Class 7 Bengali 2nd Unit Test Question Paper 2026 wbbse | সপ্তম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র ২০২৬

2ND SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 7 (VII) WBBSE
BENGALI QUESTION PAPER

Class 7 Bengali 2nd Unit Test Question Paper 2026 wbbse | সপ্তম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র ২০২৬

📌 সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

সিলেবাস—

সাহিত্য মেলা : কার দৌড় কতদূর, নোট বই, মেঘ চোর, দুটি গানের জন্মকথা, কাজী নজরুলের গান, স্মৃতি চিহ্ন, চিরদিনের

মাকু : তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম অধ্যায়।

ব্যাকরণ : বাংলা বানান (২য় অধ্যায়), নানা রকম শব্দ (৩য় অধ্যায়), নির্মিতিঃ প্রবন্ধ রচনা / চিঠি।

প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬
সপ্তম শ্রেণি
বিষয় : বাংলা

পূর্ণমান-৫০        সময় : ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট

১। সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো। (১×১২=১২)

(ক) উপনিষদে উক্ত চরৈবেতি শব্দের অর্থ (যাত্রা থামাও / এগিয়ে যাও / দাঁড়িও না)।

উত্তরঃ এগিয়ে যাও।

(খ) ঝোলা গুড় কিসে দেয় ? সাবান না (খটকা / পটকা / মটকা)।

উত্তরঃ পটকা।

(গ) অসীমা ইতিহাসের ছাত্রী হলেও আর কোন বিষয় ভালো জানে- (বাংলা / বিজ্ঞান / ভূগোল)।

উত্তরঃ ভূগোল।

(ঘ) রবীন্দ্রনাথ তখন সপরিবারে (চুঁচুড়াতে / গিরিডিতে / সিমলাতে) থাকতো।

উত্তরঃ গিরিডিতে।

(ঙ) রাত্রি এখানে স্বাগত সান্ধ্য (রাতে / পথে / শাঁখে)।

উত্তরঃ শাঁখে।

(চ) সুবর্ণযুগ আসে যার হাত ধরে (সবুজ ঘাস / সবুজ ফসল / সবুজ ক্ষেত)।

উত্তরঃ সবুজ ফসল।

(ছ) টাপুর টুপুর’ শব্দটি কি জাতীয় শব্দ ? – (শব্দদ্বৈত / ধ্বন্যাত্মক / তদ্ভব শব্দ)।

উত্তরঃ ধ্বন্যাত্মক।

(জ) ‘ঘন্টায় ঘন্টায় ‘শব্দটি কি জাতীয় শব্দ ?- (অনুকার ধ্বন্যত্মক / ভাব প্রকাশক ধ্বন্যত্মক / শব্দদ্বৈত)।

উত্তরঃ শব্দদ্বৈত।

(ঝ) সঠিক বানানটি হল – (দুর্ভিক্ষ / দূর্ভিক্ষ / দুর্ভীক্ষ)।

উত্তরঃ দুর্ভিক্ষ।

(ঞ) ‘স্মৃতিচিহ্ন’ কবিতাটি রচনা করেন- (বেগম রোকেয়া / কামিনী রায় / বনলতা সেন)।

উত্তরঃ কামিনী রায়।

(ট) ঘড়িওলার দাদা কে (হোটেলওলা / অধিকারী মশায় / পিসেমশাই)।

উত্তরঃ হোটেলওলা।

(ঠ) এখানকার বাড়িঘর সব পুরানো। এখানে ‘বাড়িঘর’ শব্দদ্বৈতটি- (দুটি সমার্থক / দুটি প্রায় সমার্থক / দুটি ভিন্নার্থক) শব্দ দিয়ে তৈরি হয়েছে।

উত্তরঃ দুটি সমার্থক।

২। নিচের প্রশ্নগুলির যথাযথ উত্তর দাও। ১×১৩=১৩

(ক) কারা মানুষের মনে চিরস্থায়ী আসন লাভ করে ?

উত্তরঃ যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করে তাঁরাই মানুষের মনে চিরস্থায়ী আসন লাভ করে।

(খ) ATP র পুরো কথাটি লেখো।

উত্তরঃ এডিনোসসিন ট্রাইফসফেট।

(গ) কাকে বলে অরণি ? অরণি শব্দের অর্থ কী ?

উত্তরঃ অরণি বলতে এমন কাঠকে বোঝানো হয় যা ঘষে আগুন জ্বালানো যায়। এটি এক ধরনের বিশেষ কাঠ যা থেকে আগুন তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

অরণি শব্দের অর্থ চকমকি পাথর।

(ঘ) অ্যালয় কী ?

উত্তরঃ ‘অ্যালয়’ হল একপ্রকার সংকর ধাতু, যা একাধিক ধাতুর মিশ্রণে সৃষ্টি। এগারটি ধাতুর সঙ্গে মার্কারি বা পারদকে মিশিয়ে পুরন্দর চৌধুরি একটি অ্যালয় তৈরি করেছিলেন।

(ঙ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘জনগনমন’র যে ইংরেজি নামকরণটি করেন সেটি লেখো।

উত্তরঃ The morning song of India.

(চ) ‘এটি ছিল তখনকার কোন স্বদেশী মিটিং এর রীতি- কোন রীতির কথা এখানে বলা হয়েছে ?

উত্তরঃ নেতাজির বক্তৃতার আগে নজরুল-এর গান হতেই হবে। এই ছিল তখনকার স্বদেশি মিটিং-এর রীতি, এই রীতির কথাই এখানে বলা হয়েছে।

(ছ) ব্যস্ত ঘড়ির কাঁটা কোথায় গিয়ে থেমে গেছে ?

উত্তরঃ ব্যস্ত ঘড়ির কাঁটা একটি বৃষ্টিমুখর, লাজুক গ্রামে এসে থেমে গেছে।

(জ) বর্ষায় কে বিদ্রোহ করে ?

উত্তরঃ মজা নদী বর্ষায় বিদ্রোহ করে।

(ঝ) শেষ হিমযুগ কবে শেষ হয়েছিল‌ ?

উত্তরঃ শেষ হিমযোগ শেষ হয়েছিল ১৩০০০ বছর আগে।

(ঞ) হোটেলওয়ালার সামনে সোনা, মাকুর কী নাম বলেছিল ?

উত্তরঃ বেহারি।

(ট) হোটেলওয়ালার জন্মদিনে সোনাটিয়া কি উপহার দিয়েছিল ?

উত্তরঃ টিয়া পুঁটলি খুলে মামনির নখ কাটার ছোটো কাঁচিটা বের করে সেটিই হোটেলওয়ালাকে জন্মদিনে উপহার হিসেবে দিয়েছিল।

(ঠ) ভারতের শ্রীজ্ঞান দীপঙ্কর কোথায় গিয়েছিলেন ?

উত্তরঃ তিব্বতে।

(ড) দিকবিজয় কে ছিলেন ?

উত্তরঃ দিকবিজয় ছিলেন পুরন্দর চৌধুরির ছোটো ভাই। তিনি প্রায় পঁচিশ বছর আগে নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন।

৩। তিন-চারটি বাক্যে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও যেকোনো পাঁচটি : ৩×৫=১৫

(ক) জনগণমন গানটি কবে কোথায় প্রথম জনসমক্ষে গাওয়া হয় এবং এই গানটির রিহার্সাল কার নেতৃত্বে কোথায় হয়েছিল ?

উত্তরঃ ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ২৬ তম বার্ষিক অধিবেশন ২৬ থেকে ২৮ ডিসেম্বর ১৯১১ তারিখে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেখানে এই গানটি প্রথম জনসমক্ষে গাওয়া হয় সমবেত কন্ঠে ২৭ ডিসেম্বর।

গানের রিহার্সাল হয়েছিল ডাক্তার নীলরতন সরকারের হ্যারিসন রোডের বাড়িতে, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ডিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

(খ) কাজী নজরুল ইসলামের গান শুনে লেখক এর মনে কোন অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছিল ? তখন তিনি কি করলেন ?

উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলামের গান শুনে লেখকের অল্প বয়সের রক্ত টগবগ করে ফুটতে আরম্ভ করে। লেখক তখন স্কুলে না গিয়ে রাস্তা দিয়ে ছুটে বাড়ি চলে আসেন এবং উত্তেজনা কমানোর জন্যে নিজের প্রিয় সঙ্গী তবলাকে টেনে নেন। ডুবে যান তবলার বোলে।

(গ) ‘মেঘ-চোর’ গল্পে কাকে মেঘ-চোর বলা হয়েছে ? তার মেঘ চুরির কৌশলটি সংক্ষেপে লেখ।

উত্তরঃ আলোচ্য গল্পটিতে পুরন্দর চৌধুরীকে মেঘ-চোর বলা হয়েছে। কারণ তিনি সাইবেরিয়া থেকে মেঘ উড়িয়ে এনে সাহারা মরুভূমিতে বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিলেন। তাতে সাহারাতে একশো ইঞ্চি বৃষ্টি হয়েছে।

» আলোচ্য গল্পে তার মেঘচুরির কৌশলটি হল যে দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, সেখান থেকে মেঘকে তাড়িয়ে নিয়ে গিয়ে, যেখানে বৃষ্টিপাত হয় না সেখানে বৃষ্টিপাত ঘটানো। এটাই হল তার মেঘচুরির কৌশল।

(ঘ) অর্থগতভাবে শব্দ কয় প্রকার ? প্রত্যেক প্রকারের একটি করে উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ

(ঙ)’ ভালো কথা শুনি যেই চটপট লিখে তাই’- এখানে বক্তা কে ? বক্তা কোন কোন ভালো কথা নোট বইয়ে লিখে রেখেছিলেন ?

উত্তরঃ বক্তা অর্থাৎ বাচ্চা ছেলেটি তার নোট বইয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন ও তার উত্তর লিখেছিল। যেমন- ফড়িঙের কটা ঠ্যাং, আরশোলা কী কী খায়, আঙ্গুলে আঠা লাগলে চটচট করে কেনো, কাতুকুতু দিলে গোরু কেন ছটফট করে ইত্যাদি।

(চ) “প্রকৃতিকে ধ্বংস করা একটা অপরাধ”- কে কাকে কখন বলেছে ?

উত্তরঃ পুরন্দর চৌধুরি তাঁর অ্যালয় নির্মিত গোলকটির সাহায্যে লেক শ্রেভারের সব বরফকে বাষ্পে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। তখন অসীমা পুরন্দরকে বাধা দিয়ে উপরোক্ত মন্তব্যটি করেছিল।

(ছ) “ওরা ভেবেছিল মনে”- কাদের কথা বলা হয়েছে ? তারা কী ভেবেছিল ?

উত্তরঃ ‘ওরা’ বলতে এখানে সেইসব মানুষদের কথা বলতে চাওয়া হয়েছে যারা ঐশ্বর্যের বলে সৌধ বা মিনার রচনা করে নিজেদের চিরস্মরণীয় করে রাখতে চেয়েছেন।

তারা ভেবেছিলেন ইট-পাথরের হর্ম্য নির্মাণ করলেই বুঝি পৃথিবীতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকা যায়। ঐশ্বর্য-প্রতিপত্তিকেই তারা সবথেকে বড়ো সম্পদ বলে ভেবেছিলেন।

৪। নিচের শব্দযুগলের অর্থ পার্থক্য নির্দেশ করো : ২

(ক) দীপ— প্রদীপ। (খ) সব—সমস্ত।

দ্বীপ— জল বেষ্টিত স্থান। শব— মৃতদেহ।

৫। সমার্থক শব্দ লেখো :‌ ২

• নদী— তটিনী, স্রোতস্বিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিণী।

• মূঢ়— নির্বোধ, অজ্ঞ, মূর্খ বা অবিবেচক।

৬। নিচের যে কোন একটি বিষয় অবলম্বনে অনুচ্ছেদ রচনা করো : ৬

(ক) পরিবেশ রক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা।

পরিবেশ রক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের

ভূমিকাভবিষ্যতের সচেতন নাগরিক হিসেবে পরিবেশ রক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রসমাজ চাইলে তাদের ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

প্রথমত, ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয় ও বাড়ির চারপাশে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ এবং সেগুলির পরিচর্যা করতে পারে। দ্বিতীয়ত, পরিবেশের বড় শত্রু প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জন করে চটের বা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তৃতীয়ত, প্রয়োজন শেষে আলো-পাখার সুইচ বন্ধ করা এবং জলের কল খোলা না রেখে সম্পদ ও শক্তির অপচয় রোধ করা শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। চতুর্থত, শ্রেণিকক্ষ ও নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। সর্বোপরি, পোস্টার তৈরি বা র‍্যালির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

“একটি গাছ, একটি প্রাণ”—এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ছাত্রসমাজ এগিয়ে এলে আমাদের এই পৃথিবী আগামী দিনে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

(খ) একটি মেলা দেখার অভিজ্ঞতা।

মেলা দেখার অভিজ্ঞতা

মেলা বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এবং প্রাণের উৎসব। গত শীতের এক মনোরম বিকেলে আমি আমার বন্ধুদের সাথে স্থানীয় একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা দেখতে গিয়েছিলাম। মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতেই চারদিকের রঙিন আলো, ঢাকের আওয়াজ এবং হাজারো মানুষের কোলাহল আমাকে এক মায়াবী জগতে নিয়ে যায়। মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল চারপাশের বৈচিত্র্যময় দোকানপাট। সেখানে মাটির পুতুল, হস্তশিল্প, কাঠের খেলনা এবং কাঁচের চুড়ির এক অপূর্ব সমাহার ছিল। মেলার বাতাসে ভেসে আসছিল গরম জিলিপি, ফুচকা এবং পাঁপড় ভাজার জিভে জল আনা সুবাস। আমরা সবাই মিলে বিশালাকার নাগরদোলায় চড়েছিলাম, যা ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। এছাড়া জাদুর খেলা ও পুতুলনাচ মেলার আনন্দকে আরও দ্বিগুণ করে তুলেছিল। পরিশেষে, মুখরোচক হালুয়া-পরোটা খেয়ে এবং বাড়ির সবার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কিনে আমরা আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসি। এই মেলা দেখার চমৎকার অভিজ্ঞতা আমার হৃদয়ে এক দীর্ঘস্থায়ী মধুর স্মৃতি হয়ে থাকবে।

(গ) কাজী নজরুল ইসলাম।

কাজী নজরুল ইসলাম

বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য দেদীপ্যমান নক্ষত্র এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। ১৮৯৯ সালের ২৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চুরুলিয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। শৈশবে চরম দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় হওয়ায় তাঁর ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং অসামান্য সঙ্গীতজ্ঞ। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, সামাজিক অন্যায়, শোষণ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর কলম ছিল সর্বদা সোচ্চার। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে চিরস্থায়ী আসন লাভ করেন। শুধু সাহিত্যেই নয়, সঙ্গীত জগতেও তাঁর অবদান অতুলনীয়; তিনি প্রায় ৪,০০০ গান রচনা ও সুর করেছেন, যা ‘নজরুল গীতি’ নামে সমাদৃত। তাঁর সৃষ্টিতে সাম্যবাদ, মানবতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং দেশপ্রেমের বাণী প্রস্ফুটিত হয়েছে। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকায় এই মহান কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দ্রোহ ও প্রেমের এই চারণকবি আজীবন বাঙালির প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।

(ঘ) একটি প্রাচীন বটগাছের আত্মকথা

আমি গ্রামের প্রান্তে নদীর বাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা এক শতায়ু বটগাছ। পরিযায়ী পাখির ফেলে যাওয়া বীজ থেকে মাটির পরম মমতায় আমার জন্ম হয়েছিল। আজ আমার বিশাল জটাজাল আর ডালপালা চারিদিকে বিস্তৃত।

শত বছর ধরে আমি এই গ্রামের সমাজ ও ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। গ্রীষ্মের প্রখর রোদে ক্লান্ত রাখাল বালক ও পথিকেরা আমার শীতল ছায়ায় এসে পরম শান্তি পায়। আমার ডালে বাসা বেঁধেছে কত শত পাখি, কাঠবিড়ালিদের চঞ্চলতায় আমি মেতে থাকি। একসময় আমার নিচেই বসত গ্রামের পঞ্চায়েত ও চৈত্র সংক্রান্তির রঙিন মেলা।

সময়ের সাথে সাথে আজ মানুষ বড় ব্যস্ত। আধুনিকতার নামে আমার ডালপালা কাটা হচ্ছে, শিকড় উপড়ে তৈরি হচ্ছে পিচ রাস্তা। চারপাশের দূষণে আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। তাও যতদিন বাঁচব, মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে অক্সিজেন আর ছায়া দিয়ে যাব। মানুষের কাছে আমার একটাই আকুল প্রার্থনা—নিজেদের স্বার্থে তোমরা প্রকৃতিকে ধ্বংস কোরো না।

📌 সপ্তম শ্রেণি ২০২৫ প্রশ্নপত্র সেট-১ Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ২০২৫ প্রশ্নপত্র সেট-২ Click Here

📌আরও পড়ুনঃ

📌 সপ্তম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণির ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here

📌 সপ্তম শ্রেণি গণিত সমাধান Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply