FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 9 (IX) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER
Set-3
নবম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-৩ | Class 9 Geography First Unit Test Question with Answer Set-3 wbbse
∆ পাঠ্যসূচী / Syllabus :
∆ প্রাকৃতিক ভূগোল—
১. গ্রহ রূপে পৃথিবী, ২. পৃথিবীর গতি সমূহ
∆ আঞ্চলিক ভূগোল— ৭. ভারতের সম্পদ
∆ মানচিত্র— ভারতের সম্পদ (অনেক সময় মানচিত্রের বদলে প্রশ্ন দেওয়া হয়)।
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬
নবম শ্রেণি
বিষয় : ভূগোল
সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-৪০
Khanpur Hirendra Lal Sarkar High School
First Summative Evaluation 2023
Class – IX
Sub: Geography
Time: 1 hrs. 30 mins Full Marks : 40
1. সঠিক উত্তর বেছে নিয়ে লেখো : 1×8=8
(i) পৃথিবীর স্থলভাগের সর্বোচ্চ স্থানটি হল—
(a) মাউন্ট এভারেস্ট (b) পামীর মালভূমি (c) তিব্বত মালভূমি (d) সুমেরু
উত্তরঃ (a) মাউন্ট এভারেস্ট
(ii) পৃথিবীর চারিদিকে চাঁদের একবার ঘুরতে সময় লাগে— (a) 36 দিন (b) 20 দিন (C) 27 দিন (d) 27 দিন (d) 27½ দিন
উত্তরঃ (d) 27½ দিন
(iii) শনির একটি উপগ্রহের নাম—
(a) চাঁদ (b) হামিয়া (c) টাইটান (d) ফোবস
উত্তরঃ (c) টাইটান
(iv) পশ্চিমবঙ্গের খরাপ্রবণ জেলা হল—
(a) হাওড়া (b) বাঁকুড়া (c) দার্জিলিং (d) কোলকাতা
উত্তরঃ (b) বাঁকুড়া
(v) সুন্দরবনে সাধারণত যে ধরনের বিপর্যয় বেশি দেখা যায়, সেটি হল— (a) ঘূর্ণিঝড় (b) দাবানল (c) ভূমিকম্প (d) ধ্বস
উত্তরঃ (a) ঘূর্ণিঝড়
(vi) পৃথিবীর যেকোন দেশে ব্যবহার করা হয়—
(a) রৈখিক স্কেল (b) ভগ্নাংশ সূচক (c) বিবৃতিমূলক স্কেল (d) কর্নিয় স্কেল
উত্তরঃ (a) রৈখিক স্কেল
(vii) ডায়াগোনাল স্কেল এক ধরনের—
(a) লৈখিক স্কেল (b) ভগ্নাংশ সূচক স্কেল (c) বিবৃতিমূলক স্কেল (d) রৈখিক স্কেল
উত্তরঃ (b) ভগ্নাংশ সূচক স্কেল
(viii) 1 মাইল সমান— (a) 0.162 কিমি (b) 1.609 কিমি (c) 1.320 কিমি (d) 1.960 কিমি
উত্তরঃ (b) 1.609 কিমি
2. নিচের বাক্যগুলি শুদ্ধ হলে ‘শু’ এবং অশুদ্ধ হলে ‘অ’ লেখ (যে-কোনো চারটি) : 1×4=4
(i) ‘জিওয়েড’ কথার অর্থ হল সম্পূর্ণ গোলক।
উত্তরঃ (অ)
(ii) এরাটোস্থেনিস ছিলেন গ্রীক দার্শনিক।
উত্তরঃ (শু)
(iii) বায়ুমন্ডল থাকার জন্যই আপাত সূর্যরশ্মিকে সাদা বলে মনে হয়।
উত্তরঃ (অ)
(iv) একটি বায়ুমন্ডলীয় বিপর্যয়ের উদাহরণ হল সুনামি।
উত্তরঃ (অ)
(v) ভগ্নাংশসূচক স্কেলের একক থাকে না।
উত্তরঃ (শু)
3. শূন্যস্থান পূরণ করো (যে-কোনো তিনটি) : 1×3=3
(i) মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে __________ রং এর দেখায়।
উত্তরঃ নীল।
(ii) পৃথিবী যে পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে তাকে __________ বলে।
উত্তরঃ কক্ষপথ
(iii) __________ এর সূত্রানুসারে বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে যায়।
উত্তরঃ ফোয়েলের।
(iv) ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে _______ চাপ থাকে।
উত্তরঃ বায়ু।
4. একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও (যে কোনো তিনটি) : 1×3=3
(i) ঘুর্ণিঝড় ‘ফনী’ কোন সাগরে উৎপন্ন হয়েছিল ?
উত্তরঃ ফণী ২৬ এপ্রিল ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে ভারত মহাসাগরে উৎপন্ন হয়েছিল।
(ii) পার্বত্য অঞ্চলে হঠাৎ প্রবল বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যাকে কী বলে ?
উত্তরঃ পার্বত্য অঞ্চলে হঠাৎ প্রবল বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যাকে বলে ‘হড়পা বান’।
(iii) ভার্নিয়ার স্কেল দেখা যায় এমন একটি যন্ত্রের নাম লেখো।
উত্তরঃ স্লাইড ক্যালিপার্স।
(iv) টোপোগ্রাফিক্যাল মানচিত্রে নীল রঙের সাহায্যে কী দেখানো হয় ?
উত্তরঃ জলরাশি।
5. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 2×3=6
(i) ছায়াবৃত্ত কী ? অথবা, অপসূর অবস্থান কী ?
উত্তরঃ পৃথিবী গোল হওয়ায় সূর্যের আলো অর্ধেক অংশে পড়ে এবং বাকি অর্ধেক অন্ধকারে থাকে। আলোকিত ও অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী যে বৃত্তাকার সীমারেখা পৃথিবীকে দুভাগে ভাগ করে, তাকে ছায়াবৃত্ত বলে।
অথবা, অপসূর অবস্থান—
৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি (প্রায় ১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি) হয়। কক্ষপথে পৃথিবীর এই অবস্থানকে অপসূর বলা হয়।
(ii) জলবিষুব কী ? অথবা কোথায় নিশীথ সূর্য দেখা যায় ?
উত্তরঃ ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য বিষুবরেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিন উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল থাকায় একে জলবিষুব বা শারদ বিষুব বলা হয়। এই দিন উভয় গোলার্ধে দিন ও রাত সমান (১২ ঘণ্টা) হয়।
অথবা, কোথায় নিশীথ সূর্য দেখা যায় ?
উত্তরঃ উত্তর গোলার্ধের নরওয়ের হ্যামারফেস্ট বন্দর এবং সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তীয় অঞ্চলে (৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষমাংশের মেরুপ্রদেশীয় এলাকায়) নিশীথ সূর্য দেখা যায়।
(iii) তুষারঝড় কী ? অথবা, অগ্নুৎপাত কী ?
উত্তরঃ উচ্চ অক্ষাংশ বা শীতল মেরু অঞ্চলে অতি প্রবল বেগে (ঘণ্টায় ৫৬ কিমি-র বেশি) তুষারপাতসহ যে হিমশীতল ঝড় প্রবাহিত হয়, তাকে তুষারঝড় (Blizzard) বলে। এটি দৃশ্যমানতা কমিয়ে দেয়।
অথবা, অগ্নুৎপাত কী ?
উত্তরঃ ভূ-অভ্যন্তরের প্রচণ্ড তাপে ও চাপে গলিত ম্যাগমা, গ্যাস ও বাষ্প যখন ভূপৃষ্ঠের কোনো দুর্বল ছিদ্র বা ফাটল দিয়ে সশব্দে বা নিঃশব্দে বাইরে বেরিয়ে আসে, তখন তাকে অগ্নুৎপাত বলে।
6. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 3×2=6
(i) দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের পার্থক্য লেখো।
উত্তরঃ দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের পার্থক্য—
| বিষয় | দুর্যোগ | বিপর্যয় |
| সংজ্ঞা | এটি একটি ক্ষতিকর প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট ঘটনা যা বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা তৈরি করে। | দুর্যোগ যখন ভয়াবহ রূপ নিয়ে ব্যাপক জীবন ও সম্পত্তিহানি ঘটায়, তখন তাকে বিপর্যয় বলে। |
| তীব্রতা | এর তীব্রতা ও ব্যাপ্তি তুলনামূলকভাবে কম। | এর তীব্রতা ও ব্যাপ্তি অনেক বেশি এবং ভয়াবহ। |
| নিয়ন্ত্রণ | সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। | একে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। |
অথবা, ভূমিকম্পের প্রাকৃতিক কারণগুলি কী কী ?
উত্তরঃ ১. পাতসংস্থান: পাতের চলনের ফলে পাতের সংযোগস্থলে প্রবল ঘর্ষণে ভূমিকম্প হয়।
২. আগ্নেয়গিরি: অগ্নুৎপাতের সময় ম্যাগমা প্রচণ্ড বেগে বাইরে আসার সময় সংলগ্ন এলাকায় কম্পন সৃষ্টি করে।
৩. ভূমিধস: পার্বত্য অঞ্চলে বিশাল শিলাস্তূপ ধসে পড়লে ভূপৃষ্ঠে কম্পন অনুভূত হয়।
(ii) আবর্তন গতি ও পরিক্রমন গতির পার্থক্য লেখ।
উত্তরঃ
| বিষয় | আবর্তন গতি | পরিক্রমণ গতি |
| সংজ্ঞা | পৃথিবীর নিজের অক্ষের চারদিকে ঘোরাকে আবর্তন গতি বলে। | সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীর ঘোরাকে পরিক্রমন গতি বলে। |
| সময় | সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড (প্রায় ২৪ ঘণ্টা)। | সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড। |
| ফলাফল | এর ফলে দিন-রাত্রি হয় এবং জোয়ার-ভাটা ঘটে। | এর ফলে ঋতু পরিবর্তন হয় এবং দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। |
অথবা, অস্ট্রেলিয়ায় গ্রীষ্মকালে বড়দিন পালন করা হয় কেন ?
উত্তরঃ ২৫ ডিসেম্বর যখন যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন) পালিত হয়, তখন সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি রেখার কাছাকাছি অবস্থান করে। অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে তখন প্রখর গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে। তাই ইউরোপ বা আমেরিকায় শীতকালে বড়দিন হলেও অস্ট্রেলিয়ায় তা গ্রীষ্মকালেই পালিত হয়।
7. প্রশ্নের উত্তর লেখো : 5×2=10
(i) সৌরজগতে একাধিক গ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেবল পৃথিবীতে মানুষ সহ অন্যান্য জীবের বাসভূমি গড়ে উঠেছে কেন ?
উত্তরঃ সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। এর প্রধান কারণগুলি হলো—
১. উপযুক্ত উষ্ণতা: পৃথিবী সূর্য থেকে আদর্শ দূরত্বে (গড়ে ১৫ কোটি কিমি) অবস্থিত। ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১৫° সেলসিয়াস, যা প্রাণধারণের জন্য অনুকূল। অন্য গ্রহগুলি সূর্যের খুব কাছে হওয়ায় অত্যন্ত গরম বা খুব দূরে হওয়ায় অত্যন্ত শীতল।
২. বায়ুমণ্ডলের উপস্থিতি: পৃথিবীর চারদিকে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাসের আবরণ রয়েছে। অক্সিজেনের উপস্থিতির কারণেই প্রাণীরা শ্বাসকার্য চালাতে পারে।
৩. জলের প্রাচুর্য: পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশ জল। তরল জলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনচক্র বজায় রাখে, যা অন্য কোনো গ্রহে পাওয়া যায় না।
৪. ওজোন স্তরের সুরক্ষা: বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর (Ozone Layer) সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগতকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে।
৫. মৃত্তিকা স্তর: পৃথিবীর উপরিভাগে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ মৃত্তিকা স্তর থাকায় উদ্ভিদ জন্মানো সম্ভব হয়েছে, যা খাদ্যশৃঙ্খলের মূল ভিত্তি।
অথবা, পৃথিবীর আহ্নিক গতির প্রমাণগুলি লেখ।
উত্তরঃ পৃথিবী যে নিজের অক্ষের চারদিকে ঘোরে, তার প্রধান প্রমাণগুলি হলো—
মহাকাশচারীদের প্রত্যক্ষদর্শী: মহাকাশচারীরা মহাকাশ থেকে সরাসরি পৃথিবীকে পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরতে দেখেছেন।
দিন ও রাত্রির পর্যায়ক্রম: পৃথিবী আবর্তন করে বলেই পৃথিবীর অর্ধেক অংশ সূর্যের সামনে আসে (দিন) এবং বাকি অংশ অন্ধকারে থাকে (রাত)। আবর্তন না থাকলে একপাশে চিরকাল দিন ও অন্যপাশে চিরকাল রাত থাকত।
ফেরেলের সূত্র: পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট করিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
ফুকোর দোলন পরীক্ষা: ১৮৫১ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী ফুঁকো একটি লম্বা তারের সাহায্যে ভারী গোলক ঝুলিয়ে প্রমাণ করেন যে পৃথিবী আবর্তন করছে।
(ii) বন্যা সৃষ্টির প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট কারণগুলি কী কী ?
উত্তরঃ প্রাকৃতিক কারণ—
১. অত্যধিক বৃষ্টিপাত: মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাবে বা নিম্নচাপের ফলে অল্প সময়ে অতিবৃষ্টি হলে নদীর জল উপচে বন্যা হয়।
২. নদীর নাব্যতা হ্রাস: পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীর জলধারণ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে জল দু-কূল ছাপিয়ে পড়ে।
৩. তুষার গলিত জল: বসন্তকালে পাহাড়ে বরফ গলে হঠাৎ নদীর জল বেড়ে গিয়ে বন্যা দেখা দেয়।
মনুষ্যসৃষ্ট কারণ—
১. বনভূমি নিধন: গাছপালা কেটে ফেলায় বৃষ্টির জল সরাসরি মাটিতে পড়ে এবং ধুয়ে গিয়ে নদীর তলদেশ ভরাট করে দেয়।
২. অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ: নদীর ওপর নদীবাঁধ বা জলাধার তৈরি করলে বর্ষাকালে অতিরিক্ত জল ছাড়লে নিম্ন অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যা হয়।
৩. নগরায়ন: অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর ও রাস্তাঘাট তৈরির ফলে বৃষ্টির জল মাটির নিচে যেতে পারে না, যা জলমগ্নতার সৃষ্টি করে।
অথবা, মানচিত্রের ব্যবহার ও গুরুত্ব লেখো।
উত্তরঃ মানচিত্রের গুরুত্ব অপরিসীম, বিশেষ করে বর্তমান যুগে—
১. ভৌগোলিক অবস্থান: কোনো দেশ, শহর বা অঞ্চলের সঠিক অবস্থান ও সীমানা জানার জন্য মানচিত্র অপরিহার্য।
২. পরিকল্পনা গ্রহণ: রাস্তাঘাট, বাঁধ বা কলকারখানা তৈরির মতো প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজে মানচিত্র ব্যবহার করা হয়।
৩. প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধ: সামরিক বাহিনী শত্রুর অবস্থান বুঝতে এবং আক্রমণের কৌশল ঠিক করতে টপোগ্রাফিক্যাল মানচিত্র ব্যবহার করে।
৪. পর্যটন: অচেনা জায়গায় ভ্রমণের সময় পর্যটকদের পথপ্রদর্শক হিসেবে মানচিত্র বা ডিজিটাল ম্যাপ (Google Maps) সাহায্য করে।
৫. আবহাওয়ার পূর্বাভাস: আবহাওয়া মানচিত্র দেখে ঝড়, বৃষ্টি বা সাইক্লোনের পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব হয়।
📌 আরো দেখোঃ
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
