ধীবর-বৃত্তান্ত নাটকের SAQ প্রশ্ন উত্তর নবম শ্রেণি বাংলা | Dhibor Brittanto Natoker SAQ Answer Class 9 Bengali wbbse
ধীবর-বৃত্তান্ত
কালিদাস রায়
নবম শ্রেণি বাংলা (প্রথম ভাষা)
ধীবর-বৃত্তান্ত নাটকের SAQ প্রশ্ন উত্তর নবম শ্রেণি বাংলা | Dhibor Brittanto Natoker SAQ Answer Class 9 Bengali wbbse
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
ধীবর-বৃত্তান্ত নাটকের SAQ প্রশ্ন উত্তর নবম শ্রেণি বাংলা | Dhibor Brittanto Natoker SAQ Answer Class 9 Bengali wbbse
• কমবেশি ১৫ টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও : (প্রতিটি প্রশ্নের মান-১)
১. ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে মূল চরিত্র কয়টি
উত্তরঃ ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে মূল চরিত্র চারটি-ধীবর, জানুক ও সূচক নামে দুই রক্ষী এবং নগরপাল রাজশ্যালক।
২. তীর্থ থেকে ফিরে এসে মহর্ষি কথ কী করেছিলেন ?
উত্তরঃ তীর্থ থেকে ফিরে এসে মহর্ষি কণ্ঠ শকুন্তলাকে পতিগৃহে অর্থাৎ রাজা দুষ্মন্তের কাছে পাঠাবার ব্যবস্থা করেছিলেন।
৩. “হাতবাঁধা অবস্থায় এক পুরুষকে সঙ্গে নিয়ে দুই রক্ষীর প্রবেশ।”– পুরুষটির হাত বাঁধা ছিল কেন ?
উত্তরঃ পুরুষটি অর্থাৎ এক ধীবরের কাছে রাজা দুষ্মন্তের আংটি পাওয়া গিয়েছিল, তাই তাকে চোর সন্দেহে হাত বেঁধে নিয়ে আসা হয়।
৪. ধীবরকে কারা ধরে এনেছিল ?
উত্তরঃ নগর রক্ষায় নিযুক্ত রাজশ্যালক এবং দুজন রক্ষী ‘সূচক’ ও ‘জানুক’ আংটি চুরির অপরাধে ধীবরকে ধরে এনেছিল।
৫. তীর্থ থেকে ফিরে এসে মহর্ষি কণ্ব কী করেছিলেন ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে তীর্থ থেকে ফিরে এসে মহর্ষি কণ্ব শকুন্তলাকে পতিগৃহে অর্থাৎ রাজা দুষ্মন্তের কাছে পাঠাবার ব্যবস্থা করেছিলেন।
৬. দুষ্মন্ত প্রদত্ত আংটিটি শকুন্তলা কীভাবে হারিয়ে ফেলেছিলেন ?
উত্তরঃ পতিগৃহে যাবার পথে শচীতীর্থে স্নানের পর শকুন্তলা যখন অঞ্জলি দিতে যান তখন আংটিটি হাত থেকে খুলে জলে পড়ে গিয়েছিলো। আর এইভাবে আংটি হারিয়ে যায়।
৭. ধীবর আংটিটি কোথায় পেয়েছিল ?
উত্তরঃ ধীবর যখন রুই মাছকে খন্ড খন্ড করে কাটছিল তখন মাছের পেটের ভিতর আংটিটি পেয়েছিলাম।
৮. দুর্বাসা মুনি শকুন্তলাকে কী অভিশাপ দিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ দুর্বাসা শকুন্তলাকে এই বলে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে, যার চিন্তায় সে মগ্ন সেই ব্যক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন।
৯. প্রিয়ংবদার অনুরোধে ঋষি দুর্বাসা কী বলেছিলেন ?
উত্তরঃ ঋষি দুর্বাসা বলেছিলেন যে, প্রিয়জন শকুন্তলাকে ভুলে গেলেও কোনো স্মৃতিচিহ্ন দেখালে এই অভিশাপ দূর হবে।
১০. পতিগৃহে যাবার পর শকুন্তলাকে দেখে দুষ্মন্তের প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে পতিগৃহে অর্থাৎ রাজা দুষ্মন্তের কাছে যাবার পর শকুন্তলাকে দেখেও চিনতে পারেননি।
১১. শকুন্তলা রাজসভায় অপমানিতা হয়ে ফিরে আসেন কেন?
উত্তরঃ দুর্বাসার শাপে দুষ্মন্ত শকুন্তলার কথা ভুলে গিয়ে তাকে চিনতে না পারায়, অপমানিতা শকুন্তলা তপোবনে ফিরে আসেন।
১২. শকুন্তলার সখীরা কাকে ভবিষ্যতের স্মারকচিহ্ন বলে মনে করেছিলেন ?
উত্তরঃ রাজা দুষ্মন্ত বিদায়কালে শকুন্তলাকে যে আংটিটি দিয়েছিলেন তাকেই সখীরা ভবিষ্যতের স্মারকচিহ্ন হিসেবে মনে করেছিলেন।
১৩. “আপনারা শান্ত হন।”– বক্তা কাদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ?
উত্তরঃ ‘ধীবর-বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের প্রধান চরিত্র ধীবর দুই নগররক্ষীকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
১৪. রাজা দুষ্মন্তের শ্যালকের কাজ কী ছিল ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে রাজা দুষ্মন্তের শ্যালকের কাজ ছিল নগর রক্ষা করা।
১৫. ধীবর সংসার চালাতো কীভাবে ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে ধীবর জাল, বড়শি ইত্যাদি নানা উপায়ে মাছ ধরে সংসার চালাত।
১৬. ধীবরকে গোসাপ খাওয়া জেলে বলে রাজশ্যালকের মনে হয়েছিল কেন?
উত্তরঃ ধীবরের গা থেকে কাঁচা মাংসের গন্ধ আসায় রাজশ্যালক তাকে গোসাপ খাওয়া জেলে মনে করেছিলেন।
১৭. শ্যালক রাজবাড়িতে গিয়েছিলেন কেন?
উত্তরঃ আংটিটির বিষয়ে ধীবর যা যা বলেছিল, তা সত্যি কিনা জানতে শ্যালক রাজবাড়িতে গিয়েছিলেন।
১৮. ধীবর সম্পর্কে রাজার আদেশ কী ছিল ?
উত্তরঃ রাজা দুষ্মন্ত ধীবরকে আংটির মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ পরিতোষিকসহ মুক্তি দেবার আদেশ দিয়েছিলেন।
১৯. আংটিটি পেয়ে রাজার কোন প্রতিক্রিয়া হয়েছিল ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে আংটিটি ফিরে পেয়ে রাজা দুষ্মন্ত মুহূর্ত কালের জন্য বিহ্বলভাবে চেয়েছিল।
২০. মুক্তি পেয়ে ধীবর কী করেছিল ?
উত্তরঃ মুক্তি পেয়ে খুশিতে ধীবর পারিতোষিকের অর্ধেক রক্ষীদের ফুলের দাম হিসাবে দিয়েছিল।
২১. দুষ্মন্ত প্রদত্ত আংটিটি শকুন্তলা কীভাবে হারিয়ে ফেলেছিলেন ?
উত্তরঃ শচীতীর্থে স্নানের পরে অঞ্জলি দেওয়ার সময়ে হাত থেকে খুলে জলে পড়ে গিয়ে শকুন্তলার আংটিটি হারিয়ে যায়।
২২. ‘এ অবশ্যই গোসাপ-খাওয়া জেলে হবে।’– শ্যালক এরকম সন্দেহ করেছিল কেন ?
উত্তরঃ ধীবরের গা থেকে কাঁচা মাংসের গন্ধ আসছিল বলে রাজার শ্যালক এরকম সন্দেহ করেছিলেন।
২৩. শকুন্তলার সখির নাম কী ছিল ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর-বৃত্তান্ত নাট্যাংশে শকুন্তলার সখির নাম ছিল প্রিয়ংবদা।
২৪. “মহারাজ এ সংবাদ শুনে খুব খুশি হবেন।”– কোন সংবাদ শুনে মহারাজের খুশি হবেন ?
উত্তরঃ ধীবরের কাছ থেকে মহারাজের আংটি উদ্ধার করার কথা শুনে মহারাজা দুষ্মন্ত খুশি হবেন বলে রক্ষীরা এই মন্তব্য করেছে।
২৫. ‘চলরে গাঁটকাটা’– তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে ?
উত্তরঃ ধীবর-বৃত্তান্ত নাটকে গাঁটকাটা অর্থাৎ ধীবরকে রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২৬. শকুন্তলার সঙ্গে কার বিবাহ হয়েছিল ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে শকুন্তলার সঙ্গে রাজা দুষ্মন্তের বিবাহ হয়েছিল।
২৭. দুষ্মন্ত শকুন্তলার বিয়ে কোথায় হয়েছিল ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রায় রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে ঋষি কণ্বের আশ্রমে দুষ্মন্ত শকুন্তলার বিয়ে হয়েছিল।
২৮. ঋষি কণ্বের অবর্তমানে কোন্ ঋষি তার আশ্রমে এসেছিলেন ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রায় রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে ঋষি কণ্বের অবর্তমানে ঋষি দুর্বাসা তার আশ্রমে এসেছিলেন।
২৯. শকুন্তলাকে কে অভিশাপ দিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ ঋষি কণ্বের অবর্তমানে আগত ঋষি দুর্বাসা স্বামী দুষ্মন্তের চিন্তায় অন্যমনস্ক হয়ে পড়ায় শকুন্তলাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন।
৩০. শকুন্তলাকে দুর্বাসা অভিশাপ দিয়েছিলেন কেন ?
উত্তরঃ স্বামী দুষ্মন্তের চিন্তায় অন্যমনস্ক হয়ে পড়ায় শকুন্তলা দুর্বাসার আগমন সংবাদ বুঝতে পারেননি। এই অবহেলাই অপমানিত হয় দুর্বাসা, শকুন্তলা’কে অভিশাপ দেয়।
৩১. দুর্বাসা মুনি শকুন্তলাকে কী অভিশাপ দিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ দুর্বাসা মুনি শকুন্তলাকে এই বলে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে যার চিন্তায় মগ্ন, সে ব্যক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন।
৩২. দুর্বাসা মুনি কীভাবে তার অভিশাপের প্রভাব দূর হবে বলে জানিয়েছিলেন ?
উত্তরঃ প্রিয়ংবদার বিশেষ অনুরোধে দুর্বাসা মুনি জানিয়েছিলেন, যদি তিনি কোন নিদর্শন তার প্রিয়জনকে দেখাতে পারেন তবে অভিশাপের প্রভাব দূর হবে।
৩৩. ‘মহারাজের হুকুমনামা হাতে নিয়ে এদিকে আসছে।’-কে, কী নিয়ে এসেছিল?
উত্তরঃ রাজশ্যালক দুষ্মন্তের রাজপ্রাসাদ থেকে তাঁর আদেশনামা নিয়ে রক্ষীদের কাছে ফিরে এসেছিলেন।
৩৪. হুকুমনামায় কী থাকতে পারে বলে জানুক আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল?
উত্তরঃ জানুকের অনুমান ছিল, হুকুমনামায় ধীবরকে হত্যা করে কুকুর ও শকুনকে দিয়ে খাওয়ানোর নির্দেশ থাকবে।
৩৫. জেলে তার পারিতোষিকের অর্ধেক অর্থ কী করতে চেয়েছিল ?
উত্তরঃ রক্ষীরা ধীবরকে মারার আগে যে ফুলের মালা তার গলায় পরাতে চেয়েছিল, রাজার দেওয়া পারিতোষিকের অর্ধেক অর্থ সেই ফুলের দাম হিসেবে ধীবর দিতে চেয়েছিল।
৩৬. ‘আপনারা অনুগ্রহ করে শুনুন।’– বক্তা কোন কথা শোনাতে চেয়েছে ?
উত্তরঃ ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে আলোচ্য উক্তিটির বক্তা ধীবর নগররক্ষীদের কাছে নিজের পরিচয় এবং কীভাবে সে রাজার আংটিটি পেয়েছে সে কথা শোনাতে চেয়েছে।
৩৭. “প্রভু, অনুগৃহীত হলাম।” –কীভাবে বক্তা অনুগৃহীত হয়েছিল ?
উত্তরঃ মহারাজ আংটি ফিরে পেয়ে তার মুল্যের সমপরিমাণ অর্থ ধীবরকে দেওয়ায় সে অনুগৃহীত হয়েছিল।
৩৮. ‘এ যে শূল থেকে নামিয়ে একেবারে হাতির পিঠে চড়িয়ে দেওয়া হল।’- কার, কেন এমন মনে হয়েছিল?
উত্তরঃ মৃত্যুর পরিবর্তে মহামূল্যবান পারিতোষিক প্রাপ্তি, এমন অভাবনীয় পট-পরিবর্তনকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সূচক উদ্ধৃত উপমাটি দিয়েছিল।
৩৯. ধীবরের কথামতো বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ কখন নির্দয় হয়ে থাকেন ?
উত্তরঃ ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে ধীবরের কথামতো বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন।
৪০. ধীবরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ শুনে দ্বিতীয় রক্ষীর আচরণ কেমন ছিল ?
উত্তরঃ ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে ধীবরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ শুনে দ্বিতীয় রক্ষী হিংসাভরা বক্রোক্তি করেছিল।
৪১. ধীবর চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের কোন দিকটি নাট্যাংশে ফুটে উঠেছে?
উত্তরঃ ধীবর চরিত্রের মাধ্যমে সমাজের নিম্নবর্গের মানুষদের প্রতি অবিশ্বাস, অবহেলা ও জাতিভিত্তিক বৈষম্যের বাস্তব চিত্র নাট্যাংশে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
৪২. নগররক্ষীদের আচরণ ধীবরের প্রতি কেমন ছিল এবং তার কারণ কী?
উত্তরঃ নগররক্ষীরা ধীবরের প্রতি নিষ্ঠুর ও অপমানজনক আচরণ করেছিল, কারণ তারা তাকে জাতিগত পেশার জন্য চোর ও অপরাধী বলে মনে করেছিল।
৪৩. রাজশ্যালকের চরিত্রে কোন মানবিক গুণ প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ রাজশ্যালকের চরিত্রে বিচারবোধ, সহানুভূতি ও যুক্তিবাদী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে, কারণ তিনি ধীবরের কথা শুনে সত্য যাচাইয়ের উদ্দ্যোগ নিয়েছিলেন।
৪৪. আংটি পুনরুদ্ধারের ঘটনা কীভাবে মূল কাহিনির মোড় ঘুরিয়ে দেয়?
উত্তরঃ আংটি পুনরুদ্ধারের ফলে দুষ্মন্তের স্মৃতি ফিরে আসার পথ প্রশস্ত হয়, যার মাধ্যমে শকুন্তলার অপমানের অবসান ও কাহিনির ইতিবাচক মোেড় সূচিত হয়।
৪৫. ধীবরের বৃত্তি সম্পর্কে তার নিজের বক্তব্য কী সামাজিক বার্তা দেয়?
উত্তরঃ ধীবরের বক্তব্য সমাজকে এই বার্তা দেয় যে জন্মগত পেশা ঘৃণ্য হলেও তা সততার সঙ্গে পালন করলে তা নিন্দনীয় হতে পারে না।
৪৬. ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশে নাট্যকার কোন নৈতিক শিক্ষাটি তুলে ধরেছেন?
উত্তরঃ নাট্যাংশে নৈতিক শিক্ষা হিসেবে সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার বিজয় এবং সমাজে পেশা বা জাতের ভিত্তিতে মানুষকে বিচার না করার বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।
৪৭. ধীবর বৃত্তান্ত নাটকটি কে তরজমা করেছে ?
উত্তরঃ নাট্যকার কালিদাস রায় রচিত ধীবর বৃত্তান্ত নাটকটি তরজমা করেছেন নাট্যকার সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী।
◆ ধীবর-বৃত্তান্ত নাটকের বিষয়বস্তু
◆ MCQ প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)
◆ সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর (প্রশ্নের মান ৩)
◆ বড়ো প্রশ্নোত্তর (প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫)
📌 আরো দেখুনঃ
📌নবম শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌 নবম শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
