অষ্টম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-১ | Class 8 Geography First Unit Test Question with Answer Set-1 wbbse

FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 8 (VIII) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER

Set-1

অষ্টম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-১ | Class 8 Geography First Unit Test Question with Answer Set-1 wbbse

∆ পাঠ্যসূচি

অধ্যায় – ১. পৃথিবীর অন্দরমহল
অধ্যায় – ২. অস্থিত পৃথিবী
অধ্যায় – ৩. শিলা
অধ্যায় – ৮. ভারতের প্রতিবেশী দেশসমূহ ও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক।

📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৫
অষ্টম শ্রেণি
বিষয় : ভূগোল

পূর্ণমান-৩০                সময় : ১ ঘণ্টা মিনিট

Jiaganj Birendra Singh Singhi High School (H.S.)
1st. Summative Evaluation – 2025
Class – VIII
Sub : Geography

F.M. – 30                   Time – 1 Hour

1. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো : 1×4=4

(i) ক্রোফেসিমা ও নিফেসিমার মাঝে আছে-
(ক) কনরাড
(খ) মোহোরোভিসিক
(গ) রেপিত্তি
(ঘ) গুটেনবার্গ বিযুক্তি রেখা

উত্তরঃ (গ) রেপিত্তি।

(ⅱ) ভূ-পৃষ্ঠে প্রভাব বিস্তারকারী একটি অন্তর্জাত প্রক্রিয়া হলো-
(ক) নদী
(খ) হিমবাহ
(গ) বায়ু
(ঘ) ভূমিকম্প

উত্তরঃ (ঘ) ভূমিকম্প।

(iii) একটি পাললিক শিলার উদাহরণ হল-
(ক) গ্রাফাইট
(খ) গ্রানাইট
(গ) নিস
(ঘ) সেল

উত্তরঃ (ঘ) সেল।

(iv) পাকিস্তানের প্রধান নদী হল-
(ক) সিন্ধু
(খ) মহাবলীগঙ্গা
(গ) ব্রহ্মপুত্র
(ঘ) পদ্মা

উত্তরঃ (ক) সিন্ধু।

2. এক কথায় উত্তর দাওঃ 1×4=4

(i) পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত ?

উত্তরঃ ৬৩৭০ কিঃমিঃ।

(ii) মহীসঞ্চরণ তত্ত্বের জনক কে ?

উত্তরঃ আলফ্রেড ওয়েগনার।

(iii) ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গের গতিবেগ সব থেকে বেশি ?

উত্তরঃ P তরঙ্গ।

(iv) কোন দেশকে বজ্রপাতের দেশ বলা হয় ?

উত্তরঃ ভূটান।

3. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও : 4×1=4

(i) স্ট্যালাকটাইট (a) ব্যাসল্ট

(ii) কোয়ার্টজাইট (b) গ্রানাইট

(iii) ছোটনাগপুর মালভূমি (c) চুনাপাথর

(iv) দাক্ষিণাত্য মালভূমি (d) বেলে পাথর

উত্তরঃ (i) স্ট্যালাকটাইট (c) চুনাপাথর

(ii) কোয়ার্টজাইট (d) বেলে পাথর

(iii) ছোটনাগপুর মালভূমি (b) গ্রানাইট

(iv) দাক্ষিণাত্য মালভূমি (a) ব্যাসল্ট

4. নীচের বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে পাশে শু এবং অশুদ্ধ হলে পাশে অ লেখ : 3×1=3

(i) ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ও তীব্রতা পরিমাপ করা হয় সিসমোগ্রাফ যন্ত্রে।

উত্তরঃ অ

(ii) হিমালয় হল একটি নবীন ভঙ্গিল পর্বত।

উত্তরঃ শু

(iii) ভারতের একটি প্রতিবেশী দ্বীপদেশ হলো নেপাল।

উত্তরঃ শু

5. টীকা লেখঃ (২টি) : 2×2=4

(i) অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার

উত্তরঃ অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার : শিলামণ্ডলের নিচে ও গুরুমণ্ডলের উপরের অংশে একটি বিশেষ স্তর আছে যা সান্দ্র বা অর্ধ-তরল অবস্থায় থাকে, একে অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার বলে। গ্রিক শব্দ ‘Asthenos’-এর অর্থ হলো ‘দুর্বল’।

বৈশিষ্ট্য: অত্যধিক তাপ ও চাপের ফলে এই স্তরের শিলা পিচ্ছিল ও থকথকে কাদার মতো হয়। এর উপরেই পৃথিবীর পাতগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে।

(ii) জীবাশ্ম

উত্তরঃ জীবাশ্ম (Fossil) : পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হওয়ার সময় অনেক সময় মৃত উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ তার মধ্যে চাপা পড়ে যায়। দীর্ঘকাল পর সেই ছাপ বা দেহাবশেষ পাথরে পরিণত হলে তাকে জীবাশ্ম বলা হয়।

গুরুত্ব: জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে পৃথিবীর প্রাচীন প্রাণের বিবর্তন এবং শিলার বয়স নির্ধারণ করা সম্ভব হয়। সাধারণত আগ্নেয় শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।

(iii) SAARC

উত্তরঃ দক্ষিণ এশিয়ার আটটি প্রতিবেশী দেশ নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক সংগঠন হলো SAARC (South Asian Association for Regional Cooperation)। এর সদর দপ্তর নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত।

সদস্য দেশ: ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ এবং আফগানিস্তান।

উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

6. নিচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাওঃ- (২টি) : 3×2=6

(i) পাত কী ? অভিসারী ও অপসারী পাত সীমানা বলতে কী বোঝো ?

উত্তরঃ পাত (Plate) : ভূ-বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর শিলামণ্ডল (Lithosphere) কতগুলো ছোটো-বড়ো খণ্ডে বিভক্ত। এই কঠিন ও বিশাল ভূ-খণ্ডগুলোকে ‘পাত’ বলা হয়। পাতগুলো নিচের সান্দ্র অ্যাস্থেনোস্ফিয়ারের ওপর ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং অত্যন্ত ধীর গতিতে স্থান পরিবর্তন করে। পৃথিবীতে ৭টি বড় এবং অনেকগুলো মাঝারি ও ছোট পাত রয়েছে।

∆ অভিসারী ও অপসারী পাত সীমানা—

ভূপৃষ্ঠে পাতের চলন বা গতির ওপর ভিত্তি করে এই দুই প্রকার সীমানা গঠিত হয়—

বৈশিষ্ট্য : অভিসারী পাত সীমানা, অপসারী পাত সীমানা।

∆ গতি প্রকৃতি—

অভিসারী : যখন দুটি পাত পরস্পরের অভিমুখে অগ্রসর হয় এবং একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

অপসারী : যখন দুটি পাত পরস্পরের বিপরীত দিকে দূরে সরে যায়।

∆ ফলাফল—

ভারী পাতটি হালকা পাতের নিচে প্রবেশ করে এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। তাই অভিসারী পাত সীমানাকে ‘বিনাশকারী পাত সীমানা’ বলে।

পাতের মধ্যবর্তী ফাটল দিয়ে ভূ-অভ্যন্তরের ম্যাগমা উপরে উঠে এসে নতুন ভূ-ত্বক তৈরি করে। তাই অপসারী পাত সীমানাকে ‘গঠনকারী পাত সীমানা’ বলে।

∆ পাত সীমানার উদাহরণ—

অভিসারী : ইউরেশীয় ও ভারতীয় পাতের সংঘর্ষে হিমালয় পর্বতমালা সৃষ্টি হয়েছে।

অপসারী : মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা এই সীমানার একটি শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

(ii) সক্রিয়তার ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরির শ্রেণীবিভাগ করো।

উত্তরঃ সক্রিয়তার ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ—

১. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (Active Volcano) : যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে সৃষ্টির সময় থেকেই অবিরত বা প্রায়ই অগ্ন্যুৎপাত ঘটে চলেছে, তাদের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বলে।

উদাহরণ: ইতালির মাউন্ট এটনা, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মোনা লোয়া। ভারতের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের ব্যারেন।

২. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Dormant Volcano) : যেসব আগ্নেয়গিরি একবার অগ্ন্যুৎপাতের পর দীর্ঘকাল শান্ত থাকে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সময় আবার অগ্ন্যুৎপাতের সম্ভাবনা থাকে, তাদের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে। এগুলি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়।

উদাহরণ: জাপানের ফুজিয়ামা, ইতালির ভিসুভিয়াস।

৩. মৃত আগ্নেয়গিরি (Extinct Volcano) : যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে ঐতিহাসিক কালে কোনো অগ্ন্যুৎপাত হয়নি এবং ভবিষ্যতে অগ্ন্যুৎপাত হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই, তাদের মৃত আগ্নেয়গিরি বলে।

উদাহরণ: মায়ানমারের পোপো, মেক্সিকোর পারকুটিন।

(iii) শ্রীলঙ্কার কৃষিজ ও খনিজ সম্পদ সম্পর্কে লেখ।

উত্তরঃ শ্রীলঙ্কার কৃষিজ ও খনিজ সম্পদ—

১. কৃষিজ সম্পদ: শ্রীলঙ্কার আদিবাসীদের প্রধান জীবিকা হলো কৃষিকাজ। এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসলগুলি হলো—

ধান: বছরে দুবার বর্ষাকাল হওয়ার কারণে শ্রীলঙ্কায় প্রচুর পরিমাণে ধান চাষ করা হয়।

নারকেল ও অন্যান্য: নারকেল এদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচুর নারকেল গাছ দেখা যায়। এছাড়া তৈলবীজ, তুলো ও সিঙ্কোনা চাষও বেশ উল্লেখযোগ্য।

চা ও রবার: চা উৎপাদন ও রপ্তানিতে শ্রীলঙ্কা বিশ্বে এক বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী। এছাড়া রবার চাষেও এই দেশ বিখ্যাত।

মশলা: দারুচিনি, লবঙ্গ ও গোলমরিচ উৎপাদনে শ্রীলঙ্কা অনন্য। প্রচুর দারুচিনি উৎপাদনের জন্য একে ‘দারুচিনির দ্বীপ’ বলা হয়।

২. খনিজ সম্পদ: খনিজ উত্তোলনেও শ্রীলঙ্কা বেশ সমৃদ্ধ—

গ্রাফাইট: গ্রাফাইট উৎপাদনে শ্রীলঙ্কা পৃথিবীতে প্রথম স্থান অধিকার করে।

মূল্যবান রত্ন: এখানে প্রচুর পরিমাণে মূল্যবান রত্ন পাওয়া যায়, যেমন— নীলকান্তমণি, পদ্মরাগমণি ও বৈদুর্যমণি।

7. নিচের যে কোন ১টি প্রশ্নের উত্তর দাওঃ 5×1=5

(i) পৃথিবীর অভ্যন্তরীন গঠন চিত্রসহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভূত্বক ও গুরুমণ্ডলের পরবর্তী এবং কেন্দ্রের চারদিকে বেষ্টনকারী শেষ স্তরটি হলো কেন্দ্রমণ্ডল (Core)। এই স্তরটি প্রায় ৩৫০০ কিমি গভীর। অত্যন্ত ভারী নিকেল (Ni) আর লোহা (Fe) দিয়ে তৈরি বলে একে (Nife) ‘নিফে’ বলে। এর গড় তাপমাত্রা প্রায় ৫০০০° সেলসিয়াস। এই স্তরের গড় ঘনত্ব প্রায় ৯.১ থেকে ১৩.১ গ্রাম/ঘনসেমি। পদার্থের ঘনত্ব, উয়তা, চাপ কেন্দ্রমন্ডলের সবজায়গায় একরকম নয়। এগুলোর ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা কেন্দ্রমণ্ডলকে দুটি অংশে বিভক্ত করেছেন—

(১) অন্তঃকেন্দ্রমণ্ডল : এই স্তর পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রের চারদিকে রয়েছে। এই স্তরের গভীরতা ৫১০০ কিমি থেকে প্রায় ৬৩৭০ কিমি। এই স্তরের চাপ, তাপ, ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। অত্যধিক চাপের ফলে পদার্থগুলো এখানে কঠিন অবস্থায় আছে।

(২) বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল : অন্তঃকেন্দ্রমণ্ডলের চারদিকে রয়েছে বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল। এই স্তর ২৯০০ কিমি-৫১০০ কিমি গভীর। এর চাপ, তাপ ও ঘনত্ব অন্তঃকেন্দ্রমন্ডলের তুলনায় কম। এই স্তর অর্ধকঠিন অবস্থায় পৃথিবীর অক্ষের চারদিকে আবর্তন করে চলেছে। এই স্তরে সান্দ্র অবস্থায় থাকা লোহা ও নিকেল প্রচন্ড গতিতে ঘুরতে ঘুরতে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করেছে, যেখান থেকেই সৃষ্টি হেেয়ছে পৃথিবীর চৌম্বকত্ব।

(পৃথিবীর অভ্যন্তরের চিত্র আঁকতে হবে, পৃষ্ঠা নাম্বার ৬)

(ii) আগ্নেয় শিলা কাকে বলে ? উদাহরণ দাও। আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখ।

উত্তরঃ আগ্নেয় শিলা (Igneous Rock)—

সংজ্ঞা: পৃথিবী সৃষ্টির সময় উত্তপ্ত ও গ্যাসীয় অবস্থায় ছিল। পরে ধীরে ধীরে তাপ বিকিরণ করে শীতল ও কঠিন হওয়ার সময় যে শিলা প্রথম তৈরি হয়েছিল, তাকে আগ্নেয় শিলা বলে। ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত ম্যাগমা উপরে উঠে এসে বা ভেতরে শীতল হয়ে এই শিলা গঠন করে। এটি পৃথিবীতে প্রথম সৃষ্টি হয়েছিল বলে একে ‘প্রাথমিক শিলা’ও বলা হয়।

উদাহরণ: গ্রানাইট, ব্যাসাল্ট, পিউমিস (ঝামা পাথর) ইত্যাদি।

কঠিন ও ভারী: এই শিলা অত্যন্ত কঠিন, ঘন এবং ভারী হয়, তাই সহজে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।

অকেলাসিত বা কেলাসিত: এই শিলা সাধারণত কেলাসিত (Crystalline) প্রকৃতির হয়। ম্যাগমা কত দ্রুত শীতল হচ্ছে তার ওপর কেলাসের আকার নির্ভর করে।

স্তরহীন: পাললিক শিলার মতো এই শিলার মধ্যে কোনো স্তর লক্ষ্য করা যায় না, তাই এটি অস্তরীভূত শিলা।

জীবাশ্মহীন: অত্যন্ত উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এই শিলা তৈরি হয় বলে এর মধ্যে কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ বা জীবাশ্ম দেখা যায় না।

ভঙ্গুরতা : ভঙ্গুরাতা যথেষ্ট কম হয় ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বেশি।

📌আরও পড়ুনঃ

📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply