FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 8 (VIII) WBBSE
BENGALI QUESTION PAPER
Set-4
অষ্টম শ্রেণির বাংলা প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৪ | Class 8 Bengali First Unit Test Question with Answer Set-4 wbbse
∆ পাঠ্যসূচি—
∆ সাহিত্যমেলাঃ
গদ্য– অদ্ভুত আতিথেয়তা, বনভোজনের ব্যাপার, চিঠি, পথচতি,
পদ্য– বোঝাপড়া, সবুজ জামা, পরবাসী, একটি চড়ুই পাখি।
নাটক– চন্দ্রগুপ্ত।
∆ ছোটদের পথের পাঁচালী– প্রথম থেকে অষ্টম পরিচ্ছেদ।
∆ ভাষাচর্চা– দল, ধ্বনি পরিবর্তন, প্রবাদ প্রবচন।
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
বাহাদুরপুর হাইস্কুল (উ.মা.)
প্রথম পর্যায় এমিক মূল্যায়ন ২০২৫
অষ্টম শ্রেণি
বিষয় : বাংলা
সময় : ৬০ মিনিট পূর্ণমান : ৩০
১। সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো (যে কোন ৭টি) : ১×৭=৭
১.১ “কী বিচিত্র এই দেশ” বক্তা হলেন— (সেলুকাস / সেকেন্দার / চন্দ্রগুপ্ত / আন্টিগোনস্)।
উত্তরঃ সেকেন্দার।
১.২ মুরসেনাপতি ও আরবসেনাপতি কী বিষয়ে গল্প করছিলেন- (তাদের ছেলেবেলা বিষয়ে / পূর্বপুরুষদের বীরত্ব বিষয়ে / আতিথেয়তা বিষয়ে / কোনটিই নয়)।
উত্তরঃ পূর্বপুরুষদের বীরত্ব বিষয়ে।
১.৩ তোতাই বাবু সবুজ জামা পরলে গায়ে বসবে— (মৌমাছি / প্রজাপতি / মশা / পিঁপড়ে)।
উত্তরঃ প্রজাপতি।
১.৪ করিয়া > কইর্যা > করে– এখানে যে নিয়মে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটেছে তাহল— (অপিনিহিতি / অভিশ্রুতি / সমীভবন / স্বরসংগতি)।
উত্তরঃ অভিশ্রুতি।
১.৫ বোঝাপড়া শব্দটিতে দলের সংখ্যা— (তিনটি / চারটি / পাঁচটি / ছয়টি)।
উত্তরঃ চারটি।
১.৬ পূর্ববর্তী স্বরের প্রভাবে পরবর্তী স্বরের পরিবর্তন হলে তাকে বলা হয়- (মধ্যগত স্বরসংগতি / অভিশ্রুতি / প্রগত সমীভবন / সমীকরণ)।
উত্তরঃ মধ্যগত স্বরসংগতি।
১.৭ রাজহাঁসের ডিম আনার দারিত্ব দেওয়া হয়েছিল- (ক্যাবলা / প্যালা / ভন্টা / টেনিদা) কে।
উত্তরঃ প্যালা।
১.৮ ইচ্ছে হলে আজই যেতে পারি এপাড়ায় ওপাড়ায়- (ঘোষেদের / বোসেদের / দত্তদের / মুখুজ্যেদের) বাড়ি।
উত্তরঃ বোসেদের।
১.৯ পথের পাঁচালী উপন্যাসে শুরুতে যে ঋতুর কথা বলাহয়েছে- (শীত / গ্রীষ্ম / শরৎ / হেমন্ত)।
উত্তরঃ গ্রীষ্ম।
১.১০ ‘বাঘের বিক্রম সম মাঘের হিমানী’ উক্তিটি (মাইকেল মধুসূদন দত্ত / ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর / মিলটন / ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর) এর।
উত্তরঃ ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর।
২। পূর্ণবাক্যে উত্তর দাও (যে কোন ছয়টি) : ১×৬=৬
২.১ চিতার চলে যাওয়ার ছন্দটি কেমন ?
উত্তরঃ চিতার চলে যাওয়ার ছন্দটি হলো লুব্ধ হিংস্র এবং ক্ষিপ্র।
২.২ পাঠানদের পশতু ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবির নাম কী ?
উত্তরঃ পাঠানদের পশতু ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ কবির নাম খুশহাল খাঁ খাট্টক।
২.৩ ‘একটি চড়ুই পাখি’ কবিতাটির কবির নাম লেখো।
উত্তরঃ ‘একটি চড়ুই পাখি’ কবিতাটির কবির নাম তারাপদ রায়।
২.৪ ‘এই কাব্য অদ্ভুতরকম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে’– কোন কাব্যের কথা বলা হয়েছে ?
উত্তরঃ এখানে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর কথা বলা হয়েছে।
২.৫ এই বাজে ঘরে আছি নিতান্ত মায়ার শরীর আমার তাই। (জটিল বাক্যে)
উত্তরঃ যেহেতু আমার শরীর নিতান্ত মায়ার, তাই এই বাজে ঘরে আছি।
২.৬ ‘সেইটে সবার চেয়ে শ্রেয়।’— কোনটি সবার চেয়ে শ্রেয় ?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে, মনের সঙ্গে বোঝাপড়া করে পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই সবার চেয়ে শ্রেয়।
২.৭ বনভোজনের জায়গা কোথায় ঠিক হয়েছিল ?
উত্তরঃ বনভােজনের জায়গা ঠিক হয়েছিল বাগুইআটি ছাড়িয়ে আরও চারটে স্টেশন পরে ক্যাবলার মামার বাড়ির কাছে এক বাগানবাড়িতে।
২.৮ অপু কোথায় খরগোশের ছবি দেখেছিল ?
উত্তরঃ অপু তার বাবা নীলমণি রায়ের একটি পুরোনো আলমারিতে রাখা মলাট-ছেঁড়া ‘বিচিত্র জগৎ’ বইটিতে খরগোশের ছবি দেখেছিল।
৩। যে কোন তিনটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩×৩=৯
৩.১ ‘তা এই পত্রে লিখে নিচ্ছিলাম।’– কার উক্তি ? সে কী লিখে নিচ্ছিল ? তার এই লিখে নেওয়ার উদ্দেশ্য কী ?
উত্তরঃ এই উক্তিটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের।
তিনি তাঁর লেখা মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর চতুর্থ স্বর্গের কিছু অংশ চিঠিতে লিখে নিচ্ছিলেন।
উদ্দেশ্য: বন্ধু রাজনারায়ণ বসুকে তাঁর নবসৃষ্ট কাব্যের গঠনশৈলী, উপমা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রয়োগ সম্পর্কে অবহিত করাই ছিল তাঁর মূল উদ্দেশ্য।
৩.২ ‘হয়তো ভাবে’ – চড়ুই পাখি কী ভাবে বলে কবি মনে করেন ?
উত্তরঃ চড়ুইয়ের ভাবনা: তারাপদ রায়ের ‘একটি চড়ুই পাখি’ কবিতায় চড়ুইটি ভাবে যে, এই কক্ষের মালিক (কবি) হয়তো একদিন এই ঘর ছেড়ে চলে যাবেন। তখন এই ঘরের জানলা, দরজা, টেবিলের ফুলদানি এবং বইপত্রের একচ্ছত্র মালিক সে নিজেই হবে।
৩.৩ বনভোজনের দ্বিতীয় তালিকায় কী কী খাদ্যের উল্লেখ ছিল এবং কে কী কাজের দায়িত্ব নিয়েছিল ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় তালিকার খাদ্য: বনভোজনের দ্বিতীয় তালিকায় ছিল— খিচুড়ি, আলুভাজা, পোনা মাছের কালিয়া এবং আমের আচার।
কাজের দায়িত্ব: রান্নার দায়িত্ব নিয়েছিল ক্যাবলা (সে ভালো রাঁধতে পারত)। বাজার করার দায়িত্ব ছিল প্যালা এবং হাবুল-এর ওপর। আর দলের নেতা টেনিদা ছিলেন সামগ্রিক তত্ত্বাবধান ও হুকুম দেওয়ার দায়িত্বে।
৩.৪ ‘সিন্ধু মুনির হরিণ আহ্বান’ কবি কীভাবে শুনেছেন ?
উত্তরঃ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ‘দাঁড়াও’ কবিতায় কবি ‘সিন্ধু মুনির হরিণ আহ্বান’ শুনেছেন মানুষের ক্রন্দন বা আর্তনাদের মধ্যে দিয়ে। অরণ্যের প্রকৃতির শব্দের গভীরে কবি মানুষের অসহায়তা এবং ভালোবাসার ডাক শুনতে পেয়েছেন।
৪। যে-কোন ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ১×৩
৪.১ দুপুরে খাওয়ার পর অপু কী করত ?
উত্তরঃ খেলার সরঞ্জাম নিয়ে বসা: অপু তার প্রিয় টিনের বাকসোটি নিয়ে বসত। তাতে থাকা কড়ড়ি, নাটা ফল, ভাঙা কাঁচের চুড়ি বা কাঠের ঘোড়া নিয়ে সে নির্জনে খেলা করত।
কল্পনার জগৎ: সে ঘরের রোয়াকে বা জানলার ধারে বসে বাইরের প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে থাকত। নীলমণি রায়ের সেই পুরনো আলমারি থেকে পাওয়া ‘বিচিত্র জগৎ’ বইটি নিয়ে সে ছবি দেখত এবং অচেনা দেশ বা সমুদ্রের কথা কল্পনা করত।
দুষ্টুমি ও ঘোরাঘুরি: কখনও কখনও সে চুপিচুপি বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ত। বাঁশবাগানের ছায়া বা নির্জন পথের ধারে আপন মনে ঘুরে বেড়াত এবং প্রকৃতির তুচ্ছাতিতুচ্ছ জিনিসের মধ্যে রোমাঞ্চ খুঁজে পেত।
৪.২ আলকুশি কী ? অপু কার সঙ্গে কুঠির মাঠ দেখতে গিয়েছিল ?
উত্তরঃ অপুর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল বনের পথ পেরিয়ে দূরের সেই রহস্যময় ‘কুঠির মাঠ’ দেখার। একদিন তার বাবা হরিহর তাকে সঙ্গে করে সেই মাঠে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে অপু নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ, ইছামতী নদী এবং দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ দেখে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়েছিল। প্রকৃতির সেই বিশালতা তার শিশু মনে এক গভীর রেখাপাত করেছিল।
অপু তার বাবা হরিহর রায়ের সঙ্গে প্রথমবার কুঠির মাঠ দেখতে গিয়েছিল।
৫। যে-কোন ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৫
৫.১ ‘তাহার অনুসরণ করিতেছিলেন’– কার কথা বলা হয়েছে ? তিনি কাকে অনুসরণ করছিলেন ? তার এই অনুসরণের কারণ কী ? শত্রুকে কাছে পেয়েও তিনি বৈরসাধন সংকল্প সাধন করেননি কেন ? ১+১+১+২
উত্তরঃ এখানে আরব সেনাপতির কথা বলা হয়েছে।
তিনি তাঁর শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মুর সেনাপতিকে অনুসরণ করছিলেন।
আরব সেনাপতি কথোপকথনের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলেন যে, এই মুর সেনাপতিই তাঁর পিতার হত্যাকারী। তাই পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তিনি পরদিন সকালে সূর্যোদয়ের পর ঘোড়ায় চড়ে সশস্ত্র অবস্থায় মুর সেনাপতিকে তাড়া বা অনুসরণ করেছিলেন।
আরব জাতির কাছে ‘আতিথেয়তা’ পরম ধর্ম। মুর সেনাপতি যখন আরব সেনাপতির শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তখন তিনি ছিলেন একজন ‘অতিথি’। আরব সেনাপতি জানতেন যে, নিজ গৃহে আশ্রয় নেওয়া অতিথির কোনো অনিষ্ট করা তাঁদের জাতির নীতি ও ধর্মের বিরোধী। তাই ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার চেয়ে আতিথেয়তার আদর্শকে বড় করে দেখে তিনি শত্রুকে কাছে পেয়েও নিজের সংকল্প সাধন করেননি, বরং তাঁকে নিরাপদে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
৫.২ লেখকের সামনের বেঞ্চির দুই পাঠান সহযাত্রী নিজেদের মধ্যে যে আলোচনা করছিলেন তা নিজের ভাষায় লেখো। লেখক কীভাবে সেই কথার অর্থ বুঝতে পারলেন ? ৩+২
উত্তরঃ গাড়ির সামনের বেঞ্চে বসা দুই পাঠান সহযাত্রী নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত গম্ভীর ও সংক্ষুব্ধভাবে আলোচনা করছিলেন। তাঁদের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল— আমির আমানউল্লা খাঁর আমলের সংস্কার এবং বর্তমানের দুরবস্থা। তাঁরা ক্ষোভের সঙ্গে বলছিলেন যে, আমানউল্লা খাঁকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে আফগানিস্তান এখন ‘রসাতলে’ যাচ্ছে। তাঁদের ভাষায়, এখন চারিদিকে শুধু গোলমাল, লুটতরাজ আর অরাজকতা। তাঁরা আমানউল্লা খাঁর শাসনকালকে স্বর্ণযুগ মনে করতেন এবং বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত ব্যথিত ও ক্রুদ্ধ ছিলেন।
দুই পাঠান যাত্রী নিজেদের মধ্যে পশতু ভাষায় কথা বলছিলেন। লেখক যদিও পশতু ভাষা পুরোপুরি জানতেন না, তবুও তিনি দীর্ঘকাল আফগানিস্তানে (কাবুলে) থাকার ফলে সেই ভাষার শব্দভাণ্ডার ও বলার ধরন সম্পর্কে পরিচিত ছিলেন। পশতু ভাষার সামান্য জ্ঞান এবং সেই সময়কার রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত থাকার কারণেই লেখক তাঁদের আলোচনার মূল সুর ও অর্থ বুঝতে পেরেছিলেন।
📌আরও পড়ুনঃ
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
