আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি বিষয়বস্তু দশম শ্রেণি বাংলা | Ai aro bedhe bedhe thaki Bisoibostu Class 10 Bengali wbbse

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি বিষয়বস্তু দশম শ্রেণি বাংলা | Ai aro bedhe bedhe thaki kobitar Bisoibostu Class 10 Bengali wbbse

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি
—শঙ্খ ঘোষ

📌মাধ্যমিক সিলেবাস বাংলা Click Here

📌দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌দশম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 মাধ্যমিক বিগত বছরের প্রশ্নপত্র Click Here

📌 মাধ্যমিক সমস্ত বিষয় মক্ টেস্ট Click Here

আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি
—শঙ্খ ঘোষ

আমাদের ডান পাশে ধ্বস
আমাদের বাঁয়ে গিরিখাদ
আমাদের মাথায় বোমারু
পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ
আমাদের পথ নেই কোনো
আমাদের ঘর গেছে উড়ে
আমাদের শিশুদের শব
ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে !
আমরাও তবে এইভাবে
এ-মুহূর্তে মরে যাব না কি ?
আমাদের পথ নেই আর
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।
আমাদের ইতিহাস নেই
অথবা এমন ইতিহাস
আমাদের চোখমুখ ঢাকা
আমরা ভিখারি বারোমাস
পৃথিবী হয়তো বেঁচে আছে
পৃথিবী হয়তো গেছে মরে
আমাদের কথা কে-বা জানে
আমরা ফিরেছি দোরে দোরে।
কিছুই কোথাও যদি নেই
তবু তো কজন আছি বাকি
আয় আরো হাতে হাত রেখে
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।

∆ কবি পরিচিতি—

জন্ম : ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২
মৃত্যু : ২১ এপ্রিল ২০২১

প্রকৃত নাম : চিত্তপ্রিয় ঘোষ

ছদ্মনাম : কুন্তক

শঙ্খ ঘোষ ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি ও সাহিত্য সমালোচক, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ ও শক্তিমান সাহিত্যিক। তিনি কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও জীবনানন্দ দাসের উত্তরসূরী ছিলেন। তাঁর প্রকৃত নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ। মাতা অমলাবালা, পিতা সুশিক্ষক বাংলা ভাষার সম্মানিত বিশেষজ্ঞ মণীন্দ্রকুমার ঘোষ। তিনিও শিক্ষকতা করেছেন সারা জীবন। যাদবপুর, দিল্লি ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপনা করেছেন। ‘বাবরের প্রার্থনা’ কাব্যগ্রন্থটির জন্য তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার ‘সাহিত্য একাদেমি পুরস্কার’ লাভ করেন। ১৯৮৯ সালে- “ধুম লেগেছে হৃদকমলে” কাব্যগ্রন্থের জন্য রবীন্দ্র পুরস্কার পান। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে লাভ করেন ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান, ‘জ্ঞানপীঠ পুরস্কার’।

কাব্যগ্রন্থ : দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬) এখন সময় নয় (১৯৬৭), নিহিত পাতালছায়া (১৯৬৭), শঙ্খ ঘোষের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৭০), মূর্খ বড় সামাজিক নয় (১৯৭৪), বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬), পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ (১৯৮০), মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪), ধুম লেগেছে হৃদকমলে (১৯৮৪), কবিতাসংগ্রহ – ২ (১৯৯১),লাইনেই ছিলাম বাবা (১৯৯৩),জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪),

গদ্যগ্রন্থ : কালের মাত্রা ও রবীন্দ্রনাটক (১৯৬৯), ছন্দের বারান্দা (১৯৭২), উর্বশীর হাসি (১৯৮১), শব্দ আর সত্য (১৯৮২),

ছোটো ও কিশোরদের জন্যে লেখা : বিদ্যাসাগর (১৯৫৬,) সকালবেলার আলো (১৯৭২),

শব্দ নিয়ে লেখা : বানান বিষয়ক বই (কুন্তক ছদ্মনামে লেখা, ১৯৮০), রাগ করো না রাগুনী (১৯৮৩), সব কিছুতেই খেলনা হয় (১৯৮৭), সুপারি বনের সারি (১৯৯০), আমন ধানের ছড়া (১৯৯১), কথা নিয়ে খেলা (১৯৯৩), ছোট্ট একটা স্কুল (১৯৯৮), বড় হওয়া খুব ভুল (২০০২)।

মূলগ্রন্থ : ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ (২০০৪)

∆ কবিতার বিষয়বস্তু—

আধুনিক যুগের একজন সমাজমনস্ক যুগসচেতন কবি শঙ্খ ঘোষ। তাঁর ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটিতে সেই সমাজমনস্কতার পরিচয় দিয়েছেন। কবিভাবনা দেশকালের সীমা অতিক্রম করে বিশ্বজনীন ও সার্বজনীন হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর বুকে সাম্রাজ‍্যবাদী শক্তির আগ্রাসনে যুদ্ধবিধ্বস্ত, সর্বহারা, আতঙ্কগ্রস্ত অসহায় সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ‍্যে কবি এই আহ্বান জানিয়েছেন।

মানুষ‌ই বেঁচে থাকার জন‍্য দলবদ্ধ হয়েছিল, সমাজ গড়ে সভ‍্যতার বিকাশ ঘটিয়েছিল। কিন্তু সেই মানুষ‌ই ক্ষমতা, লোভ আধিপত‍্য বিস্তারে এতটাই প্রবল হয়ে উঠেছিল যে মানুষের প্রতি দেশের আঘাত হানতে সংকোচ বোধ করে না। এর ফল গোষ্ঠী সংঘর্ষ, সন্ত্রাস, যুদ্ধ, হানাহানি। সাধারণ মানুষ থেকে শিশু কারোর রেহাই নেই, বাঁচার পথ অবরুদ্ধ। তাই কবি বলেছেন—

“আমাদের পথ নেই কোনো”

শিশুরা দেশের সম্পদ, ভবিষ‍্যৎ প্রজন্ম। ভবিষ‍্যত দেশের কান্ডারী তারা। অথচ বর্তমান নৈরাজ‍্যকতায় ভবিষ‍্যত ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সে মানুষদের এই ভবিষ‍্যৎ প্রজন্মকে আগলে রাখার কথা তারাই বিনষ্ট করেছে। কিছু সাম্রাজ‍্যবাদী ক্ষমতালোভী মানুষেরা তাদের কায়েমিস্বার্থ চরিতার্থ করতে শিশুদের ওপর‌ও নখর থাবা বসাতে পিছপা হচ্ছে না, ঠেলে দিচ্ছে মৃত‍্যুর মুখে। তা দেখে ব‍্যথিত শঙ্কিত কবিচিত্ত তুলে ধরেছেন সেই নির্মম ছবি—

“আমাদের শিশুদের শব
ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে
আমরাও তবে এইভাবে
এ মুহূর্তে মরে যাব না কি ?”

‘ইতিহাস’ বলতে যেমন অতীত কাহিনি, পুনরাবৃত্তি বোঝায়। তেমন‌ই ইতিহাস হল মানবসভ‍্যতা তথা কোনো জাতির সভ‍্যতা বিকাশের ক্রমোন্নতির পর্যায়। সেই ইতিহাসেই নিহিত থাকে ঐতিহ‍্য। কিন্তু ইতিহাসের নিয়ন্ত্রাশক্তি যদি হয়ে ওঠে কোনো ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী, সে ধর্মীয়, রাজনৈতিক বা অন‍্য কোনো সম্প্রদায়, তখন ঘটে ইতিহাসের বিকৃতি। ঐতিহ‍্যের এই অগৌরবের আবর্তে ভবিষ‍্যৎ ও কলঙ্কের সাক্ষ‍্য বহন করে বয়ে চলে। কবি যখন আলোচ‍্য কবিতায় লিখছেন– “আমাদের ইতিহাস নেই”। তখন‌ই প্রকাশ পাচ্ছে সাম্রাজ‍্যবাদী শক্তির অপর এক নগ্ন রূপ– ঐতিহ‍্যের বিকৃতির কথা, ইতিহাসের মিথ‍্যাচারের কথা।

আমরা সাধারণ মানুষ যারা প্রবাহমান জীবনধারায় সবচেয়ে চলমান ঐতিহ‍্যের রূপ তারাই ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে উপেক্ষিত, বঞ্চিত ও বিকৃতির শিকার। তাই কবি ইতিহাসে স্থান না পাবার কথা বলার পাশাপাশি বলেন—

“অথবা এমনি ইতিহাস
আমাদের চোখমুখ ঢাকা।”

এ আসলে তথ‍্য বিকৃতি, স্বার্থান্ধ ব‍্যক্তিদের বানানো একমাত্রিক ইতিহাস, সুখের ইতিহাস। সেই ইতিহাসে আমাদের চোখ ঢাকা, আমরা প্রকৃত সত‍্যের নাগাল পাইনা, সাধারণ মানুষের যারা সভ‍্যতার চালিকাশক্তি তাদের কথা জানতে পারি না। তারা সমাজের বঞ্চিত, শোষিত, পর্যুদস্ত, অবাঞ্ছিত মানুষ। তাই তাদের ইতিহাসটাও হয়ে আছে উপেক্ষার বা বঞ্চনার। শুধু একটি দেশে নয়, যুগের ইতিহাস দেখলে নানা দেশের মানুষের এক‌ই চিত্র ধরা পড়বে। আর এই বিকৃত ইতিহাস‌ই আপামর সাধারণ মানুষ‌ও মেনে নিয়ে চলেছে।

সাধারণ মানুষ চিরকাল আত্মসুখ বিসর্জন দিয়ে পরানুকরণে ব‍্যাপৃত থেকেছে। অন‍্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মানসিকতাও তাদের নেই। এমনকি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে যে সচেতন মনোভাব থাকা দরকার তাও নেই। কবি বলেছেন– সাধারণ মানুষের এই নিষ্ক্রিয় মনোভাব ভিখারি দশার সামিল। এ থেকে মুক্তির উপায় করতে না পারাকেই কবি ‘ভিখারি বারোমাস’ বলেছেন।

সাধারণ মানুষ স্বভাবত‌ই শান্তিপ্রিয়, সহজ সরল জীবনযাপনে অভ‍্যস্ত। কিন্তু দেখা যাবে তারাই চিরকাল ক্ষমতাহীন থেকে প্রকৃতির কাছে বিপর্যস্ত। তাই কবি সাধারণ মানুষকে অসহায় অবস্থায় বিচ্ছিন্নভাবে না থেকে একত্র সহাবস্থানের মধ‍্য দিয়ে ঐক‍্য মৈত্রী সহযোগিতার ভিত্তিতে আগুয়ান হ‌ওয়ার কথা বলেছেন, বাঁচার পথ দেখিয়েছেন –

“আমাদের পথ নেই আর
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি।”

বৃহত্তর কর্মযজ্ঞে একক চলায় সার্থকতা নেই, প্রয়োজন সংঘবদ্ধতার, ঐক‍্যর। ভাগ‍্যের হাতে নিজেকে সমর্পণ না করে ভবিষ‍্যতের জন‍্য লড়াই করার অঙ্গীকারের কথা বলেছেন। সেই অঙ্গীকারের বাণী সংহতি, পারস্পরিক সহচর্য – হাতে হাত রেখে চলা। কবি চান মানুষের সংগ্রাম, মানুষের প্রতিবাদ। তার জন‍্য দরকার একত্র সহাবস্থান। সংঘবদ্ধতাই সমস্ত বিপর্যয় দূর করার চরম অস্ত্র বলে কবি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

∆ কবিতার ভাববস্তু—

‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় অস্থির সময়ের রাহুগ্রাসে বিপন্ন মানুষের টিকে থাকার কথা ব্যক্ত হয়েছে। আমাদের চলমান জীবনের সার্বিক সংকটের কথা বোঝাতে গিয়ে কবি লিখেছেন আমাদের ডান পাশে ধ্বস ,আমাদের বামে গিরিখাত আমাদের মাথায় বোমারু বিমান।

আলোচ্য কবিতায় প্রতিটি স্তবকে মানুষের অস্তিত্বের সংকট প্রকাশিত। রাজনৈতিক আদর্শহীনতা, সাম্রাজ্যবাদ, ধর্মান্ধতার মতো অসুখ সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে। এই অস্থির সময়ে মানুষের বিপন্নতার ছবি তুলে ধরেছেন কবি শঙ্খ ঘোষ। অস্তিত্বের সংকটে বিপন্ন মানুষ। কবি বলেছেন-

“আমাদের পথ নেই কোনো
আমাদের ঘর গেছে উড়ে
আমাদের শিশুদের শব
ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে!”

এত হতাশার মাঝে বাঁচার একটাই পথ, তা হলো সংঘবদ্ধতা। এই ক্ষয়ে যাওয়া সমাজে সাধারণ মানুষের কোনো ইতিহাস নেই। যদিও-বা থেকে থাকে তবে তা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে পদানত হওয়ার ইতিহাস। কিন্তু এতসব প্রতিকূল ও নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও কিছু মানুষ এখনও তাদের শুভবুদ্ধি বিবেকবোধ বিসর্জন দেননি। কবি তাঁদের ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা যদি আরো সংঘবদ্ধভাবে থাকেন, তবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর কবিতার মাধ্যমে মানুষের কাছে এই বার্তায় পৌঁছে দিতে চেয়েছেন যে, প্রতিকূলতা ও অসহায়তা বঞ্চনা ও সংশয়ের মাঝেও সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে। কারণ একতা, সম্প্রীতি ও সম্মিলিত শক্তির কাছে উদ্ধত শক্তিকে নতজানু হতেই হয়- এটাই সভ্যতার ইতিহাস, এটাই বাস্তব।

∆ নামকরণের সার্থকতা—

যদিও শেক্সপীয়র বলেছেন What’s in a name ? তবুও আমাদের মনে হয় সাহিত্যে নামকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নামকরণ হয়ে থাকে চরিত্রকেন্দ্রিক, কখনও বিষয়বস্তুকেন্দ্রিক, আবার কখনও বা ব্যঞ্জনাধর্মী।

এবার আমরা কবি শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতার বিষয়বস্তু সংক্ষেপে আলোচনা করে দেখব নামকরণ কতটা সার্থক হয়েছে।

‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় অস্থির সময়ের রাহুগ্রাসে বিপন্ন প্রাণীর টিকে থাকার কথা ব্যক্ত হয়েছে। আমাদের চলমান জীবনের সার্বিক সংকটের কথা বোঝাতে গিয়ে কবি লিখেছেন আমাদের ডান পাশে ধ্বস, আমাদের বামে গিরিখাত আমাদের মাথায় বোমারু বিমান। আলোচ্য কবিতায় প্রতিটি স্তবকে মানুষের অস্তিত্বের সংকট প্রকাশিত। রাজনৈতিক আদর্শহীনতা, সাম্রাজ্যবাদ, ধর্মান্ধতার মতো অসুখ সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দিয়েছে। এই অস্থির সময়ে মানুষের বিপন্নতার ছবি তুলে ধরেছেন কবি শঙ্খ ঘোষ। অস্তিত্বের সংকটে বিপন্ন মানুষ। তাই কবি বলেছেন—

“আমাদের পথ নেই কোনো
আমাদের ঘর গেছে উড়ে
আমাদের শিশুদের শব
ছড়ানো রয়েছে কাছে দূরে!”

এত হতাশার মাঝে বাঁচার একটাই পথ, তা হলো সংঘবদ্ধতা।

এই ক্ষয়ে যাওয়া সমাজে সাধারণ মানুষের কোনো ইতিহাস নেই। যদিও-বা থেকে থাকে তবে তা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে পদানত হওয়ার ইতিহাস। কিন্তু এতসব প্রতিকূল ও নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও কিছু মানুষ এখনও তাদের শুভবুদ্ধি বিবেকবোধ বিসর্জন দেননি। কবি তাঁদের ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁরা যদি আরো সংঘবদ্ধভাবে থাকেন, তবে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর কবিতার মাধ্যমে মানুষের কাছে এই বার্তায় পৌঁছে দিতে চেয়েছেন যে, প্রতিকূলতা, অসহায়তা, বঞ্চনা ও সংশয়ের মাঝেও সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে।

আলোচ্য কবিতার বিষয়বস্তু বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে কবিতার নামকরণ ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ সম্পূর্ণরূপে সার্থক হয়েছে।

MCQ প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)

VSAQ প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ৩)

বড়ো প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫)

📌 আরো দেখোঃ

📌মাধ্যমিক সিলেবাস বাংলা Click Here

📌দশম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌দশম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 মাধ্যমিক বিগত বছরের প্রশ্নপত্র Click Here

📌 মাধ্যমিক সমস্ত বিষয় মক্ টেস্ট Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply

  • Post comments:0 Comments
  • Reading time:8 mins read