FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 8 (VIII) WBBSE
HISTORY QUESTION PAPER
Set-4
অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৪ | Class 8 History First Unit Test Question with Answer Set-4 wbbse
∆ পাঠ্যসূচি—
অধ্যায় – ২. আঞ্চলিক শক্তির উত্থান
অধ্যায় – ৩. ঔপনিবেশিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৫
অষ্টম শ্রেণি
বিষয় : ইতিহাস
পূর্ণমান-৩০ সময় : ১ ঘণ্টা মিনিট
1. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : 1×6=6
(i) অন্ধকূপ হত্যার প্রচারক ছিলেন (রজার ড্রেক / হলওয়েল / অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় / রবার্ট ক্লাইভ)।
উত্তরঃ হলওয়েল।
(ii) ‘৭৬-এর মন্বন্তর হয়েছিল – (১১৭৬ বঙ্গাব্দে / ১২৭৬ বঙ্গাব্দে / ১৩৭৬ বঙ্গাব্দে / ১৪৭৬ বঙ্গাব্দে)।
উত্তরঃ ১১৭৬ বঙ্গাব্দে।
(iii) ‘স্বত্ব বিলোপ নীতি’ প্রবর্তন করেছিলেন-
(কর্নওয়ালিস / রবার্ট ক্লাইভ / লর্ড ডালহৌসি / লর্ড ভেরেলেস্ট)।
উত্তরঃ লর্ড ডালহৌসি।
(iv) প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ হয়েছিল– (১৮০২ / ১৮২০ / ১৮৪০ / ১৮৪৫) খ্রিস্টাব্দে।
উত্তরঃ ১৮৪৫
(v) ‘এশিয়াটিক সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন-
(উইলিয়াম কেরি / ওয়ারেন হেস্টিংস / জোনাথান ডানকান / উইলিয়াম জোনস্)।
উত্তরঃ উইলিয়াম জোনস্।
(vi) ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রবর্তিত হয়- (বাংলায় / দক্ষিণ ভারতে / উত্তরপ্রদেশে / মাদ্রাজে)।
উত্তরঃ বাংলায়
2. এক কথায় উত্তর দাও (যে কোনো চারটি) : 1×4=4
(i) কত খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব মারা যান ?
উত্তরঃ ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব মারা যান।
(ii) সুপ্রিম কোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন ?
উত্তরঃ সুপ্রিম কোর্টের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন স্যার এলিজা ইম্পে।
(iii) শূন্যস্থান পূরণ কর :
আলিনগরের সন্ধি হয়েছিল _______ ও _________ এর মধ্যে।
উত্তরঃ সিরাজউদ্দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির (রবার্ট ক্লাইভ) মধ্যে।
(iv) সত্য / মিথ্যা নির্ণয় করো :
কলকাতা দখল করে সিরাজ কলকাতার নাম রাখেন ফলতা।
উত্তরঃ মিথ্যা (কলকাতা দখল করে সিরাজ কলকাতার নাম রেখেছিলেন ‘আলিনগর’)।
(v) স্তম্ভ মেলাও :
| বাম স্তম্ভ | ডান স্তম্ভ |
| (a) বাংলার নবাব | (i) জেনারেল অ্যাসেম্বলি ইন্সটিটিউশন। |
| (b) আলেকজান্ডার ডাফ | (ⅱ) সিরাজউদ্দোল্লা। |
| (iii) মিরকাশিম |
উত্তরঃ (a) বাংলার নবাব- (ii) সিরাজউদ্দোল্লা।
(b) আলেকজান্ডার ডাফ- (i) জেনারেল অ্যাসেম্বলি ইন্সটিটিউশন।
3. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষনীয়) : 2×2=4
(i) ‘বর্গি কারা’ ?
উত্তরঃ মারাঠা শাসিত অঞ্চল থেকে যে অশ্বারোহী সৈন্যরা বাংলায় হানা দিয়ে গ্রামগঞ্জে লুটতরাজ ও অত্যাচার চালাত, তাদের ‘বর্গি’ বলা হতো। মারাঠা রাজা সাহু-র নির্দেশে নাগপুরের শাসক রঘুজী ভোঁসলে ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বারবার বাংলায় এই বর্গি আক্রমণ পাঠিয়েছিলেন।
অথবা, ‘ফারুকশিয়রের ফরমান’ বলতে কী বোঝায় ?
উত্তরঃ ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট ফারুকশিয়ার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে বিশেষ সুবিধা বা রাজকীয় নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাকেই ফারুকশিয়ারের ফরমান বলা হয়। এর ফলে কোম্পানি বছরে মাত্র ৩,০০০ টাকার বিনিময়ে বাংলায় বিনা শুল্কে বাণিজ্য এবং নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারের অধিকার পেয়েছিল।
(ii) ব্রিটিশ প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা কাকে বলে ?
উত্তরঃ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের বিভিন্ন বাণিজ্য কেন্দ্রগুলিকে কেন্দ্র করে যে তিনটি প্রধান প্রশাসনিক এলাকা গড়ে তুলেছিল, সেগুলিকে প্রেসিডেন্সি বলা হয়। এগুলি হলো— মাদ্রাজ (বর্তমান চেন্নাই), বোম্বাই (বর্তমান মুম্বাই) এবং কলকাতা (বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি)। প্রতিটি প্রেসিডেন্সি একজন গভর্নরের অধীনে পরিচালিত হতো।
অথবা ‘কর্নওয়ালিস কোড’ বলতে কী বোঝায় ?
উত্তরঃ ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে লর্ড কর্নওয়ালিস ভারতের শাসনব্যবস্থা ও বিচারব্যবস্থাকে সুসংগঠিত করার জন্য যে নিয়মনীতি বা আইনসংহিতা সংকলন করেন, তাকে ‘কর্নওয়ালিস কোড’ বলা হয়। এর মাধ্যমে দেওয়ানি প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থাকে পৃথক করা হয়েছিল এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করা হয়েছিল।
4. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষনীয়) : 3×2=6
(i) মুঘল সাম্রাজ্যের পতনে জায়গিরদারি ও মনসবদারি সংকট কতটা দায়ী ছিল ?
উত্তরঃ মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকট। সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সময়ে মনসবদারের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে গেলেও সেই তুলনায় ভালো জায়গিরের (জমির) অভাব দেখা দেয়। ফলে মনসবদারদের মধ্যে ভালো জায়গির পাওয়ার জন্য রেষারেষি শুরু হয়, যা জায়গিরদারি সংকট নামে পরিচিত। এর ফলে মনসবদাররা কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপাতেন এবং সামরিক বাহিনী রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলা করতেন। এই দ্বিমুখী সংকটের ফলে মুঘলদের কেন্দ্রীয় শাসন কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সাম্রাজ্যের পতন ত্বরান্বিত হয়।
অথবা, জগৎ শেঠ কারা ?
উত্তরঃ আঠারো শতকে বাংলায় প্রভাবশালী এক বণিক ও ব্যাংকার পরিবার ‘জগৎ শেঠ’ নামে পরিচিত ছিল। ‘জগৎ শেঠ’ কোনো ব্যক্তির নাম নয়, এটি ছিল সম্রাটের দেওয়া একটি উপাধি। এই পরিবারের প্রধান ছিলেন ফতেহ চাঁদ। তাঁরা নবাবদের কোষাগার পরিচালনা করতেন, কর আদায় করতেন এবং কোম্পানিকেও ঋণ দিতেন। বাংলার রাজনীতিতে তাঁদের এতটাই প্রভাব ছিল যে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে তাঁরা ব্রিটিশদের বড় আর্থিক সাহায্য করেছিলেন
(ii) টীকা লেখো : পিটের ভারত শাসন আইন।
উত্তরঃ রেগুলেটিং অ্যাক্টের ত্রুটিগুলি দূর করতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট ১৭৮৪ সালে এই আইন পাস করেন। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো—
বোর্ড অফ কন্ট্রোল: কোম্পানির রাজনৈতিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণের জন্য ইংল্যান্ডে ছয় সদস্যের একটি ‘বোর্ড অফ কন্ট্রোল’ গঠন করা হয়।
গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা বৃদ্ধি: বোম্বাই ও মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির ওপর বাংলার গভর্নর জেনারেলের কর্তৃত্ব আরও শক্তিশালী করা হয়।
ব্রিটিশ সরকারের নিয়ন্ত্রণ: এই আইনের মাধ্যমে ভারতের শাসনব্যবস্থায় ব্রিটিশ সরকারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কোম্পানি কেবল বাণিজ্যের অধিকারে সীমাবদ্ধ হতে থাকে।
অথবা, মেকলের প্রতিবেদন কী ?
উত্তরঃ ১৮৩৫ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের শিক্ষা সচিব থমাস ব্যাবিংটন মেকলে ভারতে শিক্ষা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দেন, যা ‘মেকলে মিনিট’ নামে পরিচিত। এই প্রতিবেদনে তিনি প্রাচ্য শিক্ষার (সংস্কৃত, আরবি) তীব্র সমালোচনা করেন এবং ভারতের আধুনিকায়নের জন্য ইংরেজি তথা পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনের সুপারিশ করেন। মেকলের উদ্দেশ্য ছিল এমন এক শ্রেণির ভারতীয় তৈরি করা যারা রক্তে-বর্ণে ভারতীয় হলেও চিন্তায় ও রুচিতে হবে ইংরেজ, যাতে ব্রিটিশ শাসনের প্রশাসনিক কাজ সহজ হয়।
5. নীচের যে কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 5×2=10
(i) পলাশির যুদ্ধের কারণগুলি সংক্ষেপে উল্লেখ করো।
উত্তরঃ ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজদের পলাশির যুদ্ধের কারণগুলি নিচে আলোচনা করা হলো—
১. সিরাজের সিংহাসন আরোহণ: সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হওয়ার পর প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ইংরেজ কোম্পানি তাঁকে কোনো উপঢৌকন বা নজরানা পাঠায়নি, যা নবাবকে অপমানিত করেছিল।
২. দস্তকের অপব্যবহার: কোম্পানি ও তার কর্মচারীরা ব্যক্তিগত বাণিজ্যে ‘দস্তক’ (বিনা শুল্কে বাণিজ্যের ছাড়পত্র) ব্যবহার করে নবাবের রাজস্বের ব্যাপক ক্ষতি করছিল।
৩. দুর্গ নির্মাণ: নবাবের নিষেধ সত্ত্বেও ইংরেজরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের সংস্কার ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকে, যা সিরাজের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী ছিল।
৪. কৃষক ও ষড়যন্ত্রকারীদের আশ্রয়: নবাবের অবাধ্য রাজকর্মচারী রাজবল্লভের পুত্র কৃষ্ণদাস বিপুল ধনরত্ন নিয়ে ইংরেজদের কাছে আশ্রয় নিলে ইংরেজরা তাঁকে ফেরত দিতে অস্বীকার করে।
৫. অন্ধকূপ হত্যার অভিযোগ: সিরাজের কলকাতা দখলের পর ‘অন্ধকূপ হত্যা’-র মতো কাল্পনিক কাহিনি প্রচার করে ইংরেজরা যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করে।
৬. আলিনগরের সন্ধি লঙ্ঘন: ইংরেজরা আলিনগরের সন্ধির শর্ত অগ্রাহ্য করে চন্দননগর দখল করলে সিরাজের সঙ্গে তাদের সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে।
পরিশেষে বলা যায়, কোম্পানির বাণিজ্যিক লোভ এবং সিরাজের প্রশাসনিক দৃঢ়তার সংঘাতই ছিল এই যুদ্ধের মূল কারণ।
(ii) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর দেওয়ানি লাভের গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের গুরুত্ব—
১. আইনি স্বীকৃতি: দেওয়ানি লাভের ফলে কোম্পানি মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার রাজস্ব আদায়ের ‘আইনি’ অধিকার পায়। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসন বৈধতা লাভ করে।
২. আর্থিক সচ্ছলতা: দেওয়ানি পাওয়ার পর বাংলার বিশাল রাজস্ব কোম্পানির হাতে আসে। ফলে তাদের বাণিজ্যিক পুঁজির জন্য আর ইংল্যান্ড থেকে সোনা-রূপা আনিয়ে বিনিয়োগ করতে হতো না।
৩. রাজনৈতিক প্রভাব: রাজস্বের নিয়ন্ত্রণ হাতে আসায় কোম্পানি কার্যত বাংলার প্রকৃত শাসকে পরিণত হয়। নবাব কেবল নামমাত্র প্রধান হয়ে থাকেন, যা ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থার জন্ম দেয়।
৪. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি: বাংলার অর্থ ব্যবহার করে কোম্পানি তাদের সেনাবাহিনী ও দুর্গ সংস্কারের কাজ অনেক বেশি শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়।
৫. শোষণ ও দুর্ভিক্ষ: কোম্পানি অধিক মুনাফার আশায় কৃষকদের ওপর রাজস্বের বোঝা বাড়িয়ে দেয়। এই চরম অর্থনৈতিক শোষণের ফলেই ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) ভয়াবহ ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ দেখা দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, দেওয়ানি লাভ ছিল ভারতের ইতিহাসে একটি মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা, যা কোম্পানিকে একটি বণিক সংস্থা থেকে একটি রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করেছিল।
(iii) ‘ইজারাদারি’ বা ‘পাঁচশালা বন্দোবস্ত’ বলতে কী বোঝায় ? ইজারাদার কাদের বলা হয় ? এই বন্দোবস্তের ত্রুটি কী ছিল ? 2+1+2
উত্তরঃ ইজারাদারি বা পাঁচশালা বন্দোবস্ত: ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস রাজস্ব আদায়ের সুবিধার্থে একটি নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। এই ব্যবস্থায় স্থির হয় যে, নিলামের মাধ্যমে যে ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্য সরকারকে সবথেকে বেশি খাজনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেবে, তাকেই সেই অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের অধিকার দেওয়া হবে। এই বন্দোবস্ত পাঁচ বছরের জন্য করা হতো বলে একে ‘পাঁচশালা বন্দোবস্ত’ বলা হয়।
নিলামের মাধ্যমে যারা সরকারের কাছ থেকে নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন ৫ বছর) জমি বা নির্দিষ্ট অঞ্চলের রাজস্ব আদায়ের স্বত্ব বা অধিকার লাভ করতেন, তাঁদেরই ‘ইজারাদার’ বলা হয়। এরা মূলত ঠিকাদার বা মধ্যস্বত্বভোগী হিসেবে কাজ করতেন।
এই বন্দোবস্তের ত্রুটি—
১. কৃষক শোষণ: ইজারাদাররা জমির স্থায়ী মালিক ছিলেন না, তাই তারা মাটির গুণমান বৃদ্ধির চেয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কৃষকদের ওপর অত্যাচার করে সর্বাধিক রাজস্ব আদায়ে ব্যস্ত থাকতেন।
২. রাজস্বের অনিশ্চয়তা: অনেক সময় ইজারাদাররা নিলামে অনেক বেশি টাকার ডাক দিলেও পরে সেই টাকা সরকারকে জমা দিতে পারতেন না, যার ফলে কোম্পানির রাজস্ব আদায়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।
৩. প্রশাসনিক জটিলতা: প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে নিলাম ও বন্দোবস্ত করার ফলে গ্রামীণ শাসন কাঠামোতে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।
📌আরও পড়ুনঃ
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
