FIRST SUMMATIVE EVALUATION
CLASS 9 (IX) WBBSE
GEOGRAPHY QUESTION PAPER
Set-2
নবম শ্রেণির ভূগোল প্রথম ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র সেট-২ | Class 9 Geography First Unit Test Question with Answer Set-2 wbbse
∆ পাঠ্যসূচী / Syllabus :
∆ প্রাকৃতিক ভূগোল—
১. গ্রহ রূপে পৃথিবী, ২. পৃথিবীর গতি সমূহ
∆ আঞ্চলিক ভূগোল— ৭. ভারতের সম্পদ
∆ মানচিত্র— ভারতের সম্পদ (অনেক সময় মানচিত্রের বদলে প্রশ্ন দেওয়া হয়)।
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
প্রথম পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন ২০২৬
নবম শ্রেণি
বিষয় : ভূগোল
সময় : ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান-৪০
First Summative Evaluation
Class – IX
Sub : GEOGRAPHY
Time : 1 hrs 30 mints F.M. 40
১। বিকল্পগুলি থেকে সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখ : 1×8 = 8
(ক) সৌর জগতের একটি বামন গ্রহ হল –
(i) শুক্র (ii) শনি (iii) মঙ্গল (iv) সেরেস
উত্তরঃ (iv) সেরেস।
(খ) যে গ্রহটি পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তন করে তা হল—
(i) বুধ (ii) নেপচুন (iii) বৃহস্পতি (ix) ইউরেনাস
উত্তরঃ (ix) ইউরেনাস।
(গ) নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আবর্তনের বেগ
(i) ১৬৭০ কিমি/ঘন্টা
(ii) ১৬৫০ কিমি/ঘন্টা
(ii) ১৬৬০ কিমি/ঘন্টা
(iv) ১৬৮০ কিমি/ঘন্টা
উত্তরঃ (i) ১৬৭০ কিমি/ঘন্টা।
(ঘ) ‘পৃথিবীর আকৃতি গোল’– এটা প্রথম বলেছিলেন—
(i) অ্যারিস্টটল (ii) কোপার্নিকাস
(iii) ম্যাগেলান (iv) ওয়ালেস
উত্তরঃ (iii) ম্যাগেলান।
(ঙ) পৃথিবীর যে অংশ ছায়াবৃত্ত অতিক্রম করে অন্ধকার অংশে পৌঁছায় সেই অংশটিতে হয়—
(i) সকাল (ii) গোধূলি (iii) উষা (iv) মধ্যরাত
উত্তরঃ (iv) মধ্যরাত।
(চ) একটি সামাজিক সম্পদ হল—
(i) অরণ্য (ii) বিদ্যালয় (iii) খনিজ তেল (iv) সূর্যালোক।
উত্তরঃ (ii) বিদ্যালয়।
(ছ) কয়লার প্রধান ব্যবহার –
(i) সিমেন্ট শিল্পে (ii) সার শিল্পে
(ii) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে
(iv) গৃহস্থালির জ্বালানিতে।
উত্তরঃ (ii) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে।
(জ) অচিরাচরিত শক্তির মধ্যে বায়ুশক্তির এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম কেন্দ্র –
(i) গুজরাটের লাম্বা
(ii) কর্ণাটকের যোনমাট্রি
(iii) পশ্চিমবঙ্গের ফ্রেজরগঞ্জ
(iv) তামিলনাড়ুর কায়াথার
উত্তরঃ (i) গুজরাটের লাম্বা।
২। নীচের বাক্যগুলি ‘শুদ্ধ’ অথবা ‘অশুদ্ধ’ লেখঃ 1×5=5
(ক) পৃথিবীর মেরু ব্যাস ১২,৭১৪ কিমি।
উত্তরঃ শুদ্ধ
(খ) সূর্যের পূর্ব থেকে পশ্চিমে যাওয়াকে সূর্যের দৈনিক আপাতগতি বলা হত।
উত্তরঃ শুদ্ধ
(গ) ১° দ্রাঘিমা অতিক্রম করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৫মিনিট।
উত্তরঃ অশুদ্ধ
(ঘ) গন্ধক হল খনিজ তেলের একটি উপজাত দ্রব্য।
উত্তরঃ অশুদ্ধ
(ঙ) জামনগর তৈল শোধনাগারটি অসমে অবস্থিত।
উত্তরঃ অশুদ্ধ
৩। শূন্যস্থান পূরণ কর : ১×৫=৫
(ক) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের GPS ব্যবস্থাটির নাম _____________।
উত্তরঃ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম।
(খ) কোরিওলিস বলের মান সবচেয়ে বেশি
___________।
উত্তরঃ মেরু অঞ্চলে।
(গ) সূর্য উপবৃত্তের একটি _____________ অবস্থিত।
উত্তরঃ ফোকাসে।
(ঘ) সবচেয়ে ভালো মানের আকরিক লোহা হল ____________।
উত্তরঃ ম্যাগনেটাইট।
(ঙ) কর্ণাটকের ____________ হল ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পারমানবিক বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র।
উত্তরঃ কৈগা।
৪। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 2×2 = 4
(ক) দক্ষিণ অয়নান্ত দিবস কাকে বলে ?
উত্তরঃ ২১শে ডিসেম্বর সূর্য মকরক্রান্তি রেখার (২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা) ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই দিন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবথেকে বড় ও রাত সবথেকে ছোট হয়। একেই দক্ষিণ অয়নান্ত দিবস বলে।
অথবা, আর্ন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কাকে বলে ?
উত্তরঃ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে অনুসরণ করে যে কাল্পনিক রেখাটি অঙ্কন করা হয়েছে, যার সাহায্যে তারিখ ও সময়ের গণনা ঠিক রাখা হয়, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে।
(খ) সম্পদের গুণগুলি উদাহরণসহ লেখ।
উত্তরঃ সম্পদের প্রধান দুটি গুণ হলো—
১. উপযোগিতা: মানুষের অভাব মেটানোর ক্ষমতা (যেমন: তৃষ্ণা মেটাতে জলের ভূমিকা)।
২. কার্যকারিতা: সম্পদকে কাজে লাগানোর ক্ষমতা (যেমন: কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা)।
অথবা, দক্ষিণ ভারতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে ওঠার কারণ কী কী ?
উত্তরঃ ১. দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি খরস্রোতা এবং অসংখ্য জলপ্রপাত (যেমন: শিবসমুদ্রম) থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সহজ হয়।
২. দাক্ষিণাত্যের মালভূমি বন্ধুর বা ঢেউখেলানো হওয়ায় নদীগুলোতে বাঁধ দেওয়া সুবিধাজনক।
৫। পার্থক্য লেখ : 1×3 = 3
(ক) সমাক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখা
উত্তরঃ সমাক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখা—
আকার: সমাক্ষরেখাগুলি পূর্ণবৃত্ত, কিন্তু দ্রাঘিমা রেখাগুলি অর্ধবৃত্ত।
মান: সমাক্ষরেখার মান ০° থেকে ৯০° পর্যন্ত হয়, আর দ্রাঘিমা রেখার মান ০° থেকে ১৮০° পর্যন্ত হয়।
বিস্তার: সমাক্ষরেখা পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত, দ্রাঘিমা রেখা উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।
অথবা, চিরাচরিত শক্তি ও অচিরাচরিত শক্তি।
উত্তরঃ চিরাচরিত ও অচিরাচরিত শক্তি—
উৎস: চিরাচরিত শক্তি সীমিত (যেমন: কয়লা, খনিজ তেল); অচিরাচরিত শক্তি অফুরন্ত (যেমন: সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি)।
পরিবেশ দূষণ: চিরাচরিত শক্তিতে পরিবেশ দূষণ বেশি হয়, অচিরাচরিত শক্তিতে দূষণ হয় না বললেই চলে।
স্থায়িত্ব: চিরাচরিত শক্তি ব্যবহারের ফলে একসময় শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু অচিরাচরিত শক্তি পুনর্নবীকরণযোগ্য।
৬। নীচের প্রশ্নগুলির ব্যাখ্যামূলক উত্তর দাও : 5×2=10
(ক) চিত্রের সাহায্যে বেডফোর্ড লেভেল পরীক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর গোলত্বের প্রমাণ কর। এছাড়াও অন্য দুটি প্রমাণ দাও।
উত্তরঃ বেডফোর্ড লেভেল পরীক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর গোলত্বের প্রমাণ—
(এখানে চিত্র আঁকতে হবে)
পরীক্ষা: ১৮৭০ সালে বিজ্ঞানী এ আর ওয়ালেস ইংল্যান্ডের বেডফোর্ড খালে এই পরীক্ষাটি করেন। তিনি খালের শান্ত জলে একই সরলরেখায় ১ মাইল (১.৬ কিমি) অন্তর সমান উচ্চতার তিনটি খুঁটি (A, B, C) পুঁতে দেন।
পর্যবেক্ষণ: জলতল থেকে খুঁটিগুলির উচ্চতা সমান হওয়া সত্ত্বেও দূরবীন দিয়ে দেখলে দেখা যায় মাঝের খুঁটিটি (B) দুই প্রান্তের খুঁটি দুটির তুলনায় প্রায় ৮ ইঞ্চি উপরে অবস্থান করছে।
সিদ্ধান্ত: পৃথিবী সমতল হলে তিনটি খুঁটিই একই সরলরেখায় সমতলে দেখা যেত। যেহেতু মাঝের খুঁটিটি উঁচুতে দেখা যাচ্ছে, তাই প্রমাণিত হয় যে পৃথিবীর উপরিভাগ বক্র বা গোলাকার।
চিত্রের বর্ণনা: একটি বক্ররেখার ওপর তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের উলম্ব রেখা (খুঁটি) এঁকে তাদের শীর্ষবিন্দু যোগ করলে দেখা যাবে মাঝের বিন্দুটি একটি উত্তল চাপ তৈরি করছে।
পৃথিবীর গোলত্বের অন্য দুটি প্রমাণ—
১. চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর ছায়া: চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর যে ছায়া পড়ে, তা সর্বদা গোলাকার হয়। কেবল গোলাকার বস্তুর ছায়াই বৃত্তাকার হওয়া সম্ভব।
২. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত: পৃথিবী সমতল হলে পৃথিবীর সব জায়গায় একই সময়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত হতো। কিন্তু পৃথিবী গোলাকার বলেই পূর্বে আগে এবং পশ্চিমে পরে সূর্যোদয় হয়।
(খ) ভারতে কোথায় কোথায় খনিজতেল উত্তোলন করা হয় ?
উত্তরঃ ভারতে প্রধানত তিনটি অঞ্চল থেকে খনিজ তেল উত্তোলন করা হয়—
১. উত্তর-পূর্বাঞ্চল (অসম): এটি ভারতের প্রাচীনতম তেল উত্তোলক অঞ্চল। এখানকার প্রধান কেন্দ্রগুলি হলো— ডিগবয় (ভারতের প্রথম তৈলখনি), নাহারকাটিয়া, মরান-হুগরিজান ও রুদ্রসাগর।
২. পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল (মহারাষ্ট্র ও গুজরাট):
বোম্বে হাই: এটি ভারতের বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলক অঞ্চল। এটি আরব সাগরের মহীসোপান অংশে অবস্থিত।
গুজরাট: এখানকার প্রধান কেন্দ্রগুলি হলো অঙ্কলেশ্বর, লুণেজ ও খাম্বাত।
৩. পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চল: অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা ও গোদাবরী নদীর মোহনা অঞ্চলে বর্তমানে তেল উত্তোলন করা হচ্ছে।
অথবা, ভারতে বর্তমানে অপ্রচলিত শক্তি ব্যবহারের ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপের কারণ কী ?
উত্তরঃ বর্তমানে ভারতে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি বা জোয়ার-ভাটা শক্তির মতো অপ্রচলিত শক্তির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার মূল কারণগুলি হলো—
১. গচ্ছিত সম্পদের সীমাবদ্ধতা: কয়লা ও খনিজ তেলের মতো চিরাচরিত শক্তির ভাণ্ডার সীমিত এবং এগুলি দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। তাই বিকল্প উৎসের সন্ধান জরুরি।
২. পরিবেশ দূষণ রোধ: কয়লা বা তেল পোড়ালে প্রচুর কার্বন নির্গত হয় যা গ্লোবাল ওয়ার্মিং বাড়ায়। কিন্তু অপ্রচলিত শক্তি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত এবং পরিবেশবান্ধব।
৩. পুনর্নবীকরণযোগ্য: অপ্রচলিত শক্তি অফুরন্ত। সূর্য বা বায়ুকে বারবার ব্যবহার করলেও তা শেষ হয়ে যায় না।
৪. অদূরবর্তী অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া: দুর্গম পাহাড়ি এলাকা বা প্রত্যন্ত দ্বীপে যেখানে বিদ্যুৎ লাইন নিয়ে যাওয়া কঠিন, সেখানে সোলার প্যানেল বা বায়ুকল বসিয়ে সহজেই বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়া সম্ভব।
৫. দীর্ঘমেয়াদী খরচ কম: প্রাথমিক পরিকাঠামো গড়তে খরচ বেশি হলেও, একবার চালু হয়ে গেলে উৎপাদন খরচ অত্যন্ত নগণ্য।
৭. প্রদত্ত ভারতের মানচিত্রে উপযুক্ত প্রতীক চিহ্ন সহ নীচের স্থানগুলিকে চিহ্নিত কর : 1×5=5
(ক) আকরিক লোহা কেন্দ্র পূর্ব ভারত
(খ) নেভেলী
(গ) তৈল শোধনাগার অসম
(ঘ) মুম্বাই-হাই
(ঙ) পশ্চিম ভারতের একটি পারমানবিক শক্তি কেন্দ্ৰ।
📌 আরো দেখোঃ
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
