FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 9 (IX) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER
Set-1
নবম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-১ | Class 9 Geography First Unit Test Question with Answer Set-1 wbbse
∆ পাঠ্যসূচী / Syllabus :
∆ প্রাকৃতিক ভূগোল—
১. গ্রহ রূপে পৃথিবী, ২. পৃথিবীর গতি সমূহ
∆ আঞ্চলিক ভূগোল— ৭. ভারতের সম্পদ
∆ মানচিত্র— ভারতের সম্পদ (অনেক সময় মানচিত্রের বদলে প্রশ্ন দেওয়া হয়)।
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬
নবম শ্রেণি
বিষয় – ভূগোল
সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-৪০
1. সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো (যে-কোনো আটটি) : 1×8=8
(a) একটি অপ্রচলিত শক্তি হল—
(i) খনিজ তেল (ii) সৌরশক্তি (iii) কয়লা।
উত্তরঃ (ii) সৌরশক্তি
(b) সৌরজগতে অন্তর্ভাগের একটি গ্রহ হল—
(i) বৃহস্পতি (ii) বুধ (iii) নেপচুন।
উত্তরঃ (ii) বুধ
(c) মকরসংক্রান্তি হিসেবে চিহ্নিত দিনটি হল—
(i) 22 ডিসেম্বর (ii) 20শে আগস্ট (iii) 23শে সেপ্টেম্বর।
উত্তরঃ (iii) 23শে সেপ্টেম্বর।
(d) ভারতের যে রাজ্যটি আকরিক লোহা উত্তোলনে প্রথম তা হল—
(i) ঝাড়খন্ড (ii) ওড়িশা (iii) কর্নাটক।
উত্তরঃ (i) ঝাড়খন্ড
(e) 1° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের ব্যবধান হয়—
(i) 4 মিনিট (ii) 10 মিনিট (iii) 15 মিনিট।
উত্তরঃ (i) 4 মিনিট
(f) ভারতের বৃহত্তম বায়ুশক্তি কেন্দ্র হল—
(i) গুজরাটের লাম্বা
(ii) মহারাষ্ট্রের চোলা
(iii) কর্নাটকের রায়চুর।
উত্তরঃ (ii) মহারাষ্ট্রের চোলা
(g) অনুসূর অবস্থানে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব হয়—
(i) 15 কোটি কিমি
(ii) 14 কোটি 70 লক্ষ কিমি
(iii) 15কোটি 20 লক্ষ কিমি।
উত্তরঃ (ii) 14 কোটি 70 লক্ষ কিমি
(h) পৃথিবীর আবর্তন বেগ সবচেয়ে বেশি—
(i) নিরক্ষরেখায়
(ii) সুমেরু বৃত্তে
(iii) সুমেরু বিন্দুতে।
উত্তরঃ (i) নিরক্ষরেখায়
(i) সবচেয়ে উৎকৃষ্ট লোহার আকরিক হল—
(i) হেমাটাইট
(ii) ম্যাগনেটাইট
(iii) লিমোনাইট।
উত্তরঃ (ii) ম্যাগনেটাইট
2. শূন্যস্থান পূরণ করো (যে-কোনো তিনটি) : 1×3=3
(a) ফারাক্কায় একটি ____________
কেন্দ্র আছে।
উত্তরঃ তাপবিদ্যুৎ ।
(b) মঙ্গল গ্রহকে ___________ বলে।
উত্তরঃ লাল গ্রহ।
(c) পৃথিবীর মেরুঅক্ষ কক্ষতলের সাথে __________ কোণে অবস্থান করে।
উত্তরঃ ৬৬১/২°
(d) __________ যন্ত্রের সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়।
উত্তরঃ সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে।
3. বাম-স্তম্ভের সঙ্গে ডান-স্তম্ভ সঠিকভাবে মিলিয়ে দাও : 1×3=3
| বাম-স্তম্ভ | ডান-স্তম্ভ |
| (a) ফরিদাবাদ | (i) গুজরাটের তৈলক্ষেত্র |
| (b) প্রাকৃতিক ঘড়ি | (ii) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র |
| (c) আঙ্কলেশ্বর | (iii) সূর্য |
উত্তরঃ
(a) ফরিদাবাদ (i) গুজরাটের তৈলক্ষেত্র
(b) প্রাকৃতিক ঘড়ি (iii) সূর্য
(c) আঙ্কলেশ্বর (ii) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
4. সত্য/মিথ্যা নির্ণয় করো (যে-কোনো দুটি) : 1×2= 2
(a) উত্তরপ্রদেশের কল্যাণপুর একটি উল্লেখযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক কেন্দ্র।
উত্তরঃ মিথ্যা।
(b) সৌর জগতের বামন গ্রহ হল বৃহস্পতি।
উত্তরঃ মিথ্যা।
(c) গ্রিনিচের সময়কে বলে GMT।
উত্তরঃ সত্য।
5. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও (যে-কোনো দুটি) : 1×2=2
(a) কয়লার দুটি উপজাত দ্রব্যের নাম লেখো।
উত্তরঃ ন্যাপথালিন, কোল টার, এমোনিয়া।
(b) নিশীথ সূর্যের দেশ কাকে বলে ?
উত্তরঃ নরওয়ে।
(c) অক্ষরেখার সর্বোচ্চ মান কত ?
উত্তরঃ ৯০°
6. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (যে-কোনো চারটি) : 2×4=8
(a) সম্পদের সংজ্ঞা লেখো।
উত্তরঃ অধ্যাপক জিমারম্যান সম্পদের সংজ্ঞায় বলেছেন যে, সম্পদ কোনো বস্তু বা পদার্থ নয়, কোনো বস্তু বা পদার্থ যে কাজ করে বা কোনো বস্তু বা পদার্থের মধ্যে যে কার্যকরী শক্তি লুকিয়ে রয়েছে, তাই হল সম্পদ। অর্থাৎ সম্পদ হল পদার্থের সেই কাম্য শক্তি, যা মানুষের অভাব মোচন করে মানুষের চাহিদা মেটায়। সুতরাং, সম্পদ হচ্ছে মানুষের নির্দিষ্ট লক্ষপুরনের উপায়, মানুষের অর্থনৈতিক বিকাশের ভিত্তি।
(b) ‘কোরিওলিস বল’ বলতে কী বোঝ ?
উত্তরঃ পৃথিবীর আহ্নিক গতির (পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন) ফলে সৃষ্ট যে কাল্পনিক বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু বা জলস্রোত সোজা পথে না গিয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়, তাকেই কোরিওলিস বল (Coriolis Force) বলে। ১৮৩৫ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী গাসপার্ড-গুস্তাভ ডি কোরিওলিস এই বলের ধারণা দেন।
(c) ভারতে বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনে এবং গৃহস্থালির জ্বালানি হিসেবে কত শতাংশ কয়লা ব্যবহৃত হয় ?
উত্তরঃ বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনে : ভারতে উৎপাদিত মোট কয়লার প্রায় ৭০% – ৭৫% বিদ্যুৎশক্তি বা তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
গৃহস্থালির জ্বালানি হিসেবে : গৃহস্থালির রান্নাবান্না ও অন্যান্য জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার বর্তমানে অনেক কমে গেছে।ভারতে গৃহস্থালির কাজে কয়লার ব্যবহার প্রায় ৫% বা তার কম।
(d) ‘ছায়াবৃত্ত’ ও ‘গোধূলি’ বলতে কী বোঝ ?
কী ?
উত্তরঃ ছায়াবৃত্ত : পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সর্বদা একদিকের অর্ধেক অংশ সূর্যের আলোয় আলোকিত এবং অপর অর্ধেক অন্ধকার থাকে। এই আলোকিত ও অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী যে বৃত্তাকার সীমারেখা পৃথিবীকে দিনের বেলা (আলোকিত) ও রাতের বেলা (অন্ধকার)-এ বিভক্ত করে, তাকে ছায়াবৃত্ত বলে।
গোধূলি : সূর্যাস্তের পর এবং পুরোপুরি রাত শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ের যে ক্ষীণ আলো বা সন্ধিক্ষণ, তাকে গোধূলি বলে। এই সময়ে সূর্য দিগন্তরেখার নিচে থাকলেও বায়ুমণ্ডলের ওপরে সূর্যের আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠকে কিছুটা আলোকিত রাখে।
(e) ফেরেলের সূত্র।
উত্তরঃ পৃথিবীর আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু বা সমুদ্রস্রোত সোজা পথে না গিয়ে কিছুটা বেঁকে প্রবাহিত হয়। এই সূত্রের মূল কথা হলো—
উত্তর গোলার্ধে: বায়ুপ্রবাহ বা সমুদ্রস্রোত তাদের গতির অভিমুখ থেকে ডানদিকে বেঁকে যায়।
দক্ষিণ গোলার্ধে: বায়ুপ্রবাহ বা সমুদ্রস্রোত তাদের গতির অভিমুখ থেকে বামদিকে বেঁকে যায়।
7. সংক্ষিপ্ত বর্ণনাধর্মী প্রশ্নের উত্তর দাও (যে-কোনো তিনটি) : 3×3=9
(a) অপ্রচলিত শক্তি উৎসের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি উল্লেখ করো।
উত্তরঃ অপ্রচলিত শক্তি (যেমন- সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি) নবায়নযোগ্য, পরিবেশবান্ধব এবং দুষনহীন, যা ভবিষ্যতে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এগুলি কখনো ফুরিয়ে যায় না। তবে এর প্রাথমিক স্থাপন খরচ অনেক বেশি এবং প্রাকৃতিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
∆ অপ্রচলিত শক্তি উৎসের সুবিধা—
১. নবায়নযোগ্য: এই শক্তি উৎসগুলো (সূর্য, বায়ু, জোয়ার) অসীম এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
২. পরিবেশবান্ধব: সৌর, বায়ু বা জোয়ার শক্তি ব্যবহারে কোনো ক্ষতিকারক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয় না, ফলে পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে।
৩. কম রক্ষণাবেক্ষণ খরচ: প্রাথমিক পরিকাঠামো তৈরির পর, এই শক্তির উৎসগুলি ব্যবহারের জন্য জ্বালানি খরচ খুবই কম বা শূন্য।
∆ অপ্রচলিত শক্তি উৎসের অসুবিধা—
১. উচ্চ প্রাথমিক খরচ: সৌর প্যানেল বা বায়ুকল স্থাপনের জন্য শুরুতে অনেক বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়।
২. অনিশ্চয়তা: এই শক্তি প্রাকৃতিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল—মেঘলা দিনে বা রাতে সৌরশক্তি এবং শান্ত আবহাওয়ায় বায়ুশক্তি উৎপাদন ব্যাহত হয়।
৩. সংরক্ষণ সমস্যা: উৎপাদিত শক্তি বেশি দিন সঞ্চয় করে রাখা বা স্টোরেজ করা কঠিন এবং ব্যয়বহুল।
(b) পৃথিবীর আবর্তন ও পরিক্রমণ গতির মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ পৃথিবীর আবর্তন (Rotation) ও পরিক্রমণ (Revolution) গতির প্রধান পার্থক্য হলো—আবর্তন নিজের অক্ষে ঘোরার দৈনিক প্রক্রিয়া (২৪ ঘণ্টা), যা দিন-রাত তৈরি করে, অন্যদিকে পরিক্রমণ হলো সূর্যের চারিদিকে উপবৃত্তাকার পথে পৃথিবীর বার্ষিক প্রদক্ষিণ (৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড), যা ঋতু পরিবর্তনের কারণ—
∆ আবর্তন ও পরিক্রমণ গতির মধ্যে পার্থক্য—
| বিষয় | আবর্তন গতি | পরিক্রমণ গতি |
| ১. সংজ্ঞা | পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্বে আবর্তন করে। | পৃথিবী উপবৃত্তাকার পথে সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করে। |
| ২. সময় ও বেগ | সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড (১ দিন)। | সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড (১ বছর)। |
| ৩. ফলাফল | এর ফলে দিন ও রাত্রি হয় | এর ফলে ঋতু পরিবর্তন, বছর গণনা হয়। |
(c) ভারতে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও বণ্টন উল্লেখ করো।
উত্তরঃ ভারতে পারমাণবিক শক্তির প্রধান ব্যবহার হলো বিদ্যুৎ উৎপাদন (বর্তমানে মোট বিদ্যুতের প্রায় ৩%) এবং চিকিৎসার কাজে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার। Nuclear Power Corporation of India Limited (NPCIL)-এর অধীনে মহারাষ্ট্র (তারাপুর), রাজস্থান (রাওয়াতভাটা), তামিলনাড়ু (কুদানকুলাম), কর্ণাটক (কাইগা), গুজরাট (কাকরাপাড়) ও উত্তরপ্রদেশে (নরোরা) এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো অবস্থিত। ব্যবহার ও বণ্টন—
ব্যবহার: প্রধানত পারমাণবিক চুল্লির সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এছাড়াও, কৃষি, চিকিৎসা (ক্যানসার চিকিৎসায়) এবং গবেষণার কাজে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করা হয়।
বণ্টন: ভারতের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি হলো—
তারাপুর (মহারাষ্ট্র): ভারতের প্রথম ও বৃহত্তম কেন্দ্র।
রাওয়াতভাটা (রাজস্থান): দ্বিতীয় প্রধান কেন্দ্র।
কুদানকুলাম ও কল্পক্কম (তামিলনাড়ু): দাক্ষিণাত্যের মূল কেন্দ্র।
কাইগা (কর্ণাটক), কাকরাপাড় (গুজরাট), নরোরা (উত্তরপ্রদেশ) : অন্যান্য কেন্দ্র।
(d) স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়ের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
8. ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নের উত্তর দাও (যে-কোনো একটি) : 5×1=5
(a) খনিজ তেলকে ‘তরল সোনা’ বলার কারণ কী ? খনিজ তেলের ব্যবহার উল্লেখ করো। 2+3
উত্তরঃ খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়ামকে তার অপরিসীম অর্থনৈতিক মূল্য, চাহিদা এবং আধুনিক সভ্যতায় অপরিহার্য ভূমিকার কারণে ‘তরল সোনা’ (Liquid Gold) বলা হয়। সোনার মতোই এটি অত্যন্ত মূল্যবান এবং সীমিত সম্পদ, যা বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে।
∆ খনিজ তেলকে ‘তরল সোনা’ বলার কারণ—
১. অসীম অর্থনৈতিক মূল্য: সোনার মতো খনিজ তেলও বিশ্ববাজারে অত্যন্ত মূল্যবান।
২. আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি: পরিবহন, শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন—সব ক্ষেত্রেই এটি প্রধান জ্বালানি।
৩. বহুমুখী ব্যবহার: এটি শুধুমাত্র জ্বালানি নয়, প্লাস্টিক, সার, ওষুধ ইত্যাদি তৈরির কাঁচামাল ।
∆ খনিজ তেলের ব্যবহার—
পরিবহন জ্বালানি: পেট্রোল, ডিজেল, এবং এরোপ্লেনের জ্বালানি (Aviation fuel) হিসেবে গাড়ি, জাহাজ ও বিমান চালাতে।
শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন: কলকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে শক্তি বা জ্বালানি হিসেবে।
পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প: প্লাস্টিক, সার (যেমন-ইউরিয়া), সিন্থেটিক রবার, কৃত্রিম তন্তু (পলিয়েস্টার, নাইলন) ইত্যাদি তৈরিতে।
গৃহস্থালি ও অন্যান্য: রান্নার গ্যাস (LPG), আলো জ্বালানোর কেরোসিন, এবং পিচ (Bitumen) তৈরিতে, যা রাস্তা পাকা করতে ব্যবহৃত হয়
(b) চেন্নাইতে যখন সকাল ৬টা ৩০ মিনিট, নিউইয়র্কে তখন পূর্বরাত্রি ৮টা ১৩ মিনিট। চেন্নাই-এর দ্রাঘিমা ৮০°১৫′ পূর্ব হলে নিউইয়র্কের দ্রাঘিমা কত ?
📌 আরো দেখোঃ
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
