। পরবর্তীকালে সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হন। শিক্ষাবিস্তার, স্ত্রী-শিক্ষার প্রসার ছাড়াও বিধবাবিবাহ প্রচলন, বহুবিবাহ-রোধ ইত্যাদি বহুবিধ সমাজ-সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর রচিত মৌলিক ও অনুদিত বহু গ্রন্থের মধ্যে আখ্যানমঞ্জুরী, বোধোদয়, ঋজুপাঠ, কথামালা, বর্ণ পরিচয়, বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস, সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্যশাস্ত্র বিষয়ক প্রস্তাব, প্রভাবর্তী সম্ভাষণ উল্লেখযোগ্য। পাঠ্য আখ্যানটি তাঁর আখ্যানমঞ্জুরী গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
» শব্দার্থ ও টীকা—
• সহিত— সঙ্গে
• অশ্বারোহণে— ঘোড়ায় চড়ে
• বিরত— ক্ষান্ত
• একদা— একসময়
• মুর— উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার কৃষ্ণকায় মুসলমান জাতি
• সংগ্রাম— যুদ্ধ
• পলায়ন— পালিয়ে যাওয়া
• গমন— যাওয়া
• স্বপক্ষীয়— নিজের পক্ষের
• দিকভ্রম— দিকভুল
• বিপক্ষ— প্রতিপক্ষ
• শিবির সন্নিবেশস্থানে— যেখানে শিবির স্থাপন করা হয়েছে, সেখানে
• অশ্বপৃষ্ঠে— ঘোড়ার পিঠে
• কিয়ৎক্ষণ— কিছুক্ষণ
• পটমণ্ডপদ্বারে— তাঁবুর দরজায়
• আতিথেয়তা— অতিথিপরায়ণতা (অতিথির সেবা করা)
• সাধ্যানুসারে— সামর্থ্য অনুসারে
• অনাদর— অবহেলা
• বিদ্বেষপ্রদর্শন— হিংসাপূর্ণ আচরণ করা
• তৎক্ষণাৎ— সঙ্গে সঙ্গে
• ক্ষুৎপিপাসা— খিদেতেষ্টা
• উদ্যোগ— আয়োজন
• পিপাসাশান্তি— পিপাসা নিবৃত্ত করা
• গাত্রোত্থান— উঠে পড়া
• অশ্ব— ঘোড়া
• পঁহুছিতে— পৌঁছোতে
• তেজস্বী— শক্তিমান
• দণ্ডায়মান— দাঁড়িয়ে আছে এমন
• সত্বর— তাড়াতাড়ি
• আনুকূল্য— সহায়তা, উপকার
• আলয়ে— গৃহে
• অনুমাত্র— সামান্য
• পরিচর্যা— যত্ন
• বিপক্ষতাচরণ— বিরোধিতা
• প্রার্থিত— চাওয়া হয়েছে এমন
• আহারাদির— খাওয়া-দাওয়ার
• ক্ষুন্নিবৃত্তি— আহারের ফলে ক্ষুধার (খিদে) উপশম, খিদের কষ্ট দূর হওয়া
• উপবিষ্ট— বসা, আসীন
• ক্লান্তি পরিহার— ক্লান্তি দূর করা
• স্বীয়— নিজের
• বিবর্ণ— ম্লান, বর্ণহীন
• প্রস্থান— চলে যাওয়া
• হতবীর্য— দুর্বল, ক্লান্ত, শক্তিহীন
• প্রত্যুষ— ভোরবেলা
• সজ্জিত— সেজে
• সাক্ষাৎ— দেখা
• তদ্বিষয়ে— সেই বিষয়ে
• মর্মগ্রহ— অর্থ উপলব্ধি করা
• সন্দিহানচিত্তে— সন্দেহ মনে
• রজনীশেষে (আকাদেমি অভিধান অনুযায়ী ‘রজনিশেষে’)— রাতের শেষে
• নিদ্রাভঙ্গ— ঘুম ভাঙা
• আপনকার— নিজের
• গাত্রোত্থান— শয্যা থেকে উঠে পড়া
• মুখপ্রক্ষালন— মুখ ধোওয়া
• সমাপন— শেষ করা
• আহারস্থানে— খাওয়ার জায়গায়
• দর্শনমাত্র— দেখামাত্র
• মুখরশ্মি— মুখের দড়ি, লাগাম
• আরোহণ— চড়া
• সত্বর— তাড়াতাড়ি
• গাত্রোত্থান— শয্যা থেকে উঠে পড়া
• যৎকালে— যে সময়ে
• অশেষবিধ— অনেক, অজস্র
• বৃত্তান্তবর্ণন— কাহিনি বর্ণনা
• বৈরসাধন— শত্রুতা
• শ্রবণমাত্র— শোনামাত্র
• বাসনা— ইচ্ছা
• পিতৃহন্তা— পিতার হত্যাকারী
• সর্বস্বান্ত— সব হারানো
• প্রাণান্ত— মৃত্যু
• অনিষ্টচিন্তা— ক্ষতি করার চিন্তা
• বহির্গত— বাইরে যাওয়া
• অপগত— চলে গেছে এমন, দূরীভূত
• সম্ভাষণ— ডাকা, সম্বোধন করা
• করমর্দন— হাত মেলানো
• তদীয়— তার
• কতিপয়— কিছু, কয়েকটি
• সংকল্প— প্রতিজ্ঞা
• প্রবিষ্ট— প্রবেশ করেছে এমন
• প্রত্যাগমন— ফিরে যাওয়া
📌 আরো দেখুনঃ
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ
📌 অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অন্যান্য ক্লাসের বাংলা প্রশ্নোত্তরঃ
📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
