সপ্তম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৩ | Class 7 Geography First Unit Test Question with Answer Set-3 wbbse

FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 7 (VII) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER

Set-3

সপ্তম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৩ | Class 7 Geography First Unit Test Question with Answer Set-3 wbbse

পাঠ্যসূচি / Syllabus

অধ্যায়-১ : পৃথিবীর পরিক্রমণ
অধ্যায়-২ : ভূপৃষ্ঠে কোন স্থানের অবস্থান নির্ণয়
অধ্যায়-৩ : বায়ুচাপ
অধ্যায়-৯ : এশিয়া মহাদেশ

প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৫
সপ্তম শ্রেণি
বিষয় : ভূগোল
পূর্ণমান-৩০                               সময় : ১ ঘণ্টা 

১। সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে পূর্ণবাক্যে উত্তর দাও : 1×6-6

(ক) কর্কটসংক্রান্তি বলা হয় (২১ জুন / ২১ মার্চ / ২৩ সেপ্টেম্বর / ২২ ডিসেম্বর)-কে।

উত্তরঃ ২১ জুন।

(খ) পৃথিবীর আবর্তনের গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশী (সুমেরু / নিরক্ষীয় / ক্রান্তীয় / কুমেরু) অঞ্চলে।

উত্তরঃ নিরক্ষীয়।

(গ) সূর্যের উত্তরায়নের শেষ দিন (২১ মার্চ / ২১ জুন / ২২ ডিসেম্বর / ২৩শে সেপ্টেম্বর)।

উত্তরঃ ২১ জুন।

(ঘ) অক্ষরেখার পরিধি মেরুর দিকে ক্রমশ (কমতে থাকে / বাড়তে থাকে / একই থাকে / দ্বিগুণ হয়)।

উত্তরঃ কমতে থাকে।

(ঙ) পন্টিক ও টরাস পর্বতশ্রেণী সৃষ্টি হয়েছে- (পামির গ্রন্থি থেকে / আনাতোলিয়া মালভূমি থেকে / অর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে / তিব্বত মালভূমি থেকে)।

উত্তরঃ অর্মেনীয় গ্রন্থি থেকে।

(চ) ‘চিনের ম্যাঞ্চেস্টার’ বলা হয় (চুংকিংকে / সাংহাইকে / হুনানকে / নানকিংকে)।

উত্তরঃ সাংহাইকে।

২। শূন্যস্থান পূরণ করো (যে কোন ২টি) : 1×2=2

(ক) বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলন কেন্দ্র _______________।

উত্তরঃ সৌদি আরবের ঘাওয়ার।

(খ) _______________ দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে সারা ভারতের প্রমাণ সময় বলে ধরা হয়।

উত্তরঃ ৮২°৩০′ পূর্ব

(গ) বায়ুর চাপ মাপক যন্ত্রের নাম হল ________________।

উত্তরঃ ব্যারোমিটার।

৩। নিম্নলিখিত বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে ‘শু’ এবং অশুদ্ধ হলে ‘অ’ লেখো (যে কোন ২টি) : 1×2=2

(ক) হনসু জাপানের সবচেয়ে বড়ো দ্বীপ।

উত্তরঃ শু

(খ) লেনা-নদী বৈকাল পর্বত থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

উত্তরঃ শু

(গ) দ্রাঘিমারেখার অপর নাম দেশান্তর রেখা।

উত্তরঃ শু

৪। নীচের প্রশ্নগুলির অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 2×2=4

(ক) অধিবর্ষ কী ?

উত্তরঃ পৃথিবীর সূর্যের চারিদিকে পরিক্রমণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড। হিসেবের সুবিধার জন্য ৩৬৫ দিনে এক বছর ধরা হয়। এই বাড়তি সময়টুকু মেটানোর জন্য প্রতি ৪ বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের সাথে ১ দিন যোগ করে (২৯ দিন) বছরটিকে ৩৬৬ দিন করা হয়। একেই অধিবর্ষ বলে।

অথবা, সমচাপ রেখা কাকে বলে ?

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠের যেসব স্থানে বায়ুর চাপ সমান, মানচিত্রে সেই স্থানগুলোকে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে সমচাপ রেখা বলে। এই রেখাগুলি কাছাকাছি থাকলে বায়ুর চাপের পার্থক্য বেশি হয় এবং দূরে থাকলে পার্থক্য কম হয়। সমচাপ রেখা কখনও একে অপরকে ছেদ করে না।

(খ) ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তরঃ ১. এই জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং গ্রীষ্মকাল শুষ্ক থাকে।
২. গ্রীষ্মকালে আকাশ মেঘমুক্ত ও রৌদ্রোজ্জ্বল থাকে।

অথবা, মৌসুমি জলবায়ুর দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তরঃ ১. ঋতু পরিবর্তন: এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঋতু পরিবর্তন। বছরের ছয় মাস সমুদ্র থেকে স্থলের দিকে (আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু) এবং বাকি ছয় মাস স্থল থেকে সমুদ্রের দিকে (শুষ্ক উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু) বায়ু প্রবাহিত হয়।

২. বিপরীতধর্মী বৃষ্টিপাত: মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকাল আর্দ্র এবং শীতকাল শুষ্ক থাকে। মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৯০ শতাংশই গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঘটে।

৫। নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 3×2=6

(ক) চিত্রসহ পৃথিবীর অপসূর ও অনুসুর অবস্থান সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ

১. অনুসুর

তারিখ: ৩ জানুয়ারি।

অবস্থান: কক্ষপথে পরিক্রমণ করার সময় এই দিনটিতে পৃথিবী সূর্যের সবথেকে কাছে অবস্থান করে।

দূরত্ব: পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব কমে হয় প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিলোমিটার।

২. অপসূর

তারিখ: ৪ জুলাই।

অবস্থান: এই দিনটিতে পৃথিবী সূর্য থেকে সবথেকে দূরে অবস্থান করে।

দূরত্ব: পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে হয় প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিলোমিটার।

(পরীক্ষায় উত্তরের সাথে কক্ষপথ এঁকে পৃথিবী ও সূর্যের অবস্থান চিহ্নিত করবে।)

অথবা, চিত্রসহ মহাবিষুব ও জলবিষুব সম্পর্কে লেখ।

(খ) এশিয়ার উত্তরবাহিনী নদীগুলিতে বছরে দুবার বন্যা হয় কেন ?

উত্তরঃ ১. গ্রীষ্মকালীন বন্যা: গ্রীষ্মকালের শুরুতে বৃষ্টির জল এবং পার্বত্য অঞ্চলের বরফ গলা জলে নদীতে জলের পরিমাণ বেড়ে যায়, ফলে প্রথমবার বন্যা দেখা দেয়।

২. বসন্তকালীন বিশেষ পরিস্থিতি: এই নদীগুলি দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে প্রবাহিত। বসন্তকালে নদীর দক্ষিণ অংশ (উৎস অঞ্চল) বরফমুক্ত হয়ে জলপ্রবাহ শুরু হলেও, উত্তর দিকের মোহনা অঞ্চল (মেরুপ্রদেশের কাছে হওয়ায়) তখনও বরফে ঢাকা থাকে। ফলে জল বেরোতে না পেরে নদীর মধ্য ও দক্ষিণ অংশে উপচে পড়ে ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি করে।

অথবা, এশিয়ার উত্তরবাহিনী নদীগুলির গতিপথ বর্ণনা কর।

১. উৎস ও প্রবাহ: এই নদীগুলি এশিয়ার মধ্যভাগের পার্বত্য অঞ্চল বা আলতাই পর্বত ও বৈকাল পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে মহাদেশের ঢাল অনুসারে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়েছে।

২. মোহনা: নদীগুলি দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে উত্তর মহাসাগরের অন্তর্গত কারা সাগর ও ল্যাপটেভ সাগরে গিয়ে মিশেছে।

৩. বন্যা ও জলমগ্নতা: মোহনা অঞ্চল উচ্চ অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় বরফে ঢাকা থাকে। বসন্তকালে নদীর উপরের অংশে (দক্ষিণে) বরফ গললে সেই জল উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়, কিন্তু মোহনায় বরফ জমে থাকায় জল বেরোতে না পেরে নদী অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি করে।

৪. জলাভূমি সৃষ্টি: মোহনাগুলি বরফাবৃত থাকায় নদীর জল চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে অববাহিকার এক বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে বিশাল জলাভূমি সৃষ্টি করেছে।

৬। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : 5×2=10

(ক) ইয়াংসিকিয়াং অববাহিকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ সেট-২ যে দেওয়া হয়েছে।

অথবা, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির খনিজতেল উত্তোলনের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেল ভাণ্ডার সমৃদ্ধ অঞ্চল। বিশ্বের মোট সঞ্চিত তেলের প্রায় অর্ধেকের বেশি এই অঞ্চলেই অবস্থিত।

২. প্রধান দেশ ও তৈলক্ষেত্রসমূহ

সৌদি আরব: এটি এই অঞ্চলের তথা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। এখানকার ঘাওয়ার (Ghawar) তৈলক্ষেত্রটি বিশ্বের বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলনের কেন্দ্র। এছাড়া সাফানিয়া, দাম্মাম ও ধরান উল্লেখযোগ্য তৈলক্ষেত্র।

ইরাক ও ইরান: ইরাকের কির্কুক ও রুমাইলা এবং ইরানের গাডসারান ও আহওয়াজ থেকে প্রচুর তেল উত্তোলন করা হয়।

কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী: কুয়েতের বুরগান বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত তৈলক্ষেত্র। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর আবুধাবি ও দুবাইও তেল উত্তোলনে এগিয়ে।

৩. ভৌগোলিক গুরুত্ব—

পারস্য উপসাগর: এই অঞ্চলের বেশিরভাগ তৈলক্ষেত্র পারস্য উপসাগরীয় উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত, যা সমুদ্রপথে তেল রপ্তানিতে বিশেষ সুবিধা দেয়।

পাইপলাইন: খনি থেকে বন্দরে তেল পাঠানোর জন্য দীর্ঘ পাইপলাইন (যেমন— ট্রান্স-আরবিয়ান পাইপলাইন) ব্যবহার করা হয়।

৪. অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব—

কালো সোনা: খনিজ তেলের ওপর ভিত্তি করেই এই দেশগুলির অর্থনীতি গড়ে উঠেছে, তাই একে ‘কালো সোনা’ বলা হয়।
OPEC গঠন: তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য এই অঞ্চলের দেশগুলি মিলে ওপেক (OPEC) নামক আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠন করেছে।

৫. বিশ্ব অর্থনীতিতে ভূমিকা: বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ তেল এই অঞ্চলের হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

(খ) বায়ুর চাপের পার্থক্যের তিনটি কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ ভূপৃষ্ঠে বায়ুর চাপের পার্থক্যের প্রধান তিনটি কারণ—

১. বায়ুর উষ্ণতার পরিবর্তন: বায়ুর চাপের পার্থক্যের প্রধান কারণ হলো উষ্ণতা। বায়ু উত্তপ্ত হলে তা প্রসারিত ও হালকা হয়, ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি হয় (যেমন: নিরক্ষীয় অঞ্চল)। অন্যদিকে, বায়ু শীতল হলে সংকুচিত ও ভারী হয়, ফলে বায়ুর ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে উচ্চচাপের সৃষ্টি করে (যেমন: মেরু অঞ্চল)। অর্থাৎ, বায়ুর উষ্ণতার সঙ্গে চাপের সম্পর্ক বিপরীত।

২. বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি: বিশুদ্ধ বায়ুর চেয়ে জলীয় বাষ্প হালকা। তাই বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বায়ুর ঘনত্ব ও ওজন কমে যায়, ফলে বায়ুর চাপ কম হয়। এই কারণেই বর্ষাকালে বা আর্দ্র বায়ুতে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, শুষ্ক বায়ুতে জলীয় বাষ্প কম থাকায় তা ভারী হয় এবং বায়ুর চাপ বেশি হয়।

৩. উচ্চতার পরিবর্তন: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যত ওপরে ওঠা যায়, বায়ুর স্তর তত পাতলা হয় এবং বায়ুর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কমে যায়। এর ফলে ওপরের দিকে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ দুই-ই কমতে থাকে। প্রতি ১১০ মিটার উচ্চতা বৃদ্ধিতে প্রায় ১ সেমি পারদ স্তম্ভের সমান বায়ুর চাপ কমে যায়। এই কারণে সমভূমি অঞ্চলের তুলনায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুর চাপ অনেক কম থাকে।

অন্যান্য কারণ: পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণেও বায়ু ছিটকে গিয়ে চাপের তারতম্য ঘটে।

অথবা, অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পাঁচটি পার্থক্য লেখ।

বিষয় অক্ষরেখা দ্রাঘিমারেখা
বিন্যাস এগুলি পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখা। এগুলি উত্তর- দক্ষিণে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখা।
জ্যামিতিক আকার প্রতিটি অক্ষরেখা পূর্ণবৃত্ত। প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা অর্ধবৃত্ত।
দৈর্ঘ্য অক্ষরেখাগুলি পরস্পর সমান্তরাল হলেও মেরুর দিকে এদের পরিধি ক্রমশ কমতে থাকে। প্রতিটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান হয়।
সংখ্যা ও সর্বোচ্চ মান মোট অক্ষরেখার সংখ্যা ১৭৯টি। এর সর্বোচ্চ মান ৯০° (মেরু)। মোট দ্রাঘিমারেখার সংখ্যা ৩৬০টি। এর সর্বোচ্চ মান ১৮০°।
গুরুত্ব অক্ষরেখার সাহায্যে কোনো স্থানের জলবায়ু ও অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়। দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে কোনো স্থানের স্থানীয় সময় নির্ণয় করা হয়।

📌আরও দেখোঃ

📌সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নোত্তরঃ

📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply