সপ্তম শ্রেণির ভূগোল প্রথম অধ্যায় পৃথিবীর পরিক্রমণ প্রশ্ন উত্তর | Class 7 Prithibir Porikromon Question Answer wbbse

সপ্তম শ্রেণির ভূগোল প্রথম অধ্যায় পৃথিবীর পরিক্রমণ প্রশ্ন উত্তর | Class 7 Prithibir Porikromon Question Answer wbbse

পৃথিবীর পরিক্রমণ
প্রথম অধ্যায়
সপ্তম শ্রেণির ভূগোল

পৃথিবীর পরিক্রমণ (প্রথম অধ্যায়) MCQ, সত্য / মিথ্যা, শূন্যস্থান পূরণ, সংক্ষিপ্ত, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর সপ্তম শ্রেণির ভূগোল | Prithibir Porikromon Question Answer Class 7 Geography wbbse

📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌সপ্তম শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

পৃথিবীর পরিক্রমণ (প্রথম অধ্যায়) MCQ, সত্য / মিথ্যা, শূন্যস্থান পূরণ, সংক্ষিপ্ত, অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর সপ্তম শ্রেণির ভূগোল | Prithibir Porikromon Question Answer Class 7 Geography wbbse

∆ সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : প্রতিটি প্রশ্নের মান-১

১. পৃথিবীর পরিক্রমণের গড় গতিবেগ সেকেন্ডে প্রায়– (১০ / ২০ / ৩০ / ৪) কিমি।

উত্তরঃ ৩০

২. পৃথিবীর কক্ষপথটি– (বৃত্তাকার / উপবৃত্তাকার / রৈখিক / চৌকাকার)।

উত্তরঃ উপবৃত্তাকার

৩. পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যেকার সর্বাধিক দূরত্বকে বলে–(অপসূর / অনুসূর / বিষুব / মকর সংক্রান্তি) অবস্থান।

উত্তরঃ অপসূর।

৪. পরিক্রমণের সময় সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে– ( ৩ জানুয়ারি / ৪ জুলাই / ২১ জুন / ২২ ডিসেম্বর)।

উত্তরঃ ৪ জুলাই।

৫. পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যেকার সর্বনিম্ন দূরত্বকে বলে–(অনুসূর / অপসূর / বিষুব / রবিমার্গ)।

উত্তরঃ অনুসূর।

৬. অপসূর অবস্থানে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব হয় প্রায়– (১৩ লক্ষ / ১৪ কোটি / ১৫ কোটি ২০ লক্ষ / ১৫ কোটি কিমি)।

উত্তরঃ ১৫ কোটি ২০ লক্ষ।

৭. অনুসুর অবস্থানে পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব থাকে– (১৫ কোটি / ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ / ১৫ কোটি ২০ লক্ষ / ১০ কোটি ১৩ লক্ষ কিমি)।

উত্তরঃ ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ

৮. এক চান্দ্রমাস হয় প্রায়– (27 / 28 / 29 / 27⅓) দিনে।

উত্তরঃ 27⅓

৯. পৃথিবীর দ্বারা সূর্যকে পরিক্রমণের নাম পৃথিবীর– (আহ্নিক গতি / বার্ষিক গতি / সৌরদিন / নক্ষত্র দিন)।

উত্তরঃ বার্ষিক গতি।

১০. সূর্যঘড়ির দ্বারা সময় নির্ণয় করা যায়–
(দিনের বেলায় / রাতের বেলায় / ভোরবেলায় / দিন ও রাতের বেলায়)।

উত্তরঃ দিনের বেলায়।

১১. সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে– (04 ঘণ্টা / 365 দিন 5 ঘণ্টা 48 মিনিট 46 সেকেন্ড / 366 দিন / 367 দিন)।

উত্তরঃ 365 দিন 5 ঘণ্টা 48 মিনিট 46 সেকেন্ড।

১২. সূর্যে উৎপন্ন শক্তির 200 কোটি ভাগের–(6 ভাগ / 1 ভাগ / 10 ভাগ / 5 ভাগ) প্রতি মুহূর্তে পৃথিবীতে আলো ও উত্তাপরূপে আসে।

উত্তরঃ 1 ভাগ

১৩. পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হওয়াকে বলে– (বিষুব / কর্কটসংক্রান্তি / মকরসংক্রান্তি / বড়োদিন)।

উত্তরঃ বিষুব।

১৪. ‘মহাবিষুব’ যে তারিখে হয়, সেটি হল– (21 মার্চ / 22 মার্চ / 23 মার্চ / 23 জুন)।

উত্তরঃ 21 মার্চ

১৫. সূর্যের উত্তরায়ণ শেষ হয়– (21 জুন / 21মার্চ / 23 সেপ্টেম্বর / 22 ডিসেম্বর)।

উত্তরঃ 21 জুন।

১৬. ‘জলবিষুব’ যে তারিখে হয়, সেটি হল–
(23 সেপ্টেম্বর / 22 ডিসেম্বর / 21 মার্চ / 21 জুন)।

উত্তরঃ 23 সেপ্টেম্বর।

১৭. উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড়ো দিন–(21 জুন / 21 মার্চ / 22 জানুয়ারি)।

উত্তরঃ 21 জুন

১৮. দক্ষিণ গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড়ো হয়– (21 জুন / 22 ডিসেম্বর / 22 মে / 25 ডিসেম্বর) তারিখে।

উত্তরঃ 22 ডিসেম্বর

১৯. কুমেরুপ্রভা লক্ষ করা যায়–
(মরু অঞ্চলে / উত্তর মেরুতে / দক্ষিণ মেরুতে / নিরক্ষীয় অঞ্চলে)।

উত্তরঃ দক্ষিণ মেরুতে

২০. মেরুপ্রভা দেখা যায় যখন দুই মেরুতে–
(রাত থাকে / দিন থাকে / দিন ও রাত সমান থাকে / দিন বড়ো ও রাত ছোটো থাকে)।

উত্তরঃ রাত থাকে

২১. মধ্যরাতে সুর্য দেখা যায় না– (নরওয়েতে / সুইডেনে / ডেনমার্কে / ভারতে)।

উত্তরঃ ভারতে

২২. ‘মধ্যরাত্রির সূর্যের দেশ বলা হয়–
(নেদারল্যান্ডসকে / নরওয়েকে / জাপানকে / মিশরকে)।

উত্তরঃ নরওয়েকে

২৩. সূর্যরশ্মি সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়– (নিরক্ষীয় / মেরু / মরু / ক্রান্তীয়) অঞ্চলে।

উত্তরঃ নিরক্ষীয়

২৪. ভারতে– (3টি / 4 টি / 5টি / 6টি) ঋতু অনুভব করা যায়।

উত্তরঃ 4টি

∆ শূন্যস্থান পূরণ করো : প্রতিটি প্রশ্নের মান-১

১. আমরা পৃথিবী থেকে ছিটকে যায় না, পৃথিবীর উপরই থাকি। পৃথিবীর আকর্ষণ বল হল __________।

উত্তরঃ মাধ্যাকর্ষণ।

২. সব বস্তুই পরস্পরকে আকর্ষণ করে বা নিজের দিকে টানে। এটা হল _________।

উত্তরঃ মহাকর্ষ।

৩. ___________থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত পৃথিবী সূর্য থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকে।

উত্তরঃ জানুয়ারী।

৪. ______জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।

উত্তরঃ

৫. ______ জানুয়ারী সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম হয়।

উত্তরঃ

৬. পৃথিবী সূর্য প্রদক্ষিণের সময় সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবসময় _____ থাকে না।

উত্তরঃ সমান ।

৭. ________ হল প্রাকৃতিক ঘড়ি।

উত্তরঃ সূর্য।

৮. সূর্যে প্রতি মুহূর্ত হাইড্রোজেন গ্যাস _________ গ্যাসে রূপান্তরিত হয়।

উত্তরঃ হিলিয়াম।

৯. বিজ্ঞানী কেপলার প্রথম গ্রহদের গতি সংক্রান্ত _____টি সূত্র প্রণয়ন করেন।

উত্তরঃ তিন

১০. পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথের একটা __________ সূর্য অবস্থান করে।

উত্তরঃ ফোকাসে।

১১. পৃথিবী সূর্যকে প্রায় _________ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে।

উত্তরঃ ৩৬৫

১২. যখন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে তখন উত্তর গোলার্ধে _______ কাল।

উত্তরঃ গ্রীষ্ম

১৩. বছরে দুটো দিন ২১ মার্চ এবং ____________ বিষুবরেখায় সূর্যের লম্ব রশ্মি পড়ে।

উত্তরঃ ২৩ সেপ্টেম্বর

১৪. সূর্যের উত্তরায়ণের সময় উত্তর গোলার্ধে ________ কাল।

উত্তরঃ গ্রীষ্ম।

১৫. কুমেরুবৃত্তে ২৪ ঘন্টা অন্ধকার থাকার জন্য ২১ জুনকে ______________ বলা হয়।

উত্তরঃ কর্কটসংক্রান্তি।

∆ সত্য / মিথ্যা নির্ণয় করো : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১

১. পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করছে।

উত্তরঃ সত্য

২. পরিক্রমণ গতি এবং বার্ষিক গতি একই কথা।

উত্তরঃ সত্য

৩. ৩৬৭ দিনের বছর কে বলে অধিবর্ষ।

উত্তরঃ মিথ্যা (সঠিক উত্তরঃ ৩৬৬)

৪. পরিক্রমণকালে পৃথিবীর মেরুরেখা কক্ষতলের সঙ্গে 66.5° কোণে অবস্থান করে।

উত্তরঃ সত্য

৫. বিষুব কথার অর্থ ‘সমান দিন ও রাত্রি’।

উত্তরঃ সত্য

৬. নিরক্ষীয় অঞ্চলে ঋতু পরিবর্তন হয় না।

উত্তরঃ সত্য

৭. যে সমস্ত বছরকে ৫ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকবে না সেই বছরগুলো ‘অধিবর্ষ’ হবে।

উত্তরঃ মিথ্যা (সঠিক উত্তরঃ ৪)

৮. শতাব্দি বছরগুলোকে ৪০০ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ না থাকলে তবেই সেই বছর দিবস হবে।

উত্তরঃ সত্য

৯. যখন দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে তখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল।

উত্তরঃ সত্য

১০. বছরে দুটো দিন ২১ জুন কর্কটক্রান্তি রেখায় এবং ২৩ ডিসেম্বর মকর ক্রান্তি রেখায় সূর্যের লম্বরশ্মি পড়ে।

উত্তরঃ মিথ্যা (সঠিক উত্তরঃ ২২ ডিসেম্বর)

১১. যখন কর্কটক্রান্তি রেখায় সূর্য রশ্মি লম্বভাবে পড়ে তখন দিনরাত্রি সমান হয়।

উত্তরঃ মিথ্যা (সঠিক উত্তরঃ বিষুব রেখায় / নিরক্ষরেখায়)

১২. কুমেরুবৃত্তে ২৪ ঘন্টা দিন আর সুমেরুবৃত্তে 24 ঘন্টা অন্ধকার থাকার জন্য ২২ ডিসেম্বর কে মকরসংক্রান্তি বলা হয়।

উত্তরঃ সত্য।

∆ বাম স্তম্ভের সঙ্গে ডান স্তম্ভ মেলাও :

বাম ডান
(ক) মেরুজ্যোতি (১) লিপ ইয়ার
(খ) নরওয়ে (২) বার্ষিক গতি
(গ) শরৎকালীন বিষুব (৩) অধিবর্ষ
(ঘ) বসন্তকালীন বিষুব (৪) রবিমার্গ
(ঙ) বার্ষিক আপাতগতি (৫) মহাবিষুব
(চ) অধিবর্ষ (৬) হ্যামারফেস্ট বন্দর
(ছ) পরিক্রমণ গতি (৭) অরোরা
(জ) মিশরীয় (৮) জল বিষুব

উত্তরঃ

বাম ডান
(ক) মেরুজ্যোতি (৭) অরোরা
(খ) নরওয়ে (৬) হ্যামারফেস্ট বন্দর
(গ) শরৎকালীন বিষুব (৮) জল বিষুব
(ঘ) বসন্তকালীন বিষুব (৫) মহাবিষুব
(ঙ) বার্ষিক আপাতগতি (৪) রবিমার্গ
(চ) অধিবর্ষ (১) লিপ ইয়ার
(ছ) পরিক্রমণ গতি (২) বার্ষিক গতি
(জ) মিশরীয় (৩) অধিবর্ষ

∆ নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান-১/২/৩

পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১ – ৩

১. মাধ্যাকর্ষণ কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবীর যে বলের প্রভাবে তার কেন্দ্রের দিকে সমস্ত বস্তুকে টানে ভূপৃষ্ঠে আটকে থাকে বা নিচের দিকে পড়ে, সেটাই মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ।

২. পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র বা তারা কোনটি ?

উত্তরঃ সূর্য হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র বা তারা।

৩. সূর্য পৃথিবীর তুলনায় কত গুন বড় ?

উত্তরঃ ১৩ লক্ষ গুন বড়।

৪. মহাকর্ষ কাকে বলে ?

উত্তরঃ মহাবিশ্বে সব বস্তুই পরস্পরকে আকর্ষণ করে বা নিজের দিকে টানে। এটাই মহাকর্ষ।

৫. মহাকর্ষ কাকে বলে ?

উত্তরঃ মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তু তাদের ভর (mass) থাকার কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, তাই মহাকর্ষ।

উদাহরণ: সূর্যকে ঘিরে পৃথিবীর ঘূর্ণন বা চাঁদ ও পৃথিবীর মধ্যেকার আকর্ষণ বল মহাকর্ষের উদাহরণ।

৬. আমাদের ছায়াপথের নাম কী ?

উত্তরঃ আমাদের ছায়াপথের নাম আকাশগঙ্গা।

৭. পৃথিবীর অক্ষ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে কাল্পনিক রেখার চারি দিকে পৃথিবী আবর্তন করে তাকেই পৃথিবীর অক্ষ বা Earth’s Axis বলে।

৮. পৃথিবীর অক্ষ কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবী শুধুই সূর্যের চারিদিকে ঘোরে না। লাটুর মতো পাক খেতে খেতে ঘোরে। নিজের ‘অক্ষের’ চারিদিকে একপাক ঘুরতে বা আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা। যে কল্পিত রেখার চারিদিকে পৃথিবী আবর্তন করে, সেটাই পৃথিবীর অক্ষ (Earth’s Axis)।

৯. পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর আবর্তন করতে করতে, নির্দিষ্ট উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে (প্রায় ৩৬৫ দিন) সূর্যের চারিদিকে ঘোরে, বা পরিক্রমণ করে। এটাই পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি। বার্ষিকগতি বা পরিক্রমণ গতির বেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩০ কিমি।

১০. মুক্তি বেগ কাকে বলে ?

উত্তরঃ কোন বস্তুকে প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিমি গতিবেগে উপরের দিকে ছুঁড়তে পারলে সেটা আর নিচের দিকে না পড়ে মহাশূন্যে পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরতে থাকবে। একেই মুক্তিবেগ বলে।

১১. কৃত্রিম উপগ্রহকে নূন্যতম কত বেগে উৎক্ষেপণ করা হয় ?

উত্তরঃ কৃত্রিম উপগ্রহ কে ন্যূনতম ১১.২ কিমি / সেকেন্ড অর্থাৎ মুক্তিবেগে এর উৎক্ষেপণ করা হয়।

১২. পৃথিবীর কয়টি গতি ও কি কি?

উত্তরঃ পৃথিবীর দুটি গতি। যথা: (i) আহ্নিক গতি বা আবর্তন গতি। ও (ii) বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি।

১৩. নিজের অক্ষের চারদিকে ঘুরতে পৃথিবীর কত সময় লাগে ?

উত্তরঃ ২৪ ঘন্টা।

১৪. পৃথিবীর কয়টি মেরু ও কী কী ?

উত্তরঃ পৃথিবীর দুটি মেরু। যথা : উত্তর মেরু বা সুমেরু ও দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু।

১৫. নিরক্ষরেখার আর একটি নাম কী ?

উত্তরঃ নিরক্ষরেখার আরেক নাম বিষুবরেখা।

১৬. আমাদের দেশ ভারতবর্ষ কোন গোলার্ধে অবস্থিত ?

উত্তরঃ আমাদের দেশ ভারতবর্ষ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।

১৭. পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে কোন দিক থেকে কোন দিকে সূর্যকে পরিক্রমণ করে ?

উত্তরঃ পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে সূর্যকে পরিক্রমণ করে।

১৮. পৃথিবীর বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতির বেগ কত ?

উত্তরঃ পৃথিবীর বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতির বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 30 কিলোমিটার।

১৯. পরিক্রমণ গতির আরেক নাম বার্ষিক গতি কেন ?

উত্তরঃ সূর্যকে একবার পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর ৩৬৫ দিন সময় লাগে। এই সময়কে এক বছর (বর্ষ) বলে। তাই পরিক্রম গতির আরেক নাম বার্ষিক গতি।

২০. পৃথিবীর মুক্তিবেগ বা escape velocity কত ?

উত্তরঃ পৃথিবীর মুক্তি বেগ প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিমি।

পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৪ – ৫

২১. পৃথিবীর কক্ষপথ কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবী যে পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে সেটাই হলো পৃথিবীর কক্ষপথ।

২২. পৃথিবীর কক্ষতল কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবীর কক্ষপথ মহাশূন্যে যে কাল্পনিক সমতলে অবস্থিত তাকেই পৃথিবীর কক্ষতল বলে।

২৩. পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি কেমন ?

উত্তরঃ পৃথিবীর কক্ষপথের আকৃতি উপবৃত্তাকার।

২৪. সূর্য পৃথিবীর কক্ষপথের কোথায় অবস্থিত ?

উত্তরঃ সূর্য পৃথিবীর কক্ষপথের ফোকাস বা নাভিতে অবস্থিত।

২৫. কে সর্বপ্রথম গ্রহদের গতি সংক্রান্ত সূত্র প্রণয়ন করেন ?

উত্তরঃ বিজ্ঞানী কেপলার।

২৬. কেপলারের প্রথম সূত্রটি লেখ ?

উত্তরঃ কেপলারের প্রথম সূত্র: প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার কক্ষপথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে এবং সূর্য ওই উপবৃত্তের একটি ফোকাসে থাকে।

২৭. অপসূর অবস্থান বা Aphelion কাকে বলে ?

উত্তরঃ ৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়, প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি। একে পৃথিবীর অপসূর অবস্থান বলা হয়।

২৮. অনুসুর অবস্থান বা perihelion কাকে বলে ?

উত্তরঃ ৩ জানুয়ারি সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম হয়, প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি। একে পৃথিবীর অনুসুর অবস্থান বলা হয়।

*******************************************
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৬ – ৭

২৯. সময়কে মাপার কটি প্রাকৃতিক উপায় আছে ?

উত্তরঃ তিনটি।

৩০. ‘চান্দ্রমাস’ কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ 27⅓ দিনে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। এই সময়টাকে চান্দ্রমাস বলে।

৩১. কখন ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট হয় ?

উত্তরঃ দুপুরে ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট হয়।

৩২. কখন ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে লম্বা হয় ?

উত্তরঃ সকালে ও বিকালে ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে লম্বা হয়।

৩৩. নিজের অক্ষকে আবর্তন করতে পৃথিবীর কত সময় লাগে ?

উত্তরঃ নিজের অক্ষকে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘন্টা ৪৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘন্টা

৩৪. সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর কত সময় লাগে ?

উত্তরঃ সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড অর্থাৎ প্রায় ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা সময় লাগে।

৩৫. সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবী কতবার নিজ অক্ষের উপর আবর্তন করে ?

উত্তরঃ সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবী ৩৬৫ বার নিজ অক্ষের উপর আবর্তন করে।

৩৬. কত মিনিটে একদিন বা ২৪ ঘন্টা হয় ?

উত্তরঃ ১ ঘন্টা= ৬০ মিনিট। ২৪দিন × ৬০মিনিট= ১৪৪০ মিনিটে একদিন।

৩৭. সৌর বছর কাকে বলে ?

উত্তরঃ পৃথিবী সূর্যকে প্রায় ৩৬৫ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এই সময়টাকে সৌর বছর বলে।

৩৮. কোন তারিখটা প্রতিবছর ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় না ?

উত্তরঃ ২৯ ফেব্রুয়ারি তারিখটা প্রতিবছর ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় না।

৩৯. অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার কাকে বলে ?

উত্তরঃ প্রতি চার বছর পর পর ফেব্রুয়ারি মাসে ২৮তম দিনের পরে একটি বাড়তি দিন যোগ করে চতুর্থ বছরটিকে ৩৬৬দিন করা হয়। একে অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার বলা হয়।

৪০. কী করে বুঝবে সালটি অধিবর্ষ কিনা ?

উত্তরঃ যে সমস্ত বছরকে ৪ দিয়ে এবং শতাব্দী বছরগুলোকে ৪০০ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকবে না, সেই বছর গুলো অধিবর্ষ হবে।

*******************************************
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৮ – ১১

৪১. সূর্য থেকে কত অংশ আলো ও উত্তাপ প্রতি মুহূর্তে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় ?

উত্তরঃ সূর্যের শক্তির ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ আলো ও উত্তাপ প্রতি মুহূর্তে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।

৪২. পৃথিবী তার কক্ষ তলের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে ?

উত্তরঃ পৃথিবী তার কক্ষ তলের সঙ্গে 66½° কোণে হেলে থাকে।

৪৩. কোন কোন দিন উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিনরাত্রি সমান হয় ?

উত্তরঃ ২১ শে মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিনরাত্রি সমান হয়।

৪৪. সূর্যের দৈনিক আপাত গতি কাকে বলে?

উত্তরঃ পৃথিবীর পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে বলে আপাতদৃষ্টিতে সূর্যকে প্রতিদিন পূর্ব আকাশ থেকে পশ্চিম আকাশে চলাচল করছে বলে মনে হয়। এটা কে সূর্যের দৈনিক আপাত গতি বলে।

৪৫. সূর্যের বার্ষিক আপাত গতি বা রবিমার্গ কাকে বলে?

উত্তরঃ রবি কথার অর্থ হল সূর্য এবং মার্গ কথার অর্থ হল পথ।আপাতভাবে মনে হয় যে সূর্য পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখা পর্যন্ত এবং দক্ষিনে মকরক্রান্তি রেখা পর্যন্ত চলাচল করে। এটাই সূর্যের বার্ষিক আপাতগতি বা রবিমার্গ।

******************************************
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২

৪৬. সূর্যের উত্তরায়ন কাকে বলে ?

উত্তরঃ ২২ ডিসেম্বর থেকে ২১ জুন পর্যন্ত ছয় মাস ধরে সূর্যের উত্তরমুখী আপাতগতিকে সূর্যের উত্তরায়ন বলে।

৪৭. সূর্যের দক্ষিণায়ন কাকে বলে ?

উত্তরঃ ২১ জুন থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাস ধরে সূর্যের দক্ষিণমুখী আপাতগতিকে দক্ষিণায়ন বলে।

৪৮. সূর্যের উত্তরায়ন এর শেষ দিন কোনটি ?

উত্তরঃ ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়ন এর শেষ দিন।

৪৯. সূর্যের দক্ষিণায়ন এর শেষ দিন কোনটি?

উত্তরঃ ২২ ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষ দিন।

৫০. বিষুব কথার অর্থ কী ?

উত্তরঃ বিষুব কথার অর্থ হল সমান দিন ও রাত্রি।

৫১. কোন দিনটিকে মহাবিষুব এবং কোন দিনটিকে জলবিষুব বলে ?

উত্তরঃ ২১ শে মার্চ দিনটিকে মহাবিষুব এবং ২৩ সেপ্টেম্বর দিনটিকে জলবিষুব বলে।

৫২. কোন দিনটিকে কর্কট সংক্রান্তি বলে ?

উত্তরঃ জুন মাসের ২১ তারিখ দিনটিকে কর্কট সংক্রান্তি বলে।

৫৩. কোন তারিখে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত হয়?

উত্তরঃ ২১ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত হয়।

৫৪. কোন তারিখে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত হয় ?

উত্তরঃ ২২ ডিসেম্বর তারিখে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত হয়।

৫৫. কী কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়?

উত্তরঃ পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ও পৃথিবীর হেলানো অক্ষের জন্য ঋতু পরিবর্তন হয়।

৫৬. কী কারণে দিন রাত ছোট বড় হয়?

উত্তরঃ পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথে ও পৃথিবীর হেলানো অক্ষের জন্য দিন রাত ছোট বড়।

৫৭. কোন তারিখটিকে মকর সংক্রান্তি বলে ?

উত্তরঃ ডিসেম্বর মাসের ২২ তারিখ দিনটিকে মকর সংক্রান্তি বলে।

৫৮. সুমেরু প্রভা কী ?

উত্তরঃ উত্তর গোলার্ধের মেরুজ্যোতি কে সুমেরু প্রভা বা অরোরা বোরিয়ালিস বলে।

৫৯. কুমেরু প্রভা কী ?

উত্তরঃ দক্ষিণ গোলার্ধের মেরু জ্যোতিকে কুমেরু প্রভা বা অরোরা অস্ট্রালিস বলে।

৬০. পৃথিবীর কোথায় সারাবছর দিন রাত সমান থাকে ?

উত্তরঃ নিরক্ষরেখায় সারাবছর দিন রাত সমান থাকে।

৬১. কোন গ্রহের অক্ষ কক্ষপথের সমতলে অবস্থিত ?

উত্তরঃ ইউরেনাসের অক্ষ কক্ষপথের সমতলে অবস্থিত।

৬২. কোন গ্রহের অক্ষ কক্ষের সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত ?

উত্তরঃ বৃহস্পতির অক্ষ তার কক্ষের সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত।

৬৩. মেরুপ্রভার অপর নাম কী ?

উত্তরঃ মেরুপ্রভা অপর নাম অরোরা।

৬৪. ‘বড়দিন’ কী আসলে বড়দিন ?

উত্তরঃ বড়দিন (Christmas) বা যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন (25 December) , 22 ডিসেম্বর মকরসংক্রান্তির কয়েকদিন পরেই। আসলে ঐসময় থেকে উত্তর গোলার্ধে আবার দিন বড় হতে শুরু হয়। আসলে ক্রিসমাস এর দিন একটি বড় উৎসবের দিন কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দিন নয় তবে দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন এর তিন দিন পর।

৬৫. কাকে মধ্যরাত্রির সূর্যের দেশ বলা হয় এবং কেন ?

উত্তরঃ ডেনমার্ক আলাস্কা নরওয়ে সুইডেন প্রভৃতি জায়গাতে যখন স্থানীয় সময় অনুযায়ী গভীর রাত, তখন কিছু সময়ের জন্যও দিগন্তরেখায় সূর্যকে দেখা যায়। একে মধ্যরাত্রির সূর্য বলে। নরওয়ের হেমারফেস্ট বন্দরকে মধ্যরাত্রির সূর্যের দেশ বলে।

৬৬. মেরুজ্যোতি কাকে বলে ?

উত্তরঃ দুই মেরু প্রদেশ একটানা রাত চলার সময় মাঝে মাঝে আকাশের রংধনুর মতো রঙিন আলোর জ্যোতি দেখা যায়। একে মেরুজ্যোতি বা অরোরা (Aurora) বলে।

*******************************************
বলো তো পৃষ্ঠা সংখ্যা-১২

• সূর্যের বার্ষিক আপাতগতি

• দিন-রাতের ছোটো বড়ো হওয়া

• ঋতু পরিবর্তন

—কী কারণে হয় ?

নীচের বিকল্পগুলির মধ্যে থেকে ঠিক উত্তরটি বেছে নাও।

১. পৃথিবীর উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

২. পৃথিবীর হেলানো অক্ষ

৩. আবর্তন ও পরিক্রমণ গতি

(১, ২ / ২, ৩ / ১, ৩ / ১, ২, ৩)

উত্তরঃ ১,২,৩ তিনটি উত্তরই সঠিক অর্থাৎ নিচের তিনটি বৈশিষ্ট্যের জন্য উপরের তিনটি ঘটনা ঘটে।

*******************************************
পৃষ্ঠা সংখ্যা– ১৬

!! মগজাস্ত্র !!

• ভেবে দেখো, ঠিক পারবে।

• পৃথিবীর অক্ষটা যদি পৃথিবীর কক্ষের ওপর লম্ব হতো ? (বৃহস্পতির অক্ষটা এরকমই কক্ষের ওপর লম্ব)

• পৃথিবীর অক্ষ যদি কক্ষপথের সমতলে থাকতো ? (ইউরেনাস এর অক্ষটা এরকমই)

— এই দুটো ক্ষেত্রে দিন-রাত এবং ঋতুপরিবর্তন কেমন হতো বলো তো ?

উত্তরঃ দিন রাত সমান হত, কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটত না, ঋতু পরিবর্তন হত না।

• পৃথিবীর কোথায় সারাবছরই দিন রাত সমান থাকে ?

উত্তরঃ নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

• ২১ মার্চ তারিখে স্থানীয় সময় অনুযায়ী কটার সময় টোকিয়ো, কলকাতা, সিডনিতে সূর্য উঠবে ?

উত্তরঃ সকাল ৬ টায়। (পৃষ্ঠা সংখ্যা– ১২ দেখো)।

• ৪ জুলাই, ২৫ জানুয়ারি, ২০ সেপ্টেম্বর বিষুবরেখার যে কোনো জায়গায় কখন সূর্য উঠবে ?

উত্তরঃ সকাল ৬ টায়। (পৃষ্ঠা সংখ্যা– ১২ দেখো)।

• ২৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময়ে কটার সময় নিউ ইয়র্ক, দিল্লি, কায়রোতে সূর্য ডুববে?

উত্তরঃ সন্ধ্যা ৬ টায়। (পৃষ্ঠা সংখ্যা– ১৪ উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল দেখো)।

*******************************************
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৭

*******************************************
∆ মজার খেলা-শব্দ সন্ধান পৃষ্ঠা সংখ্যা– ১৮

• উপর নীচ—

১. সূর্যের আপাত বার্ষিক গতি– রবিমার্গ।

২. পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব সব থেকে কম হয় যে অবস্থানে– অনুসূর।

৫. পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব সব থেকে বেশি হয় যে অবস্থানে– অপসূর।

৭. এই বলের জন্য পৃথিবী সমস্ত কিছুকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে– মাধ্যাকর্ষণ

• পাশাপাশি—

২. মেরু প্রভার অপর নাম– অরোরা।

৩. সমান দিন ও রাত্রি– বিষুব।

৬. বার্ষিক গতির অপর নাম– পরিক্রমণ।

৪. উত্তর মেরুকে যা বলে– সুমেরু।

৮. যে বছরে ৩৬৬টা দিন থাকে– অধিবর্ষ।

*******************************************

∆ হাতে কলমে প্রশ্নের উত্তর :

১. কোন কোন ঋতুতে বেশিরভাগ দিন নীল আকাশ দেখা যায় ?

উত্তরঃ শরৎ ও বসন্ত ঋতুতে বেশিরভাগ দিন নীল আকাশ দেখা যায়।

২. কোন ঋতুতে মাঠের মাটি ফেটে যায় ?

উত্তরঃ গ্রীষ্ম ঋতুতে মাঠের মাটি ফেটে যায়।

৩. কোন ঋতুতে পুকুর গুলো জলে ভর্তি থাকে ?

উত্তরঃ বর্ষা ঋতুতে পুকুর গুলো জলে ভর্তি থাকে।

৪. কোন ঋতুতে বন্যার সম্ভাবনা থাকে ?

উত্তরঃ বর্ষা ঋতুতে বন্যার সম্ভাবনা থাকে।

৫. কোন কোন ঋতুতে ডোবা, খাল, বিল ছেঁচে মাছ ধরা হয় ?

উত্তরঃ শরৎ-বসন্ত-গ্ৰীষ্ম

৬. কোন ঋতুতে সূর্য পূর্ব আকাশে সবথেকে বেশি ঘেঁসে ওঠে ?

উত্তরঃ গ্রীষ্ম ঋতুতে

৭. কোন ঋতুতে দুপুর 12 টায় ছায়ার দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হয় ?

উত্তরঃ শীত ঋতুতে

৮. কোন ঋতুতে খুব কোকিল ডাকে ?

উত্তরঃ বসন্ত ঋতুতে খুব কোকিল ডাকে।

৯. উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতুতে সবচেয়ে বড় দিন হয় ?

উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন হয়।

১০. 25 ডিসেম্বর বড়দিনে দক্ষিণ গোলার্ধে গরম না ঠান্ডা ?

উত্তরঃ 25 ডিসেম্বর বড়দিনের দক্ষিণ গোলার্ধে গরম।

১১. বিজ্ঞানীরা আন্টার্টিকা মহাদেশ অভিযানের ডিসেম্বর মাসে কেন যান ?

উত্তরঃ আন্টার্টিকা মহাদেশ দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। তাই ডিসেম্বর মাসে আন্টারটিকাতে তুলনামূলকভাবে অন্য সময়ের চেয়ে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে। তাই বিজ্ঞানীরা আন্টার্টিকা মহাদেশ অভিযানে ডিসেম্বর মাসে যান।

১২. জুলাই না জানুয়ারি কোন মাসে আমরা সূর্যের বেশি কাছে আসি ?

উত্তরঃ জানুয়ারি মাসে আমরা সূর্যের বেশি কাছে আসি।

📌 আরো দেখুনঃ

📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌সপ্তম শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ

📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here

Leave a Comment