FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 8 (VIII) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER
Set-4
অষ্টম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৪ | Class 8 Geography First Unit Test Question with Answer Set-4 wbbse
∆ পাঠ্যসূচি—
অধ্যায় – ১. পৃথিবীর অন্দরমহল
অধ্যায় – ২. অস্থিত পৃথিবী
অধ্যায় – ৩. শিলা
অধ্যায় – ৮. ভারতের প্রতিবেশী দেশসমূহ ও তাদের সঙ্গে সম্পর্ক।
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
Jadavpur Vidyapith
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৫
অষ্টম শ্রেণি
বিষয় : ভূগোল
পূর্ণমান-৩০ সময় : ১ ঘণ্টা
A. বিকল্পগুলি থেকে সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : 1×6=6
1. সিয়াল ও সিমার মধ্যে যে বিযুক্তিরেখাটি অবস্থিত
(a) মোহো
(b) কনরাড
(c) গুটেনবার্গ
(d) লেহম্যান
উত্তরঃ (b) কনরাড।
2. পশ্চিমবঙ্গের উষ্ণ প্রস্রবন দেখা যায়-
(a) পান্ডবেশ্বর
(b) তারকেশ্বর
(c) বক্রেশ্বর
(d) অমৃতসর-এ
উত্তরঃ (c) বক্রেশ্বর।
3. পার্ত সংস্থান তত্ত্বের জনক বলে পরিচিত-
(a) পিঁচো
(b) ম্যাকেঞ্জি
(c) ডেভিস
(d) উইলসন
উত্তরঃ (d) উইলসন।
4. স্তরায়ন তল দেখা যায়—
(a) আগ্নেয়
(b) পাললিক
(c) রূপান্তরিত
(d) মাতৃ শিলায়
উত্তরঃ (b) পাললিক
5. গ্র্যানাইটের রূপান্তরিত রূপ হল-
(a) মারবেল
(b) ফিলাইট
(c) নিস্
(d) কোয়ার্টজাইট
উত্তরঃ (c) নিস্
6. বজ্রপাতের দেশ নামে পরিচিত-
(a) নেপাল
(b) ভুটান
(c) শ্রীলঙ্কা
(d) মায়ানমার
উত্তরঃ (b) ভুটান
B. এক কথার উত্তর দাও (যে-কোনো চারটি) : 1×4 = 4
1. শিলামণ্ডল ও গুরুমণ্ডলের মধ্যবর্তী স্থিতিস্থাপক অংশ কী নামে পরিচিত ?
উত্তরঃ অ্যাসথেনোস্ফিয়ার।
2. মধ্য-সামুদ্রিক শৈলশিরা কোন পাত সীমান্তে গঠিত হয় ?
উত্তরঃ অপসারী পাত সীমান্তে।
3. ভূকম্পন পরিমাপক যন্ত্রের নাম কী ?
উত্তরঃ সিসমোগ্রাফ।
4. মোহ স্কেল অনুযায়ী সর্বাপেক্ষা নরম খনিজের নাম কী ?
উত্তরঃ ট্যাল্ক।
5. ভারত ও শ্রীলঙ্কা কোন্ প্রণালী দ্বারা বিচ্ছিন্ন ?
উত্তরঃ পক প্রণালী।
C. অতি সংক্ষেপে উত্তর দাও (যে-কোনো দুইটি) : 2×2=4
1. SAARC কী ?
উত্তরঃ SAARC (South Asian Association for Regional Cooperation) হলো দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের একটি আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক সংগঠন। ১৯৮৫ সালে এটি গঠিত হয়। এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান এর সদস্য।
2. ক্যারেজ প্রথা কাকে বল ?
উত্তরঃ পাকিস্তানের শুষ্ক এলাকায় মাটির নিচে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চাষের জমিতে জল নিয়ে যাওয়ার বিশেষ সেচ প্রথাকে ‘ক্যারেজ’ প্রথা বলে। বাষ্পীভবন রোধ করে জল অপচয় কমানোর জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
3. জীবাশ্মর সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ পলিস্তর জমার সময় অনেক সময় উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ পাললিক শিলার স্তরের মধ্যে চাপা পড়ে যায়। দীর্ঘকাল ধরে চাপে ও তাপে ওই দেহাবশেষের যে প্রস্তরীভূত ছাপ বা অবশেষ সৃষ্টি হয়, তাকে জীবাশ্ম (Fossil) বলে।
4. প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা বলতে কী বোঝো ?
উত্তরঃ প্রশান্ত মহাসাগরের দুই উপকূল বরাবর ভূ-অভ্যন্তরের পাত সঞ্চালনের ফলে পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশ জীবন্ত আগ্নেয়গিরি একটি বলয়ের মতো অবস্থান করছে। আগ্নেয়গিরির এই চক্রাকার অবস্থানকে ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় আগ্নেয় মেখলা’ (Pacific Ring of Fire) বলে।
D. সংক্ষেপে উত্তর লেখো (যে-কোনো দুইটি) : 3×2=6
1. নেপালে পর্যটন শিল্প প্রসার লাভ করেছে কেন ?
উত্তরঃ নেপালের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হলো পর্যটন শিল্প। এর প্রসারের প্রধান কারণগুলি হলো—
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: হিমালয়ের কোলে অবস্থিত নেপালে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টসহ আরও অনেক তুষারশুভ্র পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস: এখানে ট্রেকিং, মাউন্টেনিয়ারিং এবং রিভার র্যাফটিং-এর প্রচুর সুযোগ থাকায় বিশ্বজুড়ে দুঃসাহসী অভিযাত্রীরা ভিড় করেন।
ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান লুম্বিনি, কাঠমান্ডুর পশুপতিনাথ মন্দির এবং স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপের মতো ধর্মীয় স্থানগুলি পর্যটন প্রসারে সাহায্য করেছে।
উপযুক্ত জলবায়ু: গ্রীষ্মকালে নেপালের মনোরম আবহাওয়া পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আরামদায়ক।
2. ভূমিকম্পের কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র বলতে কী বোঝো
উত্তরঃ কেন্দ্র (Focus): ভূ-অভ্যন্তরের যে নির্দিষ্ট স্থান থেকে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় এবং ভূকম্পন তরঙ্গ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলে। সাধারণত এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কয়েক কিমি গভীরে থাকে।
উপকেন্দ্র (Epicenter): ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি উপরের ভূ-পৃষ্ঠের বিন্দুটিকে উপকেন্দ্র বলে। উপকেন্দ্রেই ভূমিকম্পের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বেশি হয়।
3. লাভা ও ম্যাগমার পার্থক্য উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
| বৈশিষ্ট্য | ম্যাগমা | লাভা |
| অবস্থান | এটি ভূ-গর্ভে বা শিলামণ্ডলের গভীরে অবস্থিত থাকে। | এটি ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা বাইরে অবস্থান করে। |
| প্রকৃতি | ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত গলিত গ্যাস ও বাষ্পযুক্ত পদার্থ। | ভূ-পৃষ্ঠে নির্গত গ্যাস ও বাষ্পহীন গলিত ম্যাগমা। |
| শীতল হওয়ার হার | ভূ-গর্ভে ধীরে ধীরে শীতল হয়। | বায়ুর সংস্পর্শে দ্রুত শীতল ও কঠিন হয়। |
E. বিষয়ভিত্তিক / বর্ণনামূলক প্রশ্ন (যে-কোনো দুইটি) : 5×2=10
1. পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগের পরিষ্কার চিত্র অঙ্কন করে প্রতিটি অংশ চিহ্নিত করো।
উত্তরঃ নিজে করো।
2. অগ্ন্যুদ্গম কাকে বলে ? অগ্ন্যুদ্গমের সক্রিয়তা অনুযায়ী আগ্নেয়গিরির উদাহরণসহ শ্রেণিবিভাগ করো।
উত্তরঃ ভূ-অভ্যন্তরের প্রচণ্ড তাপে ও চাপে গ্যাস, বাষ্প মিশ্রিত গলিত ম্যাগমা যখন ভূত্বকের কোনো দুর্বল ফাটল বা ছিদ্রপথ দিয়ে প্রবল বেগে বা শান্তভাবে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে অগ্ন্যুদ্গম বলে।
অগ্ন্যুৎপাতের সময়কাল বা সক্রিয়তা অনুযায়ী আগ্নেয়গিরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়—
১. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি : যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে সৃষ্টির পর থেকেই অবিরাম বা মাঝে মাঝেই অগ্ন্যুৎপাত ঘটে চলেছে, তাদের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বলে। একে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়—
সবিরাম সক্রিয়: নির্দিষ্ট সময় অন্তর অগ্ন্যুৎপাত হয়। যেমন— ইতালির মাউন্ট এটনা।
অবিরাম সক্রিয়: সবসময়ই অগ্ন্যুৎপাত হতে থাকে। যেমন— ইতালির স্ট্রম্বোলি।
২. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি : যেসব আগ্নেয়গিরি অতীতে সক্রিয় ছিল কিন্তু বর্তমানে দীর্ঘকাল ধরে শান্ত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সময় অগ্ন্যুৎপাত ঘটার সম্ভাবনা আছে, তাদের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে। এগুলি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়।
উদাহরণ: জাপানের ফুজিয়ামা, ইতালির ভিসুভিয়াস।
৩. মৃত আগ্নেয়গিরি : যেসব আগ্নেয়গিরি থেকে ঐতিহাসিক যুগে কোনো অগ্ন্যুৎপাত হয়নি এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাত হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই, তাদের মৃত আগ্নেয়গিরি বলে। এগুলোর মুখ অনেক সময় জল জমে হ্রদে পরিণত হয়।
উদাহরণ: মায়ানমারের পোপা, মেক্সিকোর পারিকুটিন।
3. বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয় শিলার উদাহরণসহ সংক্ষেপে বিবরণ দাও।
উত্তরঃ সেট-৩ দেখো।
📌আরও পড়ুনঃ
📌অষ্টম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌অষ্টম শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
