ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল প্রথম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর | Class 6 Geography Ch-1 Question Answer wbbse
আকাশ ভরা সূর্য তারা
প্রথম অধ্যায়
ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
বহু বিকল্পধর্মী প্রশ্ন উত্তর (MCQ) | ষষ্ঠ শ্রেণির ভূগোল আকাশ ভরা সূর্য তারা | Class 6 Geography Akash Bhora Surjo Tara Question Answer wbbse
১. আকাশগঙ্গা হল একটি— ( নীহারিকা / ছায়াপথ / গ্রহাণুপুঞ্জ) ।
উত্তরঃ ছায়াপথ।
২. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে— ( ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড / ১০ মিনিট ৪০ সেকেন্ড / ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড)।
উত্তরঃ ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
৩. পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য– ( ১২ / ১৩ / ১৪) লক্ষ গুণ বড়ো।
উত্তরঃ ১৩
৪. সাতটি তারা নিয়ে গঠিত নক্ষত্রমণ্ডলটির নাম– (সপ্তর্ষিমণ্ডল / কালপুরুষ / ক্যাসিওপিয়া)।
উত্তরঃ সপ্তর্ষিমণ্ডল।
৫. সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব প্রায়– (১৪ কোটি / ১৫ কোটি / ১৬ কোটি) কিলোমিটার।
উত্তরঃ ১৫ কোটি।
৬. আলোর গতিবেগ সেকেন্ডে প্রায়– (৪.৫ / ৮ / ৩) লক্ষ কিমি।
উত্তরঃ ৩
৭. বৃহস্পতির বৃহত্তম উপগ্রহ হল – (টাইটান / ট্রাইট্রন / গ্যানিমিড)।
উত্তরঃ গ্যানিমিড।
৮. ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম— (রোহিনী / ভাস্কর / আর্যভট্ট) ।
উত্তরঃ আর্যভট্ট।
৯. উত্তর আকাশের সর্বাপেক্ষা উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক হল— (শুকতারা / ধ্রুবতারা / প্রক্সিমা সেন্টরাই)।
উত্তরঃ ধ্রুবতারা।
১০. বিভিন্ন আকৃতির নক্ষত্রের সমষ্টিকে বলা হয়— (কালপুরুষ / নক্ষত্রমণ্ডল / সপ্তর্ষিমণ্ডল)।
উত্তরঃ নক্ষত্রমণ্ডল।
১১. সবুজ রঙের গ্রহটি হল— (মঙ্গল / ইউরেনাস / নেপচুন) ।
উত্তরঃ ইউরেনাস।
১২. সূর্যের বাইরের অংশটিকে বলা হয়— (করোনা / আলোকমণ্ডল / বর্ণমণ্ডল) ।
উত্তরঃ করোনা।
১৩. কলম্বিয়া হল— (স্পেস স্যুট / স্পেস শাটল / রকেট)।
উত্তরঃ স্পেস শাটল।
১৪. সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ হল— (বৃহস্পতি / শনি / ইউরেনাস)।
উত্তরঃ ইউরেনাস।
১৫. আবর্তনের সময় সবথেকে কম লাগে যে গ্রহের সেটি হল— (বৃহস্পতি / শনি / ইউরেনাস)।
উত্তরঃ বৃহস্পতি।
১৬. সূর্যের আনুমানিক বয়স প্রায়— (৫০০ কোটি / ১০০০ কোটি / ১০০০০ কোটি) বছর।
উত্তরঃ ১০০০ কোটি।
১৭. সবুজ রঙের গ্রহটি হল— (মঙ্গল / ইউরেনাস / নেপচুন)।
উত্তরঃ ইউরেনাস।
১৮. সৌরঝড় জোরালো হয় প্রতি– (১১ / ১৫ / ১৭) বছর অন্তর।
উত্তরঃ ১১
১৯. চাঁদের আনুমানিক বয়স প্রায়– (৩৫০ / ৫৫০ / ৭৫০) কোটি বছর।
উত্তরঃ ৩৫০
২০. সৌরপরিবারের অন্তঃস্থ গ্রহের সংখ্যা– (৪ / ৫ / ৬) টি ।
উত্তরঃ ৪
২১. ৭ টি বলয়যুক্ত গ্রহটি হল— (শুরু / শনি / ইউরেনাস)।
উত্তরঃ শনি।
২২. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণু— (সেরেস / আর্যভট্ট / জেনা)।
উত্তরঃ সেরেস।
২৩. শক্তিশালী টেলিস্কোপের সাহায্যে– (১০০ / ২০০ / ৫০০) কোটি আলোকবর্ষ দূরের নক্ষত্র দেখা যায়।
উত্তরঃ ২০০
২৪. মিরান্ডা হল– (শনির / ইউরেনাসের / নেপচুনের) উপগ্রহ।
উত্তরঃ ইউরেনাসের।
২৫. সূর্য থেকে দূরত্ব অনুসারে পৃথিবীর স্থান সৌরজগতে— (প্রথম / দ্বিতীয় / তৃতীয়)।
উত্তরঃ তৃতীয়।
২৬. মঙ্গলের একটি উপগ্রহ হল – (ফোবোস / টাইটান / গ্যানিমিড)।
উত্তরঃ ফোবোস।
২৭. (শুক্র / শনি / বুধ)— গ্রহের বলয় আছে।
উত্তরঃ শনি।
২৮. হ্যালির ধূমকেতুকে– (৭৬ / ৭৭ / ৭৮) বছর অন্তর পৃথিবী থেকে দেখা যায়।
উত্তরঃ ৭৬
২৯. সৌরজগতের বৃহত্তম উপগ্রহ হল— (গ্যানিমিড / টাইটান / ডাইয়োস)।
উত্তরঃ গ্যানিমিড।
৩০. পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হল– (চাঁদ / মিরান্ডা / ফোবোস)।
উত্তরঃ চাঁদ।
৩১. (শুক্র / বুধ / মঙ্গল)— গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমদিকে আবর্তন করে।
উত্তরঃ শুক্র।
৩২. শুক্র ও পৃথিবীর আয়তন প্রায় সমান এবং ঘনত্বের জন্য শুক্রকে পৃথিবীর– (যমজ / বামন / কুলীন) গ্রহ বলে।
উত্তরঃ যমজ।
৩৩. লাইকা হল একটি— (উদ্ভিদ / প্রাণী / গ্রহাণু)।
উত্তরঃ প্রাণী।
৩৪. প্লুটোকে বর্তমানে— (বামন / কুলীন / নীল) গ্রহ বলা হয়।
উত্তরঃ বামন।
৩৫. শুক্রগ্রহেরর অপর নাম– (ধ্রুবতারা / হ্যাডলির অকট্যান্ট / সন্ধ্যাতারা)।
উত্তরঃ সন্ধ্যাতারা।
৩৬. (বুধ / মঙ্গল / শুক্র)– গ্রহের কোনো উপগ্রহ নেই ।
উত্তরঃ শুক্র।
৩৭. পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র হল– (সূর্য / বুধ / ধূমকেতু)।
উত্তরঃ সূর্য।
৩৮. সূর্য বাদে পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রের নাম— (প্রক্সিমা সেন্টাউরি / হ্যাডলির অকট্যান্ট / আকাশগঙ্গা)।
উত্তরঃ প্রক্সিমা সেন্টাউরি।
৩৯. পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী হলেন— (রাকেশ শর্মা / ইউরি গ্যাগারিন / ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা)।
উত্তরঃ ইউরি গ্যাগারিন।
৪০. পৃথিবীর প্রথম মহিলা মহাকাশচারী হলেন— (কল্পনা চাওলা / সুনিতা উইলিয়ামস / ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা)।
উত্তরঃ ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা।
৪১. ভারতের প্রথম মহাকাশচারীর নাম– (রাকেশ শর্মা / কল্পনা চাওলা / সুনিতা উইলিয়ামস)।
উত্তরঃ রাকেশ শর্মা।
৪২. প্রথম চন্দ্ৰপৃষ্ঠে পদার্পণ করেন— (নীল আর্মস্ট্রং / এডুইন অলড্রিন / মাইকেল কলিন্স)।
উত্তরঃ নীল আর্মস্ট্রং।
৪৩. যে চন্দ্রযানে নীল আর্মস্ট্রং চন্দ্রে নেমেছিলেন তার নাম— (ঈগল / লাইকা / অ্যাপোলো)।
উত্তরঃ ঈগল
৪৪. (শুক্র / বুধ / শনি)— গ্রহের একদিন পৃথিবীর একবছরের থেকে বড়ো ।
উত্তরঃ শুক্র।
৪৫. সৌরজগতে কুলীন গ্রহের সংখ্যা— (৫ টি / ৪ টি / ৩ টি)।
উত্তরঃ ৪ টি
৪৬. প্রথম ভারতীয় মহিলা মহাকাশচারী ছিলেন– (কল্পনা চাওলা / সুনিতা উইলিয়ামস / ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা)।
উত্তরঃ কল্পনা চাওলা।
৪৭. মহাকাশে দীর্ঘসময় ধরে হেঁটেছিলেন— (নীল আর্মস্ট্রং / সুনিতা উইলিয়ামস / এডুইন অলড্রিন)।
উত্তরঃ সুনিতা উইলিয়ামস।
৪৮. সন্ধ্যেবেলার আকাশ ভরা অসংখ্য ঝিকমিক আলোক বিন্দু আসলে— (গ্রহ / তারা / উপগ্রহ)।
উত্তরঃ তারা
৪৯. পৃথিবীকে ঘিরে যে অনন্ত সর্বব্যাপী ব্রহ্মাণ্ড আছে তাকে বলে— (আকাশ / মহাকাশ / মহাবিশ্ব)।
উত্তরঃ মহাকাশ।
৫০. মহাকাশে ভাসমান বিভিন্ন আকারের আলোক বিন্দু ও কণাসমূহকে এককথায় বলে— (জ্যোতিষ্ক / নীহারিকা / গ্রহাণু) ।
উত্তরঃ জ্যোতিষ্ক।
৫১. মহাবিশ্বের প্রসারণ শুরু হয় প্রায়— (১৫০০ / ১৬০০ / ১৪০০) কোটি বছর আগে।
উত্তরঃ ১৪০০
৫২. (উত্তাপ / আয়তন / দূরত্ব)—বোঝা যায় তারার রং দ্বারা।
উত্তরঃ উত্তাপ।
৫৩. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণু— (ভেস্টা / সেরেস্ / হামিয়া) ।
উত্তরঃ সেরেস্।
৫৪. পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব প্রায়— (১৪ কোটি ৯৫ লক্ষ কিমি / ১০ কোটি কিমি / ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি) ।
উত্তরঃ ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি।
৫৫. চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে একবার ঘোরে— (২৪ ঘন্টায় / ২৭ দিন ৮ ঘন্টায় / ৩৬৫ দিন)।
উত্তরঃ ২৭ দিন ৮ ঘন্টায়।
৫৬. পরিক্রমণে সর্বাধিক বেশি সময় লাগে– (নেপচুনের / শনির / ইউরেনাসের)।
উত্তরঃ নেপচুনের।
৫৭. আবর্তনে সবচেয়ে কম সময় লাগে— (নেপচুনের / শনির / বুধের)।
উত্তরঃ শনির।
৫৮. মঙ্গল গ্রহের মাটির রং— (লালচে/ বাদামি / কালো)।
উত্তরঃ লালচে।
৫৯. ইউরেনাস গ্রহের বর্ণ— (লাল / সবুজ / হলুদ)।
উত্তরঃ সবুজ।
৬০. সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ– (বৃহস্পতি / মঙ্গল / ইউরেনাস)।
উত্তরঃ ইউরেনাস।
৬১. সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ— (শুক্র / বৃহস্পতি / ইউরেনাস)।
উত্তরঃ শুক্র।
৬২. শনি হল সৌর পরিবারের— (বামন / অন্তঃস্থ / বহিঃস্থ) গ্রহ।
উত্তরঃ বহিঃস্থ।
৬৩. সূর্যের ভিতরের উষ্ণতা, বাইরের উষ্ণতার প্রায়– (২৫ / ৫০ / ১০০) গুণ বেশি।
উত্তরঃ ২৫
৬৪. উত্তর আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা হল— ( শুকতারা / ধ্রুবতারা / হ্যাডলির অকট্যান্ট ) ।
উত্তরঃ ধ্রুবতারা।
∆ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান-১
১. আমাদের সৌর জগৎ কোন ছায়াপথের অন্তর্গত ?
উত্তরঃ আকাশ গঙ্গা।
২. নক্ষত্র কাকে বলে ?
উত্তরঃ সৌর জগতের অন্তর্গত যে সব জোতিস্কের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ আছে, তাদের নক্ষত্র বলে। যেমন– সূর্য।
৩. কোন রঙের তারার উষ্ণতা ও উজ্জ্বলতা সবচেয়ে বেশি ?
উত্তরঃ সাদা রঙের।
৪. কোন রঙের তারার উষ্ণতা সবচেয়ে কম ?
উত্তরঃ লাল রঙের।
৫. খালি চোখে আমরা কোন রঙের তারা গুলি দেখতে পায় ?
উত্তরঃ সাদা রঙের
৬. পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রের নাম কি ?
উত্তরঃ সূর্য।
৭. সূর্যের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম নক্ষত্রের নাম কি ?
উত্তরঃ প্রক্সিমা সেনটাউরি।
৮. সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব কত ?
উত্তরঃ প্রায় ১৫ কোটি কিমি।
৯. পৃথিবী থেকে প্রক্সিমা সেনটাউরির দূরত্ব কত ?
উত্তরঃ প্রায় ৪১ লক্ষ কোটি কিমি বা ৪.২ আলোকবর্ষ।
১০. সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে ?
উত্তরঃ ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
১১. বায়ু শূন্য অবস্থায় আলোর গতিবেগ কত ?
উত্তরঃ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিমি।
১২. মহাবিশ্বে দূরত্ব পরিমাপ করতে কোন একক ব্যবহার করা হয় ?
উত্তরঃ আলোকবর্ষ একক।
১৩. ক্যাসিওপিয়া নক্ষএ মন্ডলের আকৃতি কি রূপ ?
উত্তরঃ ইংরেজি M অক্ষরের মতো।
১৪. উত্তর আকাশে কোন তারা দেখা যায়?
উত্তরঃ ধ্রুব তারা।
১৫. কোন তারা দেখে নাবিকরা রাত্রিবেলা দিক নির্ণয় করতেন?
উত্তরঃ ধ্রুব তারা দেখে।
১৬. সৌরজগতের কেন্দ্রে কি রয়েছে ?
উত্তরঃ সূর্য।
১৭. কত কোটি বছর আগে সূর্যের সৃষ্টি হয়েছে ?
উত্তরঃ প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে।
১৮. সূর্যে কোন কোন গ্যাসের উপস্থিতি দেখা যায় ?
উত্তরঃ হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম।
১৯. সূর্য পৃথিবীর থেকে কত গুন বড়ো ?
উত্তরঃ প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ।
২০. সৌরজগতের কয় টি গ্রহ আছে ?
উত্তরঃ ৮ টি
২১. সূর্যের সবচেয়ে কাছের ও দূরের গ্রহের নাম কি ?
উত্তরঃ সবচেয়ে কাছের হল বুধ ও দূরের গ্রহ হল নেপচুন।
২২. সৌর জগতের বৃহত্তম গ্রহের নাম কি?
উত্তরঃ বৃহস্পতি।
২৩. দূরত্বের বিচারে পৃথিবী সূর্যের কততম গ্রহ ?
উত্তরঃ তৃতীয়।
২৪. সূর্য থেকে কি পরিমান আলো পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় ?
উত্তরঃ সূর্য রশ্মির ২০০ কোটি ভাগের মাত্র এক ভাগ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়।
২৫. সূর্যের বাইরের অংশ কে কি বলে ?
উত্তরঃ করোনা।
২৬. কত বছর অন্তর সৌরঝর হয়ে থাকে ?
উত্তরঃ প্রতি ১১ বছর অন্তর এই সৌর ঝরের প্রাবল্য বৃদ্ধি পায়।
২৭. সন্ধ্যা বেলা পশ্চিম আকাশে যে উজ্জ্বল জোতিস্ক কে মিটমিট করতে দেখা যায়, তাকে কি বলে ?
উত্তরঃ সন্ধ্যা তারা।
২৮. সন্ধ্যা তারা আসলে কি ?
উত্তরঃ শুক্র গ্রহ।
২৯. সৌর জগতের অন্ত:স্থ গ্রহ কোন গুলি ?
উত্তরঃ বুধ, শুক্র, পৃথিবী ও মঙ্গল এই চারটি গ্রহ কে অন্ত:স্থ গ্রহ বলে।
৩০. সৌর পরিবারের বহিঃস্থ গ্রহ কোন্ গুলি ?
উত্তরঃ সৌর পরিবারের বহিঃস্থ গ্রহ বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন।
৩১. কোন গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে আবর্তন করে ?
উত্তরঃ শুক্র গ্রহ।
৩২. পৃথিবী কোন দিকে থেকে কোন দিকে আবর্তন করে ?
উত্তরঃ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে।
৩৩. পৃথিবীর নিকট তম গ্রহের নাম কি ?
উত্তরঃ শুক্র গ্রহ।
৩৪. সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহের নাম কি ?
উত্তরঃ শুক্র গ্রহ।
৩৫. নীল গ্রহ কাকে বলে ?
উত্তরঃ পৃথিবীকে।
৩৬. পৃথিবীর গড় উষ্ণতা কত ?
উত্তরঃ ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩৭. পৃথিবীর নিজের চারদিকে একবার আবর্তন করতে কত সময় লাগে ?
উত্তরঃ ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড।
৩৮. পৃথিবীর সূর্যের চারিদিকে একবার পরিক্রমণ করতে কত সময় লাগে ?
উত্তরঃ ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
৩৯. লাল গ্রহ কাকে বলে ?
উত্তরঃ মঙ্গল গ্রহকে।
৪০. কোন গ্রহের মাধ্যাকর্ষন শক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ?
উত্তরঃ বৃহস্পতি গ্রহের।
৪১. সৌরজগতের অন্তর্গত কোন গ্রহের বলয় আছে ?
উত্তরঃ শনিগ্রহের।
৪২. ইউরেনাস গ্রহের রং সবুজ কেন ?
উত্তরঃ এই গ্রহে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস থাকায় সবুজ রঙের দেখতে হয়।
৪৩. পৃথিবীর শীতল তম গ্রহের নাম কি ?
উত্তরঃ ইউরেনাস।
৪৪. বামন গ্রহ কাকে বলা হয় ?
উত্তরঃ প্লুটোকে।
৪৫. পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত ?
উত্তরঃ ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি।
৪৬. চাঁদের মাধ্যাকর্ষন শক্তির পরিমাণ কত ?
উত্তরঃ পৃথিবীর ৬ ভাগের ১ ভাগ।
৪৭. চাঁদের পৃথিবীর চারদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে কত সময় লাগে ?
উত্তরঃ প্রায় ২৭ দিন ৮ ঘন্টা
৪৮. মঙ্গল গ্রহের কয় টি উপগ্রহ ও কি কি?
উত্তরঃ দুটি, ডাইমোস ও ফোবোস।
৪৯. সৌর জগতের বৃহত্তম উপগ্রহের নাম কি?
উত্তরঃ শনি গ্রহের টাইটান।
৫০. মিরান্ডা কোন গ্রহের উপগ্রহ ?
উত্তরঃ ইউরেনাস গ্রহের।
৫১. ট্রাইটন কোন গ্রহের উপগ্রহ ?
উত্তরঃ নেপচুন।
৫২. সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণুর নাম কি ?
উত্তরঃ সেরেস।
৫৩. ধূমকেতু কাকে বলে ?
উত্তরঃ ঝাঁটার মতো লেজ বিশিষ্ট উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে।
৫৪. পৃথিবী থেকে হ্যালির ধূমকেতু কত বছর অন্তর অন্তর দেখা যায় ?
উত্তরঃ ৭৬ বছর অন্তর
৫৫. কত সালে কিউরিও সিটি রোভার মঙ্গল গ্রহে অবতরণের করে ?
উত্তরঃ ২০১২ সালে।
৫৬. ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের নাম কি ?
উত্তরঃ ইসরো।
৫৭. ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নাম কি ?
উত্তরঃ আর্য ভট্ট।
৫৮. ভারতের প্রথম মহাকাশচারী কে ছিলেন ?
উত্তরঃ রাকেশ শর্মা।
৫৯. ভারতের চন্দ্রায়ন-১ কত সালে চাঁদে অবতরণ করে ?
উত্তরঃ ২০০৮ সালে।
৬০. কোন প্রাণী প্রথম মহাকাশে যায় ?
উত্তরঃ লাইকা নামে একটি কুকুর।
৬১. পৃথিবীর প্রথম মহাকাশচারী কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ইউরি গ্যাগারিন।
৬২. প্রথম মহিলা মহাকাশচারীর নাম কি ছিল ?
উত্তরঃ ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা
৬৩. কারা প্রথম চাঁদে অবতরণ করেন ?
উত্তরঃ নীল আমস্ট্রং ও এডুইন অলড্রিন
৬৪. শনি ছাড়া সৌরজগতের আর কোন গ্রহের বলয় আছে ?
উত্তরঃ ইউরেনাস গ্রহের
৬৫. সৌর পরিবারের প্রধান নক্ষত্রটির নাম কি ?
উত্তরঃ সূর্য।
৬৬. সৌরজগৎ কাকে বলে ?
উত্তরঃ সূর্য ও তার বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহানুপুঞ্জ প্রভৃতি কে নিয়ে তৈরি হয়েছে সৌরজগৎ।
৬৭. নক্ষত্র মন্ডল বলতে কি বোঝ ?
উত্তরঃ কাছাকাছি থাকা অনেক গুলি তারার একত্র সমাবেশকে নক্ষত্র মন্ডল বলে। যেমন– সপ্তর্ষি মন্ডল, ক্যাসিওপিয়া প্রভৃতি।
৬৮. চন্দ্রকলা কাকে বলে ?
উত্তরঃ মাসের বিভিন্ন সময়ে চাঁদের আলোকিত অংশের বাড়া কমাকে বলে চন্দ্রকলা।
৬৯. মঙ্গলের মাটির রং লাল কেন ?
উত্তরঃ মঙ্গলের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে ফেরাস অক্সাইড বা লোহা মিশে থাকায় মঙ্গলের মাটি লাল রঙের দেখায়।
৭০. পৃথিবী থেকে হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর বাদে বাদে দেখা যায়। ১৯৮৬ সালে একে শেষ দেখা যায়। আবার কত সালে দেখা যাবে বলো তো ?
উত্তরঃ পৃথিবী থেকে হ্যালির ধূমকেতু ৭৬ বছর বাদে বাদে দেখাযায়। ১৯৮৬ সালে একে শেষ দেখা গেছে। আবার ২০৬২ সালে দেখা যাবে।
∆ নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ২
১. মহাবিশ্ব বা ব্রহ্মাণ্ড (Universe) কী ?
উত্তরঃ কোটি কোটি জ্যোতিষ্ক অর্থাৎ গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, গ্রহাণুপুঞ্জ, ধূলিকণা, গ্যাস, উল্কা, ধূমকেতু, ছায়াপথ, নীহারিকা প্রভৃতি মিলে অসীম শূন্যস্থান জুড়ে যে অনন্ত বিশ্ব গড়ে উঠেছে তাকে মহাবিশ্ব বা ব্রহ্মাণ্ড বলে।
২. ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি (Galaxy) কাকে বলে ?
উত্তরঃ মহাকাশে লক্ষ লক্ষ তারা, ধূলিকণা এবং গ্যাসীয় মেঘপুঞ্জের সমাবেশে গঠিত উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ককে ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি বলে। এগুলি প্যাঁচানো, ডিম্বাকার প্রভৃতি নানা আকৃতির হয়। উদাহরণ মিল্কিওয়ে বা আকাশগঙ্গা, অ্যানড্রোমেডা প্রভৃতি।
৩. নক্ষত্র বা তারা কাকে বলে?
উত্তরঃ রাতের আকাশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই অসংখ্য জ্যোতিষ্ক মিটমিট করে জ্বলছে। নিজস্ব আলো ও উত্তাপের অধিকারী এই সমস্ত জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ডকে নক্ষত্র বা তারা বলা হয়।
৪. আলোকবর্ষ (Light-year) কী ?
উত্তরঃ মহাশূন্যের অতি বিশাল দূরত্ব মাপার একক হল আলোকবর্ষ। আলোর গতিবেগ ১ সেকেন্ডে প্রায় ৩০০,০০০ কিমি। এই গতিবেগে ১ বছরে আলো যতটা দূরত্ব পার হয়, তা হল এক আলোকবর্ষ।
৫. নক্ষত্রমণ্ডল কাকে বলে ?
উত্তরঃ রাতের আকাশে কাছাকাছি থাকা তারাগুলিকে কাল্পনিকভাবে যোগ করলে বিভিন্ন আকৃতি তৈরি হয়। এরকম এক একটা তারার ঝাঁককে বলে নক্ষত্রমণ্ডল। উদাহরণ- কালপুরুষ, সপ্তর্ষিমণ্ডল প্রভৃতি।
৬. টেলিস্কোপ কী ?
উত্তরঃ মহাকাশে গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদি জ্যোতিষ্ক দেখা এবং পর্যালোচনা করার জন্য কাচ লাগানো বিশাল চোং-এর মতো যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্র নামে পরিচিত।
৭. গ্রহ কাকে বলে ?
উত্তরঃ যে সব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো ও উত্তাপ নেই, নক্ষত্রের আলোয় আলোকিত হয়, তাদের গ্রহ বলে। সৌর জগতের এই রকম ৮ টি গ্রহ রয়েছে।
৮. উপগ্রহ কাকে বলে ?
উত্তরঃ নিজস্ব আলো ও উত্তাপ হীন যে সমস্ত জ্যোতিষ্ক গ্রহের আকর্ষণে গ্রহের চারদিকে ঘোরে, তাদের উপগ্রহ বলে। যেমন– পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ।
৯. চান্দ্র মাস কাকে বলে ?
উত্তরঃ একটি পূর্ণিমা থেকে অপর পূর্ণিমা পর্যন্ত অর্থাৎ পৃথিবীর চারদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের যে সময় লাগে, তাকে চান্দ্র মাস বলে।
১০. সৌর কলঙ্ক বলতে কী বোঝো ?
উত্তরঃ সূর্যের গায়ে যে সমস্ত জায়গা গুলির উষ্ণতা তুলনামূলকভাবে কম সে অঞ্চল গুলি কম উজ্জ্বল হয় বলে কালো রঙের দেখাই, এই অনুজ্জ্বল অংশ গুলিকে সৌর কলঙ্ক।
১১. সৌরঝড় কাকে বলে ?
উত্তরঃ সূর্যের বাইরের অংশে বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন আয়নিত কণা গুলির মধ্যে বিস্ফোরণের ফলে সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত তাপের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, একে সৌরঝড় বলে।
১২. খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকাতে নেই কেন ?
উত্তরঃ সূর্য থেকে যে তীব্র আলোকরশ্মি নির্গত হয়, তার মধ্যে অনেক ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয় রশ্মিও থাকে৷ খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে তীব্র আলোকরশ্মি ও ওইসব ক্ষতিকর রশ্মির প্রভাবে চোখের রেটিনার ক্ষতি হতে পারে, এমনকি পুড়ে যেতেও পারে।
∆ নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির সংক্ষেপে উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ৩
১. নীহারিকা কাকে বলে ? নক্ষত্রের জন্ম কীভাবে হয়েছে ? ১+২
উত্তরঃ মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় যে অসংখ্য ধূলিকণা ও গ্যাসের মহাজাগতিক মেঘ তৈরি হয় তা হলো নীহারিকা (Nebula)। এই নীহারিকা থেকেই তারা বা নক্ষত্রের জন্ম হয়। মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রায় দশ লক্ষ বছর পরে গ্যাসীয় পদার্থগুলো জমাট বাঁধতে শুরু করে। আর তাদের মধ্যে মধ্যে তৈরি হতে থাকে শূন্যস্থান। জমাট বাঁধা পদার্থগুলো প্রচণ্ড ন্নতিতে একে অপরের সঙ্গে মিলে গিয়ে প্রকাণ্ড আকারের জ্বলন্ত নক্ষত্রের জন্ম দেয়।
২. আমরা সৌরজগৎ সঠিকভাবে আঁকতে পারি না কেন ?
উত্তরঃ আমরা সৌরজগতের সঠিক ছবি আঁকতে পারি না। কারণ সূর্য পৃথিবীর থেকে ১৩ লক্ষ গুণ বড়ো। আবার বৃহস্পতির আকার এত বড়ো যে তার মধ্যে ১৩০০ টি পৃথিবী ঢুকে যেতে পারে। তাই এই আকার ও আকৃতির ভিন্নতার জন্য সৌরজগতের সঠিক ছবি আঁকা সম্ভব নয়। যা আঁকা হয় সেটি হল সৌরজগতের একটি ধারণা মাত্র।
৩. অনেকদিন বাদে ধূমকেতু দেখা যায় কেন ?
উত্তরঃ ধূমকেতুর কক্ষপথ অনেকটা লম্বাটে উপবৃত্তের মতো। যখন ধূমকেতু সূর্যের নিকট আসে তখন তার ধূলো, গ্যাস লেজের আকারে জ্বলতে শুরু করে। আর যেই তার লম্বাটে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের জন্য সূর্য থেকে দূরে সরে যায় তখন আর জ্বলে না ফলে দেখাও যায় না। তাই কক্ষপথের এরূপ লম্বাটে আকৃতির জন্য ধূমকেতুকে অনেকদিন বাদে দেখা যায়।
৪. তারারা মিটমিট করে কেন ?
উত্তরঃ তারারা পৃথিবী থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে। পৃথিবীকে চারদিক থেকে বায়ুমণ্ডল ঘিরে রেখেছে। এই বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর ভেদ করে তারাগুলির আলো আমাদের চোখে পৌঁছানোর আগে কেঁপে যায় ফলে তারারা মিটমিট করে বলে আমাদের মনে হয়। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে থেকে দেখলে এদের স্থির আলোর বিন্দু হিসেবে দেখা যাবে।
পৃষ্ঠা সংখ্যা-১২
শব্দের খেলা

বিঃ দ্রঃ শব্দ ছকে এক জায়গায় ভুল আছে, বামদিকে ৯ নম্বরের জায়গায় ৮ নম্বর হবে।
পাশাপাশি :
১. হ্যালির ধুমকেতু।
৪. মহাকাশে যাওয়া প্রথম প্রাণী— লাইকা।
৭. পৃথিবীর চারদিকে চাঁদের ঘোরার সময়কাল— চান্দ্রমাস।
৮. এরা গ্রহের চারিদিকে পাক খায়— উপগ্রহ।
৯. বড়ো গ্রহের ভাঙা অংশ— গ্রহাণু পুঞ্জ।
১০. বামনগ্রহ প্লুটো।
১১. সূর্যের ঝড়— সৌরঝড়।
১২. সূর্য যে ছায়াপথে আছে— আকাশগঙ্গা
ওপর-নীচ :
২. মহাকাশে যারা পাড়ি দেন— মহাকাশচারী।
৩. মহাকাশ দেখার যন্ত্র— টেলিস্কোপ।
৪. মঙ্গলকে যা বলা হয়— লালগ্রহ।
৫. বৃহত্তম গ্রহাণু— সেরেস্।
৬. পৃথিবী— নীলগ্রহ।
৮. তারা খসা— উল্কা।
১১. সূর্যের পরিবার— সৌরজগৎ।
১৩. এক নক্ষত্রমণ্ডল— কালপুরুষ।
∆ কেন হয় ? লিখে ফেলো—
» বুধের ১ বছর পৃথিবীর ১ বছরের চেয়ে কম সময়ের হয় কেন ?
উত্তরঃ বুধ সূর্যের সর্বাপেক্ষা নিকটতম গ্রহ এবং পৃথিবী তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। সূর্যের কাছে থাকার জন্যই বুধের কক্ষপথের পরিধি ছোটো ফলে বুধের সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবী থেকে অনেক কম সময় লাগে। এই কারণে বুধের ১ বছর পৃথিবীর ১ বছরের চেয়ে কম সময়ের হয়।
» আমরা চাঁদের একটা পিঠ দেখতে পাই কেন ?
উত্তরঃ চাঁদের আবর্তন কাল ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা এবং পরিক্রমণ কাল প্রায় ২৭ দিন ৭ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট ১১ সেকেন্ড অর্থাৎ চাঁদের আবর্তন এবং পরিক্রমণ কাল প্রায় সমান। এজন্য আমরা পৃথিবী থেকে চাঁদের একটা পিঠই দেখতে পাই।
» দিনেরবেলায় জ্যোতিষ্কদের দেখা যায় না কেন ?
উত্তরঃ দিনেরবেলাতেও জ্যোতিষ্করা আকাশে উপস্থিত থাকে। তবে এদের থেকে সূর্য পৃথিবীর অনেক কাছে থাকায় এর আলোই প্রাধান্য পায়। এই তীব্র সূর্যালোকের জন্য অন্যান্য সকল জ্যোতিষ্কের আলো চাপা পড়ে যায় অর্থাৎ তাদের আর দেখা যায় না।
» বেশিরভাগ সময় চাঁদ কেন ফালির মতো দেখায় ?
উত্তরঃ পৃথিবী পরিক্রমণ কালে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে আসলে চাঁদের গায়ে সম্পূর্ণ সূর্যালোক পড়ে না। যতটুকু অংশে সূর্যালোক পড়ে শুধু ততটুকু অংশই আলোকিত দেখায়। একমাত্র পূর্ণিমার সময় সম্পূর্ণ অংশ দেখা যায়। এজন্য বেশিরভাগ সময়ই চাঁদকে ফালির মতো দেখায়।
∆ আমাদের মধ্যে তফাৎ খোঁজো—
• নক্ষত্র আর গ্রহ
| বাম | ডান |
| (১) গ্রহের নিজস্ব কোনো আলো নেই। | (১) নক্ষত্রের নিজস্ব আলো আছে। |
| (২) গ্রহ নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরে। | (২) নক্ষত্র গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে না। |
| (৩) গ্রহ নক্ষত্রের তুলনায় বড় হয় না। | (৩) নক্ষত্র গ্রহের তুলনায় অনেক বড় হতে পারে। |
• গ্রহ আর উপগ্রহ
| বাম | ডান |
| সূর্য বা অন্য কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘোরে। | কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে। |
| উপগ্রহের চেয়ে আকারে অনেক বড় হয়। | গ্রহের তুলনায় আকারে ছোট হয়। |
| নিজের আলো নেই, নক্ষত্রের আলো প্রতিফলিত করে। | নিজের আলো নেই, গ্রহ বা নক্ষত্রের আলো প্রতিফলিত করে। |
| উদাহরণ- পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি | উদাহরণ- চাঁদ (পৃথিবীর উপগ্রহ), টাইটান (শনি গ্রহের উপগ্রহ)। |
• ধূমকেতু আর উল্কা
| বাম | ডান |
| ঝাঁটার মত লেজ বিশিষ্ট উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। | মেঘহীন রাতের আকাশে হঠাৎ আলোর রেখা নেমে আসতে দেখা যায়। একে উল্কা বলে। |
| ধুমকেতু সুদীর্ঘ কক্ষপথে নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। | উল্কার কোন নির্দিষ্ট কক্ষপথ নেই। |
| সাধারণত ধুমকেতুর বিনাশ হয় না। | উল্কা অনেক সময় বায়ুমন্ডলে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। |
| ধুমকেতুর নিজস্ব আলো ও তাপ আছে। | উল্কার নিজস্ব আলো ও তাপ নেই। |
পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৪
মিলিয়ে দাও
ধূমকেতু– নক্ষত্রমণ্ডল
তারা– জ্যোতিষ্কের নিজেদের পথ
ছায়াপথ– তারাখসা
উল্কা– ল্যাজওলা জ্যোতিষ্ক
কক্ষপথ– জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিন্ড
কালপুরুষ– লক্ষ লক্ষ তারার সমষ্টি
লালগ্রহ– আকাশ নিয়ে যারা গবেষণা করেন
জ্যোতির্বিজ্ঞানী– মঙ্গল
উত্তরঃ
| বামদিক | ডানদিক |
| ধূমকেতু | ল্যাজওলা জ্যোতিষ্ক |
| তারা | জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিন্ড |
| ছায়াপথ | লক্ষ লক্ষ তারার সমষ্টি |
| উল্কা | তারাখসা |
| কক্ষপথ | জ্যোতিষ্কের নিজেদের পথ |
| কালপুরুষ | নক্ষত্রমণ্ডল |
| লালগ্রহ | মঙ্গল |
| জ্যোতির্বিজ্ঞানী | আকাশ নিয়ে যারা গবেষণা করেন |
📌 আরো দেখুনঃ
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইংরেজি প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইতিহাস প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি ভূগোল প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি গণিত প্রশ্নোত্তর Click Here
📌ষষ্ঠ শ্রেণি বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর Click Here
