সাহিত্য মেলা
সপ্তম শ্রেণি বাংলা
পাগলা গণেশ গল্পের প্রশ্ন উত্তর সপ্তম শ্রেণি বাংলা | Pagla Ganesh Golper Question Answer Class 7 wbbse
পাগলা গণেশ গল্পের হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর সপ্তম শ্রেণি বাংলা | Pagla Ganesh Golper Hate Kolome Question Answer Class 7 wbbse
📌সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ
📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here
হাতে কলমে প্রশ্নের উত্তর : পাগলা গণেশ সপ্তম শ্রেণি বাংলা | Class 7 Hate Kolome Question Answer wbbse
১। সঠিক উত্তরটি খুঁজে নিয়ে লেখো:
১.১ ‘পাগলা গণেশ’ একটি (বিজ্ঞান / কল্পবিজ্ঞান / রূপকথা)’ – বিষয়ক গল্প।
উত্তরঃ কল্পবিজ্ঞান।
১,২ ‘অবজার্ভেটরি’- র বাংলা প্রতিশব্দ (পরীক্ষাগার / গবেষণাগার / নিরীক্ষণাগার)।
উত্তরঃ গবেষণাগার।
১.৩ সভ্যসমাজ থেকে দূরে পালিয়ে গিয়ে গণেশ (হিমালয়ের গিরিগুহায় / গভীর জঙ্গলে / মহাকাশে) আশ্রয় নিয়েছিলেন।
উত্তরঃ হিমালয়ের গিরিগুহায়।
১.৪ গল্পের তথ্য অনুসারে মৃত্যুঞ্জয় টনিক আবিষ্কার হয়েছিল (৩৫৮৯ / ৩৪৩৯ / ৩৫০০) সালে।
উত্তরঃ ৩৪৩৯
∆ অতিরিক্ত MCQ প্রশ্ন উত্তর :
১.৫ গল্প অনুযায়ী পৃথিবীতে মানুষ (মরে না / খুব কম মরে / অল্প বয়সে মরে)।
উত্তরঃ মরে না।
১.৬ পৃথিবীতে নতুন মানুষের জন্ম না হওয়ার প্রধান কারণ (যুদ্ধ / বিজ্ঞান নিষেধ / সবাই বেঁচে আছে)।
উত্তরঃ সবাই বেঁচে আছে।
১.৭ পাগলা গণেশের বয়স ছিল (১৫০ / ২০০ / ২৫০) বছর।
উত্তরঃ ২০০।
১.৮ মৃত্যুঞ্জয় টনিক আবিষ্কারের পর মানুষ (অমর /শক্তিশালী / অদৃশ্য) হয়ে যায়।
উত্তরঃ অমর।
১.৯ পাগলা গণেশ পেশায় ছিলেন (কবি / শিল্পী / বিজ্ঞান শিক্ষক)।
উত্তরঃ বিজ্ঞান শিক্ষক।
১.১০ গণেশ কলকাতার যে প্রতিষ্ঠানে পড়াতেন তা হলো (প্রেসিডেন্সি কলেজ / সায়েন্স কলেজ / যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়)।
উত্তরঃ সায়েন্স কলেজ।
১.১১ গল্পে উল্লেখিত গণেশের সন্তানের সংখ্যা (দুই / তিন / চার)।
উত্তরঃ চার।
১.১২ গণেশের স্ত্রী কাজ করতেন (ভারতীয় মহাকাশ কেন্দ্রে / ক্যালিফোর্নিয়া মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে / ইউরোপীয় গবেষণা কেন্দ্রে)।
উত্তরঃ ক্যালিফোর্নিয়া মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে।
১.১৩ প্রথম যে ব্যক্তি কবিতা শুনতে আগ্রহ দেখায় সে ছিল একজন (বিজ্ঞানী / পুলিশম্যান / কবি)।
উত্তরঃ পুলিশম্যান।
১.১৪ গণেশ কবিতা লিখে কাগজগুলো (পুড়িয়ে ফেলত /জমিয়ে রাখত / বাতাসে ভাসিয়ে দিত)।
উত্তরঃ বাতাসে ভাসিয়ে দিত।
১.১৫ গল্পের শেষে পৃথিবী বাঁচার আশা জাগে কারণ মানুষ (আবার যুদ্ধ শুরু করেছে / আবার বিজ্ঞান ছেড়েছে / গান-কবিতা শুরু করেছে)।
উত্তরঃ গান-কবিতা শুরু করেছে।
২. সংক্ষেপে উত্তর দাও।
২.১ “সালটা ৩৫৮৯”—এই সময়ের মধ্যে পৃথিবীতে কোন্ কোন্ নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের কথা গল্পে বলা হয়েছে?
উত্তরঃ সালটা ৩৫৮৯, ইতিমধ্যে মাধ্যাকর্ষণ প্রতিরােধকারী মলম আবিষ্কৃত হয়ে গেছে। চাঁদ, মঙ্গল ও শুক্রগ্রহে মানুষ ল্যাবরেটরি স্থাপন করেছে, সূর্যের আরও দুটি গ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে এবং জানা গেছে সৌরজগতে আর কোনাে গ্রহ নেই। মৃত্যুঞ্জয় টনিক আবিষ্কারের কারণে পৃথিবীতে মানুষ আর মারা যায় না। আলাের চেয়েও দ্রুতগতিসম্পন্ন মহাকাশযান ইতিমধ্যেই আবিষ্কৃত হয়ে গেছে।
২.২ “ওসব অনাবশ্যক ভাবাবেগ কোনাে কাজেই লাগে না”— ‘অনাবশ্যক ভাবাবেগ’ বলতে কী বােঝানাে হয়েছে? তাকে সত্যিই তােমার অনাবশ্যক বলে মনে হয় কি?
উত্তরঃ ‘পাগলা গণেশ’ গল্পে ‘অনাবশ্যক ভাবাবেগ’ বলতে কবিতা, গান, ছবি আঁকা, কথাসাহিত্য, নাটক, সিনেমা ইত্যাদির চর্চাকে বােঝানাে হয়েছে।
না, এগুলির কোনােটিকেই আমার অনাবশ্যক বলে মনে হয় না। কারণ এগুলি চর্চা করলে মানুষের মনকে সতেজ, অনুভূতিশীল ও সৃষ্টিশীল রাখে।
২.৩ “চর্চার অভাবে মানুষের মনে আর ওসবের উদ্রেক হয় না।”মানুষের মন থেকে কোন্ কোন্ অনুভূতিগুলি হারিয়ে গেছে?
উত্তরঃ ‘পাগলা গনেশ’ গল্প অনুসারে মানুষের মনে ‘দয়া’, ‘মায়া’, ‘করুণা’, ‘ভালােবাসা ইত্যাদি অনুভূতি আর নেই, বিজ্ঞানের যান্ত্রিকতায় তা হারিয়ে গেছে।
২.৪ ‘ব্যতিক্রম অবশ্য এক আধজন আছে”- ব্যতিক্রমী মানুষটি কে ? কীভাবে তিনি ব্যতিক্রম হয়ে উঠেছিলেন ?
উত্তরঃ প্রশ্নে উল্লিখিত ব্যতিক্রমী মানুষটি হলেন ‘পাগলা গণেশ’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিজ্ঞানী গণেশ।
৩৫৮৯ খ্রিস্টাব্দের দেড়শাে বছর আগে যখন মৃত্যুঞ্জয় টনিক আবিষ্কৃত হয়, তখন সকলের মতাে গণেশও টনিকটি খেয়েছিলেন। ফলে তিনি অমর হয়ে যান। সেই সময় থেকেই সুকুমার শিল্পবিরােধী আন্দোলন শুরু হয়ে গিয়েছিল। ফলে শিল্প, সংগীত, সাহিত্য ইত্যাদি চর্চার পাট ক্রমশ উঠে যেতে থাকল। গণেশের সেটা পছন্দ হল না। তা ছাড়া, বিজ্ঞানের বাড়াবাড়ির একটা সীমা থাকা দরকার বলেও তার মনে হল। চেষ্টা করে যখন গণেশ দেখলেন কালের চাকার গতি উলটো দিকে ফেরানাে যাবে না, তখন তিনি নিজে এই সভ্যসমাজ ছেড়ে একাই হিমালয়ের এক গুহায় আশ্রয় নিলেন। সেখানে তিনি তাঁর কবিতাচর্চা, ছবি আঁকা, গানের চর্চা বজায় রাখলেন। এভাবেই গণেশ একজন ব্যতিক্রমী মানুষ হয়ে উঠলেন।
২.৫ “ও মশাই, এমন বিকট শব্দ করছেন কেন ?” – কার উদ্দেশ্যে কারা এ কথা বলেছিল ? কোন্ কাজকে তারা ‘বিকট শব্দ’ মনে করেছিল ?
উত্তরঃ একদিন গণেশ সন্ধ্যাবেলায় গলা ছেড়ে গান গাইছিলেন। হঠাৎ দুটো পাখাওয়ালা লােক লাসা থেকে ইসলামাবাদ উড়ে যেতে যেতে নেমে এসে গণেশকে উদ্দেশ্য করে রীতিমতাে ধমক দিয়ে মন্তব্যটি করেছিল।
গণেশের গলা ছেড়ে গান গাওয়াকেই তারা ‘বিকট শব্দ’ বলে মনে করেছিল।
২.৬ “গণেশ তাদের মুখশ্রী ভুলে গেছে”— গণেশ কাদের মুখশ্রী ভুলে গেছেন ? তার এই ভুলে যাওয়ার কারণ কী বলে তােমার মনে হয় ?
উত্তরঃ ‘পাগলা গণেশ’গল্পে গণেশ তার তিন ছেলে ও এক মেয়ের মুখশ্রী ভুলে গেছেন।
গণেশের ছেলেমেয়েরা তাঁর কাছে থাকে না, গত একশাে বছরের মধ্যে তারা বাপের কাছেও আসেনি। এই দীর্ঘ বিচ্ছেদের ফলেই গণেশ তাদের মুখশ্রী ভুলে গেছেন।
২.৭ “গণেশকে সসম্রমে অভিবাদন করে বলল”—কে, কী বলেছিল? তার এভাবে তাকে সম্মান জানানাের কারণটি কী?
উত্তরঃ পিপে থেকে বেরিয়ে আসা একজন পুলিশম্যান সসম্রমে গণেশকে অভিবাদন করে বলেছিল, গণেশ যখন কলকাতার সায়েন্স কলেজে মাইক্রো ইলেকট্রনিকস পড়াতেন, তখন সে তার ছাত্র ছিল। তারপর গণেশের পাহাড়ময় কাগজ ছড়ানোর কারণ জানতে চেয়েছিল।
তার এভাবে সম্মান জানানাের কারণ হল, গণেশ একসময়ে সেই পুলিশ ম্যানের শিক্ষক ছিলেন।
২.৮ “আমি পৃথিবীকে বাঁচানাের চেষ্টা করছি” বক্তা কীভাবে পৃথিবীকে বাঁচানাের চেষ্টা করেছিল ? তার প্রয়াস শেষপর্যন্ত সফল হয়েছিল কি ?
উত্তরঃ বক্তা গণেশ কবিতা লিখে, গান গেয়ে, ছবি এঁকে পৃথিবীর মানুষের ভেতরের মানবিক বােধগুলিকে জাগিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছিলেন।
হ্যাঁ,তার এই প্রয়াস শেষপর্যন্ত সফল হতে চলেছিল।গণেশ বুঝেছিলেন যে, দুনিয়াকে বাঁচানাের জন্য তার চেষ্টা সফল হতে চলেছে। কারণ রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিবের কাছ থেকে গণেশ জানতে পেরেছিলেন যে, বর্তমানে লােকে গান গাইতে লেগেছে, কবিতা মকসাে করছে, হিজিবিজি ছবি আঁকছে।
২.৯ “লােকটা অসহায়ভাবে মাথা নেড়ে বলল”—এখানে কার কথা বলা হয়েছে ? সে কী বলল ? তার অসহায়ভাবে মাথা নাড়ার কারণ কী ?
উত্তরঃ এখানে অসহায়ভাবে মাথা নাড়া লােকটি হল একজন পুলিশম্যান। গণেশ যখন কলকাতার সায়েন্স কলেজে শিক্ষকতা করতেন, তখন সে ছিল তার ছাত্র।
পুলিশম্যানটি গণেশের কবিতা লেখা আছে এমন একটি কাগজ কুড়িয়ে নিয়ে ছিল। সেই কাগজটির দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে সে বলেছিল যে, সে কিছুই বুঝতে পারছে না, কোনােদিনও সে সেসব পড়েনি এবং তাদের আমলে শিক্ষানিকেতনে সেসব পড়ানােও হত না। একইসঙ্গে সে জানায় যে, আরও আগে কবিতা নামে কী যেন একটা ছিল বলে সে শুনেছে।
গণেশের কবিতা পড়ে সে অসহায়ভাবে মাথা নেড়ে তার কবিতা বােঝার অক্ষমতার কথা জানিয়েছিল।
২.১০ “তিনজন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বসে রইল”— এই তিনজন কারা ? তাদের মুগ্ধতার কারণ কী ?
উত্তরঃ এখানে মন্ত্রমুগ্ধ যে তিনজনের কথা বলা হয়েছে, তারা হল গণেশের প্রাক্তন ছাত্র এক পুলিশম্যান, তার স্ত্রী আর তার মা।
গণেশ তাদের কবিতা পড়ে আর গান গেয়ে শােনান, নিজের আঁকা ছবি দেখান। এই সব দেখে পুলিশম্যান, তার স্ত্রী এবং মা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বসে থেকেছিল।
৩.‘পাগলা গণেশ’ গল্পের মুখ্য চরিত্র গণেশকে তােমার কেমন লাগল ?
উত্তরঃ ৩৫৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানের যান্ত্রিকতা গ্রাস করে ফেলল পৃথিবীকে। এর ফলে মানুষ অমরতা পেল। কিন্তু শিল্প, সংগীত, সাহিত্য ইত্যাদি সুকুমার কলা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকল মানুষের জীবন থেকে। সেই সময় গণেশ কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে মানবিক বোধগুলিকে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হলেন এবং ধীরে ধীরে তা ফিরিয়ে আনলেন। সেই সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে লােকে গণেশকে স্বাভাবিক মনে করেনি। তাই তিনি হয়ে গিয়েছিলেন ‘পাগলা গণেশ’। তাকে তো ‘পাগলা’ বলে মনে হতেই পারে। কিন্তু গণেশ ‘পাগলা’ নন, তিনি আন্তরিক। যান্ত্রিক পৃথিবীর হৈ- হল্লার মাঝে নিঃসঙ্গ হলেও তিনি মানবতার পূজারি। বিজ্ঞাননির্ভর মানুষ একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন। তাই পারস্পরিক আবেগের সূত্রে মানুষকে বাঁধতে তিনি বিজ্ঞানের পাশে মানুষের সৃষ্টিশীলতা ও মানসবৃত্তিকে প্রতিষ্ঠা দিতে চেয়েছেন। একক যুদ্ধের সার্থক সৈনিক গণেশ তাই এক সার্থক মানবচরিত্র হিসেবে এ গল্পে আত্মপ্রকাশ করেছেন। গল্পশেষে তাই রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব যখন জানান লোকে গান গাইতে লেগেছে, কবিতা মকসো করছে, হিজিবিজি ছবি আঁকছে।’ তখন গণেশের প্রাণময় উক্তি— “যাঃ তাহলে আর ভয় নেই। দুনিয়াটা বেঁচে যাবে … ”।
৪. অর্থ অপরিবর্তিত রেখে রেখাঙ্কিত শব্দগুলির পরিবর্তে নতুন শব্দ বসাও:
৪.১ ওসব অনাবশ্যক ভাবাবেগ কোনাে কাজেই লাগে না।
উত্তরঃ ওসব অপ্রয়ােজনীয় ভাবাবেগ কোনাে কাজেই লাগে না।
৪.২ কেউ ঠাট্টা বিদ্রুপ করল না।
উত্তরঃ কেউ উপহাস-পরিহাস করল না।
৪.৩ দুনিয়াটা বেঁচে যাবে।
উত্তরঃ পৃথিবীটা বেঁচে যাবে।
৪.৪ মহাসচিব তার বিমান থেকে নামলেন গণেশের ডেরায়।
উত্তরঃ মহাসচিবতার আকাশযান থেকে নামলেনগণেশের আস্তানায়।
৪.৫ গণেশকে সসম্ভ্রমে অভিবাদন জানিয়ে বলল।
উত্তরঃ গণেশকে সসম্মানে অভিবাদন জানিয়ে বলল।
৪.৬ লােকে গান গাইতে লেগেছে, কবিতা মকসো করছে।
উত্তরঃ লোকে গান গাইতে লেগেছে, কবিতা অভ্যাস করছে।
৪.৭ হিমালয় যে খুব নির্জন জায়গা, তা নয়।
উত্তরঃ হিমালয় যে খুব জনহীন জায়গা, তা নয়।
৪.৮ ধুর মশাই, এ যে বিটকেল শব্দ। :
উত্তরঃ ধুর মশাই, এ যে বিকট শব্দ।
৫. এককথায় লেখাে— মহান যে সচিব, প্রতিরােধ করে যে, গতিবেগ আছে যার, মৃত্যুকে জয় করেছে যে, অন্ত নেই যার।
উত্তরঃ
» মহান যে সচিব— মহাসচিব
» প্রতিরােধ করে যে— প্রতিরােধী।
» গতিবেগ আছে যার— গতিশীল।
» মৃত্যুকে জয় করেছে যে— মৃত্যুঞ্জয়।
» অন্ত নেই যার— অনন্ত
৬. সন্ধি বিচ্ছেদ করাে: মাধ্যাকর্ষণ, আবিষ্কার, মৃত্যুঞ্জয়, অনাবশ্যক, গবেষণা, অন্তরীক্ষ, গণেশ, হিমালয়, নির্জন, গবেষণাগার, পরীক্ষা।
উত্তরঃ
» মাধ্যাকর্ষণ = মাধ্য + আকর্ষণ।
» আবিষ্কার = আবিঃ + কার
» মৃত্যুঞ্জয় =মৃত্যুম্ + জয়।
» অনাবশ্যক = অন্ + আবশ্যক।
» গবেষণা = গাে + এষণা।
» অন্তরীক্ষ = অন্তঃ + ঈক্ষ।
» গণেশ = গণ + ঈশ ।
» হিমালয় = হিম + আলয়।
» নির্জন = নিঃ + জন।
» গবেষণাগার = গাে + এষণা + আগার
» পরীক্ষা = পরি + ঈক্ষা।
৭. সমার্থক শব্দ লেখাে : কৃত্রিম, পৃথিবী, আন্দোলন।
উত্তরঃ » কৃত্রিম— নকল।
» আন্দোলন— আলােড়ন
» পৃথিবী— দুনিয়া, জগৎ
৮. নিম্নলিখিত বিশেষণগুলির পর উপযুক্ত বিশেষ্য বসাও এবং বাক্য রচনা করাে : কৃত্রিম, মেদুর, সুকুমার, যান্ত্রিক, ফিরােজা, মন্ত্রমুগ্ধ।
উত্তরঃ
• কৃত্রিম (বিশেষণ) উপগ্রহ (বিশেষ্য)
বাক্য – আকাশে এখন কৃত্রিম উপগ্রহ প্রায়ই দেখা যায়।
• মেদুর (বিশেষণ) আকাশ (বিশেষ্য)
বাক্য – মেঘে মেদুর আকাশ স্নিগ্ধ সুন্দর হয়ে উঠল।
• সুকুমার (বিশেষণ) শিল্পকলা (বিশেষ্য)
বাক্য – সুকুমার শিল্পকলা সকলেই শিল্পকলা পছন্দ করে।
• যান্ত্রিক (বিশেষণ) গােলযােগ (বিশেষ্য)
বাক্য – যান্ত্রিক গােলযােগের জন্য
মােটরগাড়ি থেমে গেল।
• ফিরােজা (বিশেষণ) রং (বিশেষ্য)
বাক্য – ফিরােজা রঙের শাড়ি নীনার খুব পছন্দ।
• মন্ত্রমুগ্ধ (বিশেষণ) শ্রোতা (বিশেষ্য)
বাক্য – রমার গান শুনে শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বসে রইল।
৯। রেখাঙ্কিত পদগুলির কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করো।
৯.১ গণেশও আর সকলের মতাে টনিকটা খেয়েছিল।
উত্তরঃ কর্তৃকারক, শূন্য বিভক্তি।
৯.২ তার গানের গলা বেশ ভালােই।
উত্তরঃ সম্বন্ধপদ, এর’ বিভক্তি।
৯.৩ আকাশে একটা পিপে ভাসছিল।
উত্তরঃ অধিকরণকারক, ‘এ’ বিভক্তি।
৯.8 আজ সকালে গণেশকে কবিতায় পেয়েছে।
উত্তরঃ অধিকরণকারক, ‘এ’ বিভক্তি।
৯.৫ আমি পৃথিবীকে বাঁচানাের চেষ্টা করছি।
উত্তরঃ কর্মকারক, ‘কে’ বিভক্তি।
৯.৬ ও মশাই, অমন বিকট শব্দ করছেন কেন ?
উত্তরঃ কর্মকারক, ‘শূন্য’ বিভক্তি।
৯.৭ রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব তাঁর বিমান থেকে নামলেন।
উত্তরঃ অপাদানকারক, ‘থেকে’ অনুসর্গ।
৯.৮ তিনজন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে বসে রইল।
উত্তরঃ করণকারক, ‘শূন্য’ বিভক্তি।
∆ অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর :
অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন উত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১
১. প্রশ্ন: ‘পাগলা গণেশ’ গল্পটি কোন বিষয়ভিত্তিক গল্প ?
উত্তর: ‘পাগলা গণেশ’ একটি কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক গল্প।
২. প্রশ্ন: গল্পের সময়কাল কোন সাল নির্দেশ করে?
উত্তর: গল্পের সময়কাল ৩৫৮৯ সাল নির্দেশ করে।
৩. প্রশ্ন: পৃথিবীতে মানুষ কেন আর মরে না?
উত্তর: মৃত্যুঞ্জয় টনিক আবিষ্কারের ফলে মানুষ আর মরে না।
৪. প্রশ্ন: পৃথিবীতে নতুন মানুষের জন্ম কেন হচ্ছে না?
উত্তর: সবাই বেঁচে থাকার কারণে জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষায় নতুন জন্ম হচ্ছে না।
৫. প্রশ্ন: পাগলা গণেশ কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলেন?
উত্তর: পাগলা গণেশ হিমালয়ের একটি গিরিগুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
৬. প্রশ্ন: গণেশ কেন সভ্য সমাজ ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: বিজ্ঞাননির্ভর সমাজে শিল্প-সাহিত্যের অবমূল্যায়ন দেখে তিনি সমাজ ত্যাগ করেছিলেন।
৭. প্রশ্ন: গণেশের পেশা কী ছিল?
উত্তর: গণেশ কলকাতার সায়েন্স কলেজে মাইক্রো ইলেকট্রনিক্সের অধ্যাপক ছিলেন।
৮. প্রশ্ন: গল্পে মানুষ কোন বিষয়গুলোকে অপ্রয়োজনীয় মনে করত?
উত্তর: কবিতা, গান, ছবি আঁকা ও আবেগকে মানুষ অপ্রয়োজনীয় মনে করত।
৯. প্রশ্ন: গণেশ কীভাবে তার কবিতা মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাইত?
উত্তর: তিনি কবিতার কাগজ বাতাসে ভাসিয়ে দিতেন।
১০. প্রশ্ন: প্রথম যে ব্যক্তি গণেশের কবিতা পড়ে সে কে ছিল?
উত্তর: প্রথম ব্যক্তি একজন পুলিশম্যান ছিল।
১১. প্রশ্ন: পুলিশম্যান কবিতা পড়ে কী অনুভব করেছিল?
উত্তর: সে কবিতা না বুঝলেও তার মনে অদ্ভুত অনুভূতি হয়েছিল।
১২. প্রশ্ন: পুলিশম্যান পরে কাদের নিয়ে গণেশের কাছে আসে?
উত্তর: সে তার স্ত্রী ও মাকে নিয়ে গণেশের কাছে আসে।
১৩. প্রশ্ন: ধীরে ধীরে কারা গণেশের কাছে আসতে শুরু করে?
উত্তর: পুলিশ, বিজ্ঞানী ও টেকনিশিয়ানরা গণেশের কাছে আসতে শুরু করে।
১৪. প্রশ্ন: গণেশ কবিতা ছাড়াও আর কী কী দেখিয়েছিল?
উত্তর: গণেশ গান শুনিয়েছিল এবং ছবি দেখিয়েছিল।
১৫. প্রশ্ন: রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব কেন গণেশের কাছে আসেন?
উত্তর: মানুষ আবার গান-কবিতা শুরু করায় তিনি গণেশের কাছে আসেন।
১৬. প্রশ্ন: মহাসচিব মানুষের আচরণে কী পরিবর্তন লক্ষ করেন?
উত্তর: মানুষ আবার গান গাইছে ও ছবি আঁকছে-এই পরিবর্তন তিনি লক্ষ করেন।
১৭. প্রশ্ন: গণেশ পৃথিবীকে বাঁচানোর উপায় কী মনে করেছিল?
উত্তর: গণেশ শিল্প, কবিতা ও আবেগ ফিরিয়ে আনাকেই পৃথিবী বাঁচানোর উপায় মনে করেছিল।
১৮. প্রশ্ন: গণেশের সন্তানেরা কোন পেশার মানুষ?
উত্তর: গণেশের সব সন্তানই কৃতী বিজ্ঞানী।
১৯. প্রশ্ন: গণেশের স্ত্রী কোথায় গিয়েছিলেন?
উত্তর: গণেশের স্ত্রী অ্যান্ড্রোমিডা নক্ষত্রপুঞ্জে মহাকাশ অভিযানে গিয়েছিলেন।
২০. প্রশ্ন: গল্পের শেষে গণেশ কেন নিশ্চিন্ত হয়?
উত্তর: মানুষ আবার শিল্পচর্চা শুরু করায় গণেশ বিশ্বাস করে পৃথিবী বেঁচে যাবে।
◆ প্রথম ইউনিট টেস্ট বাংলা প্রশ্নোত্তর
◆ ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার প্রশ্ন উত্তর
◆ পাগলা গনেশ গল্পের বিষয়বস্তু
◆ বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার বিষয়বস্তু
◆ বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার প্রশ্ন উত্তর
◆ মাতৃভাষা কবিতার প্রশ্ন উত্তর
◆ আঁকা লেখা কবিতার প্রশ্ন উত্তর
◆ খোকনের প্রথম ছবি প্রশ্ন উত্তর
◆ কুতুবমিনারের কথা প্রশ্ন উত্তর
◆ মাকু প্রথম ও দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর
◆ ভাষাচর্চা প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর
📌 আরো দেখুনঃ
📌সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ
📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here
📌 অন্যান্য ক্লাসের বাংলা প্রশ্নোত্তরঃ
📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
