2ND SEMESTER EXAMINATION
CLASS 11 (XI) WBCHSE
EDUCATION QUESTION PAPER
Set-2
Class 11 Education 2nd Semester Question Paper Set-2 wbchse | একাদশ শ্রেণি এডুকেশন দ্বিতীয় সেমিস্টার প্রশ্নপত্র সেট-২
📌 একাদশ শ্রেণি প্রশ্নপত্র সেমি-২ Click Here
BUDGE BUDGE UCHCHA BALIKA VIDYALAYA (H.S.)
2nd Semester Examination-2025
Class-XI
Subject – EDUCATION
F.M. 40 Time : 2 hours
1. নীচের প্রশ্নগুলির অতিসংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) : 2×5=10
(a) ‘Psychology’ শব্দটি কোন্ গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে ? এই শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ লেখো।
অথবা, পিলস্নারির মতে, প্রত্যক্ষণ কী ? প্রত্যক্ষণকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় ও কী কী ?
(b) শৈশবের দুটি বিকাশমূলক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
(c) শিশুর জীবন বিকাশের মূল উপাদান কটি ও কী কী ?
(d) ‘নির্বাণ’ শব্দের অর্থ কী ? ‘নির্বাণলাভ’ কোন্ শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য ?
অথবা, লর্ড কার্জনের শিক্ষানীতি কত সালে পাস হয় ? এটি কোন্ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল ?
(e) ব্রাহ্মসমাজ কে, কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন ?
2. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) : 5×2=10
(a) সংবেদন ও প্রত্যক্ষণের পার্থক্য আলোচনা করো।
অথবা, শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
(b) শিক্ষাক্ষেত্রে সাবিত্রীবাঈ ফুলের অবদান আলোচনা করো।
3. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) : 10×2=20
(a) কৈশোরকালকে কেন ঝড়-ঝঞ্ঝার কাল বলা হয় ? কৈশোরকালের মানসিক চাহিদাগুলি সংক্ষেপে বিবৃত করো। 2+8
(b) 1854 সালের উডের ডেসপ্যাচের সুপারিশগুলি লেখো।
অথবা, বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করো।
উত্তর (ANSWERS)
1. নীচের প্রশ্নগুলির অতিসংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) : 2×5=10
(a) ‘Psychology’ শব্দটি কোন্ গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে ? এই শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ লেখো।
উত্তরঃ ‘Psychology’ শব্দের উৎস ও অর্থ:
উৎস: ‘Psychology’ শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ ‘Psyche’ (সাইকি) এবং ‘Logos’ (লোগোস) থেকে এসেছে।
ব্যুৎপত্তিগত অর্থ: গ্রিক শব্দ ‘Psyche’ অর্থ ‘আত্মা’ এবং ‘Logos’ অর্থ ‘বিজ্ঞান’। সুতরাং, ব্যুৎপত্তিগত অর্থে মনোবিদ্যা হলো ‘আত্মার বিজ্ঞান’।
অথবা, পিলস্নারির মতে, প্রত্যক্ষণ কী ? প্রত্যক্ষণকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায় ও কী কী ?
উত্তরঃ পিলস্নারির মতে প্রত্যক্ষণ—
প্রত্যক্ষণ: মনোবিদ পিলস্নারির মতে, “সংবেদনের অর্থবোধই হলো প্রত্যক্ষণ।”
শ্রেণিবিভাগ: প্রত্যক্ষণকে মূলত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়— ১. বস্তু প্রত্যক্ষণ, ২. স্থান প্রত্যক্ষণ এবং ৩. সময় প্রত্যক্ষণ।
(b) শৈশবের দুটি বিকাশমূলক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ শৈশবের দুটি বিকাশমূলক বৈশিষ্ট্য—
১. এই স্তরে শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি অত্যন্ত দ্রুত হারে ঘটে।
২. শিশুরা এই সময়ে অনুকরণপ্রিয় হয় এবং তাদের মধ্যে ভাষার বিকাশ শুরু হয়।
(c) শিশুর জীবন বিকাশের মূল উপাদান কটি ও কী কী ?
উত্তরঃ শিশুর জীবন বিকাশের মূল উপাদান মূলত দুটি। যথা—
১. বংশগতি (Heredity)
২. পরিবেশ (Environment)।
(d) ‘নির্বাণ’ শব্দের অর্থ কী ? ‘নির্বাণলাভ’ কোন্ শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য ?
উত্তরঃ ‘নির্বাণ’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো মোক্ষ লাভ বা পরম শান্তি। বৌদ্ধ মতে, এটি হলো জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি।
নির্বাণলাভ বৌদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।
অথবা, লর্ড কার্জনের শিক্ষানীতি কত সালে পাস হয় ? এটি কোন্ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল ?
উত্তরঃ লর্ড কার্জনের শিক্ষানীতি (ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট) ১৯০৪ সালে পাস হয়। এটি ১৯০৪ সালের ১১ই মার্চ ‘গভর্নমেন্ট রেজোলিউশন অন এডুকেশন পলিসি’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
(e) ব্রাহ্মসমাজ কে, কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন ?
উত্তরঃ রাজা রামমোহন রায় ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে (২৩শে আগস্ট) প্রতিষ্ঠিত হয়। (উল্লেখ্য, ১৮২৮ সালে তিনি ‘ব্রাহ্মসভা’ গঠন করেছিলেন, যা পরে ব্রাহ্মসমাজে পরিণত হয়)।
2. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) : 5×2=10
(a) সংবেদন ও প্রত্যক্ষণের পার্থক্য আলোচনা করো।
অথবা, শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা শিশু-কেন্দ্রিক। তাই শিক্ষাক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানের প্রয়োগ অপরিহার্য। শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের প্রধান প্রয়োজনীয়তাগুলি হলো—
১. শিক্ষার্থীর প্রকৃতি জানা: শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের সাহায্যে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীর সহজাত ক্ষমতা, প্রবণতা, আগ্রহ এবং সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। এর ফলে শিক্ষার্থীর প্রকৃতি অনুযায়ী শিক্ষা দান করা সম্ভব হয়।
২. বিকাশের ধারা অনুধাবন: প্রতিটি শিক্ষার্থীর দৈহিক, মানসিক ও প্রাক্ষোভিক বিকাশের স্তর ভিন্ন হয়। শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শিক্ষকদের জানায় কোন বয়সে শিশুর বৌদ্ধিক বা সামাজিক বিকাশ কতটা হওয়া উচিত, যা সঠিক শিক্ষাদানে সাহায্য করে।
৩. ব্যক্তি বৈষম্য দূরীকরণ: ক্লাসের সব শিক্ষার্থীর মেধা বা গ্রহণ ক্ষমতা সমান হয় না। শিক্ষা মনোবিজ্ঞান এই ব্যক্তি বৈষম্য বুঝতে সাহায্য করে এবং পিছিয়ে পড়া বা প্রতিভাবান—উভয় ধরণের শিক্ষার্থীর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থার নির্দেশনা দেয়।
৪. উপযুক্ত শিক্ষাদান পদ্ধতি: কোন বিষয়টি কোন পদ্ধতিতে (যেমন—ক্রীড়া পদ্ধতি, প্রজেক্ট পদ্ধতি বা ডালটন পদ্ধতি) পড়ালে শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝতে পারবে, তা নির্ধারণ করতে শিক্ষা মনোবিজ্ঞান দিকনির্দেশনা দেয়।
৫. শৃঙ্খলার ধারণা: আধুনিক শিক্ষায় শারীরিক শাস্তি নয়, বরং সহানুভূতির মাধ্যমে শৃঙ্খলা স্থাপনের কথা বলা হয়। মনোবিজ্ঞান শিশুদের আচরণের কারণ বিশ্লেষণ করে সুশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করে।
উপসংহারে বলা যায়, শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শিক্ষাকে কেবল পুঁথিগত বিদ্যা থেকে সরিয়ে এনে একটি বিজ্ঞানসম্মত এবং আনন্দদায়ক প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।
(b) শিক্ষাক্ষেত্রে সাবিত্রীবাঈ ফুলের অবদান আলোচনা করো।
উত্তরঃ সাবিত্রীবাঈ ফুলে ছিলেন আধুনিক ভারতের প্রথম মহিলা শিক্ষিকা এবং নারী শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারের অন্যতম পথিকৃৎ। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রধান অবদানগুলি হলো—
১. প্রথম বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন: ১৮৪৮ সালে পুণেতে স্বামী জ্যোতিরাও ফুলের সহায়তায় তিনি ভারতের প্রথম বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। রক্ষণশীল সমাজের প্রবল বাধা ও লাঞ্ছনা উপেক্ষা করে তিনি নিচুতলার মেয়েদের শিক্ষিত করার দায়িত্ব নেন।
২. নারী শিক্ষার প্রসার: তিনি বিশ্বাস করতেন শিক্ষা ছাড়া নারী মুক্তি সম্ভব নয়। তিনি এবং তাঁর স্বামী মিলে মোট ১৮টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি কেবল মেয়েদের পড়াতেন না, বরং তাদের স্কুলমুখী করতে জলখাবার ও বৃত্তির ব্যবস্থাও করেছিলেন।
৩. দলিত ও অবহেলিতদের শিক্ষা: সাবিত্রীবাঈ ফুলে জাতিভেদ প্রথার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তথাকথিত ‘অস্পৃশ্য’ বা দলিত শ্রেণির শিশুদের জন্য তিনি আলাদা স্কুল খোলেন, যা সেই সময়ের সমাজ ব্যবস্থায় ছিল এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।
৪. শিক্ষিকা প্রশিক্ষণ: তিনি নিজে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভারতের প্রথম প্রশিক্ষিত মহিলা শিক্ষিকা হয়েছিলেন। পরবর্তীকালে অন্য মহিলাদেরও শিক্ষিকা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি উৎসাহ দেন, যাতে নারী শিক্ষার ধারাটি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৫. সামাজিক সচেতনতা ও সাহিত্য: তিনি তাঁর কবিতার মাধ্যমে (যেমন—’কাব্য ফুলে’) শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা প্রচার করেন। তিনি বলতেন, “শিক্ষা হলো মানুষের প্রকৃত অলঙ্কার।” অজ্ঞতা ও কুসংস্কার দূর করতে তিনি আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।
উপসংহার: সাবিত্রীবাঈ ফুলে কেবল একজন শিক্ষিকাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সমাজ বিপ্লবী। প্রতিকূল পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে তিনি নারী শিক্ষার যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তার ফল আজ ভারতের মহিলারা ভোগ করছেন।
3. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (বিকল্প প্রশ্নগুলি লক্ষ্যণীয়) : 10×2=20
(a) কৈশোরকালকে কেন ঝড়-ঝঞ্ঝার কাল বলা হয় ? কৈশোরকালের মানসিক চাহিদাগুলি সংক্ষেপে বিবৃত করো। 2+8
(b) 1854 সালের উডের ডেসপ্যাচের সুপারিশগুলি লেখো।
অথবা, বৈদিক শিক্ষাব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ প্রাচীন ভারতে আর্যদের প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা ‘বৈদিক শিক্ষা’ নামে পরিচিত। এই শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো নিম্নরূপ—
১. শিক্ষার লক্ষ্য : বৈদিক শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য ছিল ‘মোক্ষ’ বা মুক্তি লাভ করা। অর্থাৎ আধ্যাত্মিক উন্নতি ও আত্মোপলব্ধির মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করাই ছিল এই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া চরিত্র গঠন ও চিত্তশুদ্ধিও ছিল শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য।
২. উপনয়ন বা শিক্ষার সূচনা : বৈদিক শিক্ষা শুরু হতো ‘উপনয়ন’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। উপনয়ন শব্দের অর্থ হলো গুরুর কাছে নিয়ে যাওয়া। এই অনুষ্ঠানের পর বালককে ‘দ্বিজ’ বলা হতো এবং সে গুরুকুলে গিয়ে ব্রহ্মচর্য পালন করে বিদ্যাশিক্ষা শুরু করত।
৩. গুরুকুল ব্যবস্থা : শিক্ষার্থীরা কোলাহলমুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে গুরুর গৃহে বা গুরুকুলে থেকে শিক্ষালাভ করত। গুরু ও শিষ্যের মধ্যে পিতা-পুত্রের মতো পবিত্র সম্পর্ক গড়ে উঠত। শিক্ষার্থীরা গুরুর পরিবারের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হতো।
৪. পাঠ্যক্রম : বৈদিক পাঠ্যক্রম ছিল মূলত দুই প্রকার—
পরা বিদ্যা: আধ্যাত্মিক জ্ঞান, বেদ, উপনিষদ ইত্যাদি।
অপরা বিদ্যা: ব্যাকরণ, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, তর্কশাস্ত্র, আয়ুর্বেদ এবং যুদ্ধবিদ্যা।
৫. শিক্ষাদান পদ্ধতি : সেই সময়ে ছাপাখানা না থাকায় শিক্ষা ছিল মূলত মৌখিক। গুরু মুখে মুখে আবৃত্তি করতেন এবং ছাত্ররা তা শুনে মনে রাখত। তাই বেদের অপর নাম ‘শ্রুতি’। শিক্ষাদানের তিনটি স্তর ছিল— শ্রবণ (শোনা), মনন (চিন্তা করা) এবং নিদিধ্যাসন (ধ্যান বা গভীর জ্ঞান লাভ)।
৬. ব্রহ্মচর্য পালন : শিক্ষার্থীদের কঠোর ব্রহ্মচর্য পালন করতে হতো। তাদের বিলাসিতা ত্যাগ করে সাদাসিধে জীবনযাপন, সংযম এবং গুরুর সেবা করতে হতো। গুরুকুলে থাকার সময় ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে বিনয় ও ত্যাগের শিক্ষা দেওয়া হতো।
৭. গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক : গুরু ছিলেন জ্ঞান ও আদর্শের মূর্ত প্রতীক। তিনি শিক্ষার্থীদের কেবল পাঠদানই করতেন না, তাদের নৈতিক চরিত্রের দেখাশোনাও করতেন। অন্যদিকে, শিষ্যরা গুরুর প্রতি ছিল পরম শ্রদ্ধাশীল এবং তাঁর নির্দেশ পালন করাই ছিল তাদের প্রধান ধর্ম।
৮. মূল্যায়ন ও সমাবর্তন : শিক্ষার শেষে কোনো লিখিত পরীক্ষা ছিল না। গুরুর সন্তুষ্টিই ছিল যোগ্যতার মাপকাঠি। শিক্ষা সমাপ্তির পর ‘সমাবর্তন’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গুরু শিষ্যকে উপদেশ দিতেন এবং শিষ্য গুরুর নির্দেশ নিয়ে গৃহস্থ জীবনে প্রবেশ করত।
৯. শিক্ষার মাধ্যম : বৈদিক শিক্ষার প্রধান মাধ্যম ছিল দেবভাষা সংস্কৃত। সমস্ত শাস্ত্র ও বেদ এই ভাষাতেই রচিত হয়েছিল।
১০. নারী শিক্ষা : বৈদিক যুগের শুরুর দিকে নারীদের শিক্ষার সমান অধিকার ছিল। বিশ্ববারা, ঘোষা, অপালা, মৈত্রেয়ী ও গার্গীর মতো বিদুষী মহিলারা বেদের মন্ত্র রচনা করেছিলেন। তবে পরবর্তী বৈদিক যুগে নারী শিক্ষার গুরুত্ব হ্রাস পায়।
উপসংহার: বৈদিক শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল মূলত ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং আধ্যাত্মিকতা নির্ভর। এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই প্রাচীন ভারতে জ্ঞান ও সংস্কৃতির ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।
📌 আরো দেখুনঃ
📌 একাদশ শ্রেণি প্রশ্নপত্র সেমি-২ Click Here
