অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস দ্বিতীয় অধ্যায় অনুশীলনী প্রশ্ন উত্তর | Class 8 History Chapter 2 Question Answer wbbse

অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস দ্বিতীয় অধ্যায় অনুশীলনী প্রশ্ন উত্তর | Class 8 History Chapter 2 Question Answer wbbse

আঞ্চলিক শক্তির উত্থান
দ্বিতীয় অধ্যায়
অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস

📌 অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

∆ ভেবে দেখো, খুঁজে দেখো প্রশ্নোত্তর :

১। ক-স্তম্ভের সঙ্গে খ-স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো :

ক-স্তম্ভ খ-স্তম্ভ
অযোধ্যা
১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দ
স্বত্ববিলোপ নীতি
লাহোরের চুক্তি
টিপু সুলতান
প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ
সাদাৎ খান
স্বক্সারের যুদ্ধ
মহীশূর
লর্ডডালহৌসি

উত্তরঃ

ক-স্তম্ভ খ-স্তম্ভ
অযোধ্যা
১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দ
স্বত্ববিলোপ নীতি
লাহোরের চুক্তি
টিপু সুলতান
সাদাৎ খান
বক্সারের যুদ্ধ
লর্ডডালহৌসি
প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ
মহীশূর

২। ঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো :

(ক) ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে মুর্শিদকুলি খান ছিলেন বাংলার– (দেওয়ান / ফৌজদার / নবাব)।

উত্তরঃ দেওয়ান।

(খ) আহমদ শাহ আবদালি ছিলেন— (মারাঠা / আফগান / পারসিক)।

উত্তরঃ আফগান।

(গ) আলিনগরের সন্ধি হয়েছিল— (মিরজাফর ও ব্রিটিশ কোম্পানির মধ্যে / সিরাজ ও ব্রিটিশকোম্পানির মধ্যে / মির কাশিম ও ব্রিটিশ কোম্পানির মধ্যে)।

উত্তরঃ সিরাজ ও ব্রিটিশকোম্পানির মধ্যে।

(ঘ) ব্রিটিশ কোম্পানিকে বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানির অধিকার দেন— (সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম / সম্রাট ফাররুখশিয়র / সম্রাট ঔরঙ্গজেব)।

উত্তরঃ সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম‌।

(ঙ) স্বেচ্ছায় অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি মেনে নিয়েছিলেন—(টিপু সুলতান / সাদাৎ খান / নিজাম)।

উত্তরঃ নিজাম।

৩। অতি সংক্ষেপে উত্তর দাও (৩০-৪০টি শব্দ) :

(ক) ফাররুখশিয়রের ফরমানের গুরুত্ব কী ছিল ?

উত্তরঃ ১৭১৭ সালে মুঘল সম্রাট ফাররুখশিয়র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এক ফরমান দ্বারা বাংলায় বার্ষিক ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের অধিকার দেন, ফলে তারা দেশীয় বণিকদের তুলনায় বিশেষ সুবিধা পেয়ে যায়।

(খ) কে, কীভাবে ও কবে হায়দরাবাদে আঞ্চলিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ?

উত্তরঃ মির কামার-উদ-দিন, যিনি পরে আসফ ঝা উপাধি গ্রহণ করেন, তিনি ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে হায়দরাবাদে আঞ্চলিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। যদিও তিনি মুঘল সম্রাটের নামমাত্র কর্তৃত্ব মানতেন, প্রকৃতপক্ষে তিনি স্বাধীনভাবে প্রশাসন পরিচালনা করতেন।

(গ) ‘পলাশির লুণ্ঠন’ কাকে বলে ?

উত্তরঃ পলাশির যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নবাব মির জাফরের থেকে বিপুল পরিমাণ সম্পদ আদায় করে। কোম্পানি ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ নেয় এবং ক্লাইভসহ কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে বিপুল ধনসম্পদ লাভ করেন। এই সম্পদ-আত্মসাৎকেই ‘পলাশির লুণ্ঠন’ বলা হয়।

(ঘ) দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বলতে কী বোঝো ?

উত্তরঃ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বলতে এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে প্রশাসনিক ক্ষমতা দুটি পৃথক পক্ষের মধ্যে বিভক্ত ছিল। ১৭৬৫ সালে কোম্পানি দেওয়ানি লাভের পর আইন-শৃঙ্খলার দায়িত্ব নবাব নজমউদ-দৌলার হাতে থাকলেও রাজস্ব আদায়ের অধিকার ছিল ব্রিটিশ কোম্পানির হাতে। ফলে নবাব ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কিন্তু ক্ষমতাহীন, আর কোম্পানি ছিল ক্ষমতাবান কিন্তু দায়িত্বহীন। এই ব্যবস্থাকেই দ্বৈতশাসন (Dual System of Administration) বলা হয়।

(ঙ) ব্রিটিশ রেসিডেন্টদের কাজ কী ছিল ?

উত্তরঃ ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধের পর কোম্পানি বাংলা, অযোধ্যা ও হায়দরাবাদে রেসিডেন্ট নিয়োগ করে। লর্ড ওয়েলেসলির শাসনকালে রেসিডেন্টরা আগ্রাসী নীতি গ্রহণ করে। তারা অনেক সময় কোম্পানিকে এলাকা দখলের জন্য উসকে দিত। অধীনতামূলক মিত্রতার নীতির মাধ্যমে তারা রাজ্যগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করত।

৪। নিজের ভাষায় লেখো (১২০-১৬০টি শব্দ) :

(ক) অষ্টাদশ শতকে ভারতে প্রধান আঞ্চলিক শক্তিগুলির উত্থানের পিছনে মুঘল সম্রাটদের ব্যক্তিগত অযোগ্যতাই কেবল দায়ী ছিল ? তোমার বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তরঃ অষ্টাদশ শতকে ভারতে আঞ্চলিক শক্তিগুলির উত্থানের পেছনে শুধু মুঘল সম্রাটদের ব্যক্তিগত অযোগ্যতা নয়, আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ কাজ করেছিল। অবশ্যই, ঔরঙ্গজেবের পরে অধিকাংশ মুঘল সম্রাট ছিলেন দুর্বল, অযোগ্য ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অক্ষম। তাঁদের অদক্ষতা প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তবে এককভাবে এ কারণটি যথেষ্ট নয়।

মুঘল সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল, প্রাদেশিক সুবাদাররা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাহ্য করে স্বাধীনভাবে কাজ করতে শুরু করেন। আবার, বারোভুঁইয়া, শিখ, রাজপুত, মারাঠা, জাঠ প্রভৃতির মতো শক্তিগুলি তাদের নিজস্ব স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় হয়। নানা প্রাদেশিক বিদ্রোহ, অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও দুর্নীতিও সাম্রাজ্যকে দুর্বল করে তোলে।

এই সব কারণ মিলেই মুঘল সাম্রাজ্যের অবক্ষয় ত্বরান্বিত করে এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলির উত্থানের পথ সুগম করে। অতএব, শুধু সম্রাটদের ব্যক্তিগত অযোগ্যতা নয়, বহুবিধ কারণ এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

(খ) পলাশির যুদ্ধ ও বক্সারের যুদ্ধের মধ্যে কোনটি ব্রিটিশ কোম্পানির ভারতে ক্ষমতা বিস্তারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল তোমার বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তরঃ পলাশির যুদ্ধ (১৭৫৭) ছিল ব্রিটিশ কোম্পানির ভারতীয় রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সূচনা, কিন্তু বক্সারের যুদ্ধ (১৭৬৪) ছিল কোম্পানির প্রকৃত ক্ষমতা বিস্তারের মূল ভিত্তি। পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে কোম্পানি বাংলার রাজনৈতিক ক্ষমতার উপর প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। কিন্তু তখনও তারা সরাসরি শাসনক্ষমতা অর্জন করেনি।

অন্যদিকে, বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম, নবাব শুজাউদ্দৌলা ও মুঘল সম্রাট শাহ আলমকে পরাজিত করার পর কোম্পানি ১৭৬৫ সালে দিল্লির সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার দেওয়ানি লাভ করে। এর মাধ্যমে তারা রাজস্ব আদায়ের অধিকার পায় এবং কার্যত বাংলার শাসক হয়ে ওঠে। সুতরাং, যদিও পলাশির যুদ্ধ একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা, তবুও কোম্পানির ক্ষমতা বিস্তারের ক্ষেত্রে বক্সারের যুদ্ধ অধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এর ফলেই কোম্পানি প্রথমবার সরাসরি প্রশাসনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

(গ) মির কাশিমের সঙ্গে ব্রিটিশ কোম্পানির বিরোধের ক্ষেত্রে কোম্পানির বণিকদের ব্যক্তিগত ব্যবসার কী ভূমিকা ছিল ? বাংলায় শাসন ব্যবস্থার প্রভাব কী হয়েছিল ?

উত্তরঃ নবাব মির কাশিম ব্রিটিশ কোম্পানির সহযোগিতায় নবাব পদে বসেন এবং প্রায় ২১ লক্ষ টাকার সম্পদ ও বর্ধমান, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রামের জমিদারির অধিকার কোম্পানিকে দেন। প্রথমে কোম্পানি তাকে বশংবদ নবাব মনে করলেও তিনি শাসনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বজায় রাখতে সচেষ্ট হন। রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে সরিয়ে মুঙ্গেরে নিয়ে যান, সেনাবাহিনী সংস্কার করেন এবং শক্তিশালী ব্যাঙ্কার জগৎ শেঠদের প্রভাব থেকে দূরে থাকেন।

তবে প্রধান বিরোধ তৈরি হয় কোম্পানির কর্মচারীদের বেআইনি ব্যক্তিগত ব্যবসা নিয়ে। তারা শুল্ক না দিয়ে দেশীয় বণিকদের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়, যা নবাব মির কাশিম বন্ধ করতে চান। কোম্পানির এই অনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বাংলার শাসন ও অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। নবাবের রাজস্ব আদায় কমে যায়, দেশীয় বণিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অন্যান্য বিদেশি বণিক গোষ্ঠীও অসন্তোষ প্রকাশ করে।
অবশেষে, দেশীয় বণিকদের রক্ষা করতে মির কাশিম সকলের উপর থেকে শুল্ক তুলে নেন। এতে সাময়িক স্বস্তি এলেও নবাবি কোষাগারে ঘাটতি দেখা দেয়। এই বিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে সরাসরি সংঘর্ষে পরিণত হয়।

(ঘ) ভারতে ব্রিটিশ কোম্পানির আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি থেকে স্বত্ববিলোপ নীতিতে বিবর্তনকে কীভাবে ব্যাখ্যা করবে ?

উত্তরঃ ভারতে ব্রিটিশ কোম্পানির আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে প্রথমে “অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি” অনুসরণ করা হয়। লর্ড ওয়েলেসলি এই নীতির প্রবর্তন করেন। এই নীতির আওতায় দেশীয় রাজ্যগুলিকে একটি চুক্তির মাধ্যমে কোম্পানির অধীন করা হতো। রাজ্যগুলিকে কোম্পানির সেনাবাহিনী রাখতে হত ও খরচ বহন করতে হত। পরবর্তী সময়ে এই চুক্তির মাধ্যমে রেসিডেন্ট নিয়োগ করে রাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও হস্তক্ষেপ শুরু করে কোম্পানি। ফলে রাজ্যগুলি স্বাধীন থাকলেও আসলে তারা কোম্পানির পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

কিন্তু ১৮৪৮ সালে লর্ড ডালহৌসি “স্বত্ববিলোপ নীতি” (Doctrine of Lapse) গ্রহণ করেন। এই নীতির মাধ্যমে কোনও রাজ্যের শাসকের স্বাভাবিক উত্তরাধিকারী না থাকলে সেই রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হতো। দত্তক পুত্রকে উত্তরাধিকার স্বীকৃতি না দিয়ে অনেক রাজ্য দখল করা হয়—যেমন সাতারা, ঝাঁসি, নাগপুর প্রভৃতি।

এইভাবে ব্রিটিশরা মিত্রতার নামে প্রথমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং পরে সুযোগ বুঝে স্বত্ববিলোপের মাধ্যমে রাজ্যগুলো দখল করে সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠা করে। এটি ছিল কোম্পানির আধিপত্য বিস্তারের কৌশলগত বিবর্তন।

(ঙ) মুর্শিদকুলি খান ও আলীবর্দী খান-এর সময়ে বাংলার সঙ্গে মুঘল শাসনের সম্পর্কে চরিত্র কেমন ছিল ?

উত্তরঃ মুর্শিদকুলি খান ও আলীবর্দী খানের শাসনকালে বাংলার সঙ্গে মুঘল শাসনের সম্পর্ক ছিল নামমাত্র। যদিও তাঁরা মুঘল সম্রাটের আনুগত্য প্রকাশ করতেন এবং সম্রাটের নামে মুদ্রা চালু রাখতেন, প্রকৃতপক্ষে তাঁরা ছিলেন স্বাধীন শাসক।

মুর্শিদকুলি খান বাংলায় সুবাদারি লাভ করে প্রশাসনিক সংস্কার ও আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রাজস্ব আদায় ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনে জমিদারদের নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং কর আদায় নিশ্চিত করেন। দিল্লির প্রতি আনুগত্য দেখালেও তিনি নিজের মতো করে শাসন পরিচালনা করতেন।

আলীবর্দী খানও একই ধারা বজায় রাখেন। তিনি মুঘল দরবারের প্রতি আনুগত্য দেখালেও প্রশাসনিক, সামরিক ও আর্থিক বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিলেন। তিনি মারাঠা আক্রমণ প্রতিহত করে বাংলার স্বাধীনতা রক্ষা করেন এবং নিজের ক্ষমতা সংহত করেন।

এই দুই নবাবের সময় বাংলার শাসন কার্যত স্বাধীন ছিল। দিল্লির মুঘল সম্রাটের প্রভাব শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ফলে এই সময়ে বাংলার সঙ্গে মুঘল শাসনের সম্পর্ক ছিল নামমাত্র ও সৌজন্যমূলক, কিন্তু বাস্তবে বাংলার নবাবরা ছিলেন স্বশাসিত শাসক।

📌 আরো দেখুনঃ

📌 অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ

📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply

  • Post comments:0 Comments
  • Reading time:7 mins read