2ND SEMESTER EXAMINATION
CLASS 11 (XI) WBCHSE
EDUCATION QUESTION PAPER
Set-1
Class 11 Education 2nd Semester Question Paper Set-1 wbchse | একাদশ শ্রেণি এডুকেশন দ্বিতীয় সেমিস্টার প্রশ্নপত্র সেট-১
📌 একাদশ শ্রেণি প্রশ্নপত্র সেমি-২ Click Here
HAZARATPUR HIGH SCHOOL (H.S.)
2nd Semester Examination-2025
Class-XI
Subject – EDUCATION
F.M. 40 Time : 2 hours
1. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 10×2=20
(i) কোন সময়কে “কৈশোর কাল” বলে অভিহিত করা হয় ? “ফ্লেপার” শব্দটি ব্যাখ্যা করো। ‘কৈশোর কাল’কে কেন ‘ঝড়ঝঞ্ঝার কাল’ বলা হয় ? 1+3+6
(ii) টীকা লেখ : “নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়” অথবা “তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়”। 10
(iii) প্রথম ভারতীয় শিক্ষা কমিশন কী নামে পরিচিত ? ইহা কত খ্রিস্টাব্দে গঠিত হয় ?
জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের কারণগুলি ব্যাখ্যা করো। 1+1+8
2. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 5×2=10
(i) মনোবিদ্যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ লেখ। কেস স্টাডির যেকোন তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। 2+3
(ii) টীকা লেখ : “শ্রবণ সংবেদন”। 5
(iii) নারী শিক্ষা প্রসারে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা লেখো। 5
3. যেকোনো পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 2×5=10
(i) অপারেন্ট অনুবর্তনের প্রবক্তা কে ? “গেস্টাল্ট” শব্দের অর্থ লেখ। 1+1
(ii) বিকাশের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ। 2
(iii) শৈশবের দুটি দৈহিক চাহিদা লেখ। 2
(iv) ব্রাহ্মণ্য শিক্ষা ও বৌদ্ধ শিক্ষার দুটি সাদৃশ্য লেখ। 2
(v) “A” কোর্স ও “B” কোর্স কি ? 2
(vi) রাজা রামমোহন রায় রচিত দুটি পুস্তকের নাম লেখ। 2
(vii) “মুসলিম মহিলা সমিতি” কে গঠন করেন ? 2
উত্তর (ANSWERS)
1. যে-কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 10×2=20
(i) কোন সময়কে “কৈশোর কাল” বলে অভিহিত করা হয় ? “ফ্লেপার” শব্দটি ব্যাখ্যা করো। ‘কৈশোর কাল’কে কেন ‘ঝড়ঝঞ্ঝার কাল’ বলা হয় ? 1+3+6
উত্তরঃ মনোবিদদের মতে, শৈশব ও যৌবনের মধ্যবর্তী সময়কালকে কৈশোর কাল বলা হয়। সাধারণত ১২/১৩ বছর থেকে ১৮/১৯ বছর বয়স পর্যন্ত সময়কালকে ‘কৈশোর কাল’ বা ‘বয়ঃসন্ধিকাল’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
“ফ্লেপার” শব্দের ব্যাখ্যা মনোবিদ স্ট্যানলি হল কৈশোরের ছেলেমেয়েদের ‘ফ্লেপার’ বলে অভিহিত করেছেন।
আক্ষরিক অর্থ : ‘ফ্লেপার’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো ডানা ঝাপটানো।
ব্যাখ্যা : পাখির ছানা যখন বড় হয় এবং প্রথমবার ওড়ার চেষ্টা করে, তখন সে অস্থিরভাবে ডানা ঝাপটায়। ঠিক তেমনি, কৈশোরে পৌঁছালে ছেলেমেয়েদের মধ্যে এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে। তারা শৈশবের গণ্ডি পেরিয়ে বড়দের জগতে প্রবেশ করতে চায়, কিন্তু পুরোপুরি পরিণত না হওয়ায় তাদের আচরণে এক ধরণের চঞ্চলতা ও অস্থিরতা দেখা দেয়। তাদের এই মানসিক ও আচরণগত অবস্থাকে বোঝাতেই ‘ফ্লেপার’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
কৈশোর কালকে ‘ঝড়ঝঞ্ঝার কাল’ বলার কারণঃ
প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী জি. স্ট্যানলি হল কৈশোর কালকে “ঝড়ঝঞ্ঝার কাল” বলে বর্ণনা করেছেন। এর প্রধান কারণগুলি হলো—
শারীরিক পরিবর্তন : এই সময়ে হরমোনের প্রভাবে শরীরে দ্রুত ও আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে গিয়ে কিশোর-কিশোরীরা মানসিক অস্থিরতায় ভোগে।
আবেগের তীব্রতা : কৈশোরে আবেগের আধিক্য দেখা যায়। সামান্য কারণে তারা অত্যন্ত আনন্দিত হয় আবার পরক্ষণেই গভীর হতাশায় ডুবে যায়। রাগ, ভয় বা ভালোবাসার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ কম থাকে।
পরিচয় সংকট : তারা নিজেদের শিশু বলে মানতে চায় না, আবার বড়রাও তাদের পূর্ণবয়স্ক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। এই ‘না শিশু, না বড়’ অবস্থানের কারণে তাদের মধ্যে তীব্র মানসিক দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
বিদ্রোহী মনোভাব: এই সময়ে তারা সামাজিক প্রথা বা বড়দের শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। নিজেদের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তারা প্রায়ই পরিবেশ ও পরিবারের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে।
কল্পনা ও বাস্তবতার সংঘাত : কিশোর-কিশোরীরা প্রায়ই কল্পনার জগতে বাস করে। যখন বাস্তবের কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তখন তাদের মনে তীব্র অশান্তি ও ঝড়ের সৃষ্টি হয়।
উপরে উল্লিখিত শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা এবং পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার কঠিন সংগ্রামের কারণেই এই পর্যায়টিকে ‘ঝড়ঝঞ্ঝার কাল’ বলা হয়।
(iii) প্রথম ভারতীয় শিক্ষা কমিশন কী নামে পরিচিত ? ইহা কত খ্রিস্টাব্দে গঠিত হয় ? জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের কারণগুলি ব্যাখ্যা করো। 1+1+8
উত্তরঃ প্রথম ভারতীয় শিক্ষা কমিশনের নাম ও গঠন—
পরিচয় : ভারতের প্রথম সরকারি শিক্ষা কমিশন হান্টার কমিশন নামে পরিচিত। এর অফিশিয়াল নাম ছিল ‘ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন, ১৮৮২’।
গঠন কাল : এই কমিশন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে (৩ ফেব্রুয়ারি) তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন গঠন করেন।
জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের কারণ—
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ভারতে যে জাতীয় শিক্ষা আন্দোলন শুরু হয়, তার পেছনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল—
লর্ড কার্জনের শিক্ষানীতি (১৯০৪) : ১৯০৪ সালের ‘ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে লর্ড কার্জন উচ্চশিক্ষার ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ কঠোর করেন। এর ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বায়ত্তশাসন খর্ব হয়, যা ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলনের জন্ম দেয়।
উপনিবেশিক শিক্ষার সীমাবদ্ধতা: ব্রিটিশ প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল মূলত সরকারি কাজের জন্য অনুগত ‘কেরানি তৈরির কারখানা’। এই শিক্ষায় ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিকতা বা কারিগরি শিক্ষার কোনো স্থান ছিল না। ফলে একটি বিকল্প জাতীয় শিক্ষার প্রয়োজন অনুভূত হয়।
দমনমূলক ‘কার্লাইল সার্কুলার’: বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের অংশগ্রহণ রুখতে সরকার ১৯০৫ সালে দমনমূলক ‘কার্লাইল সার্কুলার’ জারি করে। এতে হুমকি দেওয়া হয় যে, আন্দোলনে যোগ দিলে ছাত্রদের বৃত্তি কেড়ে নেওয়া হবে এবং স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এর প্রতিবাদে ছাত্ররা সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা বর্জনের ডাক দেয়।
স্বদেশী ও বয়কট আন্দোলনের প্রভাব: স্বদেশী আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবে বিলিতি দ্রব্য বর্জনের পাশাপাশি ব্রিটিশ শিক্ষা ব্যবস্থা বর্জন বা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভারতীয় নেতৃবৃন্দ নিজস্ব অর্থায়নে জাতীয় আদর্শে অনুপ্রাণিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ার ওপর জোর দেন।
শিক্ষিত ও অশিক্ষিত শ্রেণির ব্যবধান : ইংরেজি শিক্ষার প্রসারে শিক্ষিত ও সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি দুস্তর ব্যবধান তৈরি হচ্ছিল। জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা দান করে এই ব্যবধান ঘুচিয়ে জনশিক্ষার প্রসার ঘটানো।
জাতীয় চেতনার উত্থান: বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবোধের উদয় হয়। তাঁরা বুঝতে পারেন যে, বিদেশী নিয়ন্ত্রণে থেকে প্রকৃত মানুষ তৈরি করা সম্ভব নয়। তাই শিক্ষার মাধ্যমে ‘স্বদেশী ভাবনা’ জাগ্রত করতেই এই আন্দোলন বেগবান হয়।
2. যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 5×2=10
(i) মনোবিদ্যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ লেখ। কেস স্টাডির যেকোন তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। 2+3
উত্তরঃ মনোবিদ্যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ—
ইংরেজি ‘Psychology’ (সাইকোলজি) শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে:
‘Psyche’ (সাইকি) – যার অর্থ হলো ‘Atma’ বা আত্মা (Soul)।
‘Logos’ (লোগোস) – যার অর্থ হলো বিজ্ঞান বা বিদ্যা।
সুতরাং, ব্যুৎপত্তিগত অর্থে মনোবিদ্যা বা সাইকোলজি হলো ‘আত্মার বিজ্ঞান’ (Science of Soul)। তবে আধুনিককালে মনোবিদ্যাকে ‘আচরণের বিজ্ঞান’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
মনোবিদ্যা ও শিক্ষাবিজ্ঞানে কোনো ব্যক্তি বা এককের গভীর অনুসন্ধানের পদ্ধতি হলো কেস স্টাডি। এর তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
১. নিবিড় ও গভীর পর্যবেক্ষণ : কেস স্টাডি পদ্ধতিতে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা একক সম্পর্কে অত্যন্ত গভীর ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এটি কোনো ভাসা-ভাসা আলোচনা নয়, বরং সমস্যাটির মূলে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।
২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট : এই পদ্ধতিতে ব্যক্তির বর্তমান আচরণের পাশাপাশি তার অতীত ইতিহাস, পারিবারিক পটভূমি এবং শৈশবের অভিজ্ঞতাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।
৩. নমনীয়তা ও ধারাবাহিকতা : এই পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বা কঠোর কাঠামো থাকে না। গবেষক প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পদ্ধতি (যেমন—সাক্ষাৎকার, প্রশ্নাবলি বা পর্যবেক্ষণ) ব্যবহার করতে পারেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যেতে পারেন।
(ii) টীকা লেখ : “শ্রবণ সংবেদন”। 5
(iii) নারী শিক্ষা প্রসারে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা লেখো। 5
উত্তরঃ নারী শিক্ষা প্রসারে বিদ্যাসাগরের অবদান অপরিসীম। তাঁকে ভারতে ‘নারী শিক্ষার অগ্রদূত’ বলা হয়। তাঁর প্রধান ভূমিকাগুলি হলো—
১. বিদ্যালয় স্থাপন: বিদ্যাসাগর নারী শিক্ষার প্রসারে কেবল তাত্ত্বিক আলোচনা করেননি, বরং বাস্তব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তিনি দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় (বিশেষত মেদিনীপুর, বর্ধমান, হুগলি ও নদীয়া) নিজ উদ্যোগে প্রায় ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
২. বেথুন স্কুল ও নারী শিক্ষা ভাণ্ডার: জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন যখন ১৮৪৯ সালে কলকাতায় ‘হিন্দু ফিমেল স্কুল’ (বর্তমানে বেথুন স্কুল) স্থাপন করেন, বিদ্যাসাগর তার অবৈতনিক সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। বিদ্যালয়টি পরিচালনার জন্য তিনি ‘নারী শিক্ষা ভাণ্ডার’ নামে একটি তহবিল গঠন করেন।
৩. সামাজিক সচেতনতা: সেই সময়ে সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ও রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে তিনি নারী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা প্রচার করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, সমাজকে উন্নত করতে হলে নারীদের শিক্ষিত করা একান্ত প্রয়োজন।
৪. পাঠ্যপুস্তক রচনা: মেয়েদের শিক্ষার সুবিধার্থে তিনি সহজপাঠ্য বই রচনা করেন। তাঁর রচিত ‘বর্ণপরিচয়’, ‘কথামালা’, ও ‘বোধোদয়’ আজও প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৫. উচ্চশিক্ষা ও শিক্ষক শিক্ষণ: তিনি কেবল প্রাথমিক শিক্ষায় থেমে থাকেননি, নারীদের উচ্চশিক্ষার পথ প্রশস্ত করতেও সচেষ্ট ছিলেন। এছাড়া নারী শিক্ষকদের অভাব দূর করার জন্য তিনি শিক্ষক শিক্ষণের ওপরও জোর দিয়েছিলেন।
উপসংহারে বলা যায়, বিদ্যাসাগর নিজের উপার্জিত অর্থ ব্যয় করে এবং প্রবল সামাজিক বাধা অতিক্রম করে নারী শিক্ষার যে জোয়ার এনেছিলেন, তা আধুনিক ভারতের নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি স্থাপন করেছে।
3. যেকোনো পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দাও : 2×5=10
(i) অপারেন্ট অনুবর্তনের প্রবক্তা কে ? “গেস্টাল্ট” শব্দের অর্থ লেখ। 1+1
উত্তরঃ অপারেন্ট অনুবর্তনের প্রবক্তা হলেন মনোবিদ বি. এফ. স্কিনার (B. F. Skinner)।
গেস্টাল্ট (Gestalt): ‘গেস্টাল্ট’ একটি জার্মান শব্দ, যার অর্থ হলো ‘অবয়ব’, ‘আকার’ বা ‘পূর্ণরূপ’।
(ii) বিকাশের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ। 2
উত্তরঃ বিকাশের দুটি বৈশিষ্ট্য— ১. বিকাশ একটি নিরবিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া, যা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত চলতে থাকে। ২. বিকাশ সবসময় সাধারণ থেকে বিশেষের দিকে অগ্রসর হয়।
(iii) শৈশবের দুটি দৈহিক চাহিদা লেখ। 2
উত্তরঃ শৈশবের দুটি দৈহিক চাহিদা— ১. পুষ্টিকর খাদ্য ও পানীয়ের চাহিদা। ২. পরিমিত বিশ্রাম ও নিদ্রার চাহিদা।
(iv) ব্রাহ্মণ্য শিক্ষা ও বৌদ্ধ শিক্ষার দুটি সাদৃশ্য লেখ। 2
উত্তরঃ ব্রাহ্মণ্য ও বৌদ্ধ শিক্ষার দুটি সাদৃশ্য—
১. উভয় শিক্ষা ব্যবস্থাতেই শিক্ষার্থীর চরিত্র গঠন ও আধ্যাত্মিক উন্নতির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হতো।
২. উভয় শিক্ষা ব্যবস্থাতেই গুরু ও শিষ্যের মধ্যে এক পবিত্র ও নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল।
(v) “A” কোর্স ও “B” কোর্স কী ? 2
উত্তরঃ ১৮৮২ সালের হান্টার কমিশন মাধ্যমিক স্তরে দুই ধরণের পাঠ্যক্রমের প্রস্তাব দেয়—
A-কোর্স: এটি ছিল সাহিত্যধর্মী পাঠ্যক্রম, যা মূলত উচ্চশিক্ষার বা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের প্রস্তুতির জন্য।
B-কোর্স: এটি ছিল বৃত্তিমুখী বা ব্যবহারিক পাঠ্যক্রম, যা শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের জন্য তৈরি করত।
(vi) রাজা রামমোহন রায় রচিত দুটি পুস্তকের নাম লেখ। 2
উত্তরঃ রাজা রামমোহন রায়ের দুটি পুস্তক– ১. গৌড়ীয় ব্যাকরণ, ২. বেদান্ত সার।
(vii) “মুসলিম মহিলা সমিতি” কে গঠন করেন ? 2
উত্তরঃ “মুসলিম মহিলা সমিতি” গঠন–
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৯১৬ সালে কলকাতায় ‘আঞ্জুমান-ই-খাওয়াতিন-ই-ইসলাম’ বা ‘মুসলিম মহিলা সমিতি’ গঠন করেন।
📌 আরো দেখুনঃ
📌 একাদশ শ্রেণি প্রশ্নপত্র সেমি-২ Click Here
