FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 10 (X) WBBSE
BENGALI QUESTION PAPER
Set-2
∆ পাঠ্যসূচি—
গদ্য : জ্ঞানচক্ষু,
প্রবন্ধ : হারিয়ে যাওয়া কালি কলম,
পদ্য : আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি, আফ্রিকা, অসুখী একজন
ব্যাকরণ : কারক ও অকারক সম্পর্ক এবং অনুবাদ।
কোনি : ১ – ৩১ পাতা
📌দশম শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌মাধ্যমিক সিলেবাস বাংলা Click Here
📌দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন
দশম শ্রেণি
বিষয় : বাংলা
সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান- ৪০
১। সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখাে : ১x৭=৭
১.১ যারা হাজার বছর ধরে / ডুবে ছিল ধ্যানে’– তারা কারা ?
(ক) শান্ত দেবদেবী, (খ) শান্ত হলুদ দেবতারা,
(গ) মহাপুরুষ, (ঘ) সন্ন্যাসী।
উত্তরঃ (খ) শান্ত হলুদ দেবতারা
১.২ কালির অক্ষর নাইকো পেটে, চণ্ডী পড়েন–
(ক) খেয়াঘাটে, (খ) তারাপীঠে,
(গ) কালীঘাটে, (ঘ) কাছা এঁটে।
উত্তরঃ (গ) কালীঘাটে।
১.৩ তােমার ভাষাহীন ক্রন্দনে বাষ্পাকুল –
(ক) গগন বিহারী, (খ) আকাশপথে,
(গ) অরণ্যপথে, (ঘ) অসীম আকাশে।
উত্তরঃ (গ) অরণ্যপথে।
১.৪ আমাদের মাথায় বােমারু / পায়ে পায়ে—
(ক) লৌহ শৃঙ্খল, (খ) লােহার বেড়ি,
(গ) হিমানীর বাঁধ, (ঘ) পরাধীনতার বাঁধ।
উত্তরঃ (গ) হিমানীর বাঁধ
১.৫ “বিপদে মােরে রক্ষা করাে।” – ‘বিপদে’ পদটির কারক –
(ক) অধিকরণ কারক, (খ) অপাদান কারক,
(গ) নিমিত্ত কারক, (ঘ) কর্মকারক।
উত্তরঃ (খ) অপাদান কারক।
১.৬ দুধটুকু খেয়ে নাও। – ‘দুধটুকু’ শব্দের ‘টুকু’ নির্দেশকটি যে বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে তা হল—
(ক) আকার, (খ) সাদৃশ্য, (গ) সংখ্যা, (ঘ) পরিমাণ।
উত্তরঃ (ঘ) পরিমাণ।
১.৭ গল্প লেখার পর তপন হঠাৎ অনুভব করে—
(ক) ভয়ানক একটা উত্তেজনা,
(খ) ভয়ানক একটা উদ্দীপনা,
(গ) মারাত্মক একটা উত্তেজনা,
(ঘ) রােমহর্ষক উদ্দীপনা।
উত্তরঃ (ক) ভয়ানক একটা উত্তেজনা।
২। কম-বেশি ২০টি শব্দে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : ১×৮= ৮
২.১ ‘ডুবে ছিল ধ্যানে’– কারা ধ্যানে ডুবে ছিল ?
উত্তরঃ পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘শান্ত হলুদ দেবতারা’ হাজার বছর ধরে ধ্যানে ডুবে ছিলেন।
২.২ ‘অফুরন্ত এই কালির ফোয়ারা’– ফোয়ারাটি কে খুলে দিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ ‘অফুরন্ত এই কালির ফোয়ারা’ বা ঝরনা কলম উদ্ভাবন করে লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান কলমের জগতে বিপ্লব ঘটিয়ে কালি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।
২.৩ কবির সংগীতে কখন সুন্দরের আরাধনা বেজে উঠেছিল ?
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায়, যখন সাম্রাজ্যবাদী দস্যুরা অশুভ ধ্বনিতে দিনের অন্তিমকাল ঘোষণা করছিল এবং নিজেদের অপমানিত ইতিহাসে পঙ্কিলতা লেপে দিচ্ছিল।
২.৪ ‘একেবারে নিছক মানুষ।’ – নিছক মানুষের বৈশিষ্ট্য কী ?
উত্তরঃ নিছক মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সাধারণ আটপৌরে জীবনযাপন– দাড়ি কামানো, আড্ডা দেওয়া, সিনেমা দেখা, খাওয়া-দাওয়া ও খবরের কাগজ পড়া, যা মেসোমশাইয়ের মধ্যে স্পষ্ট।
২.৫ ‘সেই মেয়েটির মৃত্যু হল না’ – কোন্ মেয়েটির মৃত্যু হয়নি ?
উত্তরঃ পাবলো নেরুদার লেখা ও শঙ্খ ঘোষ অনুদিত ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কথকের জন্য অপেক্ষারত প্রিয়তমা মেয়েটির মৃত্যু হয়নি।
২.৬ তপন তার প্রথম গল্পটি কোন বিষয় নিয়ে লিখেছিল ?
উত্তরঃ আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন তার প্রথম গল্পটি তার নিজের বিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা (স্কুলের প্রথম দিন) নিয়ে লিখেছিল।
২.৭ ‘অকারক পদ’ কাকে বলে ?
উত্তরঃ বাক্যে ব্যবহৃত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের সরাসরি কোনো সম্পর্ক (ক্রিয়ার সঙ্গে অন্বয়) থাকে না, তাদের অকারক পদ বলে।
২.৮ উদাহরণসহ নিমিত্ত কারকের সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ যে কারকে কোনো কিছুর জন্য বা উদ্দেশ্যে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, তাকে নিমিত্ত কারক বলে। উদাহরণ- ‘তোমার জন্য এনেছি ফুল’ (এখানে ‘তোমার’ নিমিত্ত কারক)।
৩। কম-বেশি ৬০ শব্দে নীচের যে-কোনাে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩×১=৩
৩.১ “তার মানে তপনকে এখন ‘লেখক’ বলা চলে।” – কোন্ প্রসঙ্গে এই উক্তি ?
উত্তরঃ প্রসঙ্গ : তপন নিজে একটি গল্প লিখেছিল, যা তার নতুন মেসোমশাই যিনি পেশায় লেখক কিছুটা সংশোধন করে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছেপে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
উক্তিটির তাৎপর্য : প্রথমবার নিজের লেখা ছাপা হতে দেখে বাড়ির সবাই যখন মুগ্ধ হয়, তখন তপনকে ‘লেখক’ বলে অভিহিত করা হয়। এটি তার লেখক হওয়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার একটি প্রাথমিক মুহূর্ত ছিল।
৩.২ ‘শুধু এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন।’– তপনের সংকল্পটি কী ছিল ?
উত্তরঃ দুঃখের কারণ : নিজের লেখা গল্প মেসোমশাই কর্তৃক অকল্পনীয়ভাবে কারেকশন করার পর, সেটি নিজের লেখা বলে মনে না হওয়ায় তপন চরম অপমানিত বোধ করেছিল।
সংকল্প : এই ঘটনার পর তপন বুঝেছিল, কারোর দয়ায় বা সুপারিশে লেখক হওয়ার চেয়ে নিজের পরিশ্রমের উপর ভরসা করা অনেক শ্রেয়। সে কারো করুণার ওপর নির্ভর করবে না।
৪। কম-বেশি ৬০ শব্দে নীচের যে-কোনাে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩×১=৩
৪.১ আমাদের পথ নেই কোনাে’– “আমাদের পথ না থাকার কারণ কী ?
উত্তরঃ শঙ্খ ঘোষের “আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি” কবিতায় “আমাদের পথ নেই কোনো” বলতে কবি যুদ্ধবিধ্বস্ত পৃথিবীতে সাধারণ মানুষের বা বাঁচার কোনো সুনির্দিষ্ট ও নিরাপদ উপায় না থাকাকে বুঝিয়েছেন। যুদ্ধের ভয়াবহতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্ষমতার দম্ভ এবং চরম নিরাপত্তাহীনতার কারণে মানুষ অসহায় ও দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
৪.২ সব চূর্ণ হয়ে গেল আগুনে’ ‘সব’কী কী ? বক্তার এরকম বলার কারণ কী ? ১+২
উত্তরঃ পাবলো নেরুদার “অসুখী একজন” কবিতায় ‘সব’ বলতে কবি, কবির প্রিয়তমা, তাদের ঘর, বারান্দা, ঝুলন্ত বিছানা, প্রাচীন চিমনি, জলতরঙ্গ এবং শহরের সমস্ত প্রিয় স্মৃতির ধ্বংসাবশেষকে বুঝিয়েছেন। যুদ্ধের ভয়াবহ তাণ্ডবে কবির নিশ্চিন্ত জীবন, ভালোবাসার স্মৃতি ও অপেক্ষারত প্রেমিকার শান্তিময় জগত সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস বা ‘চূর্ণ’ হয়ে যাওয়ায় বক্তা এরূপ মন্তব্য করেছেন।
৫। কম-বেশি ১২৫ শব্দে নীচের যে-কোনাে দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৪x২=৮
৫.১ ‘এল ওরা লােহার হাতকড়ি নিয়ে’ ‘ওরা কারা ? ওদের সম্পর্কে কবির ধারণা ব্যক্ত করাে।
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় “এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে” বলতে মূলত ঔপনিবেশিক ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তি বা নিষ্ঠুর শ্বেতাঙ্গ শাসকদের বোঝানো হয়েছে। তারা নিজেদের ‘সভ্য’ দাবি করলেও আসলে অসভ্য, অমানুষিক এবং নেকড়ের চেয়েও বেশি হিংস্র, যারা আফ্রিকার নিরীহ মানুষের ওপর চরম অত্যাচার ও শৃঙ্খল চাপিয়েছিল।
∆ ওদের সম্পর্কে কবির ধারণা—
পশুতুল্য ও হিংস্র : কবি তাদের “নখ যাদের তীক্ষ্ণ তোমার নেকড়ের চেয়ে” বলে অভিহিত করেছেন, যা তাদের অমানুষিক ও হিংস্র মানসিকতার পরিচয় দেয়।
অসভ্য সভ্য : কবি তাদের সভ্যতার বাহক না বলে “বর্বর” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তারা আফ্রিকার বনস্পতিকে নিবিড় অরণ্য থেকে ছিনিয়ে নিয়ে, মানুষের ওপর লোহার হাতকড়ি পরিয়ে নিজেদের “মানুষ ধরার” অসভ্য রূপ তুলে ধরেছিল।
অত্যাচারী ও শোষক : তারা আফ্রিকার সম্পদ লুণ্ঠন করেছে এবং মানুষকে দাস বানিয়ে অত্যাচার চালিয়েছে।
দম্ভী : নিজেদের আভিজাত্য ও সভ্যতার অহংকারে তারা অন্ধ ছিল, যা তাদের নিষ্ঠুরতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।
শেষ কথা, কবি তাদের মানবতার শত্রু এবং অসভ্য বর্বর হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যারা আড়ালে থেকে নিজেদের ‘সভ্য’ বলে দাবি করত, কিন্তু আদতে ছিল শোষক।
অথবা, তারা আর স্বপ্ন দেখতে পারল না। তারা বলতে কাদেরকে বােঝানাে হয়েছে ? তাদের আর স্বপ্ন দেখা হল না কেন ? ১+৩
উত্তরঃ পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘তারা’ বলতে যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর তথা সাধারণ শান্তিকামী মানুষদের বোঝানো হয়েছে।
∆ তাদের স্বপ্ন দেখা না হওয়ার কারণ—
যুদ্ধের ভয়াবহতা, ধ্বংসলীলা এবং তাদের প্রিয় শহর নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার ফলে।
শান্তির বিনাশ : যুদ্ধে শহর ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তাদের স্বাভাবিক জীবন, ভালোবাসা ও স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়।
ভয় ও অনিশ্চয়তা : চারিদিকে মৃত্যু এবং হাহাকারের কারণে ভবিষ্যতের আশা বা স্বপ্ন দেখার মানসিকতা তারা হারিয়ে ফেলে।
নিশ্চিহ্ন অস্তিত্ব : শহরের দেবতারাও যারা শান্তির প্রতীক ছিলেন মন্দিরে উল্টে পড়ে যাওয়ায় তাদের সমস্ত আশ্রয় ও স্বপ্ন দেখার আশা চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়।
৫.২ ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প অবলম্বনে তপনের চরিত্রের বৈশিষ্ট্য লেখাে।
উত্তরঃ আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পের প্রধান চরিত্র তপন একজন কল্পনাপ্রবণ, সাহিত্যপ্রেমী এবং আত্মমর্যাদাসম্পন্ন কিশোর। লেখক সম্পর্কে তার ভুল ধারণা ভাঙলে সে বাস্তববাদী হয়ে ওঠে এবং নিজের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে নতুন মেসোর মতো গল্প লিখেছে। মেসোর কারসাজিতে নিজের লেখা বদলে যাওয়ার পর সে প্রতিবাদী ও সংকল্পবদ্ধ চরিত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
∆ তপনের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ—
সাহিত্যপ্রবণ ও কল্পনাপ্রবণ : শৈশব থেকেই গল্পের বই পড়ার নেশা ছিল তার। নতুন মেসোকে দেখে লেখক হওয়ার অনুপ্রেরণা পায় এবং গল্প লেখে।
বাস্তব সচেতনতা ও জ্ঞানচক্ষু উন্মীলন : প্রথমদিকে লেখকদের অন্য জগতের মানুষ ভাবলেও, মেসোর সাধারণ জীবনযাত্রা দেখে সে বাস্তব বুঝতে শেখে।
আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও প্রতিবাদী : নিজের লেখা গল্প মেসোমশাই বদলে দেওয়ায় সে চরম অপমানিত বোধ করে। অন্যের নামে বাহবা না নিয়ে নিজে নিজে গিয়ে লেখা জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
সততা ও মৌলিকতা : সে অন্যের সৃষ্টিতে নিজের নাম দিতে চায়নি, নিজের মৌলিক সৃজনশীলতার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করেছিল।
পরিশেষে বলা যায়, ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপন শুধুমাত্র একটি কিশোর চরিত্র নয়, বরং আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে প্রকৃত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া এক সচেতন তরুণ চরিত্র।
৬। কম-বেশি ৬০ শব্দে নীচের যে-কোনাে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩x১=৩
৬.১ ‘’তােমার সােনার দোয়াত কলম হােক।’ — কারা, কেন এই আশীর্বাদ করতেন ?
উত্তরঃ ‘’তােমার সােনার দোয়াত কলম হােক।’– এই আশীর্বাদটি মূলত বয়স্ক মানুষ বা গুরুজনরা ছোটদের বিদ্যা, বুদ্ধি ও জ্ঞান অর্জনের কামনায় করতেন। কলমকে জ্ঞান ও শক্তির প্রতীক মনে করা হতো, তাই কলম-দোয়াত যেন সম্পদ ও সাফল্যের সাথে যুক্ত হয়, সোনালী অর্থে সমৃদ্ধ, এমন শুভকামনা থেকেই এই আশীর্বাদ করা হতো।
৬.২ হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে ফাউন্টেন পেন ও নানারকম দোয়াতের যে বর্ণনা আছে তা নিজের ভাষায় লেখাে।
উত্তরঃ নানারকম পেন : লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো অনেকেই ফাউন্টেন পেনের নেশায় বিভিন্ন দামি কলম সংগ্রহ করতেন। এই কলমগুলো ছিল যেমন সুন্দর, তেমনি তার কলমের নিবগুলো বা মুখগুলো ছিল নিখুঁত, যা লেখার আনন্দ বাড়িয়ে দিত।
নানারকম দোয়াত : আদিতে লেখালেখির মূল সরঞ্জাম ছিল দোয়াত। প্রবন্ধ অনুযায়ী, দোয়াতগুলো ছিল বৈচিত্র্যময়— কারও হয়তো ছিল মাটির, শখের বশে কাঁচের, কিংবা পিতলের। কবিরা লেখার সময় পালকের কলম, বাঁশের কলম বা নলখাগড়া কলম ব্যবহার করে দোয়াতের কালি নিয়ে লিখতেন, যা ধীরে ধীরে হারিয়ে গেছে
৭। কমবেশি ১২৫ শব্দে নীচের যে-কোনাে একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: ৪x১=৪
৭.১ ‘মনের জোরেই সব হয়।’– কে, কাকে বলেছে ? কেন বলেছে ?
উত্তরঃ মতি নন্দীর লেখা ‘কোনি’ উপন্যাসে কোচের কঠোর প্রশিক্ষণের মাঝে হতাশ কোনিকে উদ্দেশ্য করে ক্ষিতীশ সিংহ এই কথাটি বলেছেন। জীবনে অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মনের জোর এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে শারীরিক বাধা ও পরিস্থিতি পেরিয়ে সফল হওয়া যায়, এটা বোঝাতেই তিনি এই কথা বলেছেন।
∆ কেন বলেছেন—
আত্মবিশ্বাসের অভাব : কোনি যখন তার দারিদ্র্য, প্রশিক্ষণের কষ্ট এবং প্রতিপক্ষদের ষড়যন্ত্রের কারণে হতাশ হয়ে পড়ছিল, তখন তাকে মনোবল ফেরাতে ক্ষিতীশ এই কথা বলেন।
মানুষের সম্ভাবনা : ক্ষিতীশ বিশ্বাস করতেন, গায়ের জোরের চেয়ে মনের জোর বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি মনে করতেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে একজন সাধারণ মেয়েও অসামান্য সাফল্য অর্জন করতে পারে।
লড়াইয়ের মানসিকতা : সমাজের অবজ্ঞা এবং স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপে চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য, কোনিকে মানসিকভাবে দৃঢ় করার প্রয়োজন ছিল।
তাই বলা যায়, কোনি যাতে হাল ছেড়ে না দিয়ে লড়াই চালিয়ে যায়, সেজন্যই কোচ ক্ষিতীশ তাকে ‘মনের জোরে’ সব জয়ের এই দর্শন বুঝিয়েছিলেন।
৭.২ বিষ্টুচরণ ধরের পরিচয় দাও। তার খাদ্যাভ্যাসের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ প্রখ্যাত সাহিত্যিক মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসে গঙ্গার ঘাটে ক্ষিতীশের চোখে পড়ে বিশাল মোটাসোটা এই বিষ্টুচরণকে। তার পরিচয় এইরূপ—
বনেদি বংশের আই এ পাস করা ছেলে বিষ্টুচরণ হল পাড়ার সকলের কাছেবেষ্টাদা বলে পরিচিত। তিনি বনেদিয়ানা ও অর্থের জন্য পাড়ায় বে মান্যগণ্য। বিষ্টুচরণের সাতটা বাড়ি, বড়োবাজারে ঝাড়ন মশলার বিশাল ব্যাবসা। বর্তমানে তিনি ভোটে দাঁড়াবার একটা গোপন সদিচ্ছা মনে মনে পোষণ করে পাড়ার যে-কোনো খেলাধুলো বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির পদ অলংকৃত করে থাকেন এবং নানানভাবে আর্থিক সাহায্যও করেন। পুরোনো বিশ্বস্ত অস্টিন তাঁর সাড়ে তিন মণ দেহটাকে সর্বত্র বহন করে নিয়ে যায়। তাঁর একটি বিশেষ শখ ছিল গঙ্গার ঘাটের মালিশওয়ালাদের দিয়ে মালিশ করানো। বিষ্টুচরণের ওজন সাড়ে তিন মণ হওয়াতে সে খুবই চিন্তিত হয়ে ডায়েটিং শুরু করেছে। অদ্ভুত তার এই ডায়েটিং।
খাদ্যাভ্যাসের বিবরণ : আগে যেখানে সে জলখাবারে প্রতিদিন কুড়িটা লুচি ও আধকিলো ক্ষীর খেত এখন তা নেমে এসেছে পনেরোটা লুচি ও তিনশো গ্রাম ক্ষীরে। দুপুরে আড়াইশো গ্রাম চালের ভাতের সঙ্গে চার চামচ ঘি। বিকেলে দু-গ্লাস মিছরির শরবতের সঙ্গে কড়াপাকের সন্দেশ চারটে। রাতের খাবার বলতে বারোটা রুটি। মাছ-মাংস অবশ্য খায় না, কারণ তার বাড়িতে রাধাগোনিদের বিগ্রহ আছে।
৮। চলিত গদ্যে অনুবাদ করাে : ৪
Once a mouse disturbed a lion in his sleep. The lion caught the mouse and was going to kill it, but it begged for pardon and was let go. Shortly after the lion was caught in a strong net. Hearing his roar the mouse came
there and cut the ropes with its teeth. The lion became free.
বঙ্গানুবাদঃ একদিন একটি ইঁদুর ঘুমন্ত একটি সিংহকে বিরক্ত করল। সিংহটি ইঁদুরটিকে ধরে ফেলল এবং তাকে মেরে ফেলতে যাচ্ছিল, কিন্তু ইঁদুরটি ক্ষমা প্রার্থনা করল, তাই তাকে ছেড়ে দেওয়া হলো। অল্প কিছুদিন পর সিংহটি একটি শক্ত জালে আটকা পড়ল। তার গর্জন শুনে ইঁদুরটি সেখানে এসে তার দাঁত দিয়ে জালের দড়িগুলো কেটে দিল। সিংহটি মুক্ত হলো।
📌 আরো দেখোঃ
📌দশম শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌বাংলা সিলেবাস দশম শ্রেণিClick Here
📌দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌দশম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 ইতিহাস সিলেবাস দশম শ্রেণি Click Here
📌দশম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌দশম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌 মাধ্যমিক প্রশ্নপত্র সমস্ত বিষয় Click Here
📌 মাধ্যমিক মক্ টেস্ট সমস্ত বিষয় Click Here
