ভরদুপুরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা | Class 6 Bengali Bhordupure Kobitar Question Answer West Bengal Board

সাহিত্য মেলা
ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা

ভরদুপুরে কবিতার প্রশ্নোত্তর ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা | Bhordupure Kobitar Question Answer Class 6 Bengali wbbse

ভরদুপুরে কবিতার প্রশ্নোত্তর ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা | Class 6 Bengali Bhordupure Kobitar Question Answer wbbse

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ভরদুপুরে কবিতার কবিতা, কবি পরিচিতি, অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর, হাতে কলমে প্রশ্নোত্তর | Class 6 Bengali Bhordupure Kobitar Question Answer wbbse

📌ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌ষষ্ঠ শ্রেণি ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা ভরদুপুরে কবিতার কবিতা, কবি পরিচিতি, অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর, হাতে কলমে প্রশ্নোত্তর | Class 6 Bengali Bhordupure Kobitar Question Answer wbbse

ভরদুপুরে
—নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর

ওই যে অশথ গাছটি, ও তো
পথিকজনের ছাতা,
তলায় ঘাসের গালচেখানি
আদর করে পাতা।
চরছে দূরে গোরুবাছুর,
গাছের তলায় শুয়ে,
দেখছে রাখাল মেঘগুলো যায়
আকাশটাকে ছুঁয়ে।

খোলের মধ্যে বোঝাই করে
শুকনো খড়ের আঁটি
নদীর ধারে বাঁধা কাদের
ওই বড়ো নৌকাটি।
কেউ কোথা নেই, বাতাস ওড়ায়
মিহিন সাদা ধুলো,
ভরদুপুরে যে যার ঘরে
ঘুমোচ্ছে লোকগুলো।
শুধুই কী আর মানুষ ঘুমোয়,
যে জানে, সে-ই জানে
আঁচল পেতে বিশ্বভুবন
ঘুমোচ্ছে এইখানে।

ভরদুপুরে কবিতার কবি পরিচিতি : শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় (১৯৩৩-২০০১) : জন্মস্থান অধুনা বাংলাদেশের খুলনা। বহুবিচিত্র জীবিকার
অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই সাংবাদিক-লেখকের সব রচনাতেই সেই বিচিত্রতার স্বাদ পাওয়া যায়। বহু সাহিত্য পুরস্কারে সম্মানিত এই লেখক ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে তাঁর শাহাজাদা দারাশুকো উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে— বেঁচে থাকার স্বাদ, ভাস্কো দা গামার ভাইপো, মনে কি পড়ে, কুবেরের বিষয়আশয়, ঈশ্বরীতলার বুপোকথা, ক্লাস সেভেনের মিস্টার ব্রেক। বর্তমান রচনাংশটি তাঁর শংকর সেনাপতি গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

ভরদুপুরে কবিতার সারসংক্ষেপ : কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁর ‘ভরদুপুরে’ কবিতায় গ্রামবাংলার এক অলস দুপুরের চিত্র এঁকেছেন। গ্রীষ্মের দুপুরে একটি অশ্বত্থ গাছ যেন পথিকদের ছাতা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের নীচে যেন নরম ঘাসের গালচে অর্থাৎ কার্পেট পাতা রয়েছে। দূরের মাঠে গরু বাছুর চরছে। রাখাল বালক গাছের নীচে শুয়ে আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখছে। শুকনো খড়ের আঁটি বোঝাই করে নদীর ধারে কাদের যেন একটা বড়ো নৌকা বাঁধা রয়েছে। এই নির্জন দুপুরে চারদিকে কেউ কোথাও নেই, বাতাসে সাদা মিহি ধুলো উড়ছে। কবি বলেছেন এই নির্জন দুপুরে শুধু মানুষই নয়, বিশ্বভুবন অর্থাৎ বিশ্বপ্রকৃতিও যেন ঘুমিয়ে আছে, যাদের অনুভব করার ক্ষমতা আছে সেই শুধু বিশ্বপ্রকৃতির এই ঘুমের কথা বুঝতে পারবে।

ভরদুপুরে কবিতার নামকরণের সার্থকতা : কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁর ‘ভরদুপুরে’ কবিতায় গ্রামবাংলার এক নির্জন দুপুরের অলস, শান্ত, ছায়াময় রূপের বর্ণনা দিয়েছেন। গ্রীষ্মের প্রখর রোদের তাপ থেকে বাঁচতে ক্লান্ত পথিকদের একটা আশ্রয় চায়। গ্রামের অশ্বত্থ গাছটি ছাতার মতো তাদের ছায়া দান করে। গাছের নীচের নরম গালিচার মতো ঘাসের ওপর পথিকরা আশ্রয় নেয়। দূরে মাঠের মাঝে গোরু-বাছুরগুলোকে চরতে দিয়ে ক্লান্ত রাখাল একটা গাছের নীচে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। শুয়ে শুয়ে সে নীল আকাশের মাঝে সাদা মেঘের আনাগোনা দেখছে। নদীর ধারে বাঁধা খড় ভরতি একটা ব্যস্ততাহীন নৌকা গ্রাম্য দুপুরের আলস্যকে যেন আরও বাড়িয়ে তুলছে। দুপুরের এলোমেলো হাওয়ায় মিহি সাদা ধুলো উড়ছে। লোকজন আলস্যভরে যে যার ঘরে ঘুমোচ্ছে। কবির অনুভব, শুধু মানুষই নয়, সমগ্র বিশ্বপ্রকৃতিই যেন এই নির্জন, অলস দুপুরে তার আঁচল বিছিয়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। কবির মতে খুব কম লোকই বিশ্বপ্রকৃতির এই ঘুমের খবর রাখে।

আলোচ্য কবিতায় কবি গ্রামবাংলার এক নির্জন, উদাস দুপুরের অপূর্ব বর্ণনা ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই কবিতাটির বিষয়বস্তু অনুযায়ী ‘ভরদুপুরে’ কবিতার নামকরণ সার্থক হয়েছে।

‘হাতে কলমে’ প্রশ্নোত্তর : ভরদুপুরে কবিতা ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা | Bhordupure Kobitar Question Answer Class 6 Bengali wbbse

১। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।

১.১ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্মস্থান কোথায় ?

উত্তরঃ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্মস্থান বাংলাদেশের ফরিদপুরের চান্দ্রা গ্রাম।

১.২ তার লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর লেখা দুটি কাব্যগ্রন্থ হল- ‘নীল নির্জন’ ও ‘কলকাতার যীশু’।

২। নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও।

২.১ ‘অশথ গাছ’-কে পথিকজনের ছাতা বলা হয়েছে কেন ?

উত্তরঃ অশ্বত্থ গাছটি ছাতার মতো পথিকদের রোদবৃষ্টি থেকে আড়াল করে বলে তাকে পথিকজনের ছাতা বলা হয়েছে।

২.২ রাখালরা গাছের তলায় শুয়ে কী দেখছে ?

উত্তরঃ রাখালরা অশ্বত্থ গাছের তলায় শুয়ে মাথার ওপরে নীল আকাশে মেঘেদের আনাগোনা দেখছে।

২.৩ নদীর ধারের কোন্ দৃশ্য কবিতায় ফুটে উঠেছে ?

উত্তরঃ নদীর ধারে শুকনো খড়ের আঁটি বোঝাই করা একটা বড়ো নৌকা বাঁধা থাকার দৃশ্য কবিতায় ফুটে উঠেছে

৩। একই অর্থযুক্ত শব্দ কবিতা থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো: তৃণ, তটিনী, গোরক্ষক, পৃথিবী, জলধর।

প্রদত্ত শব্দ কবিতার শব্দ প্রদত্ত শব্দ কবিতার শব্দ
তৃণ ঘাস পৃথিবী বিশ্ব/ভুবন
তটিনী নদী জলধর মেঘ
গোরক্ষক রাখাল

৪। নীচের বিশেষ্য শব্দগুলিকে বিশেষণে ও বিশেষণ শব্দগুলিকে বিশেষ্যে পরিবর্তিত করো: ঘাস, রাখাল, আকাশ, মাঠ, আদর, গাছ, লোক।

বিশেষ্য বিশেষণ বিশেষ্য বিশেষণ
ঘাস ঘেসো আদর আদুরে
রাখাল রাখালিয়া গাছ গেছো
আকাশ আকাশী লোক লৌকিক
মাঠ মেঠো

৫। পাশে দেওয়া শব্দগুলির সঙ্গে উপসর্গ যোগ করে নতুন শব্দ তৈরি করো : নদী, আদর, বাতাস।

উত্তরঃ

উপসর্গ শব্দ নতুন শব্দ
উপ নদী উপনদী
অনা দর অনাদর
সু বাতাস সুবাতাস

৬। নীচের বাক্য বা বাক্যাংশগুলির থেকে উদ্দেশ্য ও বিধেয় চিহ্নিত করে উদ্দেশ্য অংশের সম্প্রসারণ করো।

৬.১ ওই যে অশথ গাছটি, ও তো পথিকজনের ছাতা।

উত্তরঃ উদ্দেশ্য– ওই যে অশথ গাছি তো

বিধেয়– পথিকজনের ছাতা।

উদ্দেশ্যের সম্প্রসারণ– নদীর ধারের ওই যে বহুদিনের পুরোনো অশথ গাছটি, ও তো।

৬.২ কেউ কোথা নেই, বাতাস ওড়ায় মিহিন সাদা ধুলো।

উত্তরঃ প্রথম বাক্যাংশ– কেউ কোথা নেই

উদ্দেশ্য– কেউ

বিধেয়– কোথা নেই।

উদ্দেশ্যের সম্প্রসারণ– গ্রীষ্মের দুপুরে আমাকে রাস্তাটা চিনিয়ে দেওয়ার মতো কেউ

দ্বিতীয় বাক্যাংশ— বাতাস ওড়ায় মিহিন সাদা ধুলো।

উদ্দেশ্য– বাতাস।

বিধেয়– ওড়ায় মিহিন সাদা ধুলো।

উদ্দেশ্যের সম্প্রসারণ– ঝোড়ো বাতাস।

৬.৩ আঁচল পেতে বিশ্বভুবন ঘুমোচ্ছে এইখানে।

উত্তরঃ উদ্দেশ্য– বিশ্বভুবন।

বিধেয়– আঁচল পেতে এইখানে ঘুমোচ্ছে।

উদ্দেশ্যের সম্প্রসারণ– ভরদুপুরে বিশ্বভুবন।

৭। বিশ্বভুবন’ শব্দে ‘বিশ্ব’ আর ‘ভুবন’ শব্দ দুটির একত্র উপস্থিতি রয়েছে যাদের অর্থ একই। এমন পাঁচটি নতুন শব্দ তুমি তৈরি করো।

নতুন শব্দ প্রথম শব্দ নতুন শব্দ
বলাকওয়া বলা কওয়া
লোকজন লোক জন
দীনদরিদ্র দীন দরিদ্র
কাজকর্ম কাজ কর্ম
হাঁটাচলা হাঁটা চলা

৮। ক্রিয়ার কাল নির্ণয় করা (কোনটিতে কাজ চলছে। কোনটিতে বোঝাচ্ছে কাজ শেষ হয়ে গেছে)

৮.১ চরছে দূরে গোরুবাছুর।

উত্তরঃ চরছে– কাজ চলছে (ঘটমান বর্তমান)

৮.২ দেখছে রাখাল মেঘগুলো যায় আকাশটাকে ছুঁয়ে।

উত্তরঃ যায়– কাজ চলছে (ঘটমান বর্তমান)।

৮.৩ নদীর ধারে বাঁধা কাদের ওই বড়ো নৌকাটি।

উত্তরঃ বাঁধা– কাজ শেষ হয়ে গেছে (পুরাঘটিত বর্তমান)।

৮.৪ বাতাস ওড়ায় মিহিন সাদা ধুলো।

উত্তরঃ ওড়ায়– কাজ চলছে (ঘটমান বর্তমান)

৮.৫ আঁচল পেতে বিশ্বভুবন ঘুমোচ্ছে এইখানে।

উত্তরঃ ঘুমোচ্ছে– কাজ চলছে (ঘটমান বর্তমান)

৯। নীচের বাক্যগুলির গঠনগত শ্রেণিবিভাগ করো (সরল/যৌগিক/ জটিল)

৯.১ তলায় ঘাসের গালচেখানি আদর করে পাতা।

উত্তরঃ সরল বাক্য।

৯.২ ওই যে অশথ গাছটি, ও তো পথিকজনের ছাতা।

উত্তরঃ জটিল বাক্য।

৯.৩ ভরদুপুরে যে যার ঘরে ঘুমোচ্ছে লোকগুলো।

উত্তরঃ সরল বাক্য।

৯.৪ যে জানে, সেই জানে।

উত্তরঃ জটিল বাক্য।

১০। ‘ওই যে অশথ গাছটি…’ অংশে ওই একটি দূরত্ববাচক নির্দেশক সর্বনাম। এমন আরও কয়েকটি সর্বনামের উদাহরণ দাও। যেমন– ও, উহা, উনি, ওঁরা ইত্যাদি।

উত্তরঃ উল্লিখিত সর্বনামগুলি ছাড়া আরও কয়েকটি সর্বনাম হল– ওটা, ওগুলো, ওখানে, ওঁকে, ওঁদের ইত্যাদি।

১১। ‘পথিকজনের ছাতা’ সম্বন্ধপদটি চিহ্নিত করো, কবিতায় থাকা সম্বন্ধপদ খুঁজে লেখো আর নতুন সম্বন্ধপদ যুক্ত শব্দ তৈরি করো। যেমন– গোঠের রাখাল, দুপুরের ঘুম।

উত্তরঃ ‘পথিকজনের ছাতা’– এখানে সম্বন্ধপদটি হল ‘পথিকজনের। কবিতায় রয়েছে এমন দুটি সম্বন্ধপদ হল– (১) ঘাসের, (২) গাছের। এ ছাড়াও কয়েকটি নতুন সম্বন্ধপদ যুক্ত শব্দ হল– আকাশের, কাগজের ইত্যাদি।

১২। ‘ওই বড়ো নৌকাটি বলতে বোঝায় একটি নৌকাকে। নৌকার সঙ্গে এখানে ‘টি’ নির্দেশক বসিয়ে একবচন বোঝানো হয়েছে। এরকম একটি মাত্র একবচনের রূপ বোঝাতে কোন্ কোন্ নির্দেশক ব্যবহৃত হতে পারে, তা উদাহরণ দিয়ে লেখো।

উত্তরঃ একবচন বোঝাতে ‘টি’ ছাড়া ‘টা’, ‘খানা’, ‘খানি’ ইত্যাদি। নির্দেশক ব্যবহৃত হতে পারে। নীচে কয়েকটি উদাহরণের সাহায্যে তা দেখানো হল—

টা– ছেলেটা, মেয়েটা, বাড়িটা, জামাটা ইত্যাদি

খানা– একখানা, চৌকিখানা, গাড়িখানা ইত্যাদি।

খানি– একখানি, আসনখানি, মুখখানি ইত্যাদি।

১৩। কবিতা থেকে বহুবচনের প্রয়োগ রয়েছে এমন শব্দ খুঁজে নিয়ে লেখো। প্রসঙ্গত, শব্দকে আর কী কী ভাবে আমরা বহুবচনের রূপ দিতে পারি, তা উদাহরণের সাহায্যে বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ বহুবচনের প্রয়োগ রয়েছে, কবিতা থেকে পাওয়া এমন শব্দগুলি হল— ‘গোরুবাছুর’, ‘মেঘগুলো’, ‘কাদের’, ‘লোকগুলো। এ ছাড়া ‘রা’, ‘সমূহ’, ‘শ্রেণি’, ‘রাশি’, ‘বর্গ’, ‘দল’, শত’, ‘রাজি’, ‘মালা’, ‘পুঞ্জ’, ‘বৃন্দ’, ‘মণ্ডলী’, ‘বহু’, ‘গুলি’ ইত্যাদি নির্দেশক যোগ করে বহুবচনের রূপ দেওয়া সম্ভব। নীচে প্রতিটি নির্দেশক প্রয়োগের মাধ্যমে শব্দ গঠন করে বহুবচনের রূপটি দেখানো হল—

রা– ছেলেরা। সমূহ– গ্রন্থসমূহ

শ্রেণি– বৃক্ষশ্রেণি। রাশি– জলরাশি।

বর্গ– ব্যক্তিবর্গ। দল– গুল্মদল।

শত– শতবর্ষ। রাজি– পুষ্পরাজি

মালা– মেঘমালা। পুঞ্জ– নক্ষত্রপুঞ্জ

বৃন্দ– অধিবাসীবৃন্দ। মণ্ডলী– অতিথিমগুলী।

বহু– বহুদিন। গুলি– গানগুলি।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর : ভরদুপুরে কবিতা ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা | Hate Kolome Question Answer Bhordupure Kobita Class 6 Bengali wbbse

∆ সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখ : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ১

১. ভরদুপুরে কবিতাটির কবি হলেন- (শক্তি চট্টোপাধ্যায় / অরুণ মিত্র / জসীমউদ্দীন / নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী)।

উত্তরঃ নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।

২. কবিতায় অশথ গাছটিকে বলা হয়েছে- (পথিকজনের ছাতা / রাখালের বন্ধু / গ্রামের পাহারাদার / নদীর সাথি)

উত্তরঃ পথিকজনের ছাতা।

৩. অশথ গাছের তলায় পাতা রয়েছে- (শুকনো পাতা / ঘাসের গালচেখানি / বালির আস্তরণ / ফুলের চাদর)

উত্তরঃ ঘাসের গালচেখানি।

৪. দূরে কী চরছে ? (ছাগল / ঘোড়া / গোরুবাছুর / মহিষ)।

উত্তরঃ গোরুবাছুর।

৫. গাছের তলায় শুয়ে মেঘ দেখছে- (পথিক / কৃষক / রাখাল / মাঝি)।

উত্তরঃ রাখাল।

৬. মেঘগুলো যেতে দেখা যায়- (চাঁদটাকে ছুঁয়ে / পাহাড় ডিঙিয়ে / আকাশটাকে ছুঁয়ে / পাহাড় ছুঁয়ে)।

উত্তরঃ আকাশটাকে ছুঁয়ে।

৭. খোলে বোঝাই করা আছে- (ধানের বস্তা / শুকনো খড়ের আঁটি / কাঠের গুঁড়ি / মাছের ঝুড়ি)।

উত্তরঃ শুকনো খড়ের আঁটি।

৮. বড় নৌকাটি কোথায় বাঁধা ? (পুকুরের ধারে / গ্রামের ঘাটে / নদীর ধারে / মাঠের পাশে)।

উত্তরঃ নদীর ধারে।

৯. ভরদুপুরে বাতাস কী ওড়ায় ? (কালো ধোঁয়া / মিহিন সাদা ধুলো / শুকনো পাতা / ফুলের গন্ধ)।

উত্তরঃ মিহিন সাদা ধুলো।

১০. কবির মতে ভরদুপুরে কে কে ঘুমোচ্ছে ? (শুধু মানুষ / মানুষ ও পশু / শুধু প্রকৃতি / বিশ্বভুবন)।

উত্তরঃ বিশ্বভুবন।

∆ একটি বাক্যে উত্তর দাও : প্রতিটি প্রশ্নের মান-১

১. প্রশ্নঃ কবিতায় অশথ গাছটিকে কী বলা হয়েছে ?

উত্তরঃ কবিতায় অশথ গাছটিকে পথিকজনের ছাতা বলা হয়েছে।

২. প্রশ্নঃ অশথ গাছের তলায় কী পাতা আছে ?

উত্তরঃ অশথ গাছের তলায় ঘাসের গালচেখানি আদর করে পাতা আছে।

৩. প্রশ্নঃ দূরে কী চরছে ?

উত্তরঃ দূরে গোরুবাছুর চরছে।

৪. প্রশ্নঃ গাছের তলায় শুয়ে কে মেঘ দেখছে?

উত্তরঃ গাছের তলায় শুয়ে রাখাল মেঘ দেখছে।

৫. প্রশ্নঃ রাখাল কী দেখতে দেখতে আছে ?

উত্তরঃ রাখাল মেঘগুলো আকাশটাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে তা দেখতে আছে।

৬. প্রশ্নঃ খোলের মধ্যে কী বোঝাই করা আছে ?

উত্তরঃ খোলের মধ্যে শুকনো খড়ের আঁটি বোঝাই করা আছে।

৭. প্রশ্নঃ বড় নৌকাটি কোথায় বাঁধা আছে ?

উত্তরঃ বড় নৌকাটি নদীর ধারে বাঁধা আছে।

৮. প্রশ্নঃ ভরদুপুরে বাতাস কী ওড়ায় ?

উত্তরঃ ভরদুপুরে বাতাস মিহিন সাদা ধুলো ওড়ায়।

৯. প্রশ্নঃ ভরদুপুরে মানুষ কোথায় থাকে ?

উত্তরঃ ভরদুপুরে মানুষ যে যার ঘরে থাকে।

১০. প্রশ্নঃ কবির মতে ভরদুপুরে কারা ঘুমোচ্ছে ?

উত্তরঃ কবির মতে ভরদুপুরে আঁচল পেতে বিশ্বভুবন ঘুমোচ্ছে।

∆ দু-তিনটি বাক্যে প্রশ্ন উত্তর : প্রতিটি প্রশ্নের মান- ২

১. প্রশ্নঃ কবিতায় অশথ গাছটিকে কেন পথিকজনের ছাতা বলা হয়েছে ?

উত্তরঃ অশথ গাছটি পথিকদের ছায়া দেয়। গরম দুপুরে পথিকরা তার তলায় বিশ্রাম নিতে পারে। তাই কবিতায় তাকে পথিকজনের ছাতা বলা হয়েছে।

২. প্রশ্নঃ অশথ গাছের তলার পরিবেশ কেমনভাবে বর্ণনা করা হয়েছে ?

উত্তরঃ অশথ গাছের তলায় ঘাসের গালচেখানি আদর করে পাতা আছে। পরিবেশটি শান্ত ও আরামদায়ক বলে মনে হয়।

৩. প্রশ্নঃ কবিতায় রাখালের ভূমিকা কীভাবে তুলে ধরা হয়েছে ?

উত্তরঃ রাখাল গাছের তলায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। সে আকাশে ভেসে যাওয়া মেঘগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে।

৪. প্রশ্নঃ কবিতায় গ্রামের দুপুরের চিত্র কীভাবে ফুটে উঠেছে ?

উত্তরঃ কবিতায় গোরুবাছুর চরছে, নৌকা নদীর ধারে বাঁধা এবং চারদিকে নীরবতা। এসব দৃশ্য গ্রামের ভরদুপুরের শান্ত পরিবেশকে তুলে ধরেছে।

৫. প্রশ্নঃ খোলে বোঝাই শুকনো খড়ের আঁটির উল্লেখ কেন করা হয়েছে ?

উত্তরঃ শুকনো খড়ের আঁটি গ্রামজীবনের দৈনন্দিন কাজের ইঙ্গিত দেয়। এতে গ্রামের বাস্তব চিত্র আরও স্পষ্ট হয়েছে।

৬. প্রশ্নঃ নদীর ধারে বাঁধা বড় নৌকাটি কী বোঝায় ?

উত্তরঃ নৌকাটি স্থিরভাবে নদীর ধারে বাঁধা আছে। এটি দুপুরের নিস্তব্ধতা ও বিশ্রামের সময়কে বোঝায়।

৭. প্রশ্নঃ ভরদুপুরে বাতাস ওড়ানো ধুলো কীসের প্রতীক করে ?

উত্তরঃ মিহিন সাদা ধুলো চারপাশের নিস্তব্ধতাকে আরও গভীর করে তোলে। এটি দুপুরের শূন্যতা ও শান্তির প্রতীক।

৮. প্রশ্নঃ কবিতায় মানুষদের অনুপস্থিতি কেন লক্ষ্য করা যায় ?

উত্তরঃ ভরদুপুরে মানুষ যে যার ঘরে ঘুমোচ্ছে। তাই বাইরে কাউকে দেখা যায় না।

৯. প্রশ্নঃ কবি কেন প্রশ্ন করেন—‘শুধুই কি আর মানুষ ঘুমোয়?’

উত্তরঃ কবি বোঝাতে চান শুধু মানুষ নয়, প্রকৃতিও যেন ঘুমিয়ে পড়েছে। চারপাশের নীরবতা সেই ভাবনাকেই প্রকাশ করে।

১০. প্রশ্নঃ ‘আঁচল পেতে বিশ্বভুবন ঘুমোচ্ছে’— এই পঙ্‌ক্তির তাৎপর্য কী ?

উত্তরঃ এই পঙ্‌ক্তিতে পুরো প্রকৃতিকে একজন মায়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। ভরদুপুরে বিশ্বভুবন যেন শান্ত ঘুমে আচ্ছন্ন।

📌 আরো দেখুনঃ

📌ষষ্ঠ শ্রেণি বাংলা প্রশ্নোত্তর Click Here

📌ষষ্ঠ শ্রেণির ইউনিট টেস্ট প্রশ্নপত্র Click Here

WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now

Leave a Reply