নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৪ | Class 9 Bengali First Unit Test Question Paper Set-4 wbbse

FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 9 (IX) WBBSE
BENGALI QUESTION PAPER

Set-4

নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৪ | Class 9 Bengali First Unit Test Question Paper Set-4 wbbse

📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

∆ সিলেবাস বা পাঠ্যসূচি—

∆ সাহিত্যমেলাঃ

গল্প বা গদ্য– ইলিয়াস, দাম।

কবিতা বা পদ্য– কলিঙ্গদেশে ঝড় বৃষ্টি, নোঙর।

নাটক– ধীবর-বৃত্তান্ত।

∆ সহায়ক পাঠ– ব্যোম যাত্রীর ডায়েরি।

∆ ব্যাকরণ– ধ্বনি ও‌ ধ্বনি পরিবর্তন।

∆ নির্মিতি– ভাবসম্প্রসারণ।

বিঃ দ্রঃ প্রথম ইউনিট টেস্টের ক্ষেত্রে জানুয়ারি মাসে স্পোর্টস, মাধ্যমিক এবং হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষা হওয়ার কারণে সিলেবাস সঠিক সময়ে শেষ করতে পারেন না। তাই বেশিরভাগ বিদ্যালয় যতটুকু পড়ানো হয় তার মধ্য থেকেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করেন।

বাহাদুরপুর হাইস্কুল (উঃ মাঃ)
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৪
নবম শ্রেণি
বিষয় – বাংলা
সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট             পূর্ণমান-৪০

১। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : ১×৮=৮

১.১ দরিদ্র ইলিয়াসকে যে ব্যক্তি সাহায্য করেছিলেন—
(ক) মোল্লা (খ) বাবাই (গ) মহম্মদ শা (ম) মাহমুদ

উত্তরঃ (গ) মহম্মদ শা

১.২ ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাটকটি বাংলায় তরজমা করেছেন—
(ক) সত্য নারায়ণ চক্রবর্তী
(খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
(গ) অজিত দত্ত
(ঘ) মণীন্দ্র দত্ত

উত্তরঃ (ক) সত্য নারায়ণ চক্রবর্তী

১.৩ ‘নোঙর কখন জানি পড়ে গেছে তটের কিনারে’- উদ্ধৃতাংশটির মাধ্যমে যে ভাবনা ব্যক্ত হয়েছে, তা হলো—
(ক) পাড়ি দেওয়ার বাসনা থাকলেও বন্ধন ছিন্ন করা যায় না
(খ) নৌকা নোঙরেই আটকে থাকে।
(গ) ভারী পণ্যের কারণেই নোঙরে নৌকা বাঁধা থাকে
(ঘ) স্রোতে নোঙর ভেসে গেলে তবে নৌকা পাড়ি দেয়

উত্তরঃ (ক) পাড়ি দেওয়ার বাসনা থাকলেও বন্ধন ছিন্ন করা যায় না

১.৪ ‘চন্ডীর আদেশে ধায়’—
(ক) হনুমান (খ) নদ-নদীগণ (গ) বরুণদেব (ঘ) জৈমিনি

উত্তরঃ (খ) নদ-নদীগণ

১.৫ সুকুমার রবীন্দ্রনাথ থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছিল—
(ক) দশটি (খ) একটি (গ) আটটি (ঘ) বারোটি

উত্তরঃ (ঘ) বারোটি।

১.৬ প্রোফেসর শঙ্কুর চাকরের নাম—
(ক) প্রহ্লাদ (খ) তারক (গ) নিউটন (ঘ) অবিনাশ

উত্তরঃ (ক) প্রহ্লাদ

১.৭ নীচের কোনটি যৌগিক স্বরধ্বনি—
(ক) অ (খ) উ (গ) ই (ঘ) ঔ

উত্তরঃ (ঘ) ঔ

১.৮ কম্পিত ধ্বনি কোনটি—
(ক) ড (খ) র (গ) ঢ় (ঘ) ল

উত্তরঃ (খ) র

২। কম-বেশি ১৫ টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো: ১×৮=৮

২.১ চন্ডীর আদেশে বীর হনুমান কী করেছিল ?

উত্তরঃ চণ্ডীর আদেশে হনুমান মঠ অট্টালিকা ভেঙ্গে খানখান করছিল।

২.২ বাবার মৃত্যুর সময় ইলিয়াসের বিষয়-সম্পত্তি কী কী ছিল ?

উত্তরঃ বাবার মৃত্যুর সময় ইলিয়াসের বিষয়-সম্পত্তি ছিল সাতটা ঘোটকী, দুটি গোরু এবং কুড়িটা ভেড়া।

২.৩ নোঙর কবিতার কবি কে ? কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে ?

উত্তরঃ কবি অজিত দত্তের রচিত ‘শাদা মেঘ কালো পাহাড়’ কাব্যগ্রন্থ থেকে ‘নোঙর’ কবিতাটি নেওয়া হয়েছে।

২.৪ আংটি পেয়ে মহারাজা ধীবরকে কী পারিতোষিক দিয়েছিল ?

উত্তরঃ আংটি পেয়ে মহারাজা ধীবরকে আংটির মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ দিয়েছিলেন।

২.৫ মাস্টারমশাইকে নিয়ে গল্প লিখে সুকুমারের নগদ লাভ কী হয়েছিল ?

উত্তরঃ মাস্টারমশাইকে নিয়ে গল্প লিখে সুকুমারের নগদ দশ টাকা লাভ হয়েছিল।

২.৬ প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর রকেট কার মুলোর ক্ষেত নষ্ট করেছিল ?

উত্তরঃ প্রোফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর রকেট অবিনাশ বাবুর মুলোর ক্ষেত নষ্ট করেছিল।

২.৭ বাংলা ভাষার সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি লেখো।

উত্তরঃ বাংলা ভাষার সাতটি মৌলিক স্বরধ্বনি হলো- অ, আ, ই, এ, অ্যা , ও এবং উ।

২.৮ মহাপ্রাণ ধ্বনি কাকে বলে উদাসরণসহ লেখো।

উত্তরঃ যেসকল ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয় অর্থাৎ উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বাতাস জোরে বের হয়, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। যেমন– খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।

৩। প্রসঙ্গ নির্দেশ সহ কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখো (যে-কোন ৩টি) : ৩×৩ = ৯

৩.১ “ইলিয়াসের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ল।”– ইলিয়াসের অবস্থা কীভাবে খারাপ হয়ে পড়েছিল ?

উত্তরঃ লিও তলস্তয়ের লেখা গল্পে ইলিয়াসের অবস্থা খারাপ হওয়ার পেছনে মূলত তিনটি কারণ ছিল-
১. ছেলের মৃত্যু ও বিবাদ: বড় ছেলে মারা যায় এবং ছোট ছেলে অবাধ্য হওয়ায় তার সাথে বিবাদ শুরু হয়।
২. সম্পত্তি ভাগ: ছোট ছেলেকে আলাদা করার সময় বড় অংশ চলে যায় এবং বাকি সম্পত্তিরও অপচয় হয়।
৩. আয়েশি জীবনযাত্রা: কাজের লোক রাখা এবং অপব্যয়ের ফলে আয় কমে গিয়ে খরচের পরিমাণ বেড়ে যায়।

৩.২ “আমার বাণিজ্য-তরী বাঁধা পড়ে আছে।”- পঙক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৩

উত্তরঃ অজিত দত্তের “নোঙর” কবিতায় “আমার বাণিজ্য-তরী বাঁধা পড়ে আছে” পঙ্ক্তিটি জীবনের সীমাবদ্ধতা ও ব্যর্থতার প্রতীক। কবি সাত সমুদ্রে পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন দেখলেও, বাস্তব জীবনের সাংসারিক দায়-দায়িত্ব, মোহ ও বন্ধন (নোঙর) তাকে আটকে রেখেছে। আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতার দ্বন্দ্বে কবির সুদূরপ্রসারী রোমান্টিক মন তটের কিনারে নোঙরের মতোই স্থবির ও অসহায় হয়ে পড়ে আছে।

৩.৩ “তা তোর জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখছি।”– কে কাকে একথা বলেছে ? এই কথায় উদ্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া কী ছিল ? ১+২

উত্তরঃ মহাকবি কালিদাসের ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে ধৃতকারী রক্ষীদের একজন (শ্যালক) আংটি চুরির অভিযোগে আটক ধীবরকে ব্যঙ্গ করে একথা বলেছে।

প্রতিক্রিয়া: ধীবর বিনয়ের সঙ্গে জানায় যে সে জাতিতে মৎস্যজীবী হলেও, তার জীবিকা পবিত্র। সে মাছ কেটে পেটের ভেতর থেকে পাওয়া মূল্যবান আংটিটি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে, যা তার দৈনন্দিন কাজেরই অংশ। সে অপরাধী নয়, বরং আংটিটির প্রকৃত মালিক, এই দৃঢ়তা সে রক্ষীদের বুঝিয়েছিল

৩.৪ “আজ দিনের শুরুতেই একটা বিশ্রী কান্ড ঘটে গেল।”– আজ দিনটা কত তারিখ ছিল ? কী কান্ড ঘটেছিল ? ১+২

উত্তরঃ “আজ দিনের শুরুতেই একটা বিশ্রী কান্ড ঘটে গেল”—এই কথাটি যে দিনের, সেই তারিখ ছিল ২১শে জুন।

সেদিন সকালে প্রফেসর শঙ্কুর বাড়িতে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। তাঁর প্রিয় পোষা বিড়াল নিউটন হঠাৎ করে অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করে এবং বাড়ির ভেতরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় শঙ্কু বিস্মিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। এটাই ছিল দিনের শুরুতেই ঘটে যাওয়া সেই বিশ্রী কান্ড।

৪। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো। (কম-বেশি ১৫০ শব্দে) (যে কোনো ৩ টি) : ৫x৩=১৫

৪.১ ‘কলিঙ্গ দেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কবিতাটি কার লেখা ? কলিঙ্গে যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল, তা কবিতা অবলম্বনে তার বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ ‘কলিঙ্গ দেশে ঝড়-বৃষ্টি’ কবিতাটি মধ্যযুগীয় কবি কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী-র লেখা। তাঁর ‘অভয়ামঙ্গল’ (বা চণ্ডীমঙ্গল) কাব্যের অন্তর্গত এই আখ্যানে কলিঙ্গ দেশের প্রবল প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।

কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর বর্ণনায় কলিঙ্গের প্রাকৃতিক বিপর্যয়—

প্রবল ঝড় ও মেঘ: আকাশ কালো করে ঘন মেঘের সমাবেশ ঘটে এবং ঈশান কোণে মেঘ জমে প্রবল ঝড় শুরু হয়।

ভয়াবহ বৃষ্টি: প্রবল দুর্যোগে সাত দিন ধরে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি চলতে থাকে, যার ফলে কলিঙ্গ দেশে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।

শস্যের হানি: অত্যাধিক বৃষ্টির কারণে মাঠের ফসল, বিশেষ করে পাকা ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।

ঘরবাড়ি ও প্রকৃতি: প্রবল বাতাস ও বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ে। গাছপালা উপড়ে যায় এবং চারিদিকে হাহাকার পড়ে যায়।

ভীত প্রজাসাধারণ: বজ্রপাতের আওয়াজে ভীত হয়ে প্রজারা ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়, জৈমিনি ঋষির নাম স্মরণ করে দুর্যোগ থেকে মুক্তির প্রার্থনা করে।

৪.২ “মনে হলো, স্নেহ-মমতা-ক্ষমার এক মহাসমুদ্রের ধারে এসে দাঁড়িয়েছি।”– বক্তা কে ? কোন ঘটনায় তার এইরকম উপলব্ধি হয়েছিল ? ১+৪

উত্তরঃ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দাম’ গল্পে উক্তিটি বলেছেন গল্পের প্রধান চরিত্র (বর্ণনাকারী নিজেই)।

এই উপলব্ধি তার হয় এক গভীর মানসিক পরিবর্তনের মুহূর্তে। গল্পে দেখা যায়, বর্ণনাকারী মানুষকে ও সম্পর্ককে অর্থ বা ‘দাম’-এর নিরিখে বিচার করতে অভ্যস্ত ছিল। তার কাছে সবকিছুরই একটি নির্দিষ্ট মূল্য ছিল— স্নেহ, ভালোবাসা, সম্পর্ক— সবই যেন লেনদেনের বিষয়। কিন্তু একসময় সে এমন এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়, যেখানে নিঃস্বার্থ স্নেহ, মমতা ও ক্ষমার প্রকাশ তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। বিশেষত, যখন সে কারও কাছ থেকে কোনো প্রত্যাশা ছাড়াই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ক্ষমা লাভ করে, তখন তার এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে।

এই ঘটনার ফলে সে উপলব্ধি করে যে জীবনের সবকিছুর দাম টাকা দিয়ে মাপা যায় না। মানুষের হৃদয়ের গভীরে যে অসীম স্নেহ, মমতা ও ক্ষমা আছে, তা কোনো মূল্যেই নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তখনই তার মনে হয়, সে যেন এক বিশাল স্নেহ-মমতা-ক্ষমার সমুদ্রের তীরে এসে দাঁড়িয়েছে।

৪.৩ এখন থেকে তুমি আমার একজন বিশিষ্ট প্রিয় বন্ধু হলে।”– উক্তিটির বক্তা কে ? কার উদ্দেশে তিনি একথা বলেছেন ? এমন বন্ধুত্বের কারণ কী ? ১+১+৩

উত্তরঃ কালিদাস রচিত ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম’ নাটকের পঞ্চম অঙ্কের অংশবিশেষ, অর্থাৎ ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’-এ উদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা হলেন রাজা দুষ্মন্তের শ্যালক (কোতোয়াল)।

তিনি উক্তিটি ধীবরের উদ্দেশ্যে করেছেন।

বন্ধুত্বের কারণ: ধীবর রাজকীয় আংটি চুরির অভিযোগে রক্ষীদের হাতে ধরা পড়েছিল। কিন্তু আংটিটি পেটের ভেতর থাকা মাছ বিক্রির মাধ্যমে সে অর্জন করেছিল, যা সে বারবার জানায়। পরে আংটিটি রাজা দুষ্মন্তের নামাঙ্কিত প্রমাণিত হওয়ায় ধীবর নির্দোষ প্রমাণিত হয় এবং আংটির মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ পুরস্কার পায়। ধীবরের সত্যবাদিতা, সততা এবং মাছের পেট থেকে পাওয়া আংটিটি রাজাকে ফিরিয়ে দেওয়ার সৌজন্য দেখে শ্যালক মুগ্ধ হন। তার মনে হয়, ধীবরের এই সততা এবং আংটি প্রাপ্তির ঘটনাটি রাজার প্রতি তার ভালোবাসার প্রতীক, যা তাদের বন্ধুত্বের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধীবরের সরলতা শ্যালককে মুগ্ধ করেছিল।

৪.৪ “….. ডায়রিটা আমি পাই তারক চাটুজ্যের কাছ থেকে।”– ডায়রিটা কার ছিল ? তারকবাবু ডায়রিটা কোথা থেকে পেয়েছিলেন ? ডায়রিটার বিশেষত্ব নিজের ভাষায় বর্ণনা করো। ১+১+৩

উত্তরঃ সত্যজিৎ রায়ের ‘প্রফেসর শঙ্কু’ সিরিজের ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ গল্পে উল্লিখিত ডায়রিটি ছিল প্রখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর।

তারক চাটুজ্যে মশাই এই ডায়রিটি সুন্দরবনের কোরকমাটি অঞ্চলে বাঘের সন্ধানে গিয়ে একটি উল্কাপাতের গহ্বর থেকে পেয়েছিলেন।

ডায়রিটির বিশেষত্ব: প্রফেসর শঙ্কুর এই ডায়রিটির চেহারা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত বিস্ময়কর।

১. রঙ পরিবর্তন: ডায়রিটির বিশেষত্ব হলো এটি সময়ের সাথে সাথে রঙ বদলায়। তারকবাবু যখন এটি পান তখন এটি ছিল সবুজ, পরে সেটি লাল হয় এবং সবশেষে নীল হয়ে যায়।

২. অবিনশ্বরতা: ডায়রিটি ছিল সাধারণ কাগজের ঊর্ধ্বে। লেখক এটি ছেঁড়ার চেষ্টা করেও পারেননি, এমনকি জ্বলন্ত উনুনে ফেলে দিলেও এর কোনো ক্ষতি হয়নি।

৩. কালির বৈশিষ্ট্য: ডায়রিতে লেখা কালির রঙও অদ্ভুতভাবে পরিবর্তিত হতো। শুরুতে লেখা সবুজ থাকলেও পরে তা লাল হয়ে যেত।

৪. ইলাস্টিক ধর্ম: ডায়রিটিকে টানলে সেটি রবারের মতো বড় হতো, কিন্তু কোনোভাবেই ছেঁড়া সম্ভব ছিল না।

📌 আরো দেখোঃ

📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply