FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 10 (X) WBBSE
LIFE SCIENCE QUESTION PAPER
Set-4
Class 10 Life Science First Unit Test Question with Answer Set-4 wbbse | দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৪
পাঠ্যসূচি / Syllabus–
(1) জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমম্বয়
(2) জীবনের প্রবাহমানতাঃ কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র
📌দশম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
দশম শ্রেণি
বিষয় : জীবন বিজ্ঞান
সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-৪০
বিভাগ-ক
1. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ: 1×8=8
1.1 টিউলিপ ফুলের উন্মোচন হলো একপ্রকার- (a) ফটোন্যাস্টিক চলন (b) কেমোন্যাস্টিক চলন (c) থারমোন্যাস্টিক চলন (d) সিসমোন্যাস্টিক চলন
উত্তরঃ (c) থার্মোন্যাস্টিক চলন
1.2 বীজের অঙ্কুরোদগমে সাহায্যকারী হরমোনটি হল-
(a) অক্সিন (b) সাইটোকাইনিন (c) জিব্বেরেলিন (d) ইথিলিন
উত্তরঃ (c) জিব্বেরেলিন
1.3 পশ্চাদ পিটুইটারি থেকে ক্ষরিত হরমোনটি হল-
(a) STH (b) GTH (c) TSH (d) অক্সিটোসিন
উত্তরঃ (d) অক্সিটোসিন
1.4 অশ্রুতে উপস্থিত উৎসেচকটি হলো-
(a) অ্যামাইলেজ (b) লাইসোজাইম (c) পেপসিন (d) লাইপেজ
উত্তরঃ (b) লাইসোজাইম
1.5 প্যারামেসিয়ামের গমন অঙ্গ হল-
(a) সিলিয়া (b) ফ্লাজেলা (c) সিউডোপোডিয়া (d) মায়োটাম পেশী
উত্তরঃ (a) সিলিয়া
1.6 মানুষের জননকোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা-
(a) 46 (b) 50 (c) 23 (d) 10
উত্তরঃ (c) 23
1.7 কোন দশায় অবস্থানকালে কোষ বিভাজিত হতে পারে না- (a) G₁ দশা (b) G₂ দশা (c) S দশা (d) G₀ দশা
উত্তরঃ (d) G₀ দশা
1.8 কোষপাত গঠনের কাজে সাহায্য করে- (a) মাইট্রোকন্ডিয়া (b) গলগি বডি (c) লাইসোজোম (d) রাইবোজোম
উত্তরঃ (b) গলগিবডি
2. নির্দেশ অনুসারে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (যে কোন 9 টি) : 1×9=9
2.1 ন্যাস্টিক চলন বাহ্যিক উদ্দীপকের _________ অনুসারে ঘটে। (শূন্যস্থান পূরণ করো)
উত্তরঃ তীব্রতা।
2.2 ক্রেস্কোগ্রাফ দ্বারা উদ্ভিদের বয়স পরিমাপ করা যায়। (সত্য/মিথ্যা লেখ)
উত্তরঃ মিথ্যা।
2.3 পর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে কোন উদ্ভিদ হরমোন ?
উত্তরঃ জিব্বেরেলিন।
2.4 ডাবের জল:সাইটোকাইমিন::অগ্রস্থ ভাজককলা: ________।
উত্তরঃ অক্সিন
2.5 ক্রেটিনিজম, মিক্সিডিমা, মধুমেহ, গয়টার (বিসদৃশ শব্দটি বেছে লেখো) ।
উত্তরঃ মধুমেহ
2.6 সাইন্যাপস এর কাজ লেখ। (একটি বাক্যে উত্তর দাও।)
উত্তরঃ স্নায়ুস্পন্দনকে এক নিউরোন থেকে অন্য নিউরোনে বহন করে নিয়ে যায়।
2.7 ________ কোষ বিভাজনে বেমতন্ত্র গঠিত হয় না। (শূন্যস্থান পূরণ কর)
উত্তরঃ অ্যামাইটোসিস
2.8 মাইটোসিস কোষ বিভাজনের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী দশা কোনটি?
উত্তরঃ প্রফেজ
2.9 বাম স্তম্ভের সঙ্গে ডান স্তম্ভের মিল করে লেখ :
| বাম স্তম্ভ | ডান স্তম্ভ |
| 2.9 ক্রসিং ওভার | (a) প্রফেজ |
| 2.10 ট্রান্সলেশন | (b) মিয়োসিস |
| 2.11 I আকৃতির ক্রোমোজোম | (c) টেলোসেন্ট্রিক |
| (d) প্রোটিন তৈরি |
উত্তরঃ
২.৯ ক্রসিং ওভার (b) মিয়োসিস
২.১০ ট্রান্সলেশন (d) প্রোটিন তৈরি
২.১১ I আকৃতির ক্রোমোজোম (c) টেলোসেন্ট্রিক
3. নিচের প্রশ্নগুলির সংক্ষেপে উত্তর দাও (যে কোন চারটি) : 2×4=8
3.1 উদ্ভিদের চলনের দুটি উদ্দেশ্য লেখো।
উত্তরঃ উদ্ভিদের চলনের দুটি উদ্দেশ্য—
উদ্দীপক সংগ্রহ: সূর্যালোক (ফটোট্রপিক) বা জল (হাইড্রোট্রপিক) পাওয়ার জন্য উদ্ভিদের অঙ্গের চলন ঘটে।
আশ্রয় বা অবলম্বন: আকর্ষের চলনের মাধ্যমে উদ্ভিদ কোনো অবলম্বনকে জড়িয়ে ধরে ওপরের দিকে আরোহণ করে।
3.2 পার্থেনোকারপি কাকে বলে ? এর গুরুত্ব কী ?
উত্তরঃ সংজ্ঞা: পরাগযোগ ও নিষেক ছাড়াই কৃত্রিম বা প্রাকৃতিক উপায়ে বীজহীন ফল উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে পার্থেনোকারপি বলে।
গুরুত্ব: এর মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বীজহীন ফল (যেমন— আঙুর, কলা, পেঁপে) উৎপাদন করা যায়, যা খেতে সুবিধাজনক এবং ফলের শাঁসের পরিমাণ বেশি হয়।
3.3 স্থানীয় হরমোন কাকে বলে ? উদাহরণ সহ লেখো।
উত্তরঃ সংজ্ঞা: যে সব হরমোন উৎসস্থল বা তার পার্শ্ববর্তী কোশসমষ্টির ওপর ক্রিয়া করে কিন্তু রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে বাহিত হয় না, তাদের স্থানীয় হরমোন বলে।
উদাহরণ: টেস্টোস্টেরন (শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত) এবং গ্যাস্ট্রিন (পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত)।
3.4 মেনিনজেস কী ? কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ সংজ্ঞা: মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডকে আবৃত করে রাখা তিন স্তরবিশিষ্ট (ডুরাম্যাটার, অ্যারাকনয়েড ম্যাটার ও পায়াম্যাটার) রক্ষাকারী আবরণীকে মেনিনজেস বলে।
অবস্থান: এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের (মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড) চারপাশে অবস্থান করে।
3.5 ক্রোমোজোম এবং ক্রোমাটিডের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ
| বৈশিষ্ট্য | ক্রোমোজোম | ক্রোমাটিড |
| গঠন | কোশ বিভাজনের মেটাফেজ দশায় ক্রোমোজোম দুটি লম্বালম্বি অংশে বিভক্ত থাকে। | ক্রোমোজোমের ওই প্রতিটি লম্বালম্বি অংশকে ক্রোমাটিড বলে। |
| সংখ্যাতত্ত্ব | একটি ক্রোমোজোম দুটি সিস্টার ক্রোমাটিড নিয়ে গঠিত হয়। | একটি ক্রোমোজোমের অর্ধেক অংশ হলো একটি ক্রোমাটিড। |
3.6 মেটাফেজ প্লেট কাকে বলে ?
উত্তরঃ কোশ বিভাজনের মেটাফেজ দশায় ক্রোমোজোমগুলি যখন বেমতন্তুর মাঝখানে অর্থাৎ বিষুবীয় বা নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারিবদ্ধভাবে সজ্জিত হয়ে একটি প্লেটের মতো গঠন তৈরি করে, তাকে মেটাফেজ প্লেট বা বিষুবীয় চক্র বলে।
4. নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও: 5×3=15
4.1 একটি নিউরনের পরিচ্ছন্ন চিত্র অংকন করে নিচের অংশগুলি চিহ্নিত করো : কোষদেহ, মায়োলিনসীদ, নিউরোলেমা, অ্যাক্সন। 3+2
উত্তরঃ নিজে করো।
অথবা, মানবচক্ষুর লম্বচ্ছেদের চিত্র অঙ্কন করো এবং নিচের অংশগুলি চিহ্নিত কর লেন্স, রেটিনা, অপটিক স্নায়ু, কর্নিয়া। 3+2
উত্তরঃ নিজে করো।
4.2 সাড়াপ্রদান কাকে বলে ? প্রাণীদেহে উদ্দীপনার প্রভাবে কীভাবে সাড়াপ্রদান ঘটে তা বর্ণনা করো। 2+3
উত্তরঃ উদ্দীপকের (যেমন— আলো, তাপ, শব্দ বা স্পর্শ) উপস্থিতিতে জীবদেহে যে পরিবর্তন বা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, তাকে সাড়াপ্রদান বলে। এটি জীবের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
প্রাণীদেহে উদ্দীপনার প্রভাবে সাড়াপ্রদান মূলত স্নায়ুতন্ত্র এবং পেশি বা গ্রন্থির সমন্বয়ে ঘটে। এই প্রক্রিয়াটি নিচের পর্যায়গুলোর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়—
১. উদ্দীপনা গ্রহণ (Reception): পরিবেশ থেকে আসা কোনো উদ্দীপনা (যেমন— গরম বস্তুর স্পর্শ) প্রাণীর নির্দিষ্ট গ্রাহক অঙ্গ (Receptor) যেমন— ত্বক, চোখ বা কান দ্বারা গৃহীত হয়।
২. উদ্দীপনা পরিবহন (Transmission): গ্রাহক থেকে সেই উদ্দীপনা স্নায়বিক স্পন্দন বা সংজ্ঞাবহ বার্তারূপে সংজ্ঞাবহ স্নায়ুর (Sensory Neuron) মাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে (মস্তিষ্ক বা সুষুম্নাকাণ্ড) পৌঁছায়।
৩. সিদ্ধান্ত গ্রহণ (Processing): কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে সেই বার্তার বিশ্লেষণ ঘটে এবং শরীর কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে তার নির্দেশ তৈরি হয়।
৪. নির্দেশ প্রেরণ (Motor Response): কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে সেই নির্দেশ আজ্ঞাবহ স্নায়ুর (Motor Neuron) মাধ্যমে নির্দিষ্ট কারক অঙ্গে (Effector) যেমন— পেশি বা গ্রন্থিতে পৌঁছায়।
৫. প্রতিক্রিয়া বা সাড়াপ্রদান (Action): আজ্ঞাবহ নির্দেশ পাওয়ার পর কারক অঙ্গটি সক্রিয় হয় (যেমন— পেশির সংকোচন ঘটিয়ে হাত সরিয়ে নেওয়া)। এভাবেই প্রাণীদেহে সাড়াপ্রদান প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।
অথবা, মাছের গমনে পাখনার ভূমিকা আলোচনা করো। “চলন ছাড়া গমন সম্ভব নয়”- ব্যাখ্যা করো। 3+2
উত্তরঃ মাছের মোট ৭টি পাখনা গমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে—
পুচ্ছ পাখনা (১টি): এটি মাছের প্রধান গমন অঙ্গ। এটি হাল-এর মতো কাজ করে মাছকে দিক পরিবর্তনে এবং সামনের দিকে এগোতে সাহায্য করে।
বক্ষ পাখনা (১ জোড়া): মাছকে জলের উপরে উঠতে, নিচে নামতে এবং এক জায়গায় স্থির হয়ে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
শ্রোণি পাখনা (১ জোড়া): বক্ষ পাখনার মতো এটিও মাছকে জলের গভীরে নামতে বা উপরে উঠতে সাহায্য করে।
পৃষ্ঠ পাখনা (১টি): এটি মাছকে সাতার কাটার সময় ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং দেহকে উল্টে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
পায়ু পাখনা (১টি): এটিও গমনের সময় দেহের ভারসাম্য বজায় রাখে।
গমন হলো উদ্দীপকের প্রভাবে জীবদেহের স্থান পরিবর্তন। কোনো জীব যখন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায় (গমন), তখন তার দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সঞ্চালন বা নড়াচড়া (চলন) ঘটা আবশ্যক।
উদাহরণস্বরূপ: মানুষ যখন হেঁটে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায় (গমন), তখন তার হাত ও পায়ের পেশি ও হাড়ের সঞ্চালন বা চলন ঘটে।
অর্থাৎ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের চলন না ঘটলে সামগ্রিকভাবে দেহের স্থান পরিবর্তন বা গমন সম্ভব হয় না। তাই বলা হয়, সব গমনেই চলন থাকে, কিন্তু সব চলনে গমন হয় না (যেমন— উদ্ভিদ এক জায়গায় স্থির থেকে অঙ্গ সঞ্চালন করে)।
4.3 DNA এর রাসায়নিক উপাদান গুলি সংক্ষেপে বর্ণনা করো। একটি আদর্শ ক্রোমোজোমের বিভিন্ন অংশগুলির নাম লেখো। 3+2
উত্তরঃ DNA-এর রাসায়নিক উপাদানগুলিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়—
১. পেন্টোজ শর্করা (Pentose Sugar): DNA-তে পাঁচ কার্বনযুক্ত ডি-অক্সি রাইবোজ শর্করা থাকে। এটি ডি-অক্সি রাইবোনিউক্লিওটাইডের প্রধান কাঠামো গঠন করে।
২. নাইট্রোজেন যুক্ত ক্ষারক (Nitrogenous Bases): DNA-তে দু-ধরনের নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে-
পিউরিন (Purine): অ্যাডেনিন (A) এবং গুয়ানিন (G)।
৩. ফসফরিক অ্যাসিড (Phosphoric Acid): অজৈব ফসফেট বা ফসফরিক অ্যাসিড (H₃PO₄) শর্করার সাথে যুক্ত হয়ে DNA-এর মেরুদণ্ড (Backbone) তৈরি করে।
দ্বিতীয় অংশ নিজে করো।
অথবা, একটি উদ্ভিদকোষে মাইটোসিস কোষবিভাজন পদ্ধতির অ্যানাফেজ দশাটি বর্ণনা করো। 5
উত্তরঃ অ্যানাফেজ হলো মাইটোসিসের তৃতীয় এবং ক্ষুদ্রতম দশা। এই দশার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো—
১. সেন্ট্রোমিয়ারের বিভাজন: প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারটি লম্বালম্বিভাবে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এর ফলে একটি ক্রোমোজোম থেকে দুটি পৃথক অপত্য ক্রোমোজোম (Daughter Chromosomes) সৃষ্টি হয়।
২. অপত্য ক্রোমোজোমের চলন: বেমতন্তুর (Spindle fibre) সংকোচনের ফলে অপত্য ক্রোমোজোমগুলি বিষুবীয় অঞ্চল থেকে বিপরীত মেরুর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। একে অ্যানাফেজীয় চলন বলে।
৩. ক্রোমোজোমের আকৃতি: চলনকালে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমগুলি ইংরেজি বর্ণমালার মতো বিভিন্ন আকৃতি ধারণ করে। যেমন:
V-আকৃতি (মেটাসেন্ট্রিক)
L-আকৃতি (সাব-মেটাসেন্ট্রিক)
J-আকৃতি (অ্যাক্রোসেন্ট্রিক)
I-আকৃতি (টেলোসেন্ট্রিক)
৪. ইন্টারজোনাল তন্তুর আবির্ভাব: দুটি বিপরীতমুখী অপত্য ক্রোমোজোমের মাঝখানে বিশেষ ধরনের তন্তুর আবির্ভাব ঘটে, যাকে ইন্টারজোনাল তন্তু বলে।
৫. মেরুপ্রাপ্তি: এই দশার শেষের দিকে অপত্য ক্রোমোজোমগুলি কোশের দুটি বিপরীত মেরুর কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
📌 আরো দেখোঃ
📌দশম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌বাংলা সিলেবাস দশম শ্রেণিClick Here
📌দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌দশম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 ইতিহাস সিলেবাস দশম শ্রেণিClick Here
📌দশম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌দশম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 ভূগোল সিলেবাস দশম শ্রেণিClick Here
📌 মাধ্যমিক প্রশ্নপত্র সমস্ত বিষয় Click Here
📌 মাধ্যমিক মক্ টেস্ট সমস্ত বিষয় Click Here
