পঞ্চম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-২ | Class 5 Bengali 2nd Unit Test Question Paper Set-2 wbbse

2ND SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 5 (V) WBBSE
BENGALI QUESTION PAPER

Set-2

পঞ্চম শ্রেণির বাংলা দ্বিতীয় ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-২ | Class 5 Bengali 2nd Unit Test Question Paper Set-2 wbbse

📌পঞ্চম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

সিলেবাস—
কবিতা— মাঠ মানে ছুট, লিমেরিক, ঝড়, মায়াতরু, বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, চল চল চল।

গল্প— মধু আনতে বাঘের মুখে, পাহাড়িয়া বর্ষার সুরে, বোকা কুমিরের কথা।

নাটক— ফণিমনসা ও বনের পরি।

ভাষা পাঠ : লিঙ্গ, বচন, চিঠিপত্র।

দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৫
পঞ্চম শ্রেণি
বিষয় : বাংলা
পূর্ণমান-৩০                        সময় : ১ ঘণ্টা

১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (যে-কোনো চারটি) : ১×৮=৮

১.১ ‘পিপির পিপির পিপ’– (শাঁখের / করাতের / জলের / বাঁশির) শব্দ।

উত্তরঃ বাঁশির।

১.২ লিমেরিক কবিতাটি তরজমা করেছেন (এডোয়ার্ড লিয়ার / রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর / শঙ্খ ঘোষ / সত্যজিৎ রায়)।

উত্তরঃ সত্যজিৎ রায়

১.৩ গরান গাছের ফুল- (লাল / নীল / হলুদ / সবুজ) রঙের।

উত্তরঃ হলুদ

১.৪ হিমালয় পর্বতমালা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ( উত্তর / দক্ষিণ / পূর্ব / পশ্চিম) দিকে।

উত্তরঃ উত্তর।

১.৫ বাংলায় লিঙ্গের প্রকার (এক / দুই / তিন / চার)।

উত্তরঃ দুই

১.৬ ‘পেতনি’ হল ‘ভূত’ শব্দটির– (পুংলিঙ্গবাচক শব্দ / স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ / উভলিঙ্গবাচক শব্দ / কোনোটিই নয়)।

উত্তরঃ স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ।

১.৭ প্রাণী বা বস্তু উভয় ক্ষেত্রেই টি, টা যোগ করলে (একবচন বোঝায় / দ্বিবচন বোঝায় / বহুবচন বোঝায় / কিছুই বোঝায় না)।

উত্তরঃ একবচন বোঝায়।

১.৮ মেয়েটি গান গাইছে- ‘মেয়েটি’ শব্দ হলো– (একবচন / দ্বিবচন / বহুবচন / কোনোটিই নয়)।

উত্তরঃ একবচন।

২। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (যে-কোনো চারটি) : ১×৯=৯

২.১ রাভা গোষ্ঠীর জীবনে আনন্দময় পর্ব কোনটি ?

উত্তরঃ রাভা গোষ্ঠীর জীবনে আনন্দময় পর্ব হলো দল বেঁধে মাছ ধরতে যাওয়া।

২.২ কুমির ও শিয়াল কীসের কীসের চাষ করেছিল ?

উত্তরঃ কুমির ও শিয়াল যথাক্রমে আলু, ধান ও আখ চাষ করেছিল।

২.৩ ফনিমনসার কান্নার সময় সে পথ দিয়ে কে যাচ্ছিল ?

উত্তরঃ ফনিমনসার কান্নার সময় সে পথ দিয়ে যাচ্ছিল বনের পরি।

২.৪ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরস্কার পান ?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

২.৫ ‘পালিয়ে গেল অনেক দূরে’– কে পালিয়ে গেল ?

উত্তরঃ ঝড় অনেক দূরে সাত সাগরের পারে পালিয়ে গেল।

২.৬ মায়াতরু কবিতাটি কে লিখেছেন ?

উত্তরঃ মায়াতরু কবিতাটি লিখেছেন অশোকবিজয় রাহা।

২.৭ লিঙ্গ শব্দের অর্থ কী ?

উত্তরঃ লিঙ্গ শব্দের অর্থ হলো চিহ্ন বা লক্ষণ।

২.৮ বহুবচন কাকে বলে ?

উত্তরঃ যার দ্বারা একের অধিক সংখ্যাকে বোঝায় তাকে বহুবচন বলা হয়। যেমন– বইগুলি পাখিরা আমরা ফুলগুলো ইত্যাদি।

২.৯ ‘খানা’ যোগে একটি শব্দ তৈরি করো।

উত্তরঃ ঘরখানা।

৩। লিঙ্গ পরিবর্তন করো যেকোনো ২টি : প্রথম, আয়লা, কবি, চন্দনা। ১×২=২

উত্তরঃ প্রথম– প্রথমা, গয়লা– গয়লানি, কবি–মহিলা কবি, চন্দনা– চন্দন।

৪। যে-কোনো ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩×১=৩

৪.১ ‘বাচ্চা গাছটি তো মহা খুশি। আনন্দে ডগমগ।’- উদ্ধৃত অংশটির রচনা ও রচয়িতার নাম লেখ। এত আনন্দ কখন হল বাচ্চা গাছের ? ১+২

উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশটি ‘ফণীমনসা ও বনের পরি’ নামক নাটক থেকে নেওয়া হয়েছে। রচয়িতা হলেন বীরু চট্টোপাধ্যায়।

বীরু চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘ফণীমনসা ও বনের পরি’ নাটকে আমরা দেখতে পাই যে, আশপাশের গাছেদের সুন্দর সুন্দর পাতা দেখে ফণীমনসা গাছের মন অত্যন্ত খারাপ হয়ে যায় তার বিশ্রী ও ছুঁচোলো পাতার জন্য। সে মনের দুঃখে কাঁদতে থাকে। তার সেই কান্না দেখে বনের পরি এসে তার মনের ইচ্ছাপূরণ করে। বনের পরির আশীর্বাদে ফণীমনসা গাছের ইচ্ছাঅনুযায়ী তার পাতাগুলি ঝলমলে সোনার হয়ে যায়। তখনই বাচ্চা ফণীমনসা গাছটির অত্যন্ত আনন্দ হয়।

৪.২ ‘বোকা কুমিরের কথা’ গল্পটি কার লেখা ? গল্পে কুমিরকে কী কী ভাবে ঠকেছিল ? ১+২

উত্তরঃ ‘বোকা কুমিরের কথা’ গল্পটি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা।

বোকা কুমিরের কথা’ গল্পে বোকা কুমিরটি বারবার শিয়ালকে ঠকানোর চেষ্টা করেছিল। গাছের আগার দিক নেবে-এই শর্তে আলু চাষ করে সে আলু পায়নি। পরেরবার গোড়ার দিক নিয়ে লাভ করার কথা ভেবে ধানচাষ করে ধান পায়নি এবং শেষবার আবার আগার দিক নেবে ভেবে আখচাষ করে শুধু নোনতা আগা পেয়েছিল। এভাবে শিয়াল ভায়াকে ঠকাতে গিয়ে বারবার সে নিজেই ঠকেছিল।

৫। যে-কোনো ১টি প্রশ্নের উত্তর দাও : ৩×১=৩

৫.১ ‘ছুট’ অর্থে কবি যা যা বলেছেন তা (তিন-চারটি বাক্যে) লেখো।

উত্তরঃ ‘মাঠ’ মানে ছুট’ কবিতার কবি কার্তিক ঘোষের কাছে ‘ছুট’-এর অর্থ কেবল আশা বা আশার পিছনে ছুটে বেড়ানোই নয়; ‘ছুট’ মানে শুধু শক্ত পায়ের মজবুত কোনো ভাষাও নয়। ‘ছুট’-এর অর্থ কবির কাছে নিছক সাহসিকতার সঙ্গে বেঁচে থাকা অথবা খাঁচা ভেঙে পাখির মুক্ত আকাশে উড়ে চলাই কেবল নয়। ‘ছুট’-এর অর্থ ফুটন্ত প্রাণে সাতসমুদ্রের সবুজ ঢেউকে ডেকে আনাই কেবল নয়। ‘ছুট’-এর অর্থ সোনালি, সার্থক এক জীবন, যাকে নিরন্তর ছুটে চলতে চলতেই খুঁজে পাওয়া যায়।

৫.২ ‘মায়াতরু’ কবিতাটির বিষয়বস্তু নিজের ভাষায় লেখ।

উত্তরঃ মায়াতরু এক আশ্চর্য মায়াবী গাছ। গাছটি সন্ধে হলেই দু-হাত তুলে ভূতের নাচ শুরু করত। আবার রাতেরবেলা চাঁদ উঠলে সেই গাছ ভালুকে পরিণত হত এবং ঘাড় ফুলিয়ে সে গর্গর্ আওয়াজ করত। বৃষ্টির সময় সেই গাছের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসত। একপশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পরে আবার যখন আকাশে চাঁদ উঠত তখন ভালুক বা গাছ কোনো কিছুই দেখা যেত না। তখন শুধু মুকুটের মতো ঝাঁকে ঝাঁকে লক্ষ হীরার মাছ দেখা যেত। ভোরবেলার আবছা আলোয় এমন অনেক কাণ্ড হত যা কবি ভেবেও পেতেন না। আবার যখন সকাল হত তখন একটি রুপোলি মাছকেও দেখা যেত না। সেখানে শুধুই পড়ে থাকত ঝিকিমিকি আলোর রুপোলি একটা ঝালর।

৬। দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নের প্রস্তুতি কেমন হয়েছে, তা জানিয়ে মামাকে চিঠি লেখো। ৫

অথবা, গরমের ছুটি কেমন কাটালে তা জানিয়ে দিদিকে চিঠি লেখো।

উত্তরঃ

১১১ এ, জিটি রোড
কলকাতা
৩১/০৫/২০২৪

শ্রীচরণেষু মামা,

আশা করি, তুমি ভালো আছো। আমিও ভালো আছি। তুমি জানতে চেয়েছ আমার আসন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন হয়েছে। এবার আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করছি। ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়গুলি পড়তে আমার খুব ভালো লাগছে। এছাড়া বাংলাও আমি পড়ছি। রচনাগুলি মুখস্থ করে লেখা অভ্যাস করছি। প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় ইতিহাস ও অঙ্কের নম্বর ভালো হয়নি। তাই প্রতিদিন আমি পনেরো-ষোলোটি করে অঙ্ক অনুশীলন করছি। অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। আশা করি আসন্ন দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়নে ভালো ফল করতে পারব । আমাদের পরীক্ষা শুরু হবে জুন মাসে।

তুমি কবে আমাদের বাড়ি আসছ? আমি তোমার আসার অপেক্ষায় রইলাম। তুমি ও মামিমা আমার প্রণাম নিও।

ইতি তোমার
সুমন

ডাকটিকিট

প্রাপক
শ্রী নরেন মণ্ডল ১৩সি,
বিজয়নগর,
নদীয়া – ৭৩১১২৯

অথবা, প্রশ্নের উত্তর—

নগর, নবজীবন
কুচবিহার
৩১/০৫/২০২৪

প্রিয় দিদি,

গতকাল তোমার চিঠি পেলাম। গরমের ছুটিটা তুমি খুব আনন্দে কাটিয়েছ জেনে খুব ভালো লাগল। তুমি জানতে চেয়েছ আমার গরমের ছুটি কেমন কেটেছে। সেই কথাই আজ চিঠিতে লিখছি।

এবারের গরমের ছুটিতে আমি কয়েকদিনের জন্য বাড়ির সকলের সঙ্গে বকখালির নির্জন সমুদ্র সৈকতে অসীম শান্তিতে ও পরম আনন্দে ভ্রমণ করে নিরাপদে বাড়ি ফিরেছি। গত ১৫ তারিখ সকলে সকালবেলা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ডায়মন্ড হারবার লোকাল ধরে যাত্রা শুরু করি। সেখান থেকে বাসে করে নামখানায় যাই। ওখানে ‘হাতানিয়া দোয়ানিয়া’ নদী পেরিয়ে বকখালির উদ্দেশে রওনা হই। বেলা ১২ টা নাগাদ বকখালি পৌঁছে একটি হোটেলে উঠি। তারপর সবাই মিলে যাই সমুদ্রে স্নান করতে। পরের দিন ভোরে সূর্যোদয়ের অপরূপ শোভা দর্শন করি। এরপর আমরা ফ্রেজারগঞ্জ দেখতে যাই। তারপরে একদিন যাই হেতাল বন দেখতে, সেখান থেকেই সুন্দরবনের শুরু। পরদিন সকালে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিই আমরা। গরমের ছুটিটা দারুণ উপভোগ করেছি এবার ঘুরতে গিয়ে বকখালি ভ্রমণের স্মৃতি আমার মনে চিরদিন থেকে যাবে। আজ এখানেই শেষ করছি। তুমি আমাদের বাড়ি এলে সাক্ষাতে আরও গল্প করব। তুমি আমার ভালোবাসা নিও, বড়োদের আমার প্রণাম জানিও।

ইতি
তোমার বোন

অঞ্জলী কিস্কু
প্রযত্নে, ধানো কিস্কু, হলদিয়া।

📌আরও পড়ুনঃ

📌পঞ্চম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

📌পঞ্চম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌পঞ্চম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply