ধীবর বৃত্তান্ত নাটকের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী (SAE) প্রশ্ন উত্তর নবম শ্রেণি বাংলা | Dhibor Brittanto Natoker SAE Question Answer Class 9 Bengali wbbse
ধীবর-বৃত্তান্ত
কালিদাস রায়
নবম শ্রেণি বাংলা (প্রথম ভাষা)
ধীবর বৃত্তান্ত নাটকের সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর নবম শ্রেণি বাংলা | Dhibor Brittanto Natoker SAE Question Answer Class 9 Bengali wbbse
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
ব্যাখ্যাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর : ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাটক (কালিদাস) নবম শ্রেণি বাংলা | Short and Explanatory Question Answer Class 9 Bengali wbbse
প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি কমবেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও : (প্রতিটি প্রশ্নের মান- ৩)
১. ‘কোনো নিদর্শন দেখাতে পারলে তবে শাপের প্রভাব দূর হবে।’- বক্তা কে? কোন্ প্রসঙ্গে এমন কথা বলেছেন? ১+২ = ৩
উত্তরঃ ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ থেকে গৃহীত উদ্ধৃত অংশটির বক্তা হলেন মুনি দুর্বাসা।
রাজা দুষ্মন্ত তপোবনে এসে শকুন্তলাকে গান্ধর্ব মতে বিবাহ করে নিজের রাজধানীতে ফিরে যান। দুষ্মন্তের বিরহে কাতর শকুন্তলা তাঁর কথায় এতটাই মগ্ন ছিলেন যে তপোবনে আগত ঋষি দুর্বাসাকে যথাযথ সম্মান ও আপ্যায়ন করতে পারেননি। এতে দুর্বাসা মুনি ক্রুদ্ধ হয়ে শকুন্তলাকে শাপ দেন যে, যাঁর চিন্তায় সে মগ্ন, সেই ব্যক্তি তাকে ভুলে যাবেন। পরে সখী প্রিয়ংবদার অনুরোধে দুর্বাসা মুনি জানান, কোনো নিদর্শন দেখাতে পারলে সেই শাপের প্রভাব দূর হতে পারে। এই প্রসঙ্গেই তিনি উক্ত কথাটি বলেন।
২. ‘সখীরা মনে করলেন সেই আংটিই হবে ভবিষ্যতের স্মারক চিহ্ন।’- কোন্ আংটির কথা বলা হয়েছে ? সখীদের এমন মনে হওয়ার কারণ কী ?
উত্তরঃ এখানে রাজা দুষ্মন্ত গান্ধর্ব মতে বিবাহের পর শকুন্তলাকে বিদায় নেওয়ার সময় যে আংটি পরিয়ে দিয়েছিলেন, সেই আংটির কথাই বলা হয়েছে।
দুষ্মন্তের চিন্তায় মগ্ন থাকার কারণে শকুন্তলা দুর্বাসা মুনিকে যথাযথভাবে আপ্যায়ন না করায় তিনি শকুন্তলাকে শাপ দেন যে দুষ্মন্ত তাকে ভুলে যাবেন। পরে প্রিয়ংবদার অনুরোধে দুর্বাসা মুনি জানান, কোনো নিদর্শন দেখাতে পারলে শাপের প্রভাব কাটতে পারে। তখন শকুন্তলার সখীদের মনে হয়, দুষ্মন্তের দেওয়া সেই আংটিই ভবিষ্যতে স্মারক চিহ্ন হিসেবে কাজ করবে।
৩. “যার চিন্তায় সে মগ্ন, সেই ব্যক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন”- বক্তা কে ? তাঁর এমন উক্তির কারণ কী ?
উত্তরঃ আলোচ্য উক্তিটির বক্তা হলেন কালিদাসের ধীবর-বৃত্তান্ত নাট্যাংশে শকুন্তলাকে অভিশাপ প্রদানকারী ঋষি দুর্বাসা।
আলোচ্য উক্তিটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। নাট্যাংশের পূর্বকথা থেকে আমরা জানতে পারি যে, রাজা দুষ্মন্ত কণ্ব ঋষির আশ্রমে শকুন্তলাকে বিবাহ করেন এবং রাজধানীতে ফিরে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও রাজা দুষ্মন্ত ফিরে আসেন না। একদিন শকুন্তলা স্বামীর দুশ্চিন্তায় মগ্ন ছিলেন, সেই সময় ঋষি দুর্বাসা, কণ্ব মুনির আশ্রমে উপস্থিত হন। যথাযথ আপ্যায়ন না পেয়ে অপমানিত ঋষি দুর্বাসা শকুন্তলাকে অভিশাপ দেন যে, শকুন্তলা যার চিন্তায় মগ্ন, সেই ব্যাক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন।
৪. ‘ঘটনাক্রমে সেই আংটি পেল এক ধীবর…’- ধীবরের আংটি প্রাপ্তির ঘটনাটি লেখো।
উত্তরঃ মহর্ষি কশ্বরের তপোবনে আগত রাজা দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে গান্ধর্ব মতে বিবাহ করে তাঁর হাতে একটি আংটি পরিয়ে রাজধানীতে ফিরে যান। অনেক দিন কেটে গেলেও রাজা ফিরে না আসায় শকুন্তলা তাঁর চিন্তায় আনমনা হয়ে থাকেন। এই অবস্থায় দুর্বাসা মুনিকে যথাযথভাবে আপ্যায়ন না করায় তিনি শকুন্তলাকে অভিশাপ দেন। পরে পতিগৃহে যাওয়ার পথে শচীতীর্থে স্নান শেষে অঞ্জলি দিতে গিয়ে শকুন্তলার হাত থেকে আংটিটি নদীতে পড়ে যায়। একটি মাছ সেই আংটিটি গিলে নেয়। পরে এক ধীবর সেই মাছ ধরে তার পেট কেটে আংটিটি পায়।
৫. ‘এখন মারতে হয় মারুন, ছেড়ে দিতে হয় ছেড়ে দিন।’- বক্তা কে ? তিনি কোন্ প্রসঙ্গে এমন উক্তি করেছেন ? ১+২= ৩
উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটির বক্তা হলেন কালিদাসের ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাটকের শত্রুাবতারবাসী এক ধীবর।
ধীবর মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। একদিন মাছের পেট থেকে পাওয়া মণিমুক্তাখচিত আংটি বিক্রি করতে গেলে নগররক্ষীরা তাকে চোর বলে সন্দেহ করে। ধীবর বারবার সত্য কথা বললেও তারা বিশ্বাস না করে তাকে মারধর ও নির্যাতন করতে থাকে। বহুবার নিজের কথা বলেও ফল না হওয়ায় বিরক্ত ও অসহায় ধীবর এই কথাটি বলে।
৬. “তবে কি তোকে সদ্ ব্রাহ্মণ বিবেচনা করে রাজা এটা দান করেছেন ?”- বক্তা কে ? মন্তব্যটির কারণ ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ আলোচ্য মন্তব্যটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের অন্তর্গত প্রথম রক্ষী করেছেন।
নাট্যাংশে আমরা জানতে পারি যে, রাজার নাম খোদাই করা, মণিখচিত একটি দুর্মূল্য আংটি, একজন গরীব সাধারণ ব্যাক্তির কাছে দেখে নগর রক্ষায় নিযুক্ত রাজ-শ্যালক এবং দুই রক্ষী ঐ জনৈক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ব্যাক্তিটি বারংবার বলে যে সে ঐ আংটি চুরি করেনি। ব্যক্তির বক্তব্য শুনে, রাজ রক্ষীদের একজন ব্যঙ্গার্থে ব্যক্তিটিকে আলোচ্য মন্তব্যটি করেন।
৭. “সূচক এই জেলেকে ছেড়ে দাও।”- কে কথাটি বলেছেন ? জেলেকে ছেড়ে দেওয়া হল কেন ?
উত্তরঃ ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের চরিত্র ‘রাজ-শ্যালক’, দুই রক্ষীর অন্যতম এক রক্ষী সূচক’কে এই কথা বলেছেন।
ধীবরের কাছে মহামূল্যবান আংটি দেখে নগররক্ষক ‘রাজ-শ্যালক’ ধীবরকে গ্রেফতার করেন। ঐ আংটির বিষয়ে জানার জন্য তিনি রাজার কাছে যান। ঋষি দুর্বাসার অভিশাপ অনুযায়ী, ‘নিদর্শন’ দেখে রাজার পূর্বকথা মনে পড়ে যায় এবং তিনি রাজশ্যালককে ঐ আংটির বিষয়ে বলেন এবং ধীবরকে পুরস্কৃত করার আদেশ দেন। রাজসভা থেকে ফিরে এসে ‘রাজ-শ্যালক’ ধীবরের কোন অপরাধ নেই তা বুঝে তাকে ছেড়ে দেবার নির্দেশ দেয়।
৮. মুহূর্তের জন্য রাজা বিহ্বলভাবে চেয়ে রইলেন।”— কোন্ সময়ে রাজার এমন বিহ্বল অবস্থা হয়েছিল ?
উত্তরঃ ‘ধীবরবৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে ধীবরের কাছে রাজার নাম খােদাই করা রত্নখচিত আংটিটি পেয়ে রাজশ্যালক এবং রক্ষীরা ধীবরকেই চোর সাব্যস্ত করে এবং রাজশ্যালক পুরাে বিষয়টি রাজাকে জানানাের জন্য যায়। কিন্তু আংটি সম্পর্কে ধীবরের বলা কথার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য রাজার কাছে গেলে ধীবরের সব কথা সত্য বলে প্রমাণিত হয়। আংটির দিকে তাকিয়ে রাজার কোনাে প্রিয়জনের কথা মনে পড়ে যাওয়ায় স্বভাবে গম্ভীর প্রকৃতির হলেও ওই মুহূর্তে তিনি বিহ্বল হয়ে পড়েন।
৯. “মুহূর্তের জন্য রাজা বিহ্বলভাবে চেয়ে রইলেন।” – রাজা তার গম্ভীর প্রকৃতি ছেড়ে কখন কেন মুহূর্তের জন্য বিহ্বল হয়েছিলেন ?
উত্তরঃ আলোচ্য মন্তব্যটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে, রাজ-শ্যালক যখন রাজা দুষ্মন্তকে তাঁর আংটি দেখিয়েছিলেন তখন গম্ভীর প্রকৃতির রাজা কিছু মুহূর্তের জন্য বিহ্বলভাবে চেয়েছিলেন।
নাট্যাংশের পূর্বকথা থেকে আমরা জানতে পারি যে ঋষি দুর্বাসার অভিশাপে রাজা দুষ্মন্ত তাঁর বিবাহিত স্ত্রী শকুন্তলাকে ভুলে গিয়েছিলেন। ঋষির কথামত রাজার পূর্ব স্মৃতি মনে পড়ার একমাত্র উপায় ছিল পূর্বের কোন নিদর্শন দেখা। রাজা শকুন্তলাকে একটি আংটি দিয়েছিলেন, যা দেখানোর জন্য শকুন্তলা রাজার কাছে যান। কিন্তু পথে সেই আংটি হারিয়ে যায় এবং কালক্রমে ঐ আংটি ধীবরের কাছে পৌঁছায়। ধীবরের কাছ থেকে নিয়ে ঐ আংটিটি রাজ-শ্যালক রাজাকে দেখান, এর ফলে রাজার সকল পূর্ব স্মৃতি মনে পড়ে যায়, যার ফলে তিনি কিছু সময়ের জন্য বিহ্বল হয়েছিলেন।
১০. “ঘটনাক্রমে সেই আংটি পেল এক ধীবর” — ধীবরের আংটি পাওয়ার আগের কাহিনি নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ কালিদাসের ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নামক নাট্যাংশে মহর্ষি কণ্বের আশ্রমে শকুন্তলাকে গন্ধর্ববিধিতে বিয়ে করে রাজা দুষ্মন্ত রাজধানীতে ফিরে যান। পরে ঋষি দুর্বাসার অভিশাপে দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে ভুলে যান, তবে স্মৃতিচিহ্ন দেখালে অভিশাপ কাটত। কণ্ব শকুন্তলাকে পতিগৃহে পাঠালে পথে শচীতীর্থে স্নানের সময় দুষ্মন্তের দেওয়া আংটিটি জলে পড়ে যায়। ফলে দুষ্মন্ত শকুন্তলাকে চিনতে পারেন না। এইভাবেই আংটি হারিয়ে যাওয়ার কারণে পরবর্তী সংকটের সূচনা হয়।
১১. “তা তাের জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখছি।”—কে, কোন্ প্রসঙ্গে মন্তব্যটি করেছে ?
উত্তরঃ ধীবরের কাছে রাজার নাম খােদাই করা মণিখচিত আংটিটি পেয়ে দুই রক্ষী তাকে চোর সাব্যস্ত করে। আত্মপক্ষ সমর্থনে ধীবর নিজের কথা বলতে চাইলেও রক্ষীরা তাকে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করে। তখন রাজার শ্যালক তার কাছে পুরাে ঘটনাটি জানতে চাইলে ধীবর জানায় যে সে একজন জেলে। জাল, বড়শি ইত্যাদির সাহায্যে মাছ ধরে সে তার সংসার চালায়। ধীবরের এই জবাব শুনে ব্যঙ্গের সুরে রাজার শ্যালক ধীবরের উদ্দেশে উদ্দিষ্ট মন্তব্যটি করেন।
১২. “… তা তোর জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখেছি”- বক্তা কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছেন ? ওই ব্যাক্তির প্রতিক্রিয়া কী ছিল?
উত্তরঃ আলোচ্য মন্তব্যটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের অন্তর্গত, মন্তব্যটি রাজ-শ্যালক ধীবর সম্পর্কে করেছেন।
রাজ-শ্যালক ধীবরের জীবিকা নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিলেন। সেই বক্ত্যব্যের বিরোধিতা করে ধীবর বলেছিলেন – “যে বৃত্তি নিয়ে যে মানুষ জন্মেছে, সেই বৃত্তি হলেও তা পরিত্যাগ করা উচিৎ নয়। বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ স্বভাবে দয়াপরায়ণ হলেও যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন।” ধীবর তার বক্ত্যব্যের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, তার জীবিকা নিম্নমানের হলেও তা দেখে ব্যাক্তি যাচাই করা উচিৎ নয়। কারণ, বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণের তাঁর স্বভাবে দয়ালু হলেও যজ্ঞের সময় তিনি নির্দয় ভাবে পশুবধ করেন।
১৩. ‘আমার হাত দুটো (এখনই) নিশপিশ করছে।’- বক্তা কে ? প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বক্তার উক্তির আলোকে তার মনোভাব ব্যাখ্যা করো। ১+২ = ৩
উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটির বক্তা হলেন ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাটকের প্রথম রক্ষী সূচক।
ধীবরকে রাজআংটি-সহ ধরে আনার পর সে বারবার নিজের নির্দোষিতার কথা বললেও রক্ষীরা তা বিশ্বাস করেনি। তারা তাকে নানা অপমানজনক কথা বলেছে। রাজশ্যালক ধীবরকে রাজার কাছে হাজির করে প্রকৃত সত্য জানার চেষ্টা করলেও রক্ষী সূচক আগেই ধরে নিয়েছিল যে ধীবরের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। ধীবরের প্রতি তার নিষ্ঠুর ও হীন মানসিকতার প্রকাশ হিসেবেই সে এই উক্তি করে।
১৪. ‘এ যে শূল থেকে নামিয়ে একেবারে হাতির পিঠে চড়িয়ে দেওয়া হলো।’- বক্তব্যটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। ৩
উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটি কালিদাসের ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। এর বক্তা হল রক্ষী সূচক। ধীবরকে রাজ আংটি-সহ ধরার পর থেকে সূচক ও জানুক তাকে নানা রকম বিদ্রুপ করেছিল। তারা নিশ্চিত ছিল যে ধীবরের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। কিন্তু রাজা যখন বুঝতে পারেন যে আংটিটি চুরি করা হয়নি এবং ধীবর নির্দোষ, তখন তিনি আংটির মূল্যের সমান অর্থ দিয়ে ধীবরকে মুক্তি দেন। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় হতাশ হয়ে সূচক এই উক্তি করে। এতে তার নীচ ও নিষ্ঠুর মানসিকতার প্রকাশ ঘটে।
১৫. ‘এখন থেকে তুমি আমার একজন বিশিষ্ট প্রিয় বন্ধু হলে।’- বক্তা কে ? উক্তিটির আলোকে বক্তার চরিত্রের মূল্যায়ন করো। ১+২ = ৩
উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটির বক্তা হলেন ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাটকের অন্যতম চরিত্র রাজশ্যালক।
নাটকের শুরুতে রাজশ্যালককে আমরা দাম্ভিক ও অহংকারী রূপে দেখি। তিনি রক্ষীদের সঙ্গে ধীবরকে বিদ্রুপ করেন এবং তার পেশাকে ঘৃণার চোখে দেখেন। কিন্তু পরে দেখা যায়, তিনি একজন দায়িত্ববান রাজকর্মচারী। তিনি ধীবরকে নিজের কথা বলার সুযোগ দেন এবং প্রকৃত বিচার পাওয়ার ব্যবস্থা করেন। রাজা ধীবরকে নির্দোষ প্রমাণ করে মুক্তি দিলে ধীবর প্রাপ্ত অর্থের অর্ধেক রক্ষীদের দান করে। ধীবরের এই উদারতায় রাজশ্যালকের মনোভাব বদলে যায় এবং সেই ইতিবাচক ধারণা থেকেই তিনি এই উক্তি করেন।
◆ ধীবর-বৃত্তান্ত নাটকের বিষয়বস্তু
◆ MCQ প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)
◆ SAQ প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)
◆ বড়ো প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫)
📌 আরো দেখুনঃ
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
