আত্মকথা গল্পের বিষয়বস্তু সপ্তম শ্রেণি বাংলা | Atmokotha Golper Bisoibostu Class 7 Bengali wbbse

আত্মকথা গল্পের বিষয়বস্তু সপ্তম শ্রেণি বাংলা | Atmokotha Golper Bisoibostu Class 7 Bengali wbbse

আত্মকথা
—রামকিঙ্কর বেইজ

আত্মকথা গল্পের লেখক পরিচিতি, বিষয় সংক্ষেপ, নামকরণ সপ্তম শ্রেণির বাংলা | Atmokotha Golper Bisoibostu Class 7 Bengali wbbse

আত্মকথা গল্পের লেখক পরিচিতি, বিষয় সংক্ষেপ, নামকরণ সপ্তম শ্রেণির বাংলা | Atmokotha Golper Bisoibostu Class 7 Bengali wbbse

📌সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ

📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here

আত্মকথা গল্পের লেখক পরিচিতি, বিষয় সংক্ষেপ, নামকরণ সপ্তম শ্রেণি বাংলা | Atmokotha Golper Bisoibostu Class 7 Bengali wbbse

আত্মকথা
—রামকিঙ্কর বেইজ

পাঠ্য গল্প

যতদূর মনে পড়ে শৈশবেই আমার চোখে পড়ত আমাদের বাড়িঘরের চারদিকের দেওয়ালে নানা দেবদেবীর

ছবি, ছবি আমার তখনই ভালো লাগত। ছোটোবেলাতে আমি সেই-সব দেখতাম আর কপি করতাম। ভিসুয়াল আর্টে আমার প্রথম বর্ণপরিচয়।

মূর্তিগড়ার ইতিহাসও খুব মজার। আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তাটা লাল-মোরামে ঢাকা ছিল। একদিন হঠাৎ বৃষ্টির পরে দেখি মোরাম ধুয়ে নীলরঙের মাটি বেরিয়ে পড়েছে। চোখে পড়ামাত্র সেই মাটি খাবলে তুলে নিয়ে নানারকম পুতুল তৈরিও করতে লাগলাম। এখানে বলে রাখা ভালো যে আমার প্রথম শিল্পের-ইস্কুল বাড়ির পাশের কুমোর পাড়া। ছেলেবেলা থেকেই অনেকক্ষণ ধরে কুমোরদের মূর্তি গড়া ও অন্যান্য কাজ দেখার বেশ অভ্যেস ছিল। সুযোগ পেলেই মাটিতে হাত লাগিয়ে ছানাছানি করতাম।

রঙের প্রয়োজনও ছিল। গাছের পাতার রস, বটিনা-বাটা শিলের হলুদ, মেয়েদের পায়ের আলতা মুড়ি-ভাজা খোলার চাঁছা ভুষোকালি এইগুলি রঙের প্রয়োজন মেটাত। পাড়ার প্রতিমাকারক মিস্ত্রিদের দেশে ছাগলের ঘাড়ের লোম কেটে নিয়ে বাঁশের কাঠির ডগায় বেঁধে নিয়ে তাতে তুলির কাজ হতো।

বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় আমার অঙ্কন-গুণটির জন্য স্কুলে আমি অবৈতনিক ছাত্র হিসাবে পড়াশুনার সুযোগ পেয়ে এসেছি। স্কুলের দেওয়ালে আঁকা-ছবি ঝোলানো আর পত্রিকায় ছবি দেওয়া আমার প্রতিমাসের কাজ ছিল।

ছোটোবেলাতে পড়াশুনা ভালো লাগত না। বাবা লিখতে দিলে আঁকতে শুরু করতাম। বাঁকুড়াতে ঠেলাঠেলি করে ম্যাট্রিক পর্যন্ত হয়েছিল। শান্তিনিকেতনে এসে পড়েছি। কিন্তু তা অ্যাকাডেমিক নয়। ইচ্ছে মাতো পড়তাম

এই-সবের মধ্যে কখন নন-কোঅপারেশন আন্দোলন এসে গেল। স্কুল-কলেজ বন্ধ। ন্যাশনাল স্কুলে ভর্তি হলাম আর কংগ্রেসের কাজে যোগ দিলাম। আমার উপর ভার ছিল মহাপুরুষদের বাণী থেকে উদ্ধৃতি লিখে ঝুলিয়ে দেওয়া আর প্রসেশনের সময় লিডারদের পোট্রেট এঁকে দেওয়া। সেগুলি অয়েলপেন্ট দিয়ে করতে হতো।

এইসময় শ্রদ্ধেয় রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় মহাশয় বাঁকুড়ায় আসেন এবং তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়। শান্তিনিকেতনের সঙ্গে যোগাযোগ তাঁরই কৃপায় ঘটে। সেটা হচ্ছে ১৯২৫ সাল। আমার এত আনন্দ হলো যে ম্যাট্রিক না দিয়েই চলে এলাম। একমাত্র রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনই ব্রিটিশ কর্তৃত্বের বাইরে।

চলে এলাম। এটা শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্য বিদ্যালয়। তিনি (রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়) জেনারেল লাইব্রেরির উপরতলায় কলাভবনে নিয়ে গেলেন এবং আচার্য নন্দলালবাবুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তখন নন্দলালবাবুর শিল্প সম্বন্ধে আমার ধারণা বেশি কিছু ছিল না। যা কিছু ‘প্রবাসী’র অ্যালবামে দেখেছি। তা-ও বেশি নয়। ভারতীয় শিল্প ভালো লাগত না তা নয়- কিন্তু বাস্তবতার ভিতর দিয়ে না-গেলে সেটা সার্থক হবে না- এটাই ছিল মূল ধারণা। যার ফলে পরবর্তীকালে শান্তিনিকেতনে প্রাকৃতিক বাস্তবতার সূচনা হয়েছে। এখনো চলছে। ছাত্রদের অ্যানাটমি ও মাস্ল সম্বন্ধেও শিক্ষা দেওয়া হয়।

আমরা কাজ করতাম নিজেদের ইচ্ছামতন। নন্দবাবু নিজের কাজ করতেন। একবার করে ঘুরে যেতেন। বিশেষ কিছু ইনস্ট্রাকশন দিতেন না। তবে হ্যাঁ, একটু আধটু যা না-বললেই না, তা কি আর বলতেন না? কিন্তু নিজে ইমপোজ করতেন না। পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।

অয়েল পেন্টিং তখন শান্তিনিকেতনে কেউ করতেন না। আমিই প্রথম শুরু করি। দোকানে গিয়ে বললাম, ‘অয়েল-পেন্টিং করব, কী রং আছে? কীভাবে করতে হয়, দেখান?’ তা দোকানদার দেখাল, ‘এই তুলি, এই টিউবে রং আর এই পাত্রে তেল আছে, একবার ডুবিয়ে নিয়ে রং করুন।’ ব্যস, অয়েল পেন্টিং শেখা হয়ে গেল। ভালো কাজ করেছিলাম অয়েলে, যতদূর মনে হচ্ছে- গার্ল অ্যান্ড দ্য ডগ। নন্দলালবাবু কিন্তু একটু অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন অয়েলে করেছিলাম বলে। তবে বাধাও দেননি। আমি শান্তিনিকেতনে আসার বছর-চারেক আগে নন্দলালমশাই কলাভবনের অধ্যক্ষ হয়ে আসেন। ছাত্রদের সঙ্গে ওঁর ব্যবহার খুব সুন্দর ছিল। সকলেই খুঝা সাহায্য করতেন। তবে তিনি তো ওরিয়েন্টাল আর্টের প্রবর্তক। ওয়েস্টার্ন আর্টের প্রচলন তখনো হয়নি। উনি পছন্দও করতেন না।

আচার্যদেবের সঙ্গে দেখা হলো। দেখলেম বলিষ্ঠ চেহারার মানুষ, গায়ে সিল্কের পাঞ্জাবি, পরনে ধুতি। আমার ছবি দেখতে চাইলেন। দেখালাম। বললেন, ‘তুমি সবই জানো, আবার এখানে কেন?’ একটু ভেবে বললেন, ‘আচ্ছা, দু-তিন বছর থাকো তো।’ সেই দু-তিন বছর আমার এখনো শেষ হলো না। তাঁর বিচিত্র অবদানের ভিতর দেখেছি শিল্প স্রোত নানাভাবে নানারূপে এসেছে তীব্রভাবে, কিন্তু কখনো স্বাদবিহীন নয়।

অত বড়ো একজন শিল্পীর কাছে শিক্ষালাভ করেছি, আমার সৌভাগ্য। শিল্পী হিসাবে যেমন মর্যাদাবান, শিক্ষক হিসেবেও তেমনি। এত বড়ো পেইন্টার, এত নিখুঁত স্ট্রোক। প্রায় সমস্ত ছবিরই বিষয় বা ব্যাকগ্রাউন্ড খুব সাদামাটা। সাধারণ চরিত্র, কমন ল্যান্ডস্কেপ, একেবারে গ্রামের কমপ্লিট ক্যারেকটার নিয়ে ওঁর ছবি। এই সাদামাটা সুরটাই আমাকে ভীষণভাবে টানে। আমার ছবি বা মূর্তির অধিকাংশ ক্যারেকটারই যে খুব সাধারণ, তা অনেকটা নন্দলালবাবুর পরোক্ষ প্রভাবে।
(নির্বাচিত অংশ)

∆ শব্দার্থ : • কপি– অনুকরণ/নকল। • ভিসুয়াল আর্ট– ছবি/চিত্রকলা। • অ্যাকাডেমিক– প্রথাগত লেখাপড়া। • নন্-কোঅপারেশন– অসহযোগ আন্দোলন। • প্রসেশন– শোভাযাত্রা। • পোট্রেট– প্রতিকৃতি। • অয়েল পেন্ট– তৈলচিত্র। • রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়– ‘প্রবাসী’ পত্রিকার সম্পাদক। • অ্যানাটমি– শরীরতত্ত্ব। • মাসল– পেশি। • ইনস্ট্রাকশন– নির্দেশ। • ইমপোজ– আরোপ। • ওরিয়েন্টাল আর্ট– শিল্পকলার প্রাচ্যধারা। • ওয়েস্টার্ন আর্ট– শিল্পকলার পাশ্চাত্যধারা। • পেইন্টার– শিল্পী।

লেখক পরিচিতিঃ “রামকিঙ্কর পরিবারের একমাত্র ছেলে, যাকে এখনও জাত পেশা ক্ষৌরকার্যে লাগানো হয়নি। ওকে স্কুলে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাশা, ও লেখাপড়া শিখবে”। ‘দেখি নাই ফিরে’— সমরেশ বসু প্রখ্যাত ভাস্কর এবং চিত্রশিল্পী রামকিঙ্কর বেইজ-এর জন্ম ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৫ মে। বাঁকুড়া জেলার কামারডাঙা গ্রামের যুগীপাড়ায় বসতি। জাতিতে তিনি পরামাণিক। বাবা চণ্ডীচরণ পুত্র রামপদকে জাত ব্যবসা ক্ষৌরকর্মে নিয়োজিত করলেও রামকিঙ্করকে ক্ষৌরকর্মে যুক্ত করেননি। ছোটোবেলা থেকেই রামকিঙ্কর ছিলেন ছবি আঁকায় পারদর্শী। তিনি দেবদেবীর ছবি আঁকতেন। কামার-কুমোরদের কাজেও আকৃষ্ট ছিলেন। পুতুলগড়া, থিয়েটারের সিন তৈরি, ছবি আঁকা ইত্যাদি কাজে তিনি যুক্ত ছিলেন। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত শিল্পী রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে শন্তিনিকেতনে নিয়ে আসেন। তাঁর আঁকা ছবি দেখে নন্দলাল বসু বলেছিলেন, “তুমি সবই জানো, আবার এখানে কেন ?” সারাজীবন তিনি অজস্র ছবি এঁকেছেন, মূর্তি গড়েছেন। তাঁর ছবিতে, ভাস্কর্যে রাঢ় দেশের মাটি ও মানুষের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য শিল্পকলার নানা বিশেষত্ব তাঁর কাজে ধরা পড়েছে। শান্তিনিকেতনে তাঁর গড়া বিখ্যাত মূর্তিগুলির মধ্যে রয়েছে —‘সুজাতা’, ‘হাটের সাঁওতাল পরিবার’, ‘গান্ধিজি’, ‘বুদ্ধদেব’, ‘কাজের শেষে সাঁওতাল রমণী’ ইত্যাদি। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার কর্তৃক ‘পদ্মভূষণ’ সম্মানে তিনি ভূষিত হন। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে ‘বিশ্বভারতী’ তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চিরবিদায় নেন ।

পাঠপ্রসঙ্গঃ কোনো সাহিত্যিক যখন তাঁর নিজের জীবনের কথা সাহিত্যে তুলে ধরেন, তখন তা আত্মজীবনী বা আত্মচরিতমূলক রচনা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ‘আত্মকথা’ গদ্যাংশে লেখক রামকিঙ্কর বেইজ তাঁর শৈশবকাল থেকে বড়ো হয়ে ওঠা পর্যন্ত নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে রচনাটিকে মনোগ্রাহী করে তুলেছেন। পাঠক হিসেবে তাঁর গ্রাম্য জীবন, শান্তিনিকেতনের জীবন এবং শিল্পী হিসেবে বড়ো হয়ে ওঠার নানা পথের হদিস পেয়ে আমরাও সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছি।

বিষয় সংক্ষেপঃ লেখক গ্রামের ছেলে। শৈশব থেকেই তাঁর ছবি আঁকার প্রতি তীব্র আকর্ষণ ছিল। বাড়ির দেয়ালে টাঙানো দেবদেবীর ছবি দেখে তিনি তা আঁকতে চেষ্টা করতেন। মূর্তি গড়ার কাজেও তাঁর দক্ষতার পরিচয় মেলে। লেখকের বাড়ির পাশে কুমোরপাড়া ছিল। সেখান থেকে তাঁর মাটির নানা কাজ দেখার অভ্যাস তৈরি হয়। আঁকার জন্য যে রংতুলির প্রয়োজন হত তা নানান জায়গা থেকে তিনি সংগ্রহ করতেন। আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় এবং অঙ্কন বিদ্যায় পারদর্শিতার জন্য বিদ্যালয়ে বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন। বাঁকুড়াতে ম্যাট্রিক পাশ করার পর ন্যাশনাল স্কুলে ভরতি হয়ে কংগ্রেস দলের হয়ে কাজ করতে শুরু করেন। এইসময় বেশ কিছু মহাপুরুষের ছবি ও বাণী অয়েল পেন্টিং – এর মাধ্যমে এঁকেছিলেন। ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে ‘প্রবাসী’ পত্রিকার সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। তারপর তিনি চলে আসেন শান্তিনিকেতনে। সেখানে আচার্য নন্দলাল বসুর নির্দেশেই সব কাজ পরিচালিত হত। এখানে ছাত্রদের অ্যানাটমি ও মাসল্ সম্বন্ধেও শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। লেখক সেখানে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। নন্দলালবাবু ছিলেন ওরিয়েন্টাল আর্টের প্রবর্তক। লেখক রামকিঙ্করের বেশিরভাগ ছবি ছিল খুবই সাধারণ, তবে তা অনেকটা নন্দলালবাবুর পরোক্ষ প্রভাবে। অয়েল পেন্টিং -এ আঁকা সুন্দর ছবিটি— ‘গার্ল অ্যান্ড দ্য ডগ’। কারণ, নন্দলালবাবুর সাদামাটা সুরটা লেখককে আশ্চর্যরকমভাবে আকর্ষণ করত।

নামকরণঃ মানবসমাজে বাস করতে গেলে যেমন মানুষের একটা নাম জরুরি, তেমনি সাহিত্যরচনারও নামকরণ অত্যন্ত জরুরি। এটি এমন একটা বিষয়, যা তার পরিচয়ের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শর্ত বলে মনে করা যেতে পারে। মানুষের নামকরণ যেমন খুশি রাখা যেতে পারে, কিন্তু সাহিত্যের নামকরণে তা চলবে না। কেন না, সাহিত্যের নামকরণের মধ্য দিয়ে সেই গল্প বা কবিতার মূলভাবটি যেমন ধরা পড়ে, তেমনি সাহিত্যিকের মনোভাবও স্পষ্ট বোঝা সম্ভব হয়। আমাদের আলোচ্য ‘আত্মকথা’ রচনাটির মধ্যে সেই ভাব সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ‘আত্মকথা’ শব্দের অর্থ হল নিজের কথা। লেখক এই রচনায় নিজের কথাই বলেছেন। খুব ছেলেবেলা থেকেই তিনি আঁকতে ভালোবাসতেন। বাড়ির দেয়ালে টাঙানো দেবদেবীর ছবি দেখে তিনি আঁকতে শুরু করেছিলেন।
কুমোরপাড়ায় বাড়ি হওয়ার সুবাদে তাদের দেখে দেখে নিজেও মাটির নানান মূর্তি তৈরিতে হাত পাকিয়ে ছিলেন। পারিবারিক অবস্থা ভালো না হলেও নিজের আঁকার দক্ষতার জন্য বিনা বেতনে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনার থেকে আঁকার প্রতিই আগ্রহ ছিল বেশি। সারাজীবন তিনি জ্ঞানীগুণী মানুষের সান্নিধ্যলাভ করেছেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন বহু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন আচার্য নন্দলাল বসুর সঙ্গে থেকে। সেখানেই প্রথম তিনি অয়েল পেন্টিং -এর কাজ করেন। সঠিক অর্থে তিনি একজন শিল্পী। কেমনভাবে তিনি শিল্পী হয়ে উঠেছিলেন তার সুন্দর নিখুঁত বর্ণনা ধরা পড়েছে তাঁর ‘আত্মকথা’র মধ্যে। সংগত কারণেই গদ্যাংশটির ‘আত্মকথা’ নামকরণটি যথাযথ ও সার্থক হয়েছে।

প্রথম ইউনিট টেস্ট বাংলা প্রশ্নোত্তর

ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর

পাগলা গনেশ গল্পের বিষয়বস্তু

পাগলা গনেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর

বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার বিষয়বস্তু

বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার প্রশ্ন উত্তর

মাতৃভাষা কবিতার প্রশ্ন উত্তর

একুশের কবিতা প্রশ্ন উত্তর

একুশের তাৎপর্য প্রশ্ন উত্তর

আত্মকথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর

আঁকা লেখা কবিতার প্রশ্ন উত্তর

খোকনের প্রথম ছবি প্রশ্ন উত্তর

কুতুবমিনারের কথা প্রশ্ন উত্তর

মাকু প্রথম ও দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

মাকু হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর

ভাষাচর্চা প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

📌 আরো দেখুনঃ

📌সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ

📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here

📌 অন্যান্য ক্লাসের বাংলা প্রশ্নোত্তরঃ

📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply