দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতার প্রশ্ন উত্তর পঞ্চম শ্রেণি বাংলা | Darogababu and Habu Kobitar Prosno Uttor Class 5 Bengali wbbse

পাতাবাহার
বাংলা | পঞ্চম শ্রেণি

দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতার প্রশ্ন উত্তর পঞ্চম শ্রেণির বাংলা | Darogababu and Habu Kobitar Question Answer Class 5 Bengali wbbse

📌 পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌পঞ্চম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 পঞ্চম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

দারোগাবাবু এবং হাবু
—ভবানীপ্রসাদ মজুমদার

থানায় গিয়ে সেদিন ভোরে
বললে কেঁদেই হাবু,
নালিশ আমার মন দিয়ে খুব
শুনুন বড়োবাবু।

চার চারজন ভাই আমরা
একটা ঘরেই থাকি,
দুঃখে আমি সারা দিন-রাত
ভগবানকেই ডাকি।

বড়দা ঘরেই সাতটা বেড়াল
পোষেন ছোটো-বড়ো,
মেজদা পোষেন আটটা কুকুর
যতই বারণ করো।

সেজদা পাগল, দশটা ছাগল
রাখেন ঘরেই বেঁধে,
গন্ধে তাদের প্রাণ যায় যায়
মরছি কেঁদে কেঁদে।

দারোগাবাবু বললে, হাবু
তোমরা কি সব ভুলো
সদাই খুলে রাখবে ঘরের
জানলা দরজাগুলো।

শুনেই হাবু বেজায় কাবু
বললে করুণ সুরে,
দেড়শো পোষা পায়রা আমার
যাবেই যে সব উড়ে।

কবি পরিচিতি : ভবানীপ্রসাদ মজুমদার (জন্ম ১৯৫৩) বাংলা শিশুসাহিত্যে, বিশেষ করে ছোটোদের ছড়া-কবিতার জগতে অত্যন্ত পরিচিত। তাঁর লেখা মজাদার, তবে তাতে শেখার বিষয়ও থাকে ঢের। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘মজার ছড়া’, ‘নাম তাঁর সুকুমার’। তাঁর লেখার স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন ‘সুকুমার রায় শতবার্ষিকী পুরস্কার’, ‘সত্যজিৎ রায় পুরস্কার’, ‘শিশুসাহিত্য পরিষদ পুরস্কার’, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি প্রদত্ত ‘অভিজ্ঞান স্মারক’, ‘ছড়া-সাহিত্য পুরস্কার’ ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় শতাধিক পুরস্কার। এখনও পর্যন্ত সহজ কথায়, সরল ছন্দে, বিচিত্র বিষয়ে ষোলো হাজারেরও বেশি ছড়া লিখেছেন।

শব্দার্থ: বারণ- নিষেধ / মানা। সদাই– সবসময়। করুণ– কাতর / আর্ত। নালিশ– অভিযোগ। দারোগাবাবু– থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মচারী; পুলিশের সাব-ইনস্পেকটর। থানা– পুলিশি দপ্তর। বড়োবাবু– থানার প্রধান। ভগবান– ঈশ্বর।
সেজদা– তৃতীয় বড়ো দাদা। ভুলো– যে ভুলে যায়। বেজায়– অত্যন্ত। কাবু– জব্দ; কাহিল।

সারাংশ : ভোরবেলায় হাবু থানায় বড়োবাবুর কাছে নালিশ জানাতে আসে। হাবুরা চার ভাই— তাদের প্রতিদিনের ঝামেলায় হাবুর জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, একই ঘরে চার ভাইকে নিয়ে থাকা এমনিই কঠিন, তার ওপর বড়দার সাতটা বিড়াল, মেজদার আটটা কুকুর আর সেজদার দশটা ছাগল মিলিয়ে ঘরের পরিবেশ একেবারে অসহ্য হয়ে গেছে। এতগুলো প্রাণীর গন্ধে ঘরে থাকা দায়, নিশ্বাস নেওয়াই যেন কষ্ট।

হাবুর দুরবস্থা শুনে দারোগাবাবু তাকে জানালা খুলে রাখার পরামর্শ দেন, যাতে ঘরের বাতাস বদল হয়। কিন্তু তাতেও হাবুর মুক্তি নেই। জানালা খুললেই তার নিজের দেড়শো পায়রা উড়ে পালাবে— এই ভয়ে সে সেই উপায়ও নিতে পারে না। ফলে সব মিলিয়ে হাবুর সংসার যেন এক বিচিত্র ভোগান্তির ঘর, যার থেকে মুক্তির উপায় সে খুঁজেই পাচ্ছে না।

নামকরণ : সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো নামকরণ, কারণ শিরোনামের মাধ্যমেই কোনো রচনার মূল বক্তব্য বা আবহ সম্পর্কে পাঠক প্রথম ধারণাটি পেয়ে থাকে।
‘দারোগাবাবু এবং হাবু’ কবিতায় আমরা দেখি, হাবু নামের একটি ছেলে খুব ভোরে থানায় গিয়ে দারোগাবাবুকে জানায় তার ভাইদের পোষ্যদের দুর্গন্ধে সে আর শ্বাস নিতে পারছে না। ঘটনাটি শুনে দারোগাবাবু তাকে জানালা খুলে রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু হাবুর দুশ্চিন্তা দূর হয় না, কারণ জানালা খুলে দিলে তার পোষ্য পায়রাগুলি উড়ে যেতে পারে। একদিকে হাবুর অসহায় পরিস্থিতি, অন্যদিকে দারোগাবাবুর অদ্ভুত পরামর্শ—উভয় দিকই কবিতায় সমভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। সেই জন্যই কবিতার শিরোনাম ‘দারোগাবাবু এবং হাবু’ সম্পূর্ণভাবে উপযুক্ত ও সার্থক বলে প্রতীয়মান হয়।

হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর : দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতা পঞ্চম শ্রেণির বাংলা | Hate Kolome Question Answer Darogababu and Habu Kobita Class 5 Bengali wbbse

১. ঠিক কথাটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো :

১.১ হাবু থানায় গিয়েছিল (বেড়াতে / অভিযোগ জানাতে / চিকিৎসা করাতে / হারানো পাখি খুঁজতে)।

উত্তরঃ অভিযোগ জানাতে।

১.২ বাড়িতে পোষা হয় এমন পাখির মধ্যে পড়ে না (টিয়া / পায়রা / ময়না / কোকিল)।

উত্তরঃ কোকিল।

১.৩ হাবু ও তার দাদাদের পোষা মোট পশু-পাখির সংখ্যা (১৭৫ / ১৫০ / ১৭০ / ২৫)।

উত্তরঃ ১৭৫

∆ অতিরিক্ত MCQ প্রশ্ন উত্তর :

১.৪ হাবু থানায় গিয়েছিল কখন ?
(সন্ধ্যায় / দুপুরে / ভোরে / রাতে)

উত্তরঃ ভোরে

১.৫ হাবু কতজন ভাই একসঙ্গে থাকে?
(দুজন / তিনজন / চারজন / পাঁচজন)

উত্তরঃ চারজন

১.৬ বড়দা কতটি বেড়াল পোষেন?
(পাঁচটি / ছয়টি / সাতটি / আটটি)

উত্তরঃ সাতটি

১.৭ মেজদা কোন প্রাণী পোষেন?
(ছাগল / বেড়াল / কুকুর / পায়রা)

উত্তরঃ কুকুর

১.৮ সেজদা কতটি ছাগল পোষেন ?
(আটটি / নয়টি / দশটি / এগারোটি)

উত্তরঃ দশটি

১.৯ দারোগাবাবু হাবুকে কী খুলে রাখতে বলেছিলেন ?
(আলমারি / জানলা-দরজা / বাক্স / খাঁচা)

উত্তরঃ জানলা-দরজা।

১.১০ হাবুর পোষা পায়রার সংখ্যা কত ?
(একশো / দেড়শো / দুইশো / পঞ্চাশ)

উত্তরঃ দেড়শো।

২। ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো :

‘ক’ ‘খ’
নালিশ কাহিল
বারণ উন্মাদ
পাগল সবসময়
সদাই নিষেধ
কাবু অভিযোগ

উত্তরঃ

‘ক’ ‘খ’
নালিশ অভিযোগ
বারণ নিষেধ
পাগল উন্মাদ
সদাই সবসময়
কাবু কাহিল

৩। শব্দঝুড়ি থেকে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে নিয়ে লেখো:

বিশেষ্য– পায়রা, নালিশ, দুঃখ, থানা।

বিশেষণ– কাবু, খুব, করুণ, পোষা, চারজন, বড়বাবু

শব্দ ঝুড়ি : পায়রা, কাবু, খুব, নালিশ, করুণ, পোষা, দুঃখ, চারজন, থানা, বড়বাবু

৪। ‘কেঁদে কেঁদে’- এরকম একই শব্দকে পাশাপাশি দু’বার ব্যবহার করে নতুন পাঁচটি শব্দ তৈরি করো।

উত্তরঃ (১) রোজ রোজ, (২) শুধু শুধু, (৩) দিন দিন, (৪) বেশি বেশি, (৫) হেসে হেসে।

৫। ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও :

৫.১ বললে কেঁদেই হাবু।

উত্তরঃ বললে কেঁদেই হাবু।

৫.২ সাতটা বেড়াল পোষেন ছোটো-বড়ো।

উত্তরঃ সাতটা বেড়াল পোষেন ছোটো-বড়ো।

৫.৩ বললে করুণ সুরে।

উত্তরঃ বললে করুণ সুরে।

৫.৪ যাবেই যে সব উড়ে।

উত্তরঃ যাবেই যে সব উড়ে

৫.৫ ভগবানকেই ডাকি।

উত্তরঃ ভগবানকেই ডাকি

৬। বাক্যরচনা করো : নালিশ, ভগবান, বারণ, করুণ, ভোর।

উত্তরঃ নালিশ— আমাদের ক্লাসের বুবাই সব সময় নালিশ করে।

ভগবান— ভগবান তুমি সকলের মঙ্গল করো।

বারণ— অনেক বারণ করেছি, তারপরেও মাম্পি কথা শুনেনি।

করুণ— মা হারা মেয়েটির খুব করুন অবস্থা।

ভোর— ভোর পাঁচটার আমরা রওনা দেব।

৭। ঘটনার ক্রম অনুযায়ী বাক্যগুলি সাজিয়ে লোখা :

৭.১ হাবু থানার বড়োবাবুর কাছে কান্নাকাটি করে নালিশ জানাল। (১)

৭.২ জীবজন্তুর গন্ধে হাবুর প্রাণ যায় যায়। (৪)

৭.৩ হাবুরা চারভাই একটা ঘরেই থাকে। (২)

৭.৪ বড়দা সাতটা বেড়াল, মেজদা আটটা কুকুর, সেজদা দশটা ছাগল ও হাবু নিজে দেড়শো পায়রা পোষে। (৩)

৭.৫ দারোগাবাবুর উত্তর শুনে হাবু বেজায় কাতর হয়ে পড়ল। (৫)

৮। কবিতাটিতে অন্ত্যমিল মিল আছে, এমন পাঁচজোড়া শব্দ লেখো। যেমন— হাবু– বড়োবাবু।

উত্তরঃ (১) থাকি – ডাকি, (২) বড়ো – করো, (৩) বেঁধে – কেঁদে, (৪) ভুলো – গুলো, (৫) সুরে – উড়ে।

৯। বাক্য বাড়াও—

৯.১ হাবু গিয়েছিল। (কোথায়? কখন?)

উত্তরঃ হাবু ভোরবেলা থানায় গিয়েছিল।

৯.২ বড়দা পোষেন বেড়াল। (কয়টি ? কেমন ?)

উত্তরঃ বড়দা ছোটো-বড়ো সাতটি বেড়াল পোষেন।

৯.৩ হাবু ভগবানকে ডাকে। (কেন ? কখন ?)

উত্তরঃ হাবু দুঃখে সারাদিন ভগবানকে ডাকে।

৯.৪ দারোগাবাবু বলেন ঘরের জানলা-দরজা খুলে রাখতে। (কাকে ?)

উত্তরঃ দারোগাবাবু হাবুকে বলেন ঘরের জানলা-দরজা খুলে রাখতে।

৯.৫ হাবুর পায়রা উড়ে যাবে। (কয়টি ?)

উত্তরঃ হাবুর দেড়শোটি পায়রা উড়ে যাবে।

১০। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১০.১ ছোটোদের জন্য ছড়া কবিতা লিখেছেন, এমন দুজন কবির নাম লেখো।

উত্তরঃ ছোটোদের জন্য ছড়া, কবিতা লিখেছেন এমন দুজন কবির নাম সুকুমার রায় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১০.২ তোমার পাঠ্য কবিতাটির কবি কে ?

উত্তরঃ ‘দারোগাবাবু এবং হাবু’ এই পাঠ্য কবিতাটির কবি হলেন ভবানীপ্রসাদ মজুমদার।

১০.৩ তাঁর লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।

উত্তরঃ ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের লেখা দুটি বইয়ের নাম হল-‘মজার ছড়া’ এবং ‘নাম তাঁর সুকুমার’।

১১। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

১১.১ হাবু কোথায় গিয়ে কার কাছে নালিশ জানিয়েছিল ?

উত্তরঃ হাবু থানায় গিয়ে বড়োবাবুর কাছে নালিশ জানিয়েছিল।

১১.২ হাবুর বড়দা, মেজদা ও সেজদা ঘরে কী কী পোষেন ?

উত্তরঃ হাবুর বড়দা সাতটা বিড়াল, মেজদা আটটা কুকুর ও সেজদা দশটা ছাগল ঘরে পোষেন।

১১.৩ হাবুর করুণ অবস্থার জন্য সে নিজেও কীভাবে দায়ী ছিল বলে তোমার মনে হয় ?

উত্তরঃ হাবু নিজের ঘরে দেড়শো পায়রা পুষেছিল। পায়রা উড়ে যাবে বলে সে জানালা খুলত না। তাই ঘরে দুর্গন্ধ হওয়ায় সে নিজেও দায়ী।

১১.৪ দারোগাবাবু হাবুকে যে পরামর্শ দিলেন সেটি তার পছন্দ হল না কেন ?

উত্তরঃ দারোগাবাবু বলেছিলেন জানালা খুলে ঘর বাতাস দিতে। কিন্তু জানালা খুললে হাবুর দেড়শো পায়রা উড়ে যেতে পারে। তাই তার পরামর্শ হাবুর ভালো লাগেনি।

১১.৫ দারোগাবাবুর কাছে হাবু তার যে দুঃখের বিবরণ দিয়েছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তরঃ হাবু বলেছিল, তারা চার ভাই এক ঘরে থাকে। বড়দার সাতটা বিড়াল, মেজদার আটটা কুকুর আর সেজদার দশটা ছাগল আছে। এত পশু থাকার জন্য ঘরে খুব বাজে গন্ধ হয়। আবার সে জানালাও খুলতে পারে না, কারণ তার নিজের দেড়শোটা পায়রা উড়ে যাবে। এই দুঃখের কথাই সে দারোগাবাবুকে জানিয়েছিল।

১১.৬ তোমার পোষা বা তুমি পুষতে চাও এমন কোনো প্রাণীর ছবি আঁকো বা তার সম্পর্কে বন্ধুকে লেখো।

উত্তরঃ তোমার পছন্দ মত একটি প্রাণীর ছবি আঁকো।

পোষা প্রাণীর সম্পর্কে বন্ধুর কাছে চিঠি।

রামচন্দ্রপুর,
পোষ্ট- হরিনডাঙ্গা
জেলা- মুর্শিদাবাদ
২৮/৯/২০২৪

প্রিয় তানিয়া,

আশা করি তুই ভালো আছিস। আমিও ভালো আছি। আমি আজ তোকে আমার পোষা বিড়ালটার ব্যাপারে কিছু কথা বলতে চাই।

আমি দুই সপ্তাহ হল একটা বিড়াল পুষছি। আমি ওর নাম রেখেছি ভিক্টোরিয়া। ভিক্টোরিয়াকে আমার মামা এনে দিয়েছে। আমি আমাদের বাড়ির বারান্দায় একটা কাগজের বাক্সের ভিতর ওর থাকার ব্যবস্থা করেছি। যদিও ও কখনোই বাক্সে থাকে না। সবসময়ই আমার পিছন পিছন ঘুরে বেড়ায়। আমি ওকে খেতে দিই, কোলে নিয়ে ঘুরি। ওর গায়ে হাত বুলিয়ে দিলে ও খুব আরাম পায়, চোখ দুটো বন্ধ করে দেয়। সাদা তুলতুলে এই ছোট্ট ভিক্টোরিয়া এখন আমার সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে গেছে। আমি ওকে খুব ভালোবাসি।

আজ এখানেই শেষ করছি। তুই ভালো থাকিস।

ইতি
তোর প্রিয়া

সানিয়া ধর
প্রযত্নে, জিতেন ধর
২৮/১এ, সূর্য সেন স্ট্রীট,
কলকাতা-৭০০০০৯

∆ অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর : দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতা পঞ্চম শ্রেণির বাংলা | Hate Kolome Question Answer Darogababu and Habu Kobita Class 5 Bengali wbbse

∆ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১

১. হাবু কোথায় গিয়েছিল ?

উত্তরঃ থানায়।

২. হাবু থানায় গিয়েছিল কেন ?

উত্তরঃ অভিযোগ জানাতে।

৩. হাবুরা কয় ভাই ?

উত্তরঃ চারজন।

৪. বড়দা কী পোষেন ?

উত্তরঃ বেড়াল।

৫. মেজদা কতটি কুকুর পোষেন ?

উত্তরঃ আটটি।

৬. সেজদা কী পোষেন ?

উত্তরঃ ছাগল।

৭. সেজদার ছাগল কয়টি ?

উত্তরঃ দশটি।

৮. দারোগাবাবু কী খুলে রাখতে বলেছিলেন ?

উত্তরঃ জানলা ও দরজা।

৯. হাবুর পোষা পাখি কী ?

উত্তরঃ পায়রা।

১০. হাবুর পোষা পায়রা কয়টি ?

উত্তরঃ দেড়শো।

∆ দু তিনটি বাক্যে প্রশ্নোত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ২

১. হাবু কেন থানায় গিয়েছিল ?

উত্তরঃ হাবু তার দুঃখের কথা জানাতে থানায় গিয়েছিল। বাড়িতে ভাইদের নানা পশু-পাখির জন্য সে খুব কষ্টে ছিল। তাই সে দারোগাবাবুর কাছে অভিযোগ জানায়।

২. হাবুদের পরিবারে কে কে কী কী পোষে ?

উত্তরঃ বড়দা সাতটি বেড়াল পোষেন। মেজদা আটটি কুকুর পোষেন। সেজদা দশটি ছাগল রাখেন আর হাবুর আছে দেড়শো পায়রা।

৩. সেজদার ছাগল নিয়ে হাবুর কষ্ট কেন ছিল ?

উত্তরঃ ছাগলগুলো ঘরের ভেতর বাঁধা থাকত। তাদের গন্ধে হাবুর খুব কষ্ট হতো। সে কেঁদে কেঁদে থাকার কথা জানায়।

৪. দারোগাবাবু হাবুকে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন‌ ?

উত্তরঃ দারোগাবাবু ঘরের জানলা ও দরজা খোলা রাখতে বলেছিলেন। এতে বাতাস চলাচল হবে বলে তিনি মনে করেছিলেন।

৫. দারোগাবাবুর পরামর্শে হাবু কেন ভয় পেয়েছিল ?

উত্তরঃ হাবুর দেড়শো পোষা পায়রা ছিল। জানলা দরজা খুলে রাখলে পায়রাগুলো উড়ে যাবে বলে সে ভয় পেয়েছিল।

৬. কবিতায় হাবুর মানসিক অবস্থা কেমন ছিল ?

উত্তরঃ হাবু খুব দুঃখী ও অসহায় ছিল। সে কাঁদতে কাঁদতে নিজের সমস্যার কথা জানায়।

৭. কবিতায় পশু-পাখির সংখ্যা বেশি হওয়ার কী সমস্যা দেখানো হয়েছে ?

উত্তরঃ বেশি পশু-পাখি থাকায় ঘরে দুর্গন্ধ হয়। এতে মানুষের কষ্ট বাড়ে। হাবুর জীবনে এই সমস্যাই দেখা যায়।

৮. হাবু সারাদিন-রাত কাকে ডাকত এবং কেন ?

উত্তরঃ হাবু ভগবানকে ডাকত। দুঃখ ও কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় সে প্রার্থনা করত।

৯. কবিতাটি কোন ভঙ্গিতে লেখা হয়েছে ?

উত্তরঃ কবিতাটি হাস্যরসের ভঙ্গিতে লেখা। মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে একটি বাস্তব সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে।

১০. কবিতার মূল ভাব কী ?

উত্তরঃ কবিতার মূল ভাব হলো অতিরিক্ত পশু-পাখি পোষার সমস্যা। এতে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কীভাবে অসুবিধা হয়, তা মজারভাবে দেখানো হয়েছে।

📌 আরো দেখুনঃ

📌পঞ্চম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌পঞ্চম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply

  • Post comments:0 Comments
  • Reading time:10 mins read